বাংলা বাস চটি গল্প: দীঘাগামী রাতের ভলভো
এই বাংলা বাস চটি গল্প শুরু হয়েছিল ধর্মতলার ভিড়ে, একটা ফোনের ঝগড়া শুনে। "তুমি আমাকে একা ছেড়ে দাও, শুনছো? একটা রাতের জন্য হলেও!" পাশের সিটে বসা মহিলার গলা কাঁপছিল, কিন্তু তার চোখে জল ছিল না, ছিল আগুন। আমি, সায়ন, ঊনত্রিশ বছরের এক ব্যাংক কেরানি, নিজের সিটে বসে না শোনার ভান করছিলাম, কিন্তু ভলভোর ইঞ্জিনের গর্জনের মধ্যেও তার প্রতিটা কথা আমার কানে আসছিল।
বাসটা তখনও ছাড়েনি। কন্ডাক্টর টিকিট চেক করছিল, যাত্রীরা ব্যাগ গুছিয়ে নিচ্ছিল। মহিলাটি ফোন কেটে দিয়ে জানালার দিকে মুখ ফেরালেন। তার বয়স তেত্রিশ-চৌত্রিশ হবে, পরনে একটা গাঢ় নীল সালোয়ার, চুল খোঁপায় বাঁধা, কপালে ছোট্ট একটা টিপ। সুন্দরী, কিন্তু সেই সৌন্দর্যে একটা ক্লান্তি লেগেছিল, যেন অনেকদিন ঘুম হয়নি।
"সরি," হঠাৎ তিনি আমার দিকে তাকিয়ে বললেন। "ফোনে চেঁচিয়ে ফেললাম।" আমি হেসে বললাম, "কোনো ব্যাপার না। বিয়ের পর সবারই এমন ফোন আসে।" তিনি এক মুহূর্ত আমার দিকে তাকিয়ে রইলেন, তারপর হেসে ফেললেন, সেই প্রথম হাসি। "আপনি কী করে বুঝলেন স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া?" "অভিজ্ঞতা," আমি বললাম, যদিও আমার বিয়েই হয়নি। তিনি আবার হাসলেন। "আমি মৌসুমি," তিনি বললেন। "সায়ন," আমি জবাব দিলাম।
বাস ছাড়ল। ধর্মতলা পেরিয়ে হাওড়া ব্রিজের আলো জানালায় ভেসে গেল। মৌসুমি জানালার বাইরে তাকিয়ে ছিলেন, আমি আড়চোখে তাকে দেখছিলাম। তার সালোয়ারের গলা একটু ঢিলে ছিল, ভেতরে কালো ব্লাউজের আভাস। সে দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে আমার গলা শুকিয়ে আসছিল। হঠাৎ তিনি বললেন, "দীঘা যাচ্ছেন?" "হ্যাঁ, বন্ধুর বিয়ে," আমি বললাম। "আর আপনি?" তিনি একটু চুপ করে থেকে বললেন, "পালাচ্ছি।"
আমি ভেবেছিলাম তিনি মজা করছেন। কিন্তু তার চোখে মজা ছিল না। "একটা রাতের জন্য," তিনি ফিসফিস করে বললেন। "স্বামী, শাশুড়ি, সংসার, সব থেকে একটা রাতের ছুটি। কাল সকালে দীঘা পৌঁছে সারাদিন সমুদ্র দেখব, তারপর ফিরে যাব। কেউ জানবে না।" তার গলায় এমন একটা তৃষ্ণা ছিল যে আমার বুকের ভেতর কী যেন নড়ে উঠল। আমি আর কিছু জিজ্ঞেস করলাম না।
কিন্তু তিনি নিজেই বলতে লাগলেন। "আট বছর বিয়ে হয়েছে। প্রথম দুবছর ভালো ছিল, তারপর শুধু দায়িত্ব। স্বামী অফিস, আমি সংসার, রাতে পাশাপাশি শুয়ে দুজনে দুটো ফোন।" তার গলা ধরে এল। "আপনি জানেন, শেষ কবে কেউ আমাকে ছুঁয়েছে ভালোবেসে? মনে নেই।" আমি তার হাতটা ধরলাম, সে সরিয়ে নিল না। "আর আপনি? বউ?" আমি হাসলাম। "ব্যাচেলর। মা প্রতিদিন ফোনে মেয়ে দেখার খবর দেয়।" সে হেসে ফেলল, চোখে জল নিয়েই। "তাহলে আজ রাতে আমরা দুজনেই পালিয়ে যাওয়া মানুষ।"
রাত বাড়ল। বাসের আলো নিভে গেল, শুধু নীলচে নাইট ল্যাম্প জ্বলছিল। এসির ঠান্ডায় মৌসুমি কেঁপে উঠলেন। তার কাছে চাদর ছিল না। "আমারটা শেয়ার করবেন?" আমি জিজ্ঞেস করলাম, নিজের কম্বলটা এগিয়ে দিয়ে। তিনি এক মুহূর্ত দ্বিধা করলেন, তারপর সিটটা আমার দিকে একটু সরিয়ে নিলেন। কম্বলের নিচে আমাদের কাঁধ ছুঁয়ে গেল। তার গায়ের গন্ধ, একটা মিষ্টি পারফিউম আর ঘামের মিশ্রণ, আমার নাকে এল।
বাস দুলছিল। প্রতিটা ঝাঁকুনিতে তার শরীর আমার গায়ে লাগছিল। আমি ঘুমের ভান করে চোখ বন্ধ করেছিলাম, কিন্তু ঘুম আসছিল না। হঠাৎ কম্বলের নিচে তার হাতটা আমার ঊরুর ওপর পড়ল, যেন ভুল করে। আমি নড়লাম না। তার আঙুলগুলো আমার প্যান্টের ওপর দিয়ে ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে লাগল। আমার ধোন ততক্ষণে শক্ত হয়ে গেছে, প্যান্টের ভেতর টানটান।
তার হাত থামল আমার ধোনের ওপর। এক সেকেন্ড, দু সেকেন্ড। তারপর সে চেইনের ওপর দিয়েই চাপ দিল। আমার মুখ থেকে একটা চাপা শব্দ বেরিয়ে এল। অন্ধকারে আমি তার দিকে তাকালাম, তার চোখ জ্বলজ্বল করছিল। "চুপ," সে ফিসফিস করে বলল। "কেউ দেখছে না।" তার হাত আমার প্যান্টের চেইন খুলে ভেতরে ঢুকল, আমার শক্ত ধোনটা মুঠোয় চেপে ধরল।
আমি প্রায় চিৎকার করে ফেলছিলাম। তার হাত ওঠানামা করতে লাগল, ধীরে ধীরে, প্রতিটা ঝাঁকুনির তালে তালে। আমি কম্বলের নিচে হাত ঢুকিয়ে তার কোমর জড়িয়ে ধরলাম, তারপর হাতটা তার সালোয়ারের ভেতরে। তার পেট নরম, গরম। আমার আঙুল নিচে নামতে নামতে তার প্যান্টির ইলাস্টিকে পৌঁছল। সে আমার কানে ফিসফিস করে বলল, "ভেতরে।"
আমার আঙুল তার প্যান্টি সরিয়ে তার গুদে ঢুকল। ভেজা, গরম, টাইট। সে আমার কাঁধে মাথা রেখে কেঁপে উঠল। আমার আঙুল ভেতরে বাইরে করতে লাগল, আর তার হাত আমার ধোনে পাগলের মতো ওঠানামা করছিল। বাসের দুলুনি আমাদের ছন্দ মিলিয়ে দিচ্ছিল। তার নিঃশ্বাস আমার গলায় পড়ছিল, গরম, দ্রুত। হঠাৎ তার শরীর শক্ত হয়ে গেল, তারপর কেঁপে কেঁপে শিথিল। তার গুদের রস আমার আঙুল ভিজিয়ে দিল।
আমি তার ব্লাউজের ওপর দিয়েই তার একটা দুধ চেপে ধরলাম। সে আমার কানে ফিসফিস করে বলল, "আরও জোরে।" আমি চাপ দিলাম, তার বোঁটা ব্লাউজের ভেতর শক্ত হয়ে উঠল। সে আমার ধোনটা আরও জোরে খেঁচতে লাগল, তার নখ আমার চামড়ায় বসছিল। "তোমার বউ হবে যে মেয়ে, সে ভাগ্যবতী," সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। "চুপ করো," আমি বললাম, "আজ রাতে শুধু তুমি আর আমি।" সে আমার গলায় কামড়ে ধরল, হালকা, কিন্তু আমার শিরদাঁড়া বেয়ে শিহরণ নেমে গেল।
"এবার আমার পালা," সে ফিসফিস করে বলল, চোখে দুষ্টুমি। সে উঠে দাঁড়াল, আমাকে ইশারায় ডাকল। স্লিপার বাসের পেছনে খালি বার্থ ছিল, পর্দা টানা। আমরা দুজনে সেখানে গিয়ে পর্দা টেনে দিলাম। সংকীর্ণ বার্থে সে আমাকে শুইয়ে দিল, তারপর আমার প্যান্ট খুলে ফেলল। আমার ধোন বাতাসে দাঁড়িয়ে, তার চোখে লোভ।
সে নিচু হয়ে আমার ধোনটা মুখে নিল। আমি বার্থের চাদর খামচে ধরলাম। তার জিভ আমার ধোনের চারপাশে ঘুরছিল, তার ঠোঁট টাইট হয়ে ওঠানামা করছিল। বাসের প্রতিটা বাঁকে তার মাথা আরও গভীরে যাচ্ছিল। আমি তার চুলের খোঁপা খুলে দিলাম, চুল ছড়িয়ে পড়ল আমার ঊরুর ওপর। "মৌসুমি," আমি গোঙালাম। সে থামল না, আরও জোরে চুষতে লাগল, যতক্ষণ না আমার কোমর কেঁপে উঠল।
আমি তাকে টেনে তুললাম। "এবার আমি," আমি বললাম। আমি তার সালোয়ার খুলে ফেললাম, তার প্যান্টি টেনে নামিয়ে দিলাম। সংকীর্ণ বার্থে সে শুয়ে পড়ল, পা দুটো ছড়িয়ে। আমি তার গুদে মুখ দিলাম। সে এক হাতে নিজের মুখ চেপে ধরল যাতে শব্দ না বেরোয়, অন্য হাতে আমার মাথা চেপে ধরল। আমার জিভ তার গুদের ভেতরে ঢুকে ঘুরছিল, তার রস আমার মুখ ভরিয়ে দিচ্ছিল।
তার শরীর ধনুকের মতো বেঁকে গেল। সে আমার মাথাটা আরও চেপে ধরল, তার ঊরু দুটো আমার মাথার দুপাশে চেপে বসল। আমি শ্বাস নিতে পারছিলাম না, কিন্তু থামলাম না। তার গুদ থেকে রসের ধারা বেরিয়ে আমার মুখ, চিবুক ভিজিয়ে দিল। সে কেঁপে কেঁপে শান্ত হল, তারপর আমাকে টেনে তুলে জোরে চুমু খেল, আমার মুখের ওপর তার নিজের রসের স্বাদ।
"আমার স্বামী কোনোদিন এটা করেনি," সে ফিসফিস করে বলল, তার চোখে একটা ভেজা ঝিলিক। "আট বছরে কোনোদিন না। সে বলে এসব নোংরা।" আমি তার কপালে চুমু খেলাম। "তাহলে আজ রাতে আমরা দুজনেই নোংরা," আমি বললাম। সে হেসে ফেলল, সেই হাসিতে কান্না আর মুক্তি দুটোই ছিল।
"এবার ভেতরে এসো," সে বলল। সে আমার ওপরে উঠে বসল, আমার ধোনটা হাতে ধরে তার গুদের মুখে রাখল, তারপর ধীরে ধীরে বসে পড়ল। আমি তার ভেতরে হারিয়ে গেলাম, গরম, ভেজা, টাইট। সে ওঠানামা করতে লাগল, প্রথমে ধীরে, তারপর দ্রুত। তার দুধ দুটো সালোয়ারের ভেতর থেকে লাফাচ্ছিল, আমি ব্লাউজের ওপর দিয়েই সেগুলো চেপে ধরলাম।
বার্থ দুলছিল, বাস দুলছিল, আমরা দুলছিলাম। তার চুল আমার মুখে এসে পড়ছিল, তার ঘামের গন্ধে আমি পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম। সে পেছন ফিরে বসল, আমার দিকে পিঠ করে, তারপর আবার ওঠানামা। এই পজিশনে আমার ধোন তার গুদের আরও গভীরে যাচ্ছিল। সে চিৎকার করতে গিয়ে নিজের হাত কামড়ে ধরল। আমি তার কোমর ধরে নিচ থেকে তলপেট দিয়ে ধাক্কা দিতে লাগলাম।
"চোদো, আমাকে জোরে চোদো," সে ফিসফিস করে চিৎকার করল। "আজ রাতটা আমার, কেউ কেড়ে নিতে পারবে না।" তার কথায় আমার ভেতরে কী যেন ফেটে পড়ল। আমি তাকে ঘুরিয়ে শুইয়ে দিলাম, তার পা দুটো কাঁধে তুলে নিলাম, তারপর পাগলের মতো চুদতে লাগলাম। বার্থের পর্দা দুলছিল, বাইরে কেউ টের পেল না, অথবা পেলেও কিছু বলল না।
তারপর আমি তাকে উপুড় করে দিলাম। সংকীর্ণ বার্থে সে হাঁটু গেড়ে বসল, পেছন উঁচু করে। আমি পেছন থেকে তার গুদে ঢুকলাম, তার চুলের গোছা ধরে টানলাম। সে মুখ গুঁজে দিল বালিশে, কিন্তু তার গোঙানি থামছিল না। প্রতিটা ধাক্কায় তার পাছা আমার তলপেটে এসে লাগছিল। আমি তার পিঠে হাত বুলিয়ে নিচে নামিয়ে তার দুধ দুটো পেছন থেকে চেপে ধরলাম, আর তলপেট দিয়ে আরও জোরে ধাক্কা দিলাম। "হ্যাঁ, এইভাবে, থামিও না," সে বালিশে মুখ গুঁজেই বলল।
তার গুদ আমার ধোনকে চেপে ধরল, সে আবার আসছিল। "আসছি, আসছি," সে গোঙাল। তার শরীর কেঁপে উঠল, তার রস আমার ধোন বেয়ে পড়ল। সেই চাপে আমিও আর ধরে রাখতে পারলাম না। আমি বেরিয়ে এসে তার পেটের ওপর মাল ফেললাম, গরম ধারা তার নাভি ভরিয়ে দিল। আমরা দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে শুয়ে রইলাম, বাসের ইঞ্জিনের শব্দ ছাড়া আর কিছু শোনা যাচ্ছিল না।
সে টিস্যু দিয়ে নিজেকে মুছে সালোয়ার পরে নিল। আমি প্যান্ট পরে নিলাম। আমরা পর্দা সরিয়ে নিজেদের সিটে ফিরে এলাম, যেন কিছুই হয়নি। কিন্তু তার চোখে এখন আর ক্লান্তি ছিল না, ছিল একটা শান্তি। সে আমার হাতটা ধরে বলল, "ধন্যবাদ।" আমি জিজ্ঞেস করলাম, "কিসের জন্য?" সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল, "আট বছরে প্রথমবার কেউ আমাকে জিজ্ঞেস না করে ছুঁয়েছে, শুধু চেয়েছে বলে। এই রাতটা আমি নিজেকে উপহার দিলাম। তুমি শুধু..." সে থামল, তারপর হাসল, "তুমি শুধু সঠিক বাসে ছিলে।"
ভোরের আলো ফুটছিল। বাস দীঘার কাছাকাছি। সে জানালার বাইরে তাকিয়ে বলল, "আমি এখানেই নামব, বাস স্ট্যান্ডের আগে।" "কেন?" আমি জিজ্ঞেস করলাম। "কারণ গল্পটা এখানেই শেষ হওয়া উচিত," সে বলল, উঠে দাঁড়িয়ে। ড্রাইভারকে বলে বাস থামাল নির্জন রাস্তার মোড়ে। সে নামার আগে একবার আমার দিকে তাকাল, তারপর নিজের ওড়নাটা ঠিক করে নিল। কন্ডাক্টর দরজা বন্ধ করে দিল, বাস চলতে শুরু করল। আমি জানালায় মুখ রেখে দেখলাম, কুয়াশার ভেতর তার নীল সালোয়ারটা একবার ভেসে উঠল, তারপর মিলিয়ে গেল। সে একবারও পেছন ফিরে তাকাল না।
আমার সিটে তার একটা চুলের ক্লিপ পড়েছিল। আমি সেটা তুলে মুঠোয় ধরলাম। বাস আবার চলতে শুরু করল, দীঘার সমুদ্রের গন্ধ জানালায় ভেসে এল। বন্ধুর বিয়েতে আমি সারাদিন হাসলাম, নাচলাম, কিন্তু রাতে হোটেলের বিছানায় শুয়ে মুঠো খুলে ক্লিপটা দেখলাম। একটা রাত, একটা বাস, একটা নাম, মৌসুমি, আর কিছু না। কিন্তু সেই রাতটা আমার জীবনের সবচেয়ে সত্যি রাত ছিল।
Readers who enjoyed “বাংলা বাস চটি গল্প: দীঘাগামী রাতের ভলভো” also read
8 curated storiesনতুন চটি গল্প: এসি মেকানিকের সাথে সেই গরম দুপুর
দমদমের ফ্ল্যাটে এক গরম দুপুরে এসি সার্ভিস করতে আসে ছাব্বিশ বছরের রাজা, আর একটা সাধারণ সার্ভিস ভিজিট বদলে যায় মৌসুমির জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ দুপুরে।
বাংলা চোদা চুদির গল্প: পুকুরঘাটে ভোরের সেই স্নান
ভোরের কুয়াশায় পুকুরঘাটে একা স্নান করতে আসা রুমা, আর জল নিতে আসা পাড়ার ছেলে পার্থ. একটা ভোর বদলে দেয় দুটো জীবন.
Boudi Choti Golpo: টিউশন স্যারের সাথে সুতপা বৌদির সেই দুপুর
বাবান ক্রিকেট প্র্যাকটিসে, বাড়িতে একা সুতপা বৌদি। টিউশন শেষে চায়ের নিমন্ত্রণে থেকে গেলেন রাজিব, আর সেই দুপুর বদলে দিল সবকিছু।
বাংলা মামা চটি গল্প: মামার ফিরে আসা
দুবাই-প্রবাসী স্বামীর অপেক্ষায় থাকা রিনার জীবনে ফিরে এলেন তাঁর মামা তপন। দু'দিনের নির্জন বাড়িতে জমে উঠল নিষিদ্ধ আকর্ষণ। বাংলা মামা চটি গল্প।
বাংলা প্রতিবেশী চটি গল্প: রিঙ্কি ভাবীর সন্ধ্যাবেলা
একটি বাংলা প্রতিবেশী চটি গল্প: তিন মাসের চোখাচোখির পর এক সন্ধ্যায় প্রতিবেশী রিঙ্কি ভাবী শুভাশিসের দরজায় এসে দাঁড়ান, আর ফোঁটা ফোঁটা পানি পড়া কলটা ঠিক করার বাহানায় শুরু হয় এমন এক রাত যার অপেক্ষা ছিল অনেকদিনের।
বাংলা স্কুল টিচার চটি: লেক গার্ডেন্সের প্রাইভেট টিউশন
প্যারেন্ট টিচার মিটিংয়ে দেখা শুভদীপের চোখে ছিল দু বছরের একাকীত্ব। প্রাইভেট টিউশনের সন্ধ্যেগুলো কখন যে ভালোবাসায় বদলে গেল, তনুশ্রী নিজেও টের পেল না।
বৃষ্টির রাতে পাড়ার বৌদি
লোডশেডিংয়ের রাতে মোমবাতি নিতে এসেছিলেন শর্মিলা বৌদি। তারপর যা হলো, তা পাড়ার কেউ কোনোদিন জানল না।
হোটেল রুমে দরজা খুলতেই সে কাপড় খুলে ফেলল
হোটেল রুমের দরজা খুলল। কোনো কথা নেই। শাড়ি খুলে গেল। আর তারপর সারা রাত শুধু শরীরের ভাষা চলল। এক রাতের খেলা যা কখনো ভোলা যাবে না।