কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি: হলুদ ট্যাক্সির বৃষ্টিভেজা রাত

T
9 min read1 readers
Font:
0:000:00
Share Story:

কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি মানেই ভিড়ের শহরে লুকিয়ে থাকা গোপন রাতের গল্প, আর সেই রাতে আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামার সঙ্গে সঙ্গে আমার গল্পটাও ভিজতে শুরু করেছিল। সল্টলেকে মামাতো বোনের বিয়ের রিসেপশন থেকে বেরিয়ে যখন ট্যাক্সির লাইনে দাঁড়ালাম, ঘড়িতে তখন এগারোটা বেজে কুড়ি, শাড়ির আঁচল হাওয়ায় উড়ছিল, আর মাথার ওপর কালো মেঘ গর্জন করছিল।

সামনে দাঁড়ানো হলুদ ট্যাক্সিটার জানালায় টোকা দিয়ে বললাম, "দাদা, বেহালা যাবেন তো?" ভেতর থেকে একটা ভারী গলা ভেসে এল, "উঠুন বৌদি, বৃষ্টি আসছে।" দরজা খুলে পেছনের সিটে বসতেই গাড়ি ছেড়ে দিল, আর ঠিক তখনই প্রথম বড় বড় ফোঁটাগুলো উইন্ডস্ক্রিনে আছড়ে পড়ল।

ড্রাইভারের নাম রতন, বয়স আটত্রিশের আশেপাশে হবে। রিয়ার ভিউ আয়নায় তার চোখে আমার চোখ পড়তেই বুকটা ধক করে উঠল, কারণ সে আমাকে দেখছিল, লুকোচ্ছিল না। চওড়া কাঁধ, ঘামে ভেজা শার্ট গায়ের সঙ্গে সেঁটে আছে, স্টিয়ারিং ঘোরানোর সময় হাতের শিরাগুলো ফুলে ফুলে উঠছে। আমার স্বামী তখন দিল্লিতে অফিসের ট্যুরে, বেহালার ফ্ল্যাটে আমি একা ফিরছি, আর এই ঝড়ের রাতে এক অচেনা পুরুষের গাড়ির পেছনের সিটে বসে আমার শিরদাঁড়া বেয়ে কেমন একটা শিরশিরানি নেমে যাচ্ছিল।

রিসেপশনে দু পেগ হুইস্কি খেয়েছিলাম, মাথাটা হালকা ঝিমঝিম করছিল। শাড়িটা গাঢ় মেরুন রঙের, বৃষ্টির ছাঁট জানালার ফাঁক দিয়ে এসে আঁচলটা ভিজিয়ে দিচ্ছিল। আমি আঁচলটা টেনে বুকের ওপর ঠিক করতে গেলাম, আর আয়নায় দেখলাম রতনের চোখ সেই দিকেই আটকে আছে। সে চোখ সরাল না। আমিও সরালাম না।

"বৃষ্টি তো জোরে নামল বৌদি," সে বলল, গাড়ি সেক্টর ফাইভের ফাঁকা রাস্তা দিয়ে ছুটছে। "হ্যাঁ, এই সময়টায় এমনই হয়," আমি বললাম, কিন্তু আমার গলা শুনে নিজেই চমকে উঠলাম, কেমন যেন ভারী শোনাচ্ছিল। সে আবার আয়নায় তাকাল, এবার ঠোঁটের কোণে একটা হাসি। "বাড়িতে কেউ অপেক্ষা করছে?" প্রশ্নটা সাদামাটা, কিন্তু তার চোখে ছিল অন্য কিছু। "না," আমি বললাম, "আজ কেউ নেই।"

কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গেই বুঝলাম, আমি একটা দরজা খুলে দিলাম। রতন আর কিছু বলল না, শুধু গাড়ির স্পিড একটু কমিয়ে দিল, যেন এই রাতটা সে তাড়াতাড়ি শেষ করতে চায় না। বৃষ্টি ততক্ষণে মুষলধারে নামছে, ওয়াইপার দুটো পাগলের মতো এদিক ওদিক ছুটছে, আর রাস্তায় জল জমতে শুরু করেছে।

ময়দানের কাছাকাছি আসতেই একটা জোরে শব্দ হল, ধড়াম! গাড়িটা একদিকে হেলে গেল। রতন স্টিয়ারিং শক্ত করে ধরে গাড়িটা রাস্তার ধারে, একটা বড় গাছের নিচে দাঁড় করাল। "পাংচার," সে বলল, দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে গেল। আমি জানালা দিয়ে দেখলাম, সে টর্চ জ্বালিয়ে পেছনের চাকাটা দেখছে, বৃষ্টিতে পুরো ভিজে যাচ্ছে।

মিনিট পাঁচেক পরে সে ফিরে এল, মাথা থেকে পা পর্যন্ত ভেজা, শার্টটা গায়ের সঙ্গে লেপ্টে আছে। "বৌদি, টায়ার ফেটে গেছে। আমার চেনা মেকানিক আছে কাছেই, ফোন করছি, চল্লিশ মিনিট লাগবে।" সে ফোন বের করে কাউকে ফোন করল, হ্যাঁ হুঁ করে কথা বলল। "আসছে, তবে এই বৃষ্টিতে সময় লাগবে। আপনি গাড়িতেই বসুন, বাইরে ভিজে যাবেন।"

সে ড্রাইভিং সিটে বসে রইল, আমি পেছনে। মাঝখানে শুধু নীরবতা, আর ছাদে বৃষ্টির শব্দ। ময়দানের এই জায়গাটা রাতে একদম ফাঁকা, দূরে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের আলো বৃষ্টির পর্দার মধ্যে ঝাপসা দেখাচ্ছে। আমার হৃৎপিণ্ড ধড়াস ধড়াস করছিল। "তুমি তো পুরো ভিজে গেছ," আমি বললাম, "ঠান্ডা লেগে যাবে।" "অভ্যেস আছে বৌদি," সে ঘুরে তাকাল, "তবে আপনার শাড়িটাও তো ভিজে গেছে।"

আমি নিচে তাকিয়ে দেখলাম, সত্যিই আঁচলের অনেকটা ভিজে ব্লাউজের সঙ্গে লেপ্টে আছে। আমি আঁচলটা সরাতে গেলাম, আর রতন তখন সিটের ওপর দিয়ে হাত বাড়িয়ে আমার হাতটা ধরে ফেলল। তার হাতটা গরম, ভেজা, শক্ত। "থাক না," সে ফিসফিস করে বলল। আমার নিঃশ্বাস আটকে গেল।

আমি হাতটা ছাড়িয়ে নিলাম না। বরং তার দিকে একটু এগিয়ে এলাম। "রতন," আমার গলা কাঁপছিল, "তুমি কী চাও?" সে হাসল, সেই হাসিটা যেটা আয়নায় দেখেছিলাম। "যা আপনি চান বৌদি," সে বলল, "আমি তো শুধু আয়নায় দেখছিলাম।" আমার গাল গরম হয়ে উঠল। "মিথ্যুক," আমি বললাম, "আয়নায় তো আমিও দেখছিলাম।"

সে তখন ড্রাইভিং সিট থেকে নেমে পেছনের দরজা খুলে আমার পাশে এসে বসল। গাড়ির ভেতরটা অন্ধকার, শুধু দূরের স্ট্রিটলাইটের আলো জানালা দিয়ে এসে পড়ছে। বৃষ্টির শব্দে বাইরের পৃথিবী মুছে গেছে, এই গাড়িটাই তখন আমাদের পুরো দুনিয়া। তার ভেজা শার্টের গন্ধ, ঘাম আর বৃষ্টির মিশ্রণ, আমার নাকে এসে লাগছিল।

সে আমার মুখটা দু হাতে ধরে ঠোঁটে ঠোঁট রাখল। প্রথমে আলতো, তারপর গভীর। তার জিভ আমার মুখের ভেতর ঢুকে গেল, আর আমি তার শার্টের কলার চেপে ধরলাম। এতদিনের অতৃপ্তি, স্বামীর ট্যুর, একা রাতগুলো, সব যেন এই একটা চুমুতে ফেটে পড়তে চাইছিল। আমি তার নিচের ঠোঁটটা কামড়ে ধরলাম, সে গোঙানির মতো শব্দ করল।

তার হাত আমার পিঠ বেয়ে নেমে গেল, ব্লাউজের হুকগুলো এক এক করে খুলতে লাগল। আমি বাধা দিলাম না। ব্লাউজটা খুলে যেতেই সে থমকে গেল, আমার বুকের দিকে তাকিয়ে রইল। "বৌদি," সে ফিসফিস করল, "আপনি তো আগুন।" তারপর সে মুখ নামিয়ে আনল, আমার দুধের ওপর। তার গরম জিভ আমার বোঁটার চারপাশে ঘুরতে লাগল, আর আমি সিটে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললাম।

আমার হাত তখন তার প্যান্টের দিকে চলে গেছে। বেল্টটা খুলে, বোতামটা খুলে ভেতরে হাত ঢুকাতেই আমি টের পেলাম, তার ধোনটা পাথরের মতো শক্ত হয়ে আছে, গরম। আমি সেটা বের করে আনলাম, হাতের মুঠোয় নিয়ে আস্তে আস্তে ওঠানামা করতে লাগলাম। রতন মাথা পেছনে হেলিয়ে দিল, "আহ বৌদি," তার গলা ভেঙে আসছিল।

আমি নিচু হলাম। তার ধোনটা মুখে নিতেই সে কেঁপে উঠল। আমি জিভ দিয়ে ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত চাটলাম, তারপর পুরোটা মুখের ভেতর নিয়ে চুষতে লাগলাম। গাড়ির ভেতরে তখন শুধু আমাদের নিঃশ্বাসের শব্দ আর বাইরে বৃষ্টির গর্জন। সে আমার চুলের মুঠি ধরল, আলতো করে চাপ দিল, আর আমি আরও গভীরে নিলাম।

তারপর সে আমাকে টেনে তুলল। "এবার আমার পালা," সে বলল, আর আমার শাড়িটা কোমর পর্যন্ত তুলে দিল। তার হাত আমার থাই বেয়ে ওপরে উঠল, প্যান্টির ওপর দিয়ে আমার গুদটা চেপে ধরল। আমি ছটফট করে উঠলাম, "রতন, প্লিজ।" সে প্যান্টিটা একটানে নামিয়ে দিল, আর তার আঙুল আমার ভেজা গুদে ঢুকে গেল।

"এত ভিজে," সে হাসল, আঙুলটা ভেতরে বাইরে করতে করতে। আমি তার কাঁধে নখ বসিয়ে দিলাম। "আর সহ্য হচ্ছে না," আমি হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম। সে তখন আমাকে সিটে শুইয়ে দিল, আমার পা দুটো তার কাঁধে তুলে নিল, আর তার ধোনটা আমার গুদের মুখে রাখল।

এক ধাক্কায় সে পুরোটা ঢুকিয়ে দিল। আমি চিৎকার করে উঠলাম, কিন্তু বৃষ্টির শব্দে সেটা হারিয়ে গেল। সে ধীরে ধীরে ঠাপাতে শুরু করল, প্রতিটা ঠাপে গাড়িটা হালকা দুলছিল। তার চোখ আমার চোখে, ঘামে ভেজা মুখ, আর আমি তার প্রতিটা ধাক্কায় কেঁপে কেঁপে উঠছিলাম। "বৌদি, তোমার গুদটা কী টাইট," সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল।

আমি তার কোমর জড়িয়ে ধরে নিজেকে আরও কাছে টেনে নিলাম। "জোরে, আরও জোরে," আমি ফিসফিস করলাম। সে গতি বাড়াল, গাড়ির সিট ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ করতে লাগল। আমার ভেতরে একটা ঢেউ উঠছিল, পায়ের আঙুল বেঁকে যাচ্ছিল। "আসছে, আমার আসছে," আমি চিৎকার করলাম, আর তখনই আমার শরীরটা কেঁপে উঠল, গুদ থেকে পানির মতো স্রোত বেরিয়ে এল।

কিন্তু রতন থামল না। সে আমাকে উল্টে দিল, আমি সিটে হাঁটু গেড়ে বসলাম, সে পেছন থেকে আবার ঢুকল। এই পজিশনে তার ধোনটা আরও গভীরে যাচ্ছিল। সে আমার চুলের মুঠি ধরে টানল, অন্য হাতে আমার দুধটা চেপে ধরল। "বৌদি, তুমি আমার," সে গর্জন করল। আমি শুধু গোঙাচ্ছিলাম, কথা বলার শক্তি ছিল না।

কিছুক্ষণ পরে সে থামল, ধোনটা বের করে আমার মুখের সামনে ধরল। আমি বুঝতে পেরে মুখ খুললাম, আর সে আমার মুখেই ঝড়ে পড়ল। গরম মাল আমার জিভে, গলায়। আমি সবটা গিলে নিলাম, তার দিকে তাকিয়ে হাসলাম। সে আমার কপালে চুমু খেল, "তুমি অসাধারণ বৌদি।"

আমরা দুজনে তখন সিটে হেলান দিয়ে বসে, হাঁপাচ্ছি। শাড়িটা কোনোমতে গায়ে জড়িয়েছি, ব্লাউজের হুকগুলো খোলাই। ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। মেকানিক। "হ্যাঁ, আসছি, পাঁচ মিনিট," সে বলল, ফোন রেখে আমার দিকে তাকাল। "বৌদি, ও আসছে।" আমরা তাড়াতাড়ি ঠিকঠাক হয়ে নিলাম, আমি আয়নায় চুল ঠিক করলাম, ঠোঁটের লিপস্টিক মুছে গেছে, আবার লাগালাম।

মেকানিক এল, টায়ার বদলে দিল কুড়ি মিনিটে। এই কুড়ি মিনিট আমরা দুজনে সামনের সিটে বসে রইলাম ভদ্র যাত্রী আর ড্রাইভারের মতো, কিন্তু সিটের নিচে আমার পায়ের আঙুল তার পায়ের সঙ্গে জড়িয়ে ছিল। কেউ দেখতে পায়নি, কিন্তু আমরা দুজনেই জানতাম। মেকানিক চলে যেতেই রতন গাড়ি স্টার্ট দিল, আর আয়নায় আবার সেই চোখাচোখি।

রতন ভাড়া নিল না। "আজকের ভাড়া তো আমি পেয়েই গেছি," সে চোখ টিপে বলল। আমি হাসলাম, তার হাতে একটা পাঁচশো টাকার নোট গুঁজে দিলাম, "চা খেয়ো।" আর তার ফোন নম্বরটাও নিয়ে নিলাম, "পরের বার বেহালা গেলে তোমাকেই ফোন করব।"

সে যখন আমার ব্লাউজের হুক খুলছিল, ঠিক তখনই বাইরে একটা গাড়ির হেডলাইটের আলো আমাদের গাড়ির ওপর দিয়ে চলে গেল। আমরা দুজনে জমে গেলাম। গাড়িটা ধীরে ধীরে পাশ কাটিয়ে চলে গেল, কেউ থামল না। রতন হেসে ফেলল, "ভয় পেয়েছেন বৌদি?" "তোমার জন্যই তো," আমি তার বুকে একটা কিল মারলাম, আর সে সেই হাতটা ধরে তার ঠোঁটে ছোঁয়াল।

"আচ্ছা বৌদি, একটা কথা বলুন তো," সে বলল, তার হাত তখনও আমার হাত ধরে, "এত সুন্দর বউকে রেখে আপনার স্বামী দিল্লি গিয়ে কী করে?" আমি হাসলাম, "টাকা কামায়।" "টাকা তো আমিও কামাই," সে বলল, "কিন্তু আমি হলে..." সে কথাটা শেষ করল না, শুধু আমার দিকে তাকিয়ে রইল। আমি তার গালে হাত রাখলাম, "তুমি হলে কী করতে?" "আমি হলে এই বৃষ্টির রাতে বউকে একা ট্যাক্সিতে উঠতে দিতাম না," সে ফিসফিস করল, "নিজে পাশে বসতাম।"

তার এই কথায় আমার ভেতরটা গলে গেল। আমি তার শার্টের বোতামগুলো এক এক করে খুলতে লাগলাম। ভেজা শার্টটা খুলে যেতেই তার চওড়া বুক বেরিয়ে এল, ঘামে চকচক করছে। আমি তার বুকে হাত বুলালাম, শক্ত পেশি, গরম চামড়া। সে আমার হাতটা ধরে তার বুকের ওপর চেপে ধরল, "অনুভব করো," সে বলল। তার হৃৎপিণ্ড ধড়াস ধড়াস করছিল, আমার মতোই জোরে।

আমি তার বুকে মুখ রাখলাম, তার গায়ের গন্ধে মাতাল হয়ে যাচ্ছিলাম। সে আমার শাড়ির কুঁচিটা ধরে টান দিল, শাড়িটা খুলে সিটে পড়ে গেল। এখন আমি শুধু ব্লাউজ আর পেটিকোটে। "বৌদি, তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে সিনেমার নায়িকা," সে বলল। "আর তোমাকে দেখে মনে হচ্ছে ভিলেন," আমি হেসে বললাম, "যে নায়িকাকে অপহরণ করেছে।" "তাহলে অপহরণই সই," সে বলল, আর আমাকে কোলে তুলে সিটে শুইয়ে দিল।

গাড়ি যখন আমার ফ্ল্যাটের সামনে দাঁড়াল, বৃষ্টি তখন থেমে গেছে। আমি নামার আগে তার দিকে ঝুঁকে ফিসফিস করে বললাম, "স্বামী ফিরতে আরও চার দিন বাকি।" রতন হাসল, সেই আয়নার হাসিটা। "তাহলে বৌদি, কাল রাতে ফোন করবেন।" আমি দরজা বন্ধ করে ভেতরে ঢুকে গেলাম, কিন্তু জানতাম, এই রাতটা শুধু শুরু।

Rate this story

🔥 NEXT CHAPTER IN LINE

Hardcore Desi

বাংলা চটি গল্প নতুন 2026: কলকাতার বইয়ের দোকানের সন্ধ্যা

কলকাতার বইয়ের দোকানের মালিক সোমা এক পুরনো ট্রেনের স্মৃতি মনে করে, আর এই বাংলা চটি গল্প নতুন 2026 এক অচেনা লোকের ফিরে আসা দিয়ে এক উষ্ণ সন্ধ্যায় বদলে যায়।

Read Next Story

More stories by Tanushree Das

View all →

Readers who enjoyed “কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি: হলুদ ট্যাক্সির বৃষ্টিভেজা রাত” also read

8 curated stories
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা চোদা চুদির গল্প: ছাদের হাওয়ায় ওড়া শাড়ি

স্বামী মাসের কুড়ি দিন ট্রাকে বাইরে, আর পাশের ঘরের ভাড়াটে যুবক রনির চোখ আটকে আছে বৌদি শেফালির ওপর. ছাদের এক ঝোড়ো হাওয়ায় ওড়া শাড়ি বদলে দিল সবকিছু.

⏱️ 9 min read•👁️ 4 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বৌদি চোদা গল্প: বাথরুমের চিৎকার

স্বামী দুর্গাপুরে, বাড়িতে একা বৌদি রুমা আর দেওর সায়ন। বাথরুমে পা পিছলে যাওয়া থেকে শুরু হওয়া এক বৌদি চোদা গল্প, যেখানে এক সন্ধ্যা চার দিনের গোপন সম্পর্কে বদলে যায়।

⏱️ 9 min read•👁️ 2 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

দিদি চটি গল্প: ছাদের আড্ডায় বদলে যাওয়া রাত

বিয়ের চার বছর পর দু মাসের জন্য বাপের বাড়ি ফেরা দিদির সঙ্গে ছাদে চায়ের আড্ডা। তিন রাতের আড্ডা যেভাবে এক রাতে বদলে গেল, পড়ুন নতুন দিদি চটি গল্প।

⏱️ 10 min read•👁️ 2 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা চাচি চটি গল্প: কাকলির রান্নাঘরে সেই রাত

কাকার নাইট ডিউটি, ভাঙা টিভি, আর ফোনে সিনেমা দেখতে দেখতে চাচি কাকলির বিছানায় সৌম্যর সেই রাত, এই বাংলা চাচি চটি গল্পে।

⏱️ 11 min read•👁️ 2 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা বিধবা চটি গল্প: নতুন ভাড়াটিয়া

বাংলা বিধবা চটি গল্প: তিন বছর আগে স্বামী হারানো মিতালির বাড়িতে নতুন ভাড়াটিয়া অর্জুন। এক বর্ষার সন্ধ্যায় খিচুড়ি আর ইলিশ ভাজার গন্ধে শুরু।

⏱️ 9 min read•👁️ 2 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

Bangla Sex Story: লিফটে আটকে যাওয়া শিলার সেই সন্ধ্যা

শিলার bangla sex story: কলকাতার ফ্ল্যাটবাড়ির লিফটে এক সন্ধ্যায় আটকে পড়া, আর মেকানিক তুহিনের সঙ্গে তার গোপন রাতের কাহিনি।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরের ফ্ল্যাটে শর্মিলা

বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরে ফাঁকা ফ্ল্যাট, গান বাজছে, শর্মিলা বৌদি নাচছেন। সৌরভ ফিরে এলো হাফ ডে তে, আর তারপর যা হলো তা তাদের গোপন নেশা হয়ে গেল।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

Bangla Hot Golpo: পার্কিং লটের রাত

এক বছর ধরে জমে থাকা টান আজ রাতে মিটল। এই bangla hot golpo পার্কিং লট থেকে শুরু।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views