বাংলা বস চটি গল্প: রিয়ার শনিবারের অফিস
রিয়া লিফটের দরজা বন্ধ হওয়ার আগেই ভেতরে ঢুকে পড়ল, হাতে ল্যাপটপের ব্যাগ, কাঁধে ভেজা ছাতা। শনিবার সকাল নটা, পার্ক স্ট্রিটের অফিস প্রায় খালি থাকার কথা। এই বাংলা বস চটি গল্পটা শুরু হয়েছিল ঠিক এখান থেকেই, যদিও তখন রিয়া কিছুই জানত না।
রিয়া ব্যানার্জি, আঠাশ বছর, মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ। সোমবার সকালে এক বড় ক্লায়েন্টের সামনে পিচ, আর তার প্রেজেন্টেশন তখনও অর্ধেক অসমাপ্ত। শুক্রবার রাতে সে ঠিক করেছিল, শনিবার অফিসে এসে একা একা শেষ করবে। কেউ থাকবে না, কোনো ডিস্টার্বেন্স থাকবে না, এই ছিল পরিকল্পনা।
কিন্তু সাত তলায় উঠে সে দেখল কনফারেন্স রুমের আলো জ্বলছে। ভেতরে দেবাশিস সেন, তার বস, ঊনচল্লিশ বছর, শার্টের হাতা গোটানো, ল্যাপটপের সামনে বসে। রিয়ার পায়ের শব্দে তিনি তাকালেন। "তুমি?" তিনি হাসলেন। "আমিও একই কারণে এসেছি।"
"স্যার, আপনি শনিবারেও?" রিয়া অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল। দেবাশিস চেয়ারে হেলান দিলেন। "সোমবারের পিচটা আমারও মাথায় ঘুরছে। বসো, একসাথে শেষ করি।" রিয়া তার ল্যাপটপ বের করে পাশের চেয়ারে বসল। অফিসে আর কেউ নেই, এই অনুভূতিটা অদ্ভুতভাবে ব্যক্তিগত লাগছিল।
কাজ শুরু হলো। দেবাশিস তার স্লাইডগুলো দেখলেন, কড়া কিন্তু ন্যায্য মন্তব্য করলেন। "এই ডেটাটা আগে আনো, ক্লায়েন্ট প্রথম তিরিশ সেকেন্ডে সিদ্ধান্ত নেয়।" তার কণ্ঠ গভীর, আত্মবিশ্বাসী। রিয়া নোট নিল, কিন্তু তার মনোযোগ বারবার তার দিকে চলে যাচ্ছিল। আগে কখনো এত কাছ থেকে তাকে দেখেনি।
একটা স্লাইড ঠিক করতে গিয়ে দুজনেই একসাথে ল্যাপটপের দিকে ঝুঁকল। তাদের কাঁধ ছুঁয়ে গেল। রিয়া সরে গেল না, দেবাশিসও না। এক সেকেন্ড, দুই সেকেন্ড। তারপর দুজনেই স্বাভাবিক হওয়ার ভান করে কাজে ফিরল, কিন্তু বাতাসে কিছু একটা বদলে গিয়েছিল।
দুপুরে দেবাশিস বিরিয়ানি অর্ডার করলেন। "আমার ট্রিট, ওভারটাইমের ক্ষতিপূরণ।" তারা তার কেবিনে বসে খেল, দরজা খোলা। তিনি তার স্ত্রীর কথা বললেন, দিল্লিতে থাকেন, দুই বাচ্চা। রিয়া তার ব্রেকআপের কথা বলল, ছয় মাস আগে, ছেলেটা বুঝত না কেন কাজ তার কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ।
"তার ক্ষতি," দেবাশিস বললেন, রিয়ার চোখে চোখ রেখে। সেই দৃষ্টি একটু বেশি সময় ধরে থাকল। রিয়া বিরিয়ানির দিকে তাকাল, গাল গরম হয়ে উঠছিল। বসের সাথে এভাবে কথা বলা ঠিক হচ্ছে না, কিন্তু থামতে ইচ্ছে করছিল না।
খাওয়া শেষে তারা আবার কনফারেন্স রুমে ফিরল। দেবাশিস তার পাশে বসেছিলেন, এত কাছে যে তাদের হাঁটু মাঝে মাঝে ছুঁয়ে যাচ্ছিল। প্রতিবার ছোঁয়ার পর রিয়া সরে যেত না, দেবাশিসও না। কাজ এগোচ্ছিল, কিন্তু দুজনের মনোযোগ অর্ধেক কাজে, অর্ধেক একে অপরের উপস্থিতিতে। রিয়া নিজেকে বোঝাল, এটা শুধুই ক্লান্তি, শুধুই শনিবারের অলস দুপুর।
বিকেলে কাজ আবার জোরদার হলো। দেবাশিস তার চেয়ারের পেছনে দাঁড়িয়ে স্ক্রিন দেখছিলেন, তার হাত চেয়ারের পিঠে। রিয়া তার শরীরের উষ্ণতা অনুভব করতে পারছিল। প্রতিবার তিনি ঝুঁকলে তার শার্টের গন্ধ আসত, মৃদু পারফিউম আর পুরুষালি ঘাম। রিয়ার মনোযোগ স্লাইড থেকে সরে যাচ্ছিল।
"এই লাইনটা বদলাও," তিনি বললেন, তার কণ্ঠ তার কানের খুব কাছে। রিয়া টাইপ করতে গিয়ে ভুল করল। তিনি হাসলেন, নিচু গলায়। "মন কোথায়, রিয়া?" সে জবাব দিল না। দিতে পারল না।
তিনি তার চেয়ারের পেছনে আরও কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন। তার একটা হাত চেয়ারের পিঠ থেকে সরে রিয়ার কাঁধে এল, হালকা, প্রায় দুর্ঘটনার মতো। "এই প্যারাগ্রাফটা ঠিক করো," তিনি বললেন, কিন্তু হাত সরালেন না। রিয়ার কাঁধের ত্বক সেই স্পর্শে জ্বলছিল। সে টাইপ করল, ভুল করল, আবার টাইপ করল। তার হাত তখনও সেখানে, ভারী, উষ্ণ।
সন্ধে ছটায় বাইরে বৃষ্টি নামল, জোরে। জানালার কাচে পানির ধারা। ডেক শেষ, প্রেজেন্টেশন তৈরি। দেবাশিস চেয়ারে বসে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। "হয়ে গেছে। আমরা পেরেছি।" তিনি ড্রয়ার খুলে একটা হুইস্কির বোতল বের করলেন। রিয়া চোখ বড় বড় করল। "স্যার!"
"শনিবার সন্ধে, অফিস খালি, আর আমরা জিততে চলেছি। এক পেগ তো बनता है।" তিনি দুটো কাগজের কাপে ঢাললেন। রিয়া নিল, হাসতে হাসতে। হুইস্কি গলায় নেমে গরম ছড়িয়ে দিল। দেবাশিস তার দিকে তাকিয়ে ছিলেন, সেই দৃষ্টি আবার।
"সত্যি বলো," রিয়া বলল, দ্বিতীয় চুমুকের পর সাহস পেয়ে, "তুমি সব শনিবার এভাবে অফিসে থাকো?" দেবাশিস হাসলেন। "শুধু যেদিন কোনো সুন্দরী এক্সিকিউটিভ একা কাজ করতে আসে।" রিয়া হেসে ফেলল, কিন্তু তার পেটের ভেতর কিছু একটা মোচড় দিল। এই কথোপকথন আর বস-কর্মচারীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, দুজনেই জানে।
"তুমি জানো," তিনি বললেন, কাপটা টেবিলে রেখে, "তুমি এই কোম্পানির সেরা হায়ার।" রিয়া হাসল। "স্যার, হুইস্কি খেয়ে সবাই এটাই বলে।" তিনি হাসলেন না। উঠে দাঁড়িয়ে তার কাছে এলেন। "আমি হুইস্কি খেয়ে মিথ্যে বলি না।"
রিয়ার হৃৎপিণ্ড ধড়াস ধড়াস করছিল। দেবাশিস তার সামনে দাঁড়িয়ে, এত কাছে যে সে তার নিঃশ্বাস অনুভব করতে পারছিল। "স্যার, এটা..." সে বলতে শুরু করল, কিন্তু তিনি তার ঠোঁটে আঙুল রাখলেন। "শশশ।" তারপর তিনি ঝুঁকে তার ঠোঁটে চুমু খেলেন।
প্রথমে মৃদু, প্রশ্নের মতো। রিয়া উত্তর দিল, তার ঠোঁট খুলে গেল। দেবাশিসের হাত তার কোমরে, তাকে কাছে টানল। চুমু গভীর হলো, তার জিভ তার মুখে, দাবিদার। রিয়ার হাত তার শার্টে, আঁকড়ে ধরে। ছয় মাসের একাকিত্ব এক মুহূর্তে ভেঙে পড়ল।
তিনি তাকে ডেস্কের কিনারায় বসিয়ে দিলেন, নিজে তার পায়ের মাঝে দাঁড়িয়ে। রিয়া তার পা তার কোমরে জড়িয়ে ধরল, তাকে আরও কাছে টানল। তাদের চুমু আরও বেপরোয়া হলো, দাঁত ঠোঁটে লাগছিল। দেবাশিসের হাত তার কুর্তির নিচে ঢুকল, তার পিঠে, তার ব্রার হুকে। রিয়া কেঁপে উঠল, এই স্পর্শের জন্য সে কতদিন অপেক্ষা করেছে।
"আমরা এটা করা উচিত নয়," রিয়া ফিসফিস করে বলল, তার ঠোঁট থেকে সরে না গিয়ে। "জানি," দেবাশিস বললেন, তার গলায় চুমু খেতে খেতে। "তুমি থামতে চাও?" রিয়া তার শার্টের বোতাম খুলতে শুরু করল। সেটাই ছিল উত্তর।
তিনি তার কুর্তি খুলে দিলেন, ধীরে, যেন উপহার খুলছেন। তারপর তার ব্রা। রিয়ার দুধ বেরিয়ে এল, ভারী, টানটান, বোঁটা শক্ত। দেবাশিস এক মুহূর্ত তাকিয়ে রইলেন, তারপর মুখ নামিয়ে একটা বোঁটা মুখে নিলেন। রিয়া চিৎকার করে উঠল, তার মাথা পেছনে হেলে গেল।
তার জিভ তার বোঁটার চারপাশে ঘুরছিল, দাঁত মৃদু কামড় দিচ্ছিল। রিয়ার হাত তার চুলে, তাকে আরও কাছে টানছিল। "আহ, স্যার..." সে গোঙাল। তিনি হাসলেন, মুখ না তুলে। "এখানে আমি দেবাশিস।" তার হাত নিচে নামল, তার সালোয়ারের দড়ি খুলল।
রিয়া তার শার্ট খুলে দিল, তার বুক উন্মুক্ত হলো, পেশীবহুল, হালকা লোম। সে তার প্যান্টের বেল্ট খুলল, জিপ নামাল। তার ধোন বেরিয়ে এল, মোটা, লম্বা, টানটান। রিয়া এক মুহূর্ত তাকিয়ে রইল, তারপর হাঁটু গেড়ে বসল।
সে তার ধোন মুখে নিল, ধীরে, পুরোটা নয়, শুধু মাথাটা। তার জিভ নিচের শিরা বরাবর চলল। দেবাশিসের হাত তার চুলে, "ওহ ফাক, রিয়া..." সে আরও ভেতরে নিল, তার গলা পর্যন্ত। তার মুখের উষ্ণতায় দেবাশিস কাঁপছিলেন।
রিয়া তার ছন্দ খুঁজে পেয়েছিল, হাত আর মুখ একসাথে। তার এক হাত তার ধোনের গোড়ায়, আরেক হাত তার অণ্ডকোষে, মৃদু চাপ। দেবাশিসের নিঃশ্বাস ভারী হলো, তার পা কাঁপছিল। "রিয়া, থামো, নইলে..." তিনি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন। রিয়া থামল না, শুধু তার চোখের দিকে তাকিয়ে আরও জোরে চুষল, যতক্ষণ না তিনি তাকে টেনে তুললেন।
তিনি তাকে তুললেন, ডেস্কের ওপর বসালেন। কাগজপত্র সরিয়ে দিলেন এক হাতে। রিয়া ডেস্কে শুয়ে পড়ল, পা ছড়িয়ে। দেবাশিস তার সালোয়ার পুরো খুলে দিলেন, তার প্যান্টি টেনে নামালেন। তার গুদ ভেজা, ফুলে উঠা, অপেক্ষায়।
তিনি হাঁটু গেড়ে তার পা ছড়িয়ে দিলেন। তার জিভ তার গুদে, প্রথমে মৃদু, তারপর দাবিদার। রিয়া ডেস্কে পিঠ ঘষতে ঘষতে চিৎকার করল। তার জিভ তার ভেতরে ঢুকল, বেরোল, তার দানায় ঘুরল। রিয়ার আঙুল ডেস্কের কিনারা আঁকড়ে ধরল।
"আসছে, আসছে..." রিয়া হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। দেবাশিসের দুটো আঙুল তার ভেতরে ঢুকল, জিভ দানায়। রিয়ার শরীর ধনুকের মতো বেঁকে গেল। সে চিৎকার করে উঠল, তার গুদ তার আঙুল চারপাশে সংকুচিত হলো, রস তার উরু বেয়ে গড়াল।
তিনি উঠে দাঁড়ালেন, তার ধোন তার গুদের মুখে। "দেখো আমাকে," তিনি বললেন। রিয়া চোখ খুলল। তিনি এক ধাক্কায় ভেতরে ঢুকলেন, পুরোটা। রিয়া চিৎকার করল, এই পূর্ণতার অনুভূতি, এই ভরাট। তিনি থামলেন, তাকে অভ্যস্ত হতে দিলেন, তারপর নড়তে শুরু করলেন।
ডেস্কে চোদার ছন্দ, ধীরে গভীর। প্রতিটা ধাক্কায় রিয়ার দুধ লাফাচ্ছিল, দেবাশিস একটা হাতে একটা চেপে ধরলেন। "তুমি এত টাইট," তিনি গোঙালেন। রিয়া তার কোমর জড়িয়ে ধরে তাকে আরও ভেতরে টানল। "আরও জোরে," সে ফিসফিস করল।
তিনি গতি বাড়ালেন, ডেস্ক কাঁপছিল। বাইরে বৃষ্টির শব্দ, ভেতরে তাদের নিঃশ্বাস আর চামড়ার শব্দ। রিয়া দ্বিতীয়বারের জন্য তৈরি হচ্ছিল, তার ভেতরে চাপ বাড়ছিল। "দেবাশিস, আমি..." সে বলতে পারল না, শুধু চিৎকার করল, তার গুদ তার ধোনকে চেপে ধরল ছন্দে ছন্দে।
তিনি তাকে তুলে চেয়ারে বসালেন, নিজে তার ওপরে। রিয়া তার কোলে, তার ধোন তার ভেতরে। সে ওঠানামা করতে শুরু করল, তার হাত দেবাশিসের কাঁধে। এই অবস্থানে তিনি আরও গভীরে, প্রতিটা ওঠানামায় রিয়ার চোখ উল্টে যাচ্ছিল।
দেবাশিস তার দুধ মুখে নিলেন, ওঠানামার তালে তালে চুষলেন। রিয়ার গতি বাড়ল, বেপরোয়া। চেয়ার ক্যাঁচক্যাঁচ করছিল। তিনি তার পাছা চেপে ধরে তাকে সাহায্য করলেন, আরও জোরে, আরও গভীরে।
তারপর তিনি তাকে জানালার দিকে নিয়ে গেলেন। কাচে বৃষ্টির ধারা, নিচে ভেজা পার্ক স্ট্রিট। রিয়া কাচে হাত রাখল, দেবাশিস পেছন থেকে তার ভেতরে ঢুকলেন। তার এক হাত তার দুধে, আরেক হাত তার দানায়। প্রতিটা ধাক্কায় রিয়ার নিঃশ্বাস কাচে কুয়াশা তৈরি করছিল।
"এই শহরটা আমাদের দেখছে," দেবাশিস তার কানে ফিসফিস করলেন, ধাক্কা দিতে দিতে। "দেখুক," রিয়া বলল, পেছনে ঠেলে দিয়ে। তিনি হাসলেন, তার ঘাড়ে কামড় দিলেন, মৃদু, দাবিদার। তার আঙুলের গতি বাড়ল, রিয়া আবার প্রান্তে।
সে চিৎকার করে উঠল, তৃতীয়বার, কাচে তার নখের দাগ। তার গুদ সংকুচিত হলো, দেবাশিস আর ধরে রাখতে পারলেন না। তিনি গভীরে ঢুকে থামলেন, তার গরম বীর্য তার ভেতরে ভরে গেল, ঢেউয়ের পর ঢেউ। দুজনে কাচে হেলান দিয়ে হাঁপাচ্ছিল।
অনেকক্ষণ কেউ কথা বলল না। বৃষ্টির শব্দ, তাদের নিঃশ্বাস। দেবাশিস তার চুল সরিয়ে গলায় চুমু খেলেন। "আমি দুঃখিত নই," তিনি বললেন। রিয়া তার দিকে তাকাল। "আমিও নই।" সে তার শার্ট তুলে নিল, গায়ে জড়াল। তার শার্টে তার গন্ধ।
তারা একসাথে অফিস গোছাল, কাগজপত্র তুলল, ডেস্ক মুছল। স্বাভাবিক কাজ, অস্বাভাবিক নীরবতা, মাঝে মাঝে চোখাচোখি আর হাসি। রিয়া আয়নায় নিজেকে দেখল, চুল এলোমেলো, ঠোঁট ফুলে উঠা, গালে লালচে আভা। সে চুল ঠিক করল, কিন্তু সেই আভা লুকানো গেল না। দেবাশিস পেছন থেকে এসে আয়নায় তার চোখে চোখ রাখলেন।
বেরোনোর সময় দেবাশিস তার হাত ধরলেন লিফটে। "সোমবার?" তিনি জিজ্ঞেস করলেন। "সোমবার," রিয়া বলল।
সোমবার সকালে পিচ হলো। ক্লায়েন্ট মুগ্ধ, ডিল প্রায় পাকা। মিটিংয়ে দেবাশিস প্রফেশনাল, নিখুঁত। শুধু একবার, রিয়া ল্যাপটপে কিছু দেখানোর সময়, তিনি তার দিকে তাকিয়ে চোখ টিপলেন। রিয়া তার হাসি লুকাল স্ক্রিনের আড়ালে। শনিবারের অফিস তাদের গোপন রইল, তাদের দুজনের।
Readers who enjoyed “বাংলা বস চটি গল্প: রিয়ার শনিবারের অফিস” also read
8 curated storiesবাংলা অফিস কলিগ চটি: অফিসের ডেস্কে চোদা
বাংলা অফিস কলিগ চটি গল্পে অফিসের ফাইলে লুকানো এক চিঠি থেকে শুরু হওয়া গোপন সম্পর্কের রোমাঞ্চকর কাহিনি। কলকাতার অফিসে সন্ধ্যার পর কী ঘটল জানতে পড়ুন।
হোয়রাহ পার্সেল ক্লেমস আফিসের পুরনো হিসাব ক্যাবিনে শেষ রেক চলে যাওয়ার পর বিবাহিত ক্লার্ক অনুরাধা সেরামপুরের প্লেটমেকারকে সেই ফাইল দিল যা কোনো বিল রেজিস্টার বা বাড়ির খাতায় কখনো চড়ে না
হোয়রাহের পুরনো পার্সেল ক্লেমস আফিসে শেষ রেকের পর বিবাহিত অনুরাধা সোমনাথকে যে ফাইল দিল, তা কোনো বিল রেজিস্টারে বা বাড়ির ডায়েরিতে কখনো চড়ে না।
বাংলা অফিস ছোটি গল্প: পার্ক স্ট্রিটের নবম তলা
পার্ক স্ট্রিটের অফিসে লেট নাইটে আটকে পড়া জুনিয়র সৌম্য আর কড়া বস নন্দিনীর মধ্যে জমে ওঠা এক উত্তেজনাপূর্ণ রাতের গল্প।
জলপাইগুড়ির চা নিলাম অফিসের বর্ষার রাতে বিবাহিত হিসাবরক্ষক শিউলি সেন যখন আলিপুরদুয়ারের ইন্সপেক্টরের রিপোর্টে সই দিল যা নিলামের ঘণ্টায় শোনায় না
জলপাইগুড়ির চা নিলাম অফিস। বর্ষার রাত। বিবাহিত শিউলির খাতায় যে সই দিল তা নিলামের ঘণ্টায় শোনায় না।
বাংলা অফিস রোমান্স গল্প: রাতের নোট
এই বাংলা অফিস রোমান্স গল্প কলকাতার এক অফিসে লেখা এক ছোট নোট থেকে শুরু হয়, যা মৌমিতাকে রাত নটায় কেবিন চারে নিয়ে যায়।
খিদিরপুর পুরনো ডক কমার্শিয়াল অফিসের শেষ বার্জ ক্লিয়ারেন্সের পর বিবাহিত স্টেনো মল্লিকা রায় হলদিয়া পোর্ট ক্লার্ককে যে সিল দিলেন তা কোনো বিল অফ লেডিং যা স্বামী হাজিরায়ে উঠে না
খিদিরপুর পুরনো ডক অফিস। শেষ বার্জ। বিবাহিত মল্লিকা ও হলদিয়ার অরিন্দম। যে সিল কোনো লেডিংয়ে উঠে না।
রাজমিস্ত্রীর দুপুর
বাড়ির নতুন ঘর তোলার কাজে আসা রাজমিস্ত্রী সুবলকে এক তপ্ত দুপুরে দীপা সরবত দিতে গিয়ে এমন এক খেলায় জড়িয়ে পড়েন, যা বদলে দেয় দুজনের দিন।
নতুন চটি গল্প: এসি মেকানিকের সাথে সেই গরম দুপুর
দমদমের ফ্ল্যাটে এক গরম দুপুরে এসি সার্ভিস করতে আসে ছাব্বিশ বছরের রাজা, আর একটা সাধারণ সার্ভিস ভিজিট বদলে যায় মৌসুমির জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ দুপুরে।