বাংলা দিদির গল্প: সিঁড়ির ঘরে মৌসুমী দিদি

S
9 min read0 readers
Font:
0:000:00
Share Story:

যারা বলে বাংলা দিদি চোদা গল্প শুধু বইয়ের পাতায় হয়, তারা নিশ্চয়ই কখনো মৌসুমী দিদির ফ্ল্যাটের দরজায় দুপুরবেলা কড়া নাড়েনি। সেদিন ঠিক আড়াইটে, হাতে ইস্পাতের টিফিন বক্সটা নিয়ে আমি তিনতলার সিঁড়ি বেয়ে উঠলাম, সিঁড়ির ঘরে তখন জনমানব নেই। বেলের বোতামে আঙুল রাখতেই ভেতর থেকে শাড়ির খসখস আর চটির খটখট শব্দ এল, আর দরজা খুলে গেল এক ঝটকায়।

দরজায় দাঁড়িয়ে মৌসুমী দিদি, গায়ে শুধু একটা পাতলা গোলাপি নাইটি, যার ডান কাঁধের ফিতেটা নেমে এসেছে বাহুর মাঝামাঝি। ভেতরে ব্লাউজ নেই, নাইটির কাপড় এত পাতলা যে তার শরীরের প্রতিটা বাঁক স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। সে আমাকে দেখে একটুও লজ্জা পেল না, বরং ঠোঁটের কোণে এমন একটা দুষ্টু হাসি ফুটল যেন এই দৃশ্যটাই সে মনে মনে চাইছিল।

"কী রে রাজু, দরজায় দাঁড়িয়ে হাঁ করে রইলি কেন, ভেতরে আয়," দিদি বলল, আর আমার হাত থেকে টিফিন বক্সটা নিয়ে নিল। তার আঙুল আমার আঙুলে লাগতেই আমার গা শিউরে উঠল, যেন হালকা কারেন্ট খেলে গেল। আমি ফ্ল্যাটে ঢুকলাম, পেছনে দরজা বন্ধ হওয়ার শব্দ হলো খটাং করে, আর আমার বুকের ধড়ফড়ানি আরও বেড়ে গেল।

ড্রয়িংরুমে ফ্যান ঘুরছে জোরে, কিন্তু আমার কপালে ঘাম জমতে শুরু করেছে। খোলা শোবার ঘরের দরজা দিয়ে দেখা যাচ্ছে বিছানায় পড়ে থাকা তার খোলা শাড়ি, যেটা সে বেল বাজার ঠিক আগে বদলাচ্ছিল। দিদি আমার দৃষ্টি লক্ষ্য করে হাসল, "শাড়ি ছেড়ে নাইটি পরছিলাম, তুই বেল না বাজালে আরেকটু সময় নিতাম।"

"দিদি, তুমি কাপড় পরে নাও, আমি বাইরে অপেক্ষা করছি," আমি বললাম, যদিও পা নড়ছিল না। দিদি এগিয়ে এসে আমার খুব কাছে দাঁড়াল, তার নিশ্বাস আমার মুখে লাগছিল। "পরে কেন, এখনই তো ভালো সময়," সে ফিসফিস করে বলল, "তুই কি দিদিকে এই অবস্থায় দেখে লজ্জা পাচ্ছিস নাকি।"

তার গা থেকে ভেসে আসছিল সাবান আর ঘামের মেশানো একটা মাতাল করা গন্ধ। নাইটির ভেতর দিয়ে তার ভরাট দুধের আকৃতি স্পষ্ট, প্রতিটা নিশ্বাসে ওঠানামা করছে। সে টিফিন বক্সটা টেবিলে রাখল, তারপর ঘুরে আমার চোখে চোখ রাখল।

"তোর জামাইবাবু অফিসে, ফিরবে সেই রাত নটায়," সে ফিসফিস করে বলল। "এই পুরো বিকেলটা বাড়িতে শুধু তুই আর আমি, কেউ ডিস্টার্ব করবে না।"

"জানিস রাজু, তোর জামাইবাবু মাসের পর মাস আমাকে ছোঁয় না, অফিস আর মোবাইল নিয়েই থাকে," দিদির গলা হঠাৎ ভারী হয়ে এল। "পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে একটা মেয়ের শরীরে যে আগুন জ্বলে, সেটা নেভানোর কেউ নেই।" তার চোখে তখন লজ্জা নয়, ছিল খোলাখুলি আকাঙ্ক্ষা, আর আমি বুঝলাম আজকের দুপুরটা সাধারণ থাকবে না।

আমার বুক ধড়ফড় করছিল, প্যান্টের ভেতর ধোনটা শক্ত হয়ে উঠছিল টের পাচ্ছিলাম। দিদির চোখ নিচের দিকে গেল, আর তার হাসি আরও চওড়া হলো। "ওহো, দেখছি কেউ বেশ তৈরি হয়ে এসেছে," সে বলল, আর আমার প্যান্টের ওপর দিয়ে আঙুল বুলিয়ে দিল আলতো করে।

আমি শিউরে উঠলাম, "দিদি, এটা ঠিক হচ্ছে না," বললাম, কিন্তু গলার স্বরে কোনো জোর ছিল না। সে হাতটা সরাল না, প্যান্টের ওপর আলতো চাপ দিতে লাগল, আর আমি চোখ বন্ধ করে ফেললাম। "এই বাড়িতে দুপুরে কেউ কারো দরজায় আসে না, সবাই ঘুমায়," সে হাসল, "তুই নিশ্চিন্তে থাক, দিদি সব সামলে নেবে।"

"ঠিক বেঠিক তুই আমাকে শেখাস না," দিদি বলল, আর আমার হাত ধরে টানতে টানতে শোবার ঘরের দিকে নিয়ে গেল। শোবার ঘরে ঢুকেই সে দরজায় ছিটকিনি লাগিয়ে দিল, খটাং শব্দটা আমার বুকে বাজল।

সে আমার গালে হাত রাখল, "এত কাঁপছিস কেন, দিদি কি বাঘ নাকি।" আমি হাসার চেষ্টা করলাম, গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে। "তুই চাইলে এখনো ফিরে যেতে পারিস," সে বলল চোখে চ্যালেঞ্জ নিয়ে, "কিন্তু আমার মনে হয় তুই যাবি না।"

ঘরে হালকা অন্ধকার, পর্দার ফাঁক দিয়ে রোদ এসে পড়েছে বিছানায়, আর বিছানার মাঝখানে পড়ে আছে তার খোলা শাড়ি। শাড়ির পাশে পড়ে আছে তার ব্লাউজ, যেন তাড়াহুড়োয় খুলে ফেলা হয়েছে।

দিদি বিছানার কিনারায় বসে আমার দিকে তাকাল, পা দুটো একটার ওপর আরেকটা তুলে আস্তে আস্তে দোলাচ্ছে। "আয়, কাছে আয়," সে বলল, আঙুল দিয়ে ইশারা করে। আমি এগিয়ে গেলাম, হাঁটু কাঁপছিল, বুকের ভেতর যেন ঢোল বাজছে।

সে আমার শার্টের বোতাম খুলতে শুরু করল একটা একটা করে, আঙুলগুলো আমার বুকে বৃত্ত আঁকছিল। শার্টটা মেঝেতে পড়ল, তারপর সে আমার প্যান্টের জিপার টেনে নামিয়ে দিল ধীরে ধীরে। প্যান্ট খুলে যেতেই আমার শক্ত ধোনটা বেরিয়ে এল, দিদির চোখ চকচক করে উঠল লোভে।

"বাহ, রাজু, তুই তো বেশ বড়সড়," সে বলল, আর ধোনটা হাতের মুঠোয় নিয়ে নাড়াতে লাগল ওপর নিচে। তার হাতের ছোঁয়ায় আমার সারা গায়ে বিদ্যুৎ খেলে গেল, পায়ের আঙুল পর্যন্ত শিউরে উঠল। আমি তার খোলা চুলে হাত বুলিয়ে দিলাম, সে জিভ দিয়ে ঠোঁট ভিজিয়ে নিল।

তারপর দিদি নিজের নাইটির ফিতে দুটো একটানে খুলে দিল, আর নাইটিটা মেঝেতে পড়ে গেল সাপের খোলসের মতো। আমার সামনে সে সম্পূর্ণ নগ্ন, ভরাট দুধ, সরু কোমর, আর পায়ের মাঝে কালো ঝোপের নিচে লুকিয়ে থাকা গুদ। আমার মুখ দিয়ে লালা পড়ার জোগাড়, চোখ ফেরাতে পারছিলাম না।

"দেখ, দিদির সবকিছু আজ তোর," সে বলল, বিছানায় হেলান দিয়ে পা ছড়িয়ে। আমি হাত বাড়িয়ে তার দুধে ছুঁলাম, নরম আর গরম, হাতের তালুতে ভরে গেল। সে আমার হাতটা ধরে নিজের বুকে চেপে ধরল, "ভয় পাস না, দিদি তোরই।"

আমি বোঁটাটা আঙুলে ঘুরালাম, সে শিউরে উঠল, মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল হালকা গোঙানি। তারপর সে আমার হাতটা নিচে নামিয়ে নিজের গুদে রাখল। ভেজা, গরম, রসে ভরা, আমার আঙুল ডুবে গেল ভেতরে সহজেই।

আমি তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লাম, ঠোঁটে ঠোঁট রাখলাম জোরে। তার ঠোঁট নরম, জিভ আমার মুখে ঢুকে গেল, আমরা পাগলের মতো চুমু খেতে লাগলাম। আমার হাত তার দুধ দুটো চেপে ধরল, বোঁটা দুটো শক্ত হয়ে উঠেছে আঙুলের ছোঁয়ায়।

আমি বোঁটায় মুখ দিলাম, চুষতে লাগলাম জোরে জোরে, মাঝে মাঝে আলতো কামড় দিচ্ছিলাম। দিদি কাতরে উঠল, "আহ, রাজু, আরও জোরে চোষ, দিদির দুধ তোরই।" তার হাত আমার চুল খামচে ধরেছে, শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে উঠছে।

আমি তার গলা থেকে নেমে বুক, পেট হয়ে নিচে গেলাম, জিভ বুলিয়ে দিলাম তার গুদের ওপরে। দিদি চিৎকার করে উঠল, পা দুটো আমার কাঁধে তুলে দিল নিজেই। তার গুদ ভিজে চপচপ করছে, রসে টইটম্বুর, আমি জিভ ঢুকিয়ে চাটতে লাগলাম ভেতর পর্যন্ত গভীরে।

"উফ, কী করছিস, পাগল করে দিবি," সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, আঙুল আমার চুলে শক্ত করে ধরা। তার শরীর কাঁপছিল থরথর করে, কোমরটা বিছানা থেকে উঠে আসছিল। আমি তার গুদের দানাটা জিভে ঘষতে লাগলাম, সে চিৎকার করে উঠল গলা ফাটিয়ে।

দিদি আমাকে টেনে ওপরে তুলল, ঠোঁটে চুমু খেল জোরে। তার মুখে নিজের গুদের স্বাদ, আমি সেটা চেটে নিলাম আগ্রহে।

"তোর জিভটা জাদুর মতো রে," সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। সে আমার ধোনটা হাতে নিল শক্ত করে, "এবার দেখ দিদি কী পারে।"

"এবার আমার পালা," বলে দিদি আমার ধোনটা মুখে নিয়ে নিল একবারে গভীর পর্যন্ত। তার গরম মুখের ভেতর আমার ধোনটা ঢুকে গেল, সে চুষতে লাগল পেশাদারের মতো দক্ষতায়। জিভ ঘোরাচ্ছিল চারদিকে, হাত দিয়ে নাড়াচ্ছিল গোড়াটা তালে তালে।

আমি বিছানার চাদর খামচে ধরলাম, "দিদি, আমি আর পারছি না, মাল বেরিয়ে যাবে," গোঙালাম। সে মুখ তুলে হাসল, ঠোঁটে আমার ধোনের রস চকচক করছে। "এখনো তো আসল খেলা বাকি," সে বলল, "মালটা দিদির গুদেই ফেলবি, মুখে নয়।"

সে বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে পা দুটো ছড়িয়ে দিল দুদিকে। "আয়, দিদির গুদে ঢোকা তোর ধোনটা, দেখি কত দম তোর।" আমি তার ওপরে উঠলাম, ধোনটা গুদের মুখে রাখতেই সে কেঁপে উঠল। এক ধাক্কায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিলাম ভেতরে, সে চিৎকার করে উঠল।

দিদির গুদ গরম আর টাইট, আমার ধোনটা চেপে ধরল ভেতর থেকে চারদিকে। সে চিৎকার করে উঠল, "আহ, ঢুকেছে, পুরোটা ঢুকেছে ভেতরে।" আমি ঠাপাতে শুরু করলাম, প্রথমে আস্তে, তারপর জোরে, ছন্দ মিলিয়ে।

বিছানা ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ করছিল, আমাদের শরীরের ধাক্কায় দুলছিল। দিদির দুধ দুটো লাফাচ্ছিল ওপর নিচে, আমি একটা হাতে চেপে ধরলাম শক্ত করে। "তুই এত ভালো চুদিস জানতাম না," সে ফিসফিস করে বলল, আমি হাসলাম, "দিদি শিখিয়ে দিলে।"

"আরও জোরে, রাজু, দিদিকে জোরে চোদ," সে চিৎকার করছিল, পা দুটো আমার কোমরে জড়িয়ে ধরেছে। আমি গতি বাড়ালাম, ঘামে ভিজে গেছি দুজনেই, শরীর পিছলে যাচ্ছে। তার নখ আমার পিঠে বসে যাচ্ছিল, ব্যথা আর আরামের মেশানো অনুভূতিতে আমি পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম।

সে আমার হাত ধরে নিজের দুধে রাখল, "এগুলো তোর, যা খুশি কর।" আমি দুধ টিপতে টিপতে ঠাপের গতি কমিয়ে দিলাম ইচ্ছে করে। "কেন থামলি," সে অভিযোগ করল, আমি হাসলাম, "দিদিকে তড়পাতে ভালো লাগছে।" সে কোমর নাড়াতে লাগল নিজেই, আমার ধোনটা আরও গভীরে নেওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে।

আমি তাকে ঘুরিয়ে কুত্তার মতো বসালাম, পেছন থেকে ধোনটা ঢুকিয়ে দিলাম গুদে এক ধাক্কায়। এই ভঙ্গিতে আরও গভীরে যাচ্ছিল, দিদি মুখ গুঁজে দিল বালিশে, পাছা উঁচু করে। আমি তার কোমর ধরে ঠাপাতে লাগলাম জোরে জোরে, চটাস চটাস শব্দ হচ্ছিল ঘরে।

"হ্যাঁ, এইভাবে, আরও ভেতরে দে," সে গোঙাচ্ছিল বালিশে মুখ গুঁজে। আমি তার পাছায় হালকা চাপড় দিলাম, সে চিৎকার করে উঠল আনন্দে। "আরও মার, ভালো লাগছে," সে বলল, আর পেছনে হাত বাড়িয়ে আমার ধোনটা নিজের গুদে আরও গভীরে ঢুকিয়ে নিল।

তারপর দিদি আমার ওপরে উঠে বসল, ধোনটা নিজের গুদে ঢুকিয়ে নিল নিজেই হাতে ধরে। সে লাফাতে লাগল আমার ওপরে ওপর নিচে, দুধ দুটো আমার মুখের সামনে দুলছিল। আমি দুধ চুষতে চুষতে নিচ থেকে ঠাপ দিচ্ছিলাম তালে তালে।

দিদির চোখ বন্ধ, মুখে পরম সুখের ভাব, ঘামে ভিজে চুল লেপ্টে আছে মুখে। "আমি আসছি, রাজু, আমি আসছি," সে চিৎকার করল গলা ফাটিয়ে। তার গুদ আমার ধোনটাকে জোরে চেপে ধরল, সে ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল কয়েকবার।

আমি তাকে তুলে আবার চিত করলাম, এবার তার পা দুটো আমার কাঁধে তুলে নিলাম। এই ভঙ্গিতে প্রতিটা ঠাপ গভীরে আঘাত করছিল, দিদি বালিশ খামচে ধরেছে। "এইটাই, এইটাই চাইছিলাম," সে গোঙাচ্ছিল, শরীর কাঁপছে থরথর করে।

গুদের রসে আমার ধোন ভিজে গেল চপচপে, সে চিৎকার করে উঠল, "আসছি, আমি আসছি," তারপর হাঁপাতে হাঁপাতে নিথর হয়ে গেল। কিন্তু আমি তখনো শেষ হইনি, ধোনটা এখনো লোহার মতো শক্ত হয়ে আছে। আমি গতি আরও বাড়ালাম, দিদি চিৎকার করছিল, "চোদ, আমাকে চুদে শেষ করে দে।"

তলপেটে চাপ বাড়ছিল, আমি পাগলের মতো ঠাপাতে লাগলাম। একসময় সারা শরীরে ঝাঁকুনি দিয়ে আমার মাল ছিটকে বেরিয়ে তার গুদের ভেতরে ঢুকে গেল গরম স্রোতে। আমি তার ওপরে লুটিয়ে পড়লাম, দুজনেই হাঁপাচ্ছি, ঘামে ভেজা শরীর লেপ্টে আছে একে অপরের সঙ্গে।

আমি তার পাশে শুয়ে পড়লাম, ধোনটা এখনো তার গুদের ভেতরে নরম হয়ে আসছে। দিদি আমার বুকে মাথা রাখল, আঙুল বুলিয়ে দিচ্ছে আলতো করে। "তোর মালটা ভেতরে গরম লাগছে," সে ফিসফিস করে বলল, আমি তার কপালে চুমু খেলাম।

কিছুক্ষণ চুপচাপ, শুধু ফ্যানের শব্দ আর আমাদের হাঁপানির আওয়াজ ঘরে। দিদি আমার চুলে হাত বুলিয়ে দিল, "টিফিন বক্স ফেরত দিতে এসে দিদিকেই ফেরত নিয়ে যাচ্ছিস নাকি," সে হেসে বলল। সে ফিসফিস করে বলল, "কাল আবার আসবি তো, এই সময়ে, জামাইবাবু তো রোজই অফিসে থাকে।"

Rate this story

🔥 NEXT CHAPTER IN LINE

Hardcore Desi

বাংলা চটি গল্প নতুন 2026: কলকাতার বইয়ের দোকানের সন্ধ্যা

কলকাতার বইয়ের দোকানের মালিক সোমা এক পুরনো ট্রেনের স্মৃতি মনে করে, আর এই বাংলা চটি গল্প নতুন 2026 এক অচেনা লোকের ফিরে আসা দিয়ে এক উষ্ণ সন্ধ্যায় বদলে যায়।

Read Next Story

More stories by Sharmistha Bose

View all →

Readers who enjoyed “বাংলা দিদির গল্প: সিঁড়ির ঘরে মৌসুমী দিদি” also read

8 curated stories
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা চোদা চুদির গল্প: ছাদের হাওয়ায় ওড়া শাড়ি

স্বামী মাসের কুড়ি দিন ট্রাকে বাইরে, আর পাশের ঘরের ভাড়াটে যুবক রনির চোখ আটকে আছে বৌদি শেফালির ওপর. ছাদের এক ঝোড়ো হাওয়ায় ওড়া শাড়ি বদলে দিল সবকিছু.

⏱️ 9 min read•👁️ 4 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বৌদি চোদা গল্প: বাথরুমের চিৎকার

স্বামী দুর্গাপুরে, বাড়িতে একা বৌদি রুমা আর দেওর সায়ন। বাথরুমে পা পিছলে যাওয়া থেকে শুরু হওয়া এক বৌদি চোদা গল্প, যেখানে এক সন্ধ্যা চার দিনের গোপন সম্পর্কে বদলে যায়।

⏱️ 9 min read•👁️ 2 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

দিদি চটি গল্প: ছাদের আড্ডায় বদলে যাওয়া রাত

বিয়ের চার বছর পর দু মাসের জন্য বাপের বাড়ি ফেরা দিদির সঙ্গে ছাদে চায়ের আড্ডা। তিন রাতের আড্ডা যেভাবে এক রাতে বদলে গেল, পড়ুন নতুন দিদি চটি গল্প।

⏱️ 10 min read•👁️ 2 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা চাচি চটি গল্প: কাকলির রান্নাঘরে সেই রাত

কাকার নাইট ডিউটি, ভাঙা টিভি, আর ফোনে সিনেমা দেখতে দেখতে চাচি কাকলির বিছানায় সৌম্যর সেই রাত, এই বাংলা চাচি চটি গল্পে।

⏱️ 11 min read•👁️ 2 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা বিধবা চটি গল্প: নতুন ভাড়াটিয়া

বাংলা বিধবা চটি গল্প: তিন বছর আগে স্বামী হারানো মিতালির বাড়িতে নতুন ভাড়াটিয়া অর্জুন। এক বর্ষার সন্ধ্যায় খিচুড়ি আর ইলিশ ভাজার গন্ধে শুরু।

⏱️ 9 min read•👁️ 2 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি: হলুদ ট্যাক্সির বৃষ্টিভেজা রাত

বিয়ের রিসেপশন থেকে ফেরার পথে বৃষ্টির রাতে শ্রাবণীর হলুদ ট্যাক্সি পাংচার হয় ময়দানের অন্ধকারে। মেকানিক আসতে দেরি করে, আর পেছনের সিটে ড্রাইভার রতনের সঙ্গে জমে ওঠে এমন এক গোপন খেলা, যা এই কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি কে অনেকদিন মনে রাখার মতো করে তোলে।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

Bangla Sex Story: লিফটে আটকে যাওয়া শিলার সেই সন্ধ্যা

শিলার bangla sex story: কলকাতার ফ্ল্যাটবাড়ির লিফটে এক সন্ধ্যায় আটকে পড়া, আর মেকানিক তুহিনের সঙ্গে তার গোপন রাতের কাহিনি।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরের ফ্ল্যাটে শর্মিলা

বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরে ফাঁকা ফ্ল্যাট, গান বাজছে, শর্মিলা বৌদি নাচছেন। সৌরভ ফিরে এলো হাফ ডে তে, আর তারপর যা হলো তা তাদের গোপন নেশা হয়ে গেল।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views