রাজমিস্ত্রীর দুপুর
"এত ঘামছ কেন, সুবল? এদিকে এসো, সরবত এনেছি," দীপা বলল বারান্দার দরজা থেকে, হাতে ঠান্ডা লেবুর সরবতের গ্লাস। সকাল থেকে ছাদে ইট বালি টানতে টানতে সুবলের গেঞ্জি পিঠে লেগে গেছে।
"আরে বৌদি, তুমি কেন কষ্ট করলে? আমি নিচে নেমে খেতাম," সুবল হেসে বলল, হাতের কড়া মুছে। তার চোখ দীপার ভেজা চুল আর সুতির শাড়ির আঁচলের ফাঁকে আটকে গেল এক মুহূর্ত।
"নিচে নামলে কাজ থামবে, তাই তো? আমি এনেই দিলাম।" দীপা গ্লাসটা বাড়িয়ে দিল, ইচ্ছে করেই একটু কাছে দাঁড়াল। তার গা থেকে সদ্য স্নানের সাবানের গন্ধ আসছিল।
সুবল গ্লাসটা নিল, কিন্তু তার আঙুল দীপার আঙুল ছুঁয়ে গেল। দুজনেই থামল। দীপা চোখ নামাল না। "খাও, ঠান্ডা হয়ে যাবে।"
সে এক নিঃশ্বাসে সরবত শেষ করল, গলার পেশি ওঠানামা করছে। দীপা দেখছিল। তার বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠল, অনেকদিন পর কোনো পুরুষকে এত কাছ থেকে দেখে।
"আরেক গ্লাস দেব?" দীপা জিজ্ঞেস করল, কিন্তু সরে গেল না।
"দেবে? তাহলে তো ভালোই হয়," সুবল বলল, তার গলা একটু ভারী। সে দীপার কোমরের দিকে তাকাল, যেখানে শাড়ির ফাঁকে এক টুকরো ফর্সা চামড়া দেখা যাচ্ছে।
"তাকাচ্ছ কোথায়?" দীপা হালকা হাসল, আঁচলটা ঠিক করার ভান করল না, বরং আরেকটু সরিয়ে দিল।
সুবলের চোয়াল শক্ত হলো। "বৌদি, তুমি কিন্তু আগুন নিয়ে খেলছ।"
"আগুন? আমি তো সরবত নিয়ে এসেছি," দীপা বলল, চোখে দুষ্টুমি। সে ঘুরে রান্নাঘরের দিকে হাঁটতে লাগল, জেনে বুঝে কোমর দুলিয়ে।
পেছন থেকে পায়ের শব্দ শুনল। সুবল নেমে এসেছে। "বৌদি, দাঁড়াও।"
দীপা থামল না। সে সোজা অর্ধেক তৈরি নতুন ঘরটার ভেতর ঢুকে গেল, যেখানে জানালায় এখনো কাঠ লাগেনি, শুধু ইটের দেয়াল আর সিমেন্টের বস্তা। "কী হলো, কাজ ফেলে এলে যে?"
সুবল দরজার মুখে দাঁড়াল। তার বুক ওঠানামা করছে। "তুমি জানো কী হলো।"
"আমি কিছু জানি না," দীপা বলল, কিন্তু তার গলা কাঁপছে। সে একটা সিমেন্টের বস্তার ওপর বসল, শাড়ি একটু উঠে গেল হাঁটুর ওপর।
সুবল এগিয়ে এল। দুই হাতে দীপার মুখটা ধরে সে ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরল, রুক্ষভাবে। কোনো ভদ্রতা নেই, শুধু খিদে। দীপা প্রথমে চমকাল, তারপর সেও সাড়া দিল, তার হাত সুবলের ঘামে ভেজা চুলে।
"উফ," দীপা ফিসফিস করল ঠোঁট ছাড়িয়ে। "এতদিন পর কেউ এভাবে..."
"চুপ," সুবল বলল, আবার তার ঠোঁট চেপে ধরল। এবার তার হাত দীপার ব্লাউজের ওপর, দুধের ওপর চাপ দিচ্ছে জোরে। দীপা গোঙানি ছাড়ল তার মুখের ভেতর।
সে দীপাকে বস্তার ওপর শুইয়ে দিল, নিজে তার ওপর উঠে। তার হাত শাড়ির ভেতর ঢুকে গেল, পেট বেয়ে ওপরে। ব্লাউজের হুকগুলো এক এক করে খুলতে লাগল, আঙুল কাঁপছে না, বরং দৃঢ়।
ব্লাউজ খুলে যেতেই সুবল থামল। দীপার দুধ ব্রায়ের ভেতর ফুলে আছে। সে ব্রায়ের ওপর দিয়েই মুখ নামাল, জোরে চুষতে লাগল। দীপা পিঠ বেঁকিয়ে দিল। "আহ, সুবল..."
"এত নরম," সুবল গর্জন করল। সে ব্রাটা টেনে নিচে নামাল, দুধ দুটো বেরিয়ে এল, বোঁটা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে। সে একটা বোঁটা মুখে নিল, দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিল।
দীপা চিৎকার করে উঠল। "আস্তে, কেউ শুনবে!"
"শুনুক," সুবল বলল, আরেকটা বোঁটা চুষতে চুষতে। তার হাত নিচে নেমে গেছে, শাড়ি তুলে দিচ্ছে হাঁটু থেকে উরু বেয়ে।
তার আঙুল দীপার প্যান্টির ওপর পড়ল, ভেজা জায়গাটায়। "বৌদি, তুমি তো পুরো ভিজে গেছ," সে হাসল, আঙুল দিয়ে ভেজা কাপড়ের ওপর ঘষল।
"তোমার দোষ," দীপা হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। "সরবত খাওয়াতে গিয়ে..."
সুবল প্যান্টিটা এক টানে নামিয়ে দিল। দীপার গুদ ভেজা, ফুলে আছে। সে দুই আঙুল ঢুকিয়ে দিল ভেতরে, জোরে জোরে নাড়াতে লাগল। দীপার শরীর কেঁপে উঠল।
"আহ, আহ, সুবল, ওখানে না," দীপা বলল, কিন্তু তার পা আরো ফাঁক হয়ে গেল।
"কোথায় না? এখানে?" সুবল আঙুল আরো গভীরে ঢুকিয়ে ঘোরাতে লাগল। তার বুড়ো আঙুল গুদের ওপরের দানাটায় ঘষছে। দীপার গোঙানি ঘরটায় প্রতিধ্বনিত হলো।
সে নিচে নেমে মুখ লাগাল। জিভ দিয়ে গুদের পাপড়ি চাটতে লাগল, লম্বা লম্বা চাটন। দীপা তার চুল খামচে ধরল। "উফ, মাগো, কী করছ..."
সুবল জিভ ভেতরে ঢুকিয়ে দিল, তারপর দানাটা চুষতে লাগল জোরে। দীপার শরীর শক্ত হয়ে গেল, তারপর এক ঝটকায় পানি বেরিয়ে এল। সে কেঁপে কেঁপে উঠল, সুবলের মুখ ভিজে গেল।
"দেখলে? একবারেই শেষ," সুবল উঠে বলল, মুখ মুছে। "এবার আমার পালা।"
সে লুঙ্গি খুলে ফেলল। তার ধোন দাঁড়িয়ে, মোটা আর লম্বা, শিরা ফুলে আছে। দীপা দেখে চোখ বড় করল। "এত বড়?"
"ধরো," সুবল বলল, দীপার হাত টেনে ধোনের ওপর রাখল। দীপা মুঠো করে ধরল, গরম আর শক্ত। সে নাড়াতে লাগল ধীরে ধীরে।
সুবল গোঙাল। "মুখে নাও।"
দীপা উঠে বসে ধোনটা মুখে নিল। প্রথমে ডগাটা চুষল, জিভ ঘোরাল, তারপর আস্তে আস্তে গভীরে নিল। সুবল তার মাথা ধরে ঠেলতে লাগল। "হ্যাঁ, এভাবে, আরো ভেতরে।"
দীপার গলা পর্যন্ত ধোন ঢুকে গেল। সে চুষতে লাগল জোরে, গাল ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। সুবলের পা কাঁপছে। "বৌদি, তুমি তো পাকা," সে হাঁপাল। দীপা মুখ থেকে ধোন বের করে হাত দিয়ে নাড়াতে লাগল, জিভ দিয়ে ডগাটা চাটতে চাটতে। তারপর আবার গভীরে নিল, এবার নাক তার তলপেটে ঠেকল। সুবল মাথা পেছনে হেলিয়ে গোঙাল।
"এতদিনের জমানো," দীপা মুখ তুলে বলল, ঠোঁটে হাসি। "আজ সব বের করব।" সে আবার মুখ নামাল, এবার আরো জোরে চুষতে লাগল, এক হাতে নিচের থলিটা মালিশ করতে করতে। সুবল তার চুল খামচে ধরল, নিজেই কোমর ঠেলতে লাগল।
"ব্যস, ব্যস," সুবল বলল, দীপাকে টেনে তুলে। "এভাবে চললে এখানেই শেষ হয়ে যাবে।" তার চোখ লাল, শ্বাস ভারী। "এবার তোমার পালা।"
সে দীপাকে টেনে তুলল, ঘুরিয়ে দেয়ালের দিকে মুখ করাল। "হাত দেয়ালে রাখো।"
দীপা দেয়ালে হাত রাখল। সুবল পেছন থেকে তার কোমর ধরে ধোনটা গুদের মুখে রাখল। "রেডি?"
"দাও," দীপা ফিসফিস করল। "জোরে দাও।"
সুবল এক ধাক্কায় পুরো ধোন ঢুকিয়ে দিল। দীপা চিৎকার করে উঠল। "আহ! আস্তে না, জোরে!"
সে ঠাপাতে লাগল, কোমর ধরে টেনে টেনে। প্রতিটা ঠাপে দীপার দুধ দুলছে, দেয়ালে তার হাতের চাপে সিমেন্টের গুঁড়ো পড়ছে। "এই, এই গুদটা আমার," সুবল গর্জন করল, "বলো, কার?"
"তোমার, তোমার," দীপা হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। "আরো জোরে, সুবল, আরো জোরে।"
সুবল গতি বাড়াল। ঘরটায় শুধু চামড়ার শব্দ আর দুজনের হাঁপানি। দীপার গুদ ধোনটাকে কামড়ে ধরছে ভেতরে ভেতরে।
হঠাৎ সুবল থামল, ধোন বের করে দীপাকে ঘুরিয়ে নিল। "নিচে বসো," সে বলল, নিজে বস্তার ওপর বসে। দীপা তার কোলে বসল, ধোনটা নিজের গুদে ঢুকিয়ে নিল ধীরে ধীরে।
দীপা ওঠানামা করতে লাগল। তার দুধ সুবলের মুখের সামনে দুলছে, সুবল একটা বোঁটা কামড়ে ধরল। দীপা গতি বাড়াল, তার নিতম্ব ওঠানামা করছে জোরে।
"আমি আসছি, আমি আসছি," দীপা চিৎকার করল। তার গুদ সংকুচিত হলো ধোনের চারপাশে, পানি বেরিয়ে এল দ্বিতীয়বার। সুবলও আর পারল না, গভীরে ঢুকিয়ে ঝরে গেল ভেতরে, গরম বীর্যে গুদ ভরে গেল।
দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে বসে রইল। সুবলের বুকে দীপার মাথা। "বৌদি," সুবল ফিসফিস করল, "তোমার স্বামী তো বিদেশে। কতদিন?"
"তিন বছর," দীপা বলল। "আজ তুমি সেই তিন বছরের খিদে মিটিয়ে দিলে।"
সুবল হাসল। "খিদে মিটেছে? আমার তো আরো আছে।"
দীপা তার দিকে তাকাল। ধোনটা আবার শক্ত হতে শুরু করেছে। "তাহলে দেরি কেন?" সে বলল, উঠে দাঁড়িয়ে শাড়িটা পুরো খুলে ফেলল।
এবার দীপা নিচে শুল, পা ফাঁক করে। "এসো, এবার আমি শুধু নেব।"
সুবল তার ওপর উঠল, ধোনটা আবার গুদে ঢুকিয়ে দিল, এখনো ভেজা আর পিচ্ছিল। এবার ধীরে শুরু করল, গভীর লম্বা ঠাপ। দীপা তার পিঠ খামচে ধরল।
"তোমার গুদটা এত টাইট," সুবল বলল, কপালে ঘাম। "যেন কুমারী।"
"তিন বছর কেউ ছোঁয়নি," দীপা বলল, পা তার কোমরে জড়িয়ে। "আজ তুমি মালিক।"
সুবল গতি বাড়াল। দীপার দুধ দুটো তার বুকে চাপা, বোঁটা ঘষা খাচ্ছে। সে দীপার ঘাড়ে কামড় দিল, কানের লতিতে। দীপা গোঙাচ্ছে একটানা। হঠাৎ সুবল ধোন বের করে দীপাকে কোলে তুলে নিল, দেয়ালের সাথে চেপে ধরল। দীপা পা তার কোমরে জড়াল।
"ধরো," সুবল বলল। দীপা দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে ঝুলছে, সুবল নিচ থেকে ধোন ঢুকিয়ে দিল। এই ভঙ্গিতে প্রতিটা ঠাপ গভীরে আঘাত করছে। দীপা তার কাঁধ খামচে ধরল, নখ বসে গেল চামড়ায়।
"আহ, সুবল, পড়ে যাব," দীপা হাঁপাল, কিন্তু পা আরো শক্ত করে জড়াল।
"পড়বে না," সুবল গর্জন করে বলল, তার নিতম্ব ধরে ওঠানামা করাতে লাগল। দীপার দুধ তার মুখের সামনে, সে একটা বোঁটা কামড়ে ধরল জোরে। দীপা চিৎকার করে উঠল, তার গুদ সংকুচিত হলো আবার। "আসছে, আবার আসছে।"
সুবল তাকে নামিয়ে দিল। "ঘুরো," সে বলল, ধোন তখনো শক্ত। দীপা কুকুরের মতো হলো, হাঁটু আর হাতে ভর দিয়ে। সুবল পেছন থেকে ঢুকল, এবার আরো গভীরে।
এই ভঙ্গিতে প্রতিটা ঠাপ দীপার ভেতরে আঘাত করছে। "আহ, আহ, ওখানে, ওখানেই," দীপা চিৎকার করল। সুবল তার চুল ধরে টানল হালকা, আরেক হাতে দুধ চেপে ধরল।
"বলো, আরো চাও?" সুবল জিজ্ঞেস করল, ঠাপ না থামিয়ে।
"চাই, আরো চাই," দীপা বলল। "থেমো না, থেমো না।"
সুবলের ঠাপের গতি পাগলের মতো বেড়ে গেল। দীপার শরীর দুলছে, তার গুদ থেকে রস গড়িয়ে উরু বেয়ে নামছে। তৃতীয়বারের মতো দীপার শরীর কেঁপে উঠল, পানি বেরিয়ে এল ধোনের গায়ে।
সুবল ধোন বের করে দীপার পিঠের ওপর ঝরে গেল, গরম বীর্য গড়িয়ে পড়ল। দুজনে মেঝেতে শুয়ে পড়ল, হাঁপাতে হাঁপাতে। দীপা সুবলের বুকে মাথা রাখল, তার আঙুল সুবলের ঘামে ভেজা বুকে ঘুরছে।
"তিন বছরে কেউ আমাকে এভাবে ছোঁয়নি," দীপা ফিসফিস করল। "ফোনে কথা হয়, টাকা আসে, কিন্তু এই," সে সুবলের ধোনের দিকে ইশারা করল, "এইটা কেউ দেয়নি।"
সুবল তার কপালে চুমু খেল। "এখন থেকে দেব। রোজ দুপুরে।"
"রোজ?" দীপা হাসল। "তোমার বউ জানলে?"
"আমার বউ নেই, বৌদি," সুবল বলল। "থাকলে তোমার মতো হতো না।"
অনেকক্ষণ চুপ। শুধু দুজনের শ্বাসের শব্দ আর বাইরে কাঠঠোকরার ডাক। দীপা সুবলের বাহুতে মাথা রেখে ভাবল, এই দুপুরটা সে কোনোদিন ভুলবে না। সুবলের হাত তার কোমরে, আলতো করে ঘষছে।
দীপা উঠে শাড়ি পরতে লাগল। "কাল আবার আসবে তো, কাজে?"
সুবল লুঙ্গি পরতে পরতে হাসল। "কাজে তো আসবই। কিন্তু দুপুরের সরবতটা রোজ চাই।"
"সরবত তো বাহানা," দীপা বলল, ব্লাউজের হুক লাগাতে লাগাতে। "তুমি জানো আমি কী দিতে আসব।"
সুবল তার কাছে এসে গালে একটা চুমু খেল। "তাহলে কাল দুপুরে এই ঘরেই। দরজাটা ভেতর থেকে বন্ধ করে নিও।"
"বন্ধই থাকবে," দীপা ফিসফিস করে বলল, তারপর রান্নাঘরের দিকে হেঁটে গেল, যেন কিছুই হয়নি।
Readers who enjoyed “রাজমিস্ত্রীর দুপুর” also read
8 curated storiesনতুন চটি গল্প: এসি মেকানিকের সাথে সেই গরম দুপুর
দমদমের ফ্ল্যাটে এক গরম দুপুরে এসি সার্ভিস করতে আসে ছাব্বিশ বছরের রাজা, আর একটা সাধারণ সার্ভিস ভিজিট বদলে যায় মৌসুমির জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ দুপুরে।
বাংলা চোদা চুদির গল্প: পুকুরঘাটে ভোরের সেই স্নান
ভোরের কুয়াশায় পুকুরঘাটে একা স্নান করতে আসা রুমা, আর জল নিতে আসা পাড়ার ছেলে পার্থ. একটা ভোর বদলে দেয় দুটো জীবন.
Boudi Choti Golpo: টিউশন স্যারের সাথে সুতপা বৌদির সেই দুপুর
বাবান ক্রিকেট প্র্যাকটিসে, বাড়িতে একা সুতপা বৌদি। টিউশন শেষে চায়ের নিমন্ত্রণে থেকে গেলেন রাজিব, আর সেই দুপুর বদলে দিল সবকিছু।
বাংলা মামা চটি গল্প: মামার ফিরে আসা
দুবাই-প্রবাসী স্বামীর অপেক্ষায় থাকা রিনার জীবনে ফিরে এলেন তাঁর মামা তপন। দু'দিনের নির্জন বাড়িতে জমে উঠল নিষিদ্ধ আকর্ষণ। বাংলা মামা চটি গল্প।
বাংলা প্রতিবেশী চটি গল্প: রিঙ্কি ভাবীর সন্ধ্যাবেলা
একটি বাংলা প্রতিবেশী চটি গল্প: তিন মাসের চোখাচোখির পর এক সন্ধ্যায় প্রতিবেশী রিঙ্কি ভাবী শুভাশিসের দরজায় এসে দাঁড়ান, আর ফোঁটা ফোঁটা পানি পড়া কলটা ঠিক করার বাহানায় শুরু হয় এমন এক রাত যার অপেক্ষা ছিল অনেকদিনের।
বাংলা স্কুল টিচার চটি: লেক গার্ডেন্সের প্রাইভেট টিউশন
প্যারেন্ট টিচার মিটিংয়ে দেখা শুভদীপের চোখে ছিল দু বছরের একাকীত্ব। প্রাইভেট টিউশনের সন্ধ্যেগুলো কখন যে ভালোবাসায় বদলে গেল, তনুশ্রী নিজেও টের পেল না।
বৃষ্টির রাতে পাড়ার বৌদি
লোডশেডিংয়ের রাতে মোমবাতি নিতে এসেছিলেন শর্মিলা বৌদি। তারপর যা হলো, তা পাড়ার কেউ কোনোদিন জানল না।
হোটেল রুমে দরজা খুলতেই সে কাপড় খুলে ফেলল
হোটেল রুমের দরজা খুলল। কোনো কথা নেই। শাড়ি খুলে গেল। আর তারপর সারা রাত শুধু শরীরের ভাষা চলল। এক রাতের খেলা যা কখনো ভোলা যাবে না।