বাংলা মামা চটি গল্প: মামার ফিরে আসা

S
9 min read5 readers
Font:
0:000:00
Share Story:

"তুই তো একদম তোর মায়ের মতো দেখতে হয়েছিস, রিনা!" গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে হাসছিলেন তপন মামা, কাঁধে একটা পুরোনো চামড়ার ব্যাগ, চোখে সেই চেনা দুষ্টুমির ঝিলিক। রিনার বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠল। এ যেন কোনো বাংলা মামা চটি গল্পের শুরু, ভাবল সে, তারপর নিজের ভাবনায় নিজেই লজ্জা পেল।

"মামা! এত বছর পর!" রিনা গেট খুলে দিল। তপন মামা, তার মায়ের ছোট ভাই, মালদায় স্কুলশিক্ষক, বিয়ে করেননি কখনো। শেষ দেখা হয়েছিল রিনার বিয়েতে, আট বছর আগে। তখন রিনা বাইশ, এখন একত্রিশ।

"তোর মা ফোনে বলল, পৈতৃক জমির কাগজপত্রে সই লাগবে। ভাবলাম নিজেই চলে আসি, ক'দিন থেকে যাব।" মামা ভেতরে ঢুকলেন, চারদিকে তাকালেন। কৃষ্ণনগরের এই দোতলা বাড়িতে রিনা থাকে শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে। স্বামী সৌরভ দুবাইতে, অ্যাকাউন্ট্যান্টের চাকরি, বছরে একবার আসে।

শাশুড়ি মামাকে দেখে খুব খুশি হলেন। "বেশ করেছ এসে। রিনা তো একা একা হাঁপিয়ে ওঠে।" সন্ধ্যায় খাওয়াদাওয়ার পর শাশুড়ি ঘোষণা করলেন, "কাল ভোরে আমরা তারাপীঠ যাচ্ছি, দু'দিন থাকব। মায়ের মানত ছিল। তপনবাবু, তুমি রিনার কাছেই থাকো, কোনো অসুবিধা হবে না।"

রিনার বুক ধড়ফড় করে উঠল। দু'দিন। এই বাড়িতে শুধু সে আর মামা। শ্বশুরমশাইও যাচ্ছেন সঙ্গে। মামা শান্তভাবে চায়ে চুমুক দিলেন, কিন্তু রিনা দেখল, তাঁর চোখ এক মুহূর্তের জন্য তার চোখে আটকে রইল।

পরদিন ভোরে সবাই বেরিয়ে গেল। বাড়ি নিস্তব্ধ। রিনা বারান্দায় বসে ছিল, চুল খোলা, শাড়ির আঁচল হাওয়ায় উড়ছে। মামা এলেন এক কাপ চা নিয়ে। "তোর মা বলছিল, সৌরভ ফিরবে কবে?"

"আরও ছ'মাস।" রিনা চায়ের কাপ নিল, আঙুলে আঙুল ছুঁয়ে গেল। দু'জনেই একটু থমকে গেলেন। "মামা, তুমি বিয়ে করলে না কেন?" প্রশ্নটা মুখ ফসকে বেরিয়ে গেল।

তপন মামা হাসলেন, চোখ দূরে। "যাকে চেয়েছিলাম, তাকে পাইনি। তারপর আর কাউকে চাওয়া হয়নি।" রিনা আর প্রশ্ন করল না, কিন্তু তার গাল গরম হয়ে উঠল। কেন যেন মনে হল, কথাটা তাকে উদ্দেশ্য করেই বলা।

দুপুরে মামা বারান্দার নষ্ট টিউবলাইটটা সারালেন। রিনা টুল ধরে দাঁড়িয়ে ছিল। মামা নামার সময় তাঁর হাত রিনার কাঁধে পড়ল, এক মুহূর্ত বেশি থেকে গেল। "সাবধানে," বললেন তিনি, গলা একটু ভারী।

বিকেলে বৃষ্টি নামল। ঝমঝম বৃষ্টিতে বারান্দায় বসে দু'জনে পুরোনো অ্যালবাম দেখছিলেন। রিনার ছোটবেলার ছবি, মায়ের ছবি। একটা ছবিতে রিনার মা আর তরুণ তপন, কলেজের অনুষ্ঠানে। "মা তোমাকে খুব ভালোবাসত, তাই না?" রিনা ফিসফিস করে বলল।

"বাসত।" মামার আঙুল ছবির ওপর ঘুরল, তারপর রিনার হাতের ওপর এসে থামল। এবার কেউ হাত সরাল না। বৃষ্টির শব্দ, ভেজা মাটির গন্ধ, আর দু'জোড়া চোখ। রিনার নিঃশ্বাস দ্রুত হচ্ছিল।

"তুই জানিস, আমি যাকে ভালোবাসতাম, সে অন্য কাউকে বিয়ে করেছিল।" মামার গলা হঠাৎ ভারী হয়ে গেল। "তারপর ভাবলাম, যাকে চাই তাকে না পেলে আর কাউকে চেয়ে লাভ কী। স্কুল, বই, একা ঘর, এই নিয়েই কেটে গেল।"

রিনার গলা শুকিয়ে গেল। "তুমি এখনও তাকে মনে করো?"

মামা তার দিকে তাকালেন, সরাসরি। "আজ সকালে গেটে তোকে দেখার পর থেকে আর মনে পড়ছে না।" রিনার বুকের ভেতরটা উথলে উঠল। এটা অন্যায়, এটা নিষিদ্ধ, কিন্তু তার শরীরের প্রতিটা কোষ যেন এই কথাটার অপেক্ষায় ছিল।

"মামা," সে ফিসফিস করে বলল, "আমি বিবাহিত।"

"জানি।" তিনি তার হাতটা নিজের দু'হাতে নিলেন। "আর আমি তোর মামা। দু'টোই জানি, রিনা। তবু তোর দিকে তাকালে আমার বয়সটা মনে থাকে না।" তাঁর বুড়ো আঙুল তার হাতের তালুতে ঘষছিল, ধীরে, ইচ্ছে করে। রিনার নিঃশ্বাস এলোমেলো হয়ে গেল।

"রিনা," মামা বললেন, খুব কাছে এসে। রিনা চোখ বন্ধ করল। তাঁর ঠোঁট তার ঠোঁটে। প্রথমে হালকা, তারপর গভীর, দাবিদার। রিনার সারা শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। আট বছর, আটটা বছর সে এমন স্পর্শ পায়নি।

সে সাড়া দিল, হাত রাখল মামার চুলে। চুম্বন ভাঙল না অনেকক্ষণ। যখন ভাঙল, দু'জনেই হাঁপাচ্ছিলেন। "এটা ঠিক হচ্ছে না," রিনা বলল, কিন্তু উঠল না।

"জানি," মামা বললেন, "তবু থামতে ইচ্ছে করছে না।" তিনি আবার তাকে টেনে নিলেন। এবার রিনা নিজেই তাঁর পাঞ্জাবির বোতাম খুলতে লাগল। তার আঙুল কাঁপছিল, কিন্তু থামছিল না।

সন্ধ্যা নামছিল, বৃষ্টি বাড়ছিল। মামা রিনাকে কোলে তুলে শোবার ঘরে নিয়ে গেলেন। বিছানায় শুইয়ে দিয়ে তিনি তার শাড়ি খুলতে লাগলেন, একটা একটা করে ভাঁজ। রিনা শুধু ব্লাউজ আর শায়ায় পড়ে রইল, লজ্জায় চোখ বন্ধ।

"চোখ খোল, রিনা।" মামার গলা আদেশের মতো শোনাল। রিনা চোখ খুলল। মামা তার ব্লাউজের হুক খুললেন, একটা একটা করে। তার দুধ বেরিয়ে এল, ভারী, টানটান। মামা দু'হাতে ধরলেন, টিপলেন, তারপর মুখ নামিয়ে আনলেন।

তাঁর জিভ রিনার বোঁটায় ঘুরছিল, দাঁতে হালকা কামড়। রিনার পিঠ বেঁকে গেল। "মামা," সে কাতরে উঠল। মামা নিচে নামলেন, পেটে, নাভিতে চুমু খেতে খেতে, তারপর শায়া তুলে দিলেন।

তিনি তার দু'পা ফাঁক করলেন। রিনার গুদ তাঁর সামনে, ভেজা, ফোলা। মামা জিভ ঢুকিয়ে দিলেন ভেতরে, গভীরে। রিনা চিৎকার করে উঠল, বালিশে মুখ গুঁজল। তাঁর জিভ ভেতরে বাইরে হচ্ছিল, দ্রুত, ক্ষুধার্ত।

রিনার শরীর কাঁপছিল। সে দু'বার প্রায় ঝরে যাচ্ছিল, কিন্তু মামা থামিয়ে দিচ্ছিলেন, তাকে তাড়িয়ে তাড়িয়ে। "এখন না," বলছিলেন তিনি, "আরেকটু।" রিনা পাগল হয়ে যাচ্ছিল।

তারপর মামা উঠলেন, নিজের পাজামা খুললেন। তাঁর ধোন দাঁড়িয়ে ছিল, মোটা, লম্বা, শিরা ফোলা। রিনার চোখ বড় হয়ে গেল। মামা তার মুখের কাছে আনলেন। রিনা ইতস্তত না করে মুখে নিল, গভীরে, গলা পর্যন্ত।

সে মাথা নাড়াতে লাগল, জিভ দিয়ে ধোনের শিরায় চাপ দিতে লাগল। মামার হাত তার চুলে, আস্তে আস্তে ঠেলছিলেন। "রিনা, তুই," তিনি হাঁপাচ্ছিলেন, "তুই আমাকে মেরে ফেলবি।"

রিনা ছাড়ল, শুয়ে পড়ল, পা ছড়িয়ে দিল। মামা তার ওপরে এলেন, ধোনটা তার গুদের মুখে ঘষলেন। রিনা ভেজা ছিল, তৈরি ছিল। এক ধাক্কায় তিনি ভেতরে ঢুকে গেলেন, পুরোটা।

রিনার নখ মামার পিঠে বসে গেল। "আস্তে, মামা, আস্তে।" কিন্তু মামা শুনছিলেন না। তিনি ধাক্কা দিচ্ছিলেন, গভীর, জোরে। প্রতিটা ধাক্কায় রিনার দুধ লাফাচ্ছিল, বিছানা ক্যাঁচক্যাঁচ করছিল।

"আরও জোরে," রিনা এবার নিজেই বলল, নির্লজ্জভাবে। "কেউ শুনছে না। আরও জোরে, মামা।" মামা গতি বাড়ালেন। রিনার গুদ তাঁর ধোনকে কামড়ে ধরছিল, ভেতর থেকে রস গড়াচ্ছিল।

কয়েকটা জোর ধাক্কার পর রিনার শরীর শক্ত হয়ে গেল, পা কাঁপল, আর সে ঝরে গেল, চিৎকার করে, বালিশ কামড়ে। মামা থামলেন না। তিনি তাকে উল্টে দিলেন, পেছন থেকে ঢুকলেন।

এইভাবে আরও গভীরে যাচ্ছিল। রিনা হাঁটুতে ভর দিয়ে ছিল, মামা পেছন থেকে ধাক্কা দিচ্ছিলেন, এক হাতে তার দুধ টিপছিলেন, অন্য হাতে তার চুল টানছিলেন। রিনা আবার ঝরল, এবার আরও জোরে।

শেষে মামা তাকে সোজা করে, তার ওপরে শুয়ে, একসঙ্গে ঝরলেন, তার ভেতরে। দু'জনে ঘামে ভেজা, জড়াজড়ি করে শুয়ে রইলেন। বাইরে বৃষ্টি থেমে গেছিল। ঘরে শুধু দু'জনের নিঃশ্বাস।

রাত দু'টোয় রিনার ঘুম ভাঙল। পাশে বিছানা খালি, মামা নিজের ঘরে চলে গেছিলেন। কিন্তু রিনার শরীর তখনও জ্বলছিল, অস্থির। সে উঠল, গায়ে শুধু একটা পাতলা নাইটি জড়িয়ে, পা টিপে টিপে মামার ঘরের দরজায় গেল। দরজা ভেজানো ছিল।

মামা জেগেই ছিলেন, জানালার পাশে বসে। "ঘুম আসছে না?" তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কিন্তু চোখে হাসি। রিনা কিছু না বলে তাঁর কোলে বসল। মামার হাত সঙ্গে সঙ্গে তার নাইটির ভেতরে ঢুকে গেল, তার খালি দুধে।

"তুই পাগল করে দিবি আমাকে," মামা তার ঘাড়ে মুখ গুঁজে বললেন। রিনা নিজেই তাঁর পাজামার দড়ি খুলল, তাঁর ধোন বের করে আনল, আস্তে আস্তে নাড়াতে লাগল। মামার নিঃশ্বাস ঘন হয়ে এল।

তিনি তাকে বিছানায় শোয়ালেন, নাইটি খুলে ফেললেন। এবার কোনো তাড়াহুড়ো ছিল না, শুধু ধীর আদর। তিনি তার সারা গায়ে চুমু খেলেন, পায়ের আঙুল থেকে কপাল পর্যন্ত। রিনা কাঁপছিল, সুখে।

তারপর তিনি তার পা দু'টো নিজের কাঁধে তুললেন না, এবার পাশ থেকে এলেন। রিনাকে কাত করে, পেছন থেকে তার ভেতরে ঢুকলেন, এক হাতে তার দুধ টিপতে টিপতে। এইভাবে ধোনটা অন্য জায়গায় লাগছিল, আরও গভীরে। রিনা বালিশ কামড়ে ধরল।

মামা ধীরে ধীরে ঠেলছিলেন, প্রতিটা ধাক্কায় রিনার শরীর দুলছিল। "বল, কেমন লাগছে," তিনি ফিসফিস করলেন। "বল।"

"ভালো, খুব ভালো, মামা, থেমো না," রিনা হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। মামা গতি বাড়ালেন। রিনা ঝরল, তারপর আবার, দু'বার পরপর। মামা তখনও থামেননি। তিনি তাকে সোজা করে, তার ওপরে এসে, আরও দশ মিনিট ধরে নিলেন, যতক্ষণ না দু'জনে একসঙ্গে শেষ হলেন।

"এবার ঘুমো," মামা তার কপালে চুমু খেয়ে বললেন। রিনা তাঁর বুকেই ঘুমিয়ে পড়ল, তাঁর ধোন তখনও তার ভেতরে, নরম হয়ে আসা।

পরদিন সকালে রিনা রান্নাঘরে চা বানাচ্ছিল। মামা পেছন থেকে এলেন, তাকে জড়িয়ে ধরলেন। "কাল রাতে ঘুম হয়েছিল?" তিনি তার ঘাড়ে চুমু খেলেন।

রিনা হাসল। "তুমি তো ঘুমোতে দাওনি।" মামার হাত তার শাড়ির ভেতরে ঢুকল, দুধে। রিনার নিঃশ্বাস আটকে গেল। "মামা, চা পুড়ে যাবে।"

"যাক।" মামা তাকে রান্নাঘরের স্ল্যাবের দিকে ঘুরিয়ে ঝুঁকিয়ে দিলেন, শাড়ি তুলে দিলেন। সকালের আলোয়, খোলা জানালার পাশে, তিনি পেছন থেকে তার ভেতরে ঢুকলেন। রিনা স্ল্যাব চেপে ধরল।

এবার দ্রুত, বেপরোয়া। মামা ধাক্কা দিচ্ছিলেন, রিনা সাড়া দিচ্ছিল। পাঁচ মিনিটেই দু'জনে ঝরে গেলেন, হাঁপাতে হাঁপাতে, হাসতে হাসতে। "চা সত্যিই পুড়ে গেছে," রিনা বলল।

দুপুরে শোবার ঘরে এবার রিনা ওপরে এল। সে মামার ধোনের ওপর বসল, নিজের কোমর নাড়াতে লাগল, নিজের দুধ মামার মুখে দিল। মামা চুষছিলেন, টিপছিলেন। রিনা নিজের ছন্দে চলছিল, দ্রুত, ধীরে, দ্রুত।

সে ঝরল মামার ওপরে বসেই, কাঁপতে কাঁপতে। তারপর মামা তাকে নিচে ফেলে আবার নিলেন, এবার সামনে থেকে, তার পা নিজের কাঁধে তুলে। রিনা দু'বার ঝরল, মামা একবার, তার ভেতরে, গভীরে।

দুপুরে খাওয়ার পর মামা বললেন, "চল, স্নান করে আসি। একসঙ্গে।" রিনার গাল লাল হয়ে গেল, কিন্তু সে মাথা নাড়ল। বাথরুমে দু'জনে নগ্ন হয়ে দাঁড়ালেন শাওয়ারের নিচে। গরম জল দু'জনের গায়ে পড়ছিল।

মামা সাবান মাখালেন রিনার গায়ে, ধীরে, প্রতিটা ভাঁজে। তাঁর হাত তার দুধে, পেটে, উরুতে ঘুরছিল। রিনাও সাবান মাখাল তাঁর গায়ে, তাঁর বুকে, তাঁর ধোনে, যা আবার দাঁড়িয়ে উঠছিল।

জলের নিচেই মামা তাকে দেয়ালের দিকে ঘুরিয়ে দিলেন। রিনা দেয়ালে হাত রাখল, মামা পেছন থেকে ঢুকলেন। জল, সাবান, পিচ্ছিল শরীর, প্রতিটা ধাক্কায় ছপছপ শব্দ। রিনা ঝরল দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই, পা কাঁপতে কাঁপতে।

তারপর মামা তাকে তুলে বেসিনের ওপর বসালেন, তার পা ছড়িয়ে দিলেন, সামনে থেকে নিলেন। রিনার পিঠ আয়নায় ঠেকে ছিল, আয়নায় সে দেখছিল মামার মুখ, ঘামে ভেজা, সুখে বিকৃত। সে আবার ঝরল, চিৎকার করে।

বিকেলে দু'জনে বারান্দায় বসলেন, চা হাতে, যেন কিছুই হয়নি। কিন্তু রিনার পা মামার পায়ে ঠেকে ছিল টেবিলের নিচে। মামার আঙুল তার আঙুলে।

"কাগজপত্রের কাজ শেষ?" রিনা জিজ্ঞেস করল।

"আরও দু'দিন লাগবে।" মামা তার দিকে তাকিয়ে হাসলেন। "কাগজের চেয়ে তুই জরুরি।"

রিনা চায়ের কাপ নামিয়ে রাখল, মামার হাতটা নিজের হাতে নিল। "তাহলে কাগজ থাক," সে ফিসফিস করে বলল, "তুমি থাকো।"

Rate this story

🔥 NEXT CHAPTER IN LINE

Married Cheating

বাংলা কাকিমা চটি গল্প: সোমা কাকিমার গুদামঘর

দুপুরের আগেই সোমা কাকিমা বিপ্লবকে ডাকলেন গুদামঘর থেকে চালের বস্তা আনতে। পেছন পেছন ঢুকে তিনি দরজায় ছিটকিনি লাগিয়ে দিলেন। এরপর যা ঘটল, তা এই বাংলা কাকিমা চটি গল্পে পুরোটা লেখা আছে, কিছু বাদ না রেখে।

Read Next Story

More stories by Sharmistha Bose

View all →

Readers who enjoyed “বাংলা মামা চটি গল্প: মামার ফিরে আসা” also read

8 curated stories
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

কাকিমা চটি গল্প: সেলাই ঘরের গরম দুপুর

চাকরি হারিয়ে বাড়ি ফেরা রাজিবকে পাড়ার শেফালি কাকিমা ডাকলেন ভারী সেলাই মেশিন সরানোর কাজে। সেলাই ঘরের গরম দুপুরে যা ঘটল, তা এই কাকিমা চটি গল্পে পুরোটা লেখা আছে।

⏱️ 9 min read•👁️ 3 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

বাংলা পরকীয়া চটি গল্প: রেকর্ড রুমের গোপন সন্ধ্যা

রুমার জীবনের এই বাংলা পরকীয়া চটি গল্প শুরু হয়েছিল ব্যাংকের রেকর্ড রুমে এক গোপন সন্ধ্যায়, যেখানে সৌরভের একটা স্পর্শ বদলে দিল সবকিছু।

⏱️ 9 min read•👁️ 2 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদ (পর্ব ২)

ভোরের ছাদে ধরা পড়ার ভয় সত্যি হলো। চায়ের দোকানের ছেলের ফোনে ওদের ছবি, দাবি বিশ হাজার টাকা। তানিয়া আর সায়ন রাতে নামল নিচে, আর তারপর দাদার ঘরে অপেক্ষা করছিল প্রতিশ্রুত সেই রাত।

⏱️ 9 min read•👁️ 2 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

বাংলা বউ চোদা: উপরের ফ্ল্যাটে গাছে জল দিতে গিয়ে শম্পা

বাংলা বউ চোদা: স্বামী হালদিয়ায়, শম্পা একা। উপরের ফ্ল্যাটের বিধুর অরিন্দম গাছে জল দিতে বলে, একদিন আগে ফিরে আসে, আর শুরু হয় নিষিদ্ধ খেলা।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

যখন হাওড়া স্টেশনের পেছনের ছাপাখানার রাতের শিফট বন্ধ হল না তখন বিবাহিত প্রুফরিডার মেশিনম্যানের কালির হাতে নিজেকে সমর্পণ করল যা বিয়ের কার্ডে ছাপা যায়

হাওড়া স্টেশনের পেছনে পুরনো ছাপাখানা। বিয়ের কার্ডের প্রুফ। রাতের শিফটে মল্লিকা আংটি খুলে রফিকের হাতে নিজেকে সমর্পণ করল।

⏱️ 14 min read•👁️ 1 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদ (পর্ব ১)

দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদে দেবর সায়নের সঙ্গে বৌদি তানিয়ার নিষিদ্ধ টান। দাদা শিলিগুড়ি যেতেই ছাদের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ হলো। পর্ব ১।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

বাংলা দেওর বৌদি চটি: সুমনের ডায়েরি

একটি বাংলা দেওর বৌদি চটি যেখানে বৌদি রুমা দেওরের গোপন ডায়েরি পড়ে ফেলে। তারপর যা হয়, তা কেউ ভাবেনি।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

বাংলા বৌদি চোদা 2026: দেওয়ালের ওপারের ফিসফিসানি

বাংলা বৌদি চোদা 2026: হাওড়ার ফ্ল্যাটে বৌদির ফিসফিসানি শুনে অর্কর ঘুম উড়ে গেল। অবহেলায় তৃষ্ণার্ত পিয়ালি বৌদি আর অপেক্ষা করতে চায় না। সেই রাতেই শুরু হলো নিষিদ্ধ খেলা।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views