বাংলা মামি চোদা: পুজোর ছুটিতে রান্নাঘরের সেই বিকেল
ময়দার তালের উপর মামির হাতটা যখন অনিকের হাতের উপর চেপে বসল, তখন দুপুরের বৃষ্টি জানালার কাচে টিপটিপ শব্দ করছিল, আর এই বাংলা মামি চোদার গল্পটা শুরু হলো ঠিক সেখান থেকেই, বালিগঞ্জের পুরনো ফ্ল্যাটের রান্নাঘরে, যেখানে আটত্রিশ বছরের মৌসুমী মামি পঁচিশ বছরের ভাগ্নে অনিককে লুচি বেলতে শেখাচ্ছিলেন। «এইভাবে না, বাবা, হাতটা এইভাবে ঘোরাও», মামি ফিসফিস করে বললেন, তাঁর বুকটা অনিকের পিঠে চেপে গেল, আর অনিকের গলা শুকিয়ে গেল এক মুহূর্তে।
মামা প্রদীপ তিনদিন ধরে দুর্গাপুরে, অফিসের কাজে। বাড়িতে শুধু মামি আর অনিক, পুজোর ছুটিতে কলকাতায় বেড়াতে আসা ভাগ্নে। সকাল থেকে মামি রান্নাঘরে ব্যস্ত, কালীপুজোর আগের সপ্তাহে বাড়ি ভর্তি আত্মীয় আসবে, আর অনিক বারান্দায় বসে বৃষ্টি দেখছিল। «অনিক, একটু সাহায্য করবি?», মামির ডাকে সে রান্নাঘরে ঢুকেছিল, আর এখন মামির শরীরের গরম তার পিঠে লেগে আছে, মামির চুলের গন্ধ, শ্যাম্পু আর ঘামের মিশেল, তার নাকে ঢুকে মাথা ঘুরিয়ে দিচ্ছে।
«দেখো, ময়দাটা নরম হয়েছে কিনা», মামি বললেন, আর অনিকের হাতটা ধরে ময়দার তালে চাপ দিলেন। তাঁর আঙুলগুলো অনিকের আঙুলের ফাঁকে ঢুকে গেল, আর সেই স্পর্শে অনিকের সারা শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। মামির শাড়ির আঁচলটা কোমর থেকে সরে গিয়ে মেঝেতে লুটোচ্ছে, ব্লাউজের ফাঁক দিয়ে তাঁর ভরাট বুকের উপরের অংশ দেখা যাচ্ছে, ঘামে চকচক করছে। অনিক চোখ সরাতে পারল না, আর মামি সেটা দেখলেন, দেখেও চোখ সরালেন না।
«কী দেখছিস?», মামি জিজ্ঞেস করলেন, গলাটা একটু ভারী। অনিকের মুখ লাল হয়ে গেল। «ক, কিছু না মামি।» মামি হাসলেন, সেই হাসিতে কিছু একটা ছিল, যা অনিক আগে কখনো দেখেনি। তিনি অনিকের দিকে ঘুরলেন, এখন তাঁরা মুখোমুখি, ময়দা মাখা হাত দুজনেরই। «তুই এখন বড় হয়ে গেছিস, অনিক। আর ছোট্ট ভাগ্নেটি নেই।» তাঁর চোখ অনিকের চোখে, তারপর নিচে, তারপর আবার চোখে। অনিকের প্যান্টের ভেতর ধোনটা শক্ত হয়ে উঠছিল, আর সেটা লুকোনোর কোনো উপায় ছিল না।
মামি হঠাৎ তাঁর ময়দা মাখা হাতটা অনিকের গালে রাখলেন, সাদা ময়দার দাগ লেগে গেল তার গালে। «ইশ, কী করলাম!», তিনি হেসে বললেন, আর আঙুল দিয়ে ময়দাটা মুছতে গিয়ে তাঁর আঙুল অনিকের ঠোঁট ছুঁয়ে গেল। সেই এক মুহূর্তে রান্নাঘরের বাতাস ভারী হয়ে গেল। অনিক আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না, সে মামির কোমর জড়িয়ে ধরে তাঁকে নিজের দিকে টেনে নিল, আর মামি বাধা দিলেন না, বরং তাঁর শরীরটা নরম হয়ে অনিকের শরীরে মিশে গেল।
তাঁদের ঠোঁট যখন মিলল, তখন বাইরে বৃষ্টি জোরে নামল, জানালায় ঝমঝম শব্দ। মামির ঠোঁট নরম, গরম, আর তাঁর জিভ অনিকের মুখের ভেতর ঢুকে এমনভাবে খেলতে লাগল যেন বছরের পর বছর ধরে এই মুহূর্তের অপেক্ষায় ছিলেন। অনিকের হাত মামির পিঠ বেয়ে নিচে নামল, শাড়ির উপর দিয়ে তাঁর ভরাট পাছাটা চেপে ধরল, আর মামি গোঙিয়ে উঠলেন তার মুখের ভেতর। «অনিক», তিনি ফিসফিস করলেন, «এটা ঠিক হচ্ছে না, তুই আমার ভাগ্নে।» কিন্তু তাঁর হাত তখন অনিকের প্যান্টের উপর দিয়ে তার শক্ত ধোনটা চেপে ধরেছে।
«তাহলে ছেড়ে দাও», অনিক বলল, তার গলা কাঁপছে। মামি এক মুহূর্ত থামলেন, তারপর হাসলেন, আর সেই হাসির পর আর কোনো কথা হলো না। তিনি অনিকের শার্টের বোতাম খুলতে লাগলেন, একটা একটা করে, আর অনিক তাঁর শাড়ির আঁচলটা টেনে নামিয়ে দিল মেঝেতে। রান্নাঘরের টিউবলাইটের আলোয় মামির ব্লাউজ পরা শরীরটা দেখে অনিকের মাথা ঘুরে গেল। তিনি ব্লাউজের হুক খুলতে লাগলেন পেছন দিকে হাত নিয়ে, আর অনিক সাহায্য করল, কাঁপা হাতে।
ব্লাউজটা খুলে পড়তেই মামির বিশাল দুধ দুটো বেরিয়ে এল, কালো ব্রায়ের ভেতর থেকে উপচে পড়ছে। অনিক দুহাতে সেগুলো চেপে ধরল, ব্রায়ের উপর দিয়েই, আর মামি মাথা পেছনে হেলিয়ে গোঙালেন। «আহ, অনিক, জোরে, আরো জোরে চাপ», তিনি বললেন, আর অনিক ব্রাটা টেনে নামিয়ে দিল। খোলা দুধের উপর তাঁর বোঁটা দুটো শক্ত হয়ে উঠেছে, বাদামি রঙের, বড় বড়। অনিক একটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগল, জোরে জোরে, আর অন্য হাতে অন্যটা টিপতে লাগল।
মামি অনিকের চুল খামচে ধরলেন। «চোষ, চোষ ভালো করে, তোর মামা তো ভুলেই গেছে কীভাবে চুষতে হয়», তিনি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন। এই কথায় অনিকের ভেতর একটা পশু জেগে উঠল। সে মামিকে তুলে রান্নাঘরের স্ল্যাবের উপর বসিয়ে দিল, শাড়িটা কোমর পর্যন্ত তুলে দিল। মামির প্যান্টি ভিজে চপচপ করছে, সেটা দেখে অনিকের ধোন আরো শক্ত হয়ে গেল। সে প্যান্টিটা একটানে ছিঁড়ে ফেলল, আর মামি চমকে উঠে হেসে ফেললেন। «পাগল ছেলে!»
অনিক হাঁটু গেড়ে বসল মামির সামনে। মামির গুদটা তার চোখের সামনে, ফোলা ফোলা, ভেজা, ঠোঁট দুটো একটু খোলা। সে জিভ বার করে একটা লম্বা চাট দিল নিচ থেকে উপর পর্যন্ত, আর মামি চিৎকার করে উঠলেন, «আহ, অনিক!» তাঁর হাত অনিকের মাথা চেপে ধরল, আরো জোরে চাপ দিল নিজের গুদের উপর। অনিক জিভটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিল, ঘোরাতে লাগল, আর মামির শরীর কাঁপতে লাগল স্ল্যাবের উপর।
«আঙুল দে, আঙুল দে ভেতরে», মামি কাতর গলায় বললেন। অনিক দুটো আঙুল ঢুকিয়ে দিল মামির গুদে, আর জিভ দিয়ে তাঁর দানাটা চুষতে লাগল। মামির গুদ টাইট, গরম, ভেতরটা ভেজা ভেজা, আঙুল দুটো সহজে ঢুকে গেল। সে আঙুল দিয়ে ভেতরে ঘোরাতে লাগল, উপর নিচ করতে লাগল, আর মামি পাগলের মতো মাথা নাড়তে লাগলেন। «আসছে, আসছে, অনিক, থামিস না!»
মামির শরীরটা হঠাৎ শক্ত হয়ে গেল, তারপর কেঁপে কেঁপে উঠল, আর তাঁর গুদ থেকে রস গড়িয়ে অনিকের মুখে, হাতে লাগল। তিনি জোরে জোরে হাঁপাচ্ছেন, চোখ বন্ধ। অনিক উঠে দাঁড়াল, নিজের ভেজা আঙুল মামির ঠোঁটে ঠেকাল, আর মামি সেগুলো মুখে নিয়ে চুষলেন, চোখে চোখ রেখে। সেই দৃশ্য দেখে অনিকের ধোন ফেটে যাওয়ার জোগাড়।
«এবার তোর পালা», মামি বললেন, স্ল্যাব থেকে নেমে হাঁটু গেড়ে বসলেন অনিকের সামনে। তিনি অনিকের প্যান্টের চেন খুললেন, আর তার আট ইঞ্চির শক্ত ধোনটা বেরিয়ে এল, মাথাটা লাল, ফোঁটা ফোঁটা রস বেরোচ্ছে। মামি সেটা দুহাতে ধরলেন, একবার দেখলেন শ্রদ্ধার চোখে, তারপর জিভ বার করে মাথাটা চাটলেন। «উম, তোর মামারটা তো এর অর্ধেকও না», তিনি হেসে বললেন, আর তারপর পুরো মাথাটা মুখে নিয়ে নিলেন।
মামির মুখ গরম, নরম, তিনি ধোনটা গভীরে নিয়ে গিয়ে গলায় ঠেকালেন, তারপর বের করে আবার নিলেন, ছন্দে ছন্দে। তাঁর এক হাত অনিকের বিচিতে, আলতো করে টিপছে, অন্য হাত ধোনের গোড়ায়, উপর নিচ করছে। অনিকের পা কাঁপছে, সে মামির মাথা ধরে রেখেছে, আর মামি চোখ তুলে তাকিয়ে আছেন তার দিকে, মুখে ধোন নিয়ে। এই দৃষ্টিটা অনিককে পাগল করে দিল।
«মামি, আমি, আমি আসছি», অনিক হাঁপাল। মামি মুখ থেকে ধোনটা বের করলেন, হাত দিয়ে জোরে জোরে খিঁচতে লাগলেন, আর অনিকের বীর্য ছিটকে তাঁর মুখে, গালে, দুধে লাগল। তিনি আঙুল দিয়ে সেটা তুলে চেটে খেলেন, হাসিমুখে। «তিন বছর, অনিক। তিন বছর ধরে তোর মামা আমাকে ছোঁয়নি ঠিকমতো। আজ তুই আমাকে বাঁচালি।»
কিন্তু অনিকের খিদে মেটেনি। সে মামিকে কোলে তুলে নিল, শোওয়ার ঘরের দিকে হাঁটল। বিছানায় শুইয়ে দিয়ে সে তাঁর উপর উঠল। মামির শরীরটা এখন পুরো খোলা, শুধু গলায় সোনার চেনটা। অনিক তাঁর দুধ দুটো আবার মুখে নিল, চুষল, কামড়াল আলতো করে, আর মামি তাঁর পা দুটো অনিকের কোমরে জড়িয়ে ধরলেন। «ঢোকা, এবার ঢোকা, আর দেরি করিস না», তিনি আদেশের সুরে বললেন।
অনিক ধোনটা মামির গুদের মুখে রাখল, একটু ঘষল, আর তারপর এক ধাক্কায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিল। মামি চিৎকার করে উঠলেন, «আহ, মা গো!» তাঁর গুদ টাইট, অনিকের ধোনটা চেপে ধরেছে ভেতর থেকে। অনিক ধীরে ধীরে বের করল, আবার ঢোকাল, ছন্দটা বাড়াতে লাগল। বিছানাটা ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ করছে, বাইরে বৃষ্টি পড়ছে, আর ঘরের ভেতর দুটো শরীর এক হয়ে গেছে।
«জোরে, আরো জোরে চোদ আমাকে», মামি চিৎকার করলেন, লজ্জা শরম সব ভুলে। «তিন বছরের খিদে, সব মিটিয়ে দে আজ!» অনিক তাঁর কোমর ধরে জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগল, প্রতিটা ঠাপে মামির দুধ দুটো লাফাচ্ছে। সে নিচু হয়ে মামির ঠোঁটে চুমু খেল, জিভ ঢুকিয়ে দিল, আর নিচে ধোনটা গভীরে ঢুকিয়ে ঘোরাল। মামির নখ অনিকের পিঠে বসে গেল, দাগ কেটে দিল।
অনিক মামিকে উল্টে দিল, কুকুরের মতো পজিশনে। মামির ভরাট পাছাটা তার সামনে, তিনি কোমর নাড়াচ্ছেন। অনিক পেছন থেকে ধোনটা ঢুকিয়ে দিল, আর এই পজিশনে আরো গভীরে গেল। সে মামির চুলের মুঠি ধরে টানল আলতো করে, আর অন্য হাতে তাঁর ঝুলন্ত দুধটা টিপতে লাগল। «এইভাবে, এইভাবেই চাই», মামি গোঙালেন। «তোর মামা তো মিশনারি ছাড়া কিছু জানেই না!»
দশ মিনিট ধরে অনিক ঠাপিয়ে গেল, ঘামে দুজনের শরীর ভিজে একাকার। তারপর মামির শরীর আবার কেঁপে উঠল, তিনি জোরে চিৎকার করে দ্বিতীয়বার খসালেন, গুদটা অনিকের ধোনটাকে কামড়ে ধরল ভেতর থেকে। সেই চাপে অনিকও আর ধরে রাখতে পারল না, সে ধোনটা বের করে মামির পিঠে, পাছায় বীর্য ঢেলে দিল। দুজনে বিছানায় লুটিয়ে পড়ল, হাঁপাতে হাঁপাতে।
দুজনে বাথরুমে ঢুকল, শাওয়ারের নিচে। গরম জল পড়ছে দুজনের গায়ে, বাষ্প উঠছে। মামি অনিকের গায়ে সাবান মাখিয়ে দিলেন, হাত বুলিয়ে বুলিয়ে, আর তাঁর হাত যখন নিচে নামল, অনিকের ধোনটা আবার শক্ত হয়ে গেল। «আবার?», মামি অবাক হয়ে হাসলেন। «তুই তো দেখছি আজ থামবি না।» তিনি শাওয়ারের নিচেই হাঁটু গেড়ে বসলেন, জলের মধ্যে অনিকের ধোনটা মুখে নিলেন, আর অনিক দেয়ালে হেলান দিয়ে মাথা পেছনে হেলিয়ে দিল।
জলের শব্দে মামির চোষার শব্দ ঢাকা পড়ছে। অনিক মামির ভেজা চুল সরিয়ে দিল মুখ থেকে, তাঁর চোখে চোখ রেখে দেখল তিনি কেমন আনন্দে ডুবে আছেন। সে তাঁকে তুলে দেয়ালে চেপে ধরল, একটা পা তুলে নিজের কোমরে রাখল, আর ভেজা পিচ্ছিল শরীরে ধোনটা আবার ঢুকিয়ে দিল গুদে। শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঠাপাতে লাগল, জল দুজনের মুখ বেয়ে পড়ছে, আর মামি তাঁর নখ দিয়ে অনিকের কাঁধ আঁকড়ে ধরে আছেন। «আরেকবার, আরেকবার খসা আমাকে», তিনি কাঁদো কাঁদো গলায় বললেন, আর অনিক জোরে জোরে ঠাপিয়ে তাঁকে তৃতীয়বারের মতো চরমে পৌঁছে দিল, নিজেও তাঁর ভেতরেই খসাল এবার, গরম বীর্য ভেতরে ঢেলে দিয়ে।
সন্ধে নামছে, বৃষ্টি থেমেছে। বারান্দায় দাঁড়িয়ে দুজনে চা খাচ্ছে, যেন কিছুই হয়নি। মামি শাড়ি পরে নিয়েছেন, চুল বেঁধেছেন, কিন্তু তাঁর গালে এখনো লালচে আভা। অনিক তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে, কাঁধে কাঁধ ঠেকে আছে। «কাল সকালে তোর মামা ফিরছে», মামি আস্তে বললেন, চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে। «এই বিকেলটা, এটা আমাদের গোপন থাকবে, বুঝলি?»
অনিক মামির হাতটা ধরল বারান্দার রেলিংয়ের উপর। «থাকবে, মামি।» মামি তাঁর দিকে তাকিয়ে হাসলেন, সেই হাসি, যা দুপুরে রান্নাঘরে দেখেছিল। তিনি অনিকের কানে ফিসফিস করলেন, «পরের পুজোর ছুটিতে আবার আসবি তো? রান্নাঘরে লুচি বেলা এখনো বাকি আছে।» আর অনিক হেসে ফেলল, চায়ের কাপটা নামিয়ে রেখে মামির কোমরে হাত রাখল, যখন পাশের বাড়ির শাঁখ বাজতে শুরু করল সন্ধের আকাশে।
Readers who enjoyed “বাংলা মামি চোদা: পুজোর ছুটিতে রান্নাঘরের সেই বিকেল” also read
8 curated storiesবাংলা চোদা চুদির গল্প: ছাদের হাওয়ায় ওড়া শাড়ি
স্বামী মাসের কুড়ি দিন ট্রাকে বাইরে, আর পাশের ঘরের ভাড়াটে যুবক রনির চোখ আটকে আছে বৌদি শেফালির ওপর. ছাদের এক ঝোড়ো হাওয়ায় ওড়া শাড়ি বদলে দিল সবকিছু.
বৌদি চোদা গল্প: বাথরুমের চিৎকার
স্বামী দুর্গাপুরে, বাড়িতে একা বৌদি রুমা আর দেওর সায়ন। বাথরুমে পা পিছলে যাওয়া থেকে শুরু হওয়া এক বৌদি চোদা গল্প, যেখানে এক সন্ধ্যা চার দিনের গোপন সম্পর্কে বদলে যায়।
দিদি চটি গল্প: ছাদের আড্ডায় বদলে যাওয়া রাত
বিয়ের চার বছর পর দু মাসের জন্য বাপের বাড়ি ফেরা দিদির সঙ্গে ছাদে চায়ের আড্ডা। তিন রাতের আড্ডা যেভাবে এক রাতে বদলে গেল, পড়ুন নতুন দিদি চটি গল্প।
বাংলা চাচি চটি গল্প: কাকলির রান্নাঘরে সেই রাত
কাকার নাইট ডিউটি, ভাঙা টিভি, আর ফোনে সিনেমা দেখতে দেখতে চাচি কাকলির বিছানায় সৌম্যর সেই রাত, এই বাংলা চাচি চটি গল্পে।
বাংলা বিধবা চটি গল্প: নতুন ভাড়াটিয়া
বাংলা বিধবা চটি গল্প: তিন বছর আগে স্বামী হারানো মিতালির বাড়িতে নতুন ভাড়াটিয়া অর্জুন। এক বর্ষার সন্ধ্যায় খিচুড়ি আর ইলিশ ভাজার গন্ধে শুরু।
কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি: হলুদ ট্যাক্সির বৃষ্টিভেজা রাত
বিয়ের রিসেপশন থেকে ফেরার পথে বৃষ্টির রাতে শ্রাবণীর হলুদ ট্যাক্সি পাংচার হয় ময়দানের অন্ধকারে। মেকানিক আসতে দেরি করে, আর পেছনের সিটে ড্রাইভার রতনের সঙ্গে জমে ওঠে এমন এক গোপন খেলা, যা এই কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি কে অনেকদিন মনে রাখার মতো করে তোলে।
Bangla Sex Story: লিফটে আটকে যাওয়া শিলার সেই সন্ধ্যা
শিলার bangla sex story: কলকাতার ফ্ল্যাটবাড়ির লিফটে এক সন্ধ্যায় আটকে পড়া, আর মেকানিক তুহিনের সঙ্গে তার গোপন রাতের কাহিনি।
বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরের ফ্ল্যাটে শর্মিলা
বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরে ফাঁকা ফ্ল্যাট, গান বাজছে, শর্মিলা বৌদি নাচছেন। সৌরভ ফিরে এলো হাফ ডে তে, আর তারপর যা হলো তা তাদের গোপন নেশা হয়ে গেল।