বাংলা টিচার চোদা গল্প: প্রথম দিনের ক্লাস

S
12 min read0 readers
Font:
0:000:00
Share Story:

দরজাটা খুলতেই পুরো ক্লাসের গুঞ্জন এক মুহূর্তে থেমে গেল। সবাই ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাল, আর ঠিক তখনই মেঘনা রায় বুঝল, এই বাংলা টিচার চোদা গল্পের শুরুটা সে কোনোদিন ভুলতে পারবে না। লম্বা, চাপা দাড়ি, হাতে পুরনো চামড়ার ব্যাগ, চোখে সেই ধারালো দৃষ্টি যা একবার তাকালেই বুকের ভেতরটা কেঁপে ওঠে। প্রফেসর অভ্র সেন। বয়স বত্রিশ, সাহিত্যের নতুন অধ্যাপক, আর ক্লাসের প্রতিটা মেয়ের চোখ এখন তাঁর ওপর আটকে।

মেঘনা জানলার ধারের বেঞ্চে বসে ছিল, ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী, বাইশ বছর বয়স। সে ভেবেছিল এই ক্লাসটাও আর পাঁচটা ক্লাসের মতোই হবে, ঘুমঘুম চোখে নোট নেওয়া আর ঘড়ির দিকে তাকানো। কিন্তু অভ্র স্যার বোর্ডের দিকে এগিয়ে গেলেন, চকটা হাতে নিলেন, আর প্রথম যে লাইনটা বললেন, তাতে মেঘনার পেনটা হাত থেকে পড়ে গেল। "সাহিত্য পড়তে হলে আগে শরীরের ভাষা বুঝতে হয়," তিনি বললেন, আর তাঁর ঠোঁটের কোণে একটা চাপা হাসি খেলে গেল।

ক্লাসের মেয়েরা একে অপরের দিকে তাকাচ্ছিল, কেউ হাসছিল চাপা গলায়। মেঘনা কিন্তু হাসতে পারেনি। তার গলা শুকিয়ে গিয়েছিল। স্যারের চোখ যখন রোল কলের সময় তার নামটা পড়লেন, "মেঘনা রায়," তখন তিনি এক মুহূর্ত থেমে তার দিকে তাকিয়ে রইলেন। সেই এক মুহূর্তে মেঘনার মনে হলো, এই মানুষটা তাকে চেনেন না, তবু যেন ভেতরটা পড়ে ফেলেছেন।

ক্লাস শেষে সবাই বেরিয়ে যাচ্ছিল, কিন্তু মেঘনা বসেই রইল। তার বুক ধুকধুক করছিল। সে নিজেকে বলল, এটা শুধু একটা প্রজেক্টের ব্যাপার, সেমিস্টার প্রজেক্টের গাইড হিসেবে স্যারকে চাই। কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে জানত, এটা শুধু প্রজেক্ট নয়। অভ্র স্যার ব্যাগ গোছাচ্ছিলেন, তখন মেঘনা উঠে দাঁড়াল।

"স্যার, আমি মেঘনা। ফাইনাল ইয়ার।" তার গলা কাঁপছিল, কিন্তু চোখে ছিল স্পষ্ট সাহস। "আমার সেমিস্টার প্রজেক্টের জন্য একজন গাইড দরকার। আধুনিক বাংলা কবিতায় নারী শরীরের চিত্রণ, এই টপিকে। আপনি কি... আমাকে গাইড করবেন?"

অভ্র স্যার তার দিকে তাকালেন। এক মুহূর্ত চুপ। তারপর ধীরে ধীরে বললেন, "ইন্টারেস্টিং টপিক। কিন্তু কঠিন। তুমি পারবে?" মেঘনা হাসল, সেই হাসি যা সে আয়নার সামনে অনেকবার প্র্যাকটিস করেছে। "স্যার, কঠিন জিনিসই তো আমার ভালো লাগে।" স্যারের ভ্রু একটু উঠল। তিনি বললেন, "ঠিক আছে। আগামী মঙ্গলবার, বিকেল চারটে। লাইব্রেরির পেছনের রিডিং রুমে এসো।"

মঙ্গলবারের বিকেলটা মেঘনার কাছে একটা শতাব্দীর মতো লম্বা মনে হলো। সে তিনবার জামা বদলাল। শেষে একটা গাঢ় নীল কুর্তি পরল, যা তার শরীরের বাঁকগুলোকে ঠিকঠাক ফুটিয়ে তোলে। লাইব্রেরির পেছনের রিডিং রুমটা প্রায় খালি থাকে বিকেলে, পুরনো বইয়ের গন্ধ আর ধুলোর আলোয় ভরা। অভ্র স্যার আগে থেকেই বসে ছিলেন, টেবিলে ছড়িয়ে রাখা বইয়ের স্তূপের মধ্যে।

"বসো।" তিনি বললেন, না তাকিয়েই। মেঘনা বসল তাঁর পাশের চেয়ারে, ইচ্ছে করেই একটু কাছে। "তো, নারী শরীরের চিত্রণ। তুমি কোন দিক থেকে দেখতে চাও?" মেঘনা বইয়ের পাতা উল্টাতে উল্টাতে বলল, "স্যার, কবিরা শরীরকে যেভাবে লেখেন, সেটা কি আসল অনুভূতির কাছাকাছি? নাকি শুধু কল্পনা?" অভ্র স্যার এবার তাকালেন। "তুমি কি জিজ্ঞেস করছ, মেঘনা?"

মেঘনার হৃৎপিণ্ড গলায় এসে আটকে গেল। সে ঝুঁকে এলো টেবিলের ওপর, তার দুধের ভাঁজটা কুর্তির গলা দিয়ে একটু দেখা যাচ্ছিল, আর সে জানত স্যার দেখছেন। "আমি জিজ্ঞেস করছি, স্যার, কবিতায় যা লেখা হয়, তা কি সত্যিই অনুভব করা যায়?" স্যারের চোয়াল শক্ত হলো। তিনি বললেন, "মেঘনা, এটা প্রজেক্ট মিটিং।" "জানি, স্যার," মেঘনা ফিসফিস করে বলল, "তাই তো গবেষণা করছি।"

তিনি উঠে দাঁড়ালেন, জানলার দিকে গেলেন। "তুমি বুঝতে পারছ না তুমি কী করছ।" মেঘনাও উঠল, ধীরে ধীরে তাঁর পেছনে গিয়ে দাঁড়াল। তাদের মাঝে মাত্র এক হাত দূরত্ব। বাইরে বিকেলের আলো জানলার কাচে পড়ে সোনালি হয়ে উঠেছে। "আমি ঠিক বুঝতে পারছি, স্যার," মেঘনা বলল, আর তার হাতটা স্যারের হাতের ওপর রাখল। "আপনি ভয় পাচ্ছেন।"

অভ্র স্যার ঘুরে দাঁড়ালেন। তাঁর চোখে রাগ আর অন্য কিছু, এমন কিছু যা মেঘনা চিনতে পারল কারণ তার নিজের ভেতরেও সেটা জ্বলছিল। "এটা ঠিক নয়," তিনি বললেন, কিন্তু তাঁর গলা কাঁপছিল। মেঘনা এক পা এগিয়ে এলো। "তাহলে আমাকে থামান, স্যার।" তিনি থামালেন না।

মেঘনা তার ঠোঁটটা স্যারের ঠোঁটে চেপে ধরল। প্রথমে তিনি স্থির রইলেন, যেন পাথর। কিন্তু মেঘনা থামল না, তার জিভটা স্যারের ঠোঁটের ফাঁক দিয়ে ঢুকিয়ে দিল, আর তখনই বাঁধ ভাঙল। অভ্র স্যার তাকে জাপটে ধরলেন, দেওয়ালের দিকে ঠেলে দিলেন। বইয়ের তাকটা কেঁপে উঠল। তাঁর হাত মেঘনার কোমরে, তারপর পিঠে, তারপর চুলের মধ্যে।

"দরজা," মেঘনা হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। "দরজা বন্ধ করো।" স্যার দ্রুত গিয়ে দরজায় ছিটকিনি লাগিয়ে এলেন। ফিরে আসতেই মেঘনা তার কুর্তির বোতাম খুলতে শুরু করল, একটা একটা করে, চোখ স্যারের চোখে। "স্যার, গবেষণা তো হাতে কলমে করতে হয়, তাই না?" স্যার হাসলেন, প্রথমবারের মতো সেই চাপা, বিপজ্জনক হাসি। "তুমি খুব দুষ্টু মেয়ে, মেঘনা।"

কুর্তিটা মেঝেতে পড়ল। ভেতরে কালো ব্রা, যা মেঘনা আজ সকালেই বিশেষ করে পরেছিল। অভ্র স্যার তাকে আবার দেওয়ালে চেপে ধরলেন, তাঁর মুখ নামিয়ে আনলেন তার গলায়। তাঁর গরম নিঃশ্বাস মেঘনার চামড়ায় লাগতেই সে শিউরে উঠল। "স্যার..." সে ফিসফিস করল। "চুপ," তিনি বললেন, আর তার ব্রার স্ট্র্যাপটা কাঁধ থেকে নামিয়ে দিলেন।

তাঁর ঠোঁট মেঘনার দুধের ওপর নামল। প্রথমে ধীরে, চারপাশে ঘুরে, তারপর বোঁটাটা মুখে নিয়ে চুষতে শুরু করলেন। মেঘনার মাথা পেছনে হেলে গেল, দেওয়ালে ঠেকে গেল। "আহ্, স্যার..." তার হাত স্যারের চুলে, তাকে আরও কাছে টানছে। স্যারের এক হাত তার অন্য দুধটা টিপছে, জোরে, দাবি নিয়ে। মেঘনার পুরো শরীরে আগুন জ্বলছিল।

মেঘনা হাঁটু গেড়ে বসল। স্যারের প্যান্টের চেনটা খুলতে তার হাত কাঁপছিল না, বরং অদ্ভুত নিশ্চিন্ত ছিল। "মেঘনা, এটা..." স্যার বলতে গেলেন, কিন্তু মেঘনা তাকিয়ে হাসল। "গবেষণা, স্যার।" তারপর সে স্যারের ধোনটা বের করে আনল, শক্ত, গরম, টানটান। মেঘনা এক মুহূর্ত তাকিয়ে রইল, তারপর জিভ বের করে আগাটা চাটল।

স্যার গোঙালেন, হাতটা তাকের ওপর চেপে ধরলেন। মেঘনা ধীরে ধীরে পুরোটা মুখে নিল, মাথাটা ওঠানামা করতে লাগল। তার জিভ ঘুরছিল, চুষছিল, আর স্যারের হাত তার মাথায়, চুলে আঁকড়ে ধরে। "মেঘনা... থামো... আমি..." কিন্তু মেঘনা থামল না। সে আরও জোরে চুষল, যতক্ষণ না স্যারের শরীরটা কেঁপে উঠল আর গরম পানি তার মুখে ভরে গেল।

মেঘনা উঠে দাঁড়াল, ঠোঁট মুছল। "কেমন লাগল, স্যার? কবিতার মতো?" অভ্র স্যার তাকে দেখছিলেন, চোখে অবিশ্বাস আর ক্ষুধা। "তুমি... তুমি জানো না তুমি কী শুরু করলে।" মেঘনা তার কুর্তিটা তুলে নিল। "জানি, স্যার। আর আমি থামতে চাই না।" দরজা খুলে বেরিয়ে যাওয়ার আগে সে ফিরে তাকাল। "বৃহস্পতিবার। একই সময়। খালি ক্লাসরুমটা।"

বৃহস্পতিবারের বিকেলে মেঘনা তিনতলার খালি ক্লাসরুমে ঢুকল। জানলার পর্দাগুলো টানা, ভেতরে আবছা আলো। অভ্র স্যার ব্ল্যাকবোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, হাত পেছনে। "তুমি দেরি করেছ," তিনি বললেন। "দুই মিনিট," মেঘনা হাসল, দরজায় ছিটকিনি লাগিয়ে। "শাস্তি দেবেন, স্যার?"

স্যার তার দিকে এগিয়ে এলেন, প্রতিটা পদক্ষেপ ধীর, শিকারির মতো। "তুমি জানো, আমি সারারাত ঘুমাতে পারিনি।" "কেন, স্যার?" মেঘনা পেছাতে পেছাতে টেবিলে ঠেকে গেল। "তোমার কথা ভেবে।" তিনি তাকে টেবিলের ওপর বসিয়ে দিলেন। "আজ আমি শেখাব, মেঘনা। আজকের পাঠ আমি দেব।"

তাঁর হাত মেঘনার সালোয়ারের দড়িতে। এক টানে খুলে গেল। মেঘনা টেবিলের ওপর শুয়ে পড়ল, পা দুটো ছড়িয়ে। স্যারের আঙুল তার প্যান্টির ওপর দিয়ে ঘষল, আর মেঘনা চমকে উঠল কারণ সে ইতিমধ্যেই ভিজে ছিল। "এত ভিজে," স্যার ফিসফিস করলেন, "আমার জন্য?" "হ্যাঁ, স্যার," মেঘনা হাঁপাল। "শুধু আপনার জন্য।"

প্যান্টিটা টেনে নামিয়ে দিলেন তিনি। তারপর হাঁটু গেড়ে বসলেন, মুখটা নামিয়ে আনলেন তার গুদে। মেঘনা চিৎকার করে উঠতে গিয়ে মুখ চাপা দিল। স্যারের জিভ তার ভেতরে ঢুকছিল, ঘুরছিল, চুষছিল। মেঘনার পা দুটো স্যারের কাঁধে উঠে গেল, তার হাত স্যারের মাথাটা চেপে ধরল। "স্যার... ওহ্... স্যার..."

"চিৎকার কোরো না," স্যার মুখ তুলে বললেন, তাঁর ঠোঁট চকচক করছে। "কেউ শুনে ফেলবে।" তারপর আবার ডুবে গেলেন। মেঘনার শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল, পায়ের আঙুলগুলো কুঁকড়ে গেল। একটা তীব্র ঢেউ তার ভেতর থেকে উঠে এলো, আর সে কেঁপে কেঁপে ঝরে পড়ল, স্যারের মুখে, টেবিলে।

স্যার উঠে দাঁড়ালেন, প্যান্ট খুললেন। তাঁর ধোনটা শক্ত হয়ে টানটান, আগায় এক ফোঁটা। মেঘনা টেবিলের ওপর শুয়ে, পা ছড়িয়ে, তাকে দেখছিল। "আসুন, স্যার," সে বলল, হাত বাড়িয়ে। "আমাকে নিন।" স্যার তার ওপরে উঠলেন, এক হাতে ভর দিয়ে, আর ধীরে ধীরে ঢুকিয়ে দিলেন।

মেঘনা দম বন্ধ করে রইল। ভরাট, গরম, পুরোটা। "আহ্..." সে ফিসফিস করল। স্যার থামলেন এক মুহূর্ত, তাকে সময় দিলেন, তারপর ধীরে ধীরে নাড়াতে শুরু করলেন। প্রতিটা ধাক্কায় মেঘনার শরীরটা টেবিলের ওপর একটু করে সরে যাচ্ছিল। তাঁর মুখ তার মুখের ওপরে, নিঃশ্বাস মিশে যাচ্ছিল।

"জোরে, স্যার," মেঘনা বলল। "আমাকে জোরে চুদুন।" স্যারের চোখে আগুন জ্বলে উঠল। তিনি গতি বাড়ালেন, টেবিলটা মেঝেতে ঘষে শব্দ করতে লাগল। মেঘনা তার পা দুটো স্যারের কোমরে জড়িয়ে ধরল, তাকে আরও গভীরে টানল। "হ্যাঁ... হ্যাঁ... ওইখানে... স্যার..."

স্যার তাকে তুলে নিলেন, টেবিল থেকে নামিয়ে। "ঘোরো," তিনি আদেশ করলেন। মেঘনা ঘুরে দাঁড়াল, হাত দুটো টেবিলে রেখে ঝুঁকল। স্যার পেছন থেকে ঢুকলেন, এক ধাক্কায় পুরোটা। মেঘনা চিৎকার করে উঠল, তারপর দাঁতে ঠোঁট কামড়াল। তাঁর হাত তার দুধ দুটো চেপে ধরল পেছন থেকে, টিপতে টিপতে, আর কোমরটা দুলছিল জোরে জোরে।

ঘরটা ভরে গেল শব্দে, চামড়ার সঙ্গে চামড়ার, হাঁপানির, টেবিলের ঘষার। মেঘনার চুল এলোমেলো, ঘামে ভেজা পিঠ। "আমি... আমি আসছি, স্যার..." সে বলল। "এসো," স্যার গোঙালেন। "আমার সঙ্গে এসো।" দুজনে একসঙ্গে কেঁপে উঠল, মেঘনার ভেতরে স্যারের গরম ঢেউ ভরে গেল।

দুজনে মেঝেতে বসে পড়ল, হাঁপাতে হাঁপাতে। স্যারের মাথা মেঘনার কাঁধে। "এটা পাগলামি," তিনি বললেন। মেঘনা হাসল, তাঁর চুলে হাত বুলিয়ে। "সেরা পাগলামি, স্যার।" বাইরে কলেজের ঘণ্টা বাজল, বিকেলের শেষ ক্লাস শেষের ঘণ্টা। দুজনে চমকে উঠে জামা পরতে লাগল, হাসতে হাসতে, যেন দুটো দুষ্টু বাচ্চা।

পরের সপ্তাহগুলোতে তাদের দেখা একটা নেশায় পরিণত হলো। লাইব্রেরির পুরনো স্ট্যাকের মাঝে, যেখানে কেউ যায় না, সেখানে এক বিকেলে মেঘনা স্যারকে টেনে নিয়ে গেল তাকের আড়ালে। "এখানে?" স্যার চারদিকে তাকালেন। "কেউ এসে পড়বে।" "তাই তো মজা, স্যার," মেঘনা তার শার্টের বোতাম খুলতে খুলতে বলল।

তাকের সঙ্গে পিঠ ঠেকিয়ে মেঘনা দাঁড়াল, স্কার্টটা তুলে ধরল। স্যার হাঁটু গেড়ে বসলেন ধুলোমাখা মেঝেতে, মুখ ডুবিয়ে দিলেন। মেঘনা এক হাতে তাকটা চেপে ধরল, অন্য হাতে মুখ। তার গুদে স্যারের জিভের প্রতিটা নড়াচড়া তাকে পাগল করে দিচ্ছিল। "স্যার... কেউ..." "চুপ," স্যার বললেন, আর আরও গভীরে গেলেন।

মেঘনা ঝরে পড়ল দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই, পা কাঁপছিল। স্যার উঠে দাঁড়ালেন, তাকে ঘুরিয়ে তাকের দিকে মুখ করিয়ে দিলেন। পেছন থেকে স্কার্টটা তুলে, এক ধাক্কায় ঢুকে গেলেন। মেঘনা তাকটা আঁকড়ে ধরল, বইগুলো কেঁপে উঠল। "স্যার... আস্তে... বই পড়ে যাবে..." "পড়ুক," স্যার বললেন, আর জোরে ধাক্কা দিলেন।

একটা বই فعلا পড়ে গেল মেঝেতে, ধুপ করে। দুজনে হেসে ফেলল, থামল না। স্যারের হাত মেঘনার মুখের ওপর, তার চিৎকার চাপা দিয়ে, আর অন্য হাতে তার দুধ টিপছেন ব্লাউজের ওপর দিয়ে। মেঘনার ভেতরে আবার সেই চেনা ঢেউ উঠছিল, তীব্র, অনিবার্য। "আসছি... স্যার... আমি আসছি..."

"আমার ভেতরে," মেঘনা বলল। "সবটা আমার ভেতরে দিন।" স্যার গোঙিয়ে উঠলেন, শেষ কয়েকটা জোর ধাক্কা, আর তারপর দুজনেই স্থির। শুধু হাঁপানির শব্দ, আর পুরনো বইয়ের গন্ধ। মেঘনা ঘুরে স্যারকে জড়িয়ে ধরল, ঘামে ভেজা শার্টে মুখ গুঁজল।

"তুমি আমাকে শেষ করে দেবে, মেঘনা," স্যার বললেন, তার কপালে চুমু খেয়ে। "তাহলে শেষ হয়ে যান, স্যার," মেঘনা বলল। "আমার হাতে।" সেদিন লাইব্রেরি থেকে বেরোনোর সময় আকাশে মেঘ জমেছিল, বৃষ্টি নামবে নামবে করছিল। মেঘনা স্যারের হাতটা এক মুহূর্ত চেপে ধরল সিঁড়ির আড়ালে, কেউ দেখার আগেই ছেড়ে দিল।

এক শনিবার বিকেলে, কলেজ প্রায় খালি, মেঘনা স্যারকে ডেকে নিল ডিপার্টমেন্টের স্টোররুমে। "আজ আমি শেখাব," সে বলল, দরজা বন্ধ করে। স্যার হাসলেন। "আজকের পাঠ কী, ম্যাডাম?" মেঘনা ধীরে ধীরে তার জামা খুলতে লাগল, একটা একটা করে, যেন স্ট্রিপটিজ। "পাঠ এক: ধৈর্য।"

সে স্যারের সামনে হাঁটু গেড়ে বসল, তাঁর প্যান্ট খুলল। "পাঠ দুই:..." সে বলল, আর ধোনটা মুখে নিল। স্যার দেওয়ালে হেলান দিলেন, চোখ বন্ধ। মেঘনার মাথা ওঠানামা করছিল, ধীরে, গভীরে, তার গলা পর্যন্ত নিয়ে। "মেঘনা... তুমি..." "চুপ, স্যার," মেঘনা মুখ তুলে বলল। "পাঠ চলছে।"

তারপর সে উঠে দাঁড়াল, স্যারকে বাক্সগুলোর ওপর বসিয়ে দিল। নিজে তাঁর কোলে উঠল, মুখোমুখি। ধীরে ধীরে নিজেকে নামিয়ে দিল তাঁর ওপর। দুজনেই গোঙালেন একসঙ্গে। মেঘনা নাড়তে শুরু করল, ওঠানামা, ঘোরা, তার হাত স্যারের কাঁধে। "দেখুন, স্যার," সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। "আমি কত ভালো ছাত্রী।"

"সেরা," স্যার বললেন, তার দুধ দুটো মুখে নিয়ে। "আমার সেরা ছাত্রী।" মেঘনার গতি বাড়ল, বাক্সগুলো কেঁপে উঠল। তার ভেতরে আগুন জ্বলছিল, প্রতিটা নড়াচড়ায় তীব্র সুখ। "আমি... আমি..." সে আর বলতে পারল না, শুধু কেঁপে উঠল স্যারের কোলে, তার নখ স্যারের পিঠে বসে গেল।

স্যার তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলেন, নিজেও কেঁপে উঠলেন তার ভেতরে। দুজনে বসে রইল, জড়াজড়ি করে, বাক্সের স্তূপের মধ্যে। বাইরে বৃষ্টি নেমেছে, জানলার কাচে টপটপ শব্দ। "বৃষ্টি," মেঘনা বলল। "ভিজে যাব।" "তাহলে আরও কিছুক্ষণ থাকো," স্যার বললেন। "ভেজা ভালো।"

সেমিস্টারের শেষে মেঘনার প্রজেক্ট জমা দিল। টপিক: আধুনিক বাংলা কবিতায় নারী শরীরের চিত্রণ। গাইডের নাম: প্রফেসর অভ্র সেন। ভাইভার দিন মেঘনা শাড়ি পরেছিল, গাঢ় লাল। বোর্ডের সামনে দাঁড়িয়ে সে উত্তর দিচ্ছিল, আর অভ্র স্যার এক কোণে বসে তাকে দেখছিলেন, চোখে সেই চেনা আগুন।

ভাইভা শেষে, করিডরে, স্যার তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ফিসফিস করে বললেন, "অসাধারণ প্রজেক্ট, মেঘনা। তবে গবেষণাটা অসম্পূর্ণ রয়ে গেল।" মেঘনা থামল। "কোন অংশটা, স্যার?" স্যার থামলেন না, হেঁটে যেতে যেতে বললেন, "শেষ অধ্যায়টা। আজ বিকেল। লাইব্রেরি।"

মেঘনা দাঁড়িয়ে রইল করিডরে, ঠোঁটে হাসি। পাশ দিয়ে দুটো জুনিয়র মেয়ে যাচ্ছিল, তারা তাকাল তার দিকে। মেঘনা ব্যাগটা কাঁধে তুলল, চুলটা এক ঝটকায় পেছনে সরাল। বিকেল চারটে। লাইব্রেরি। শেষ অধ্যায়। সে হাঁটতে শুরু করল, আর তার প্রতিটা পদক্ষেপে বাজছিল একটাই সুর। আজকের পাঠটা হবে সবচেয়ে দীর্ঘ।

Rate this story

🔥 NEXT CHAPTER IN LINE

College Campus

বাংলা কলেজ মেয়ে চোদা গল্প: হোস্টেলের রাত

বাংলা কলেজ মেয়ে চোদা গল্প: ভুল নম্বরের ভয়েস নোট থেকে শুরু, কলকাতার কলেজ ছাত্রী রিয়া আর সিনিয়র অর্জুনের হোস্টেলের ছাদের রাতের কাহিনি।

Read Next Story

More stories by Sharmistha Bose

View all →

Readers who enjoyed “বাংলা টিচার চোদা গল্প: প্রথম দিনের ক্লাস” also read

8 curated stories
College Campusবাংলা (Bengali)

বাংলা টিচার চোদা: প্রাইভেট টিউশনে ম্যাডামের গুদে ধোন ঢুকিয়ে দিল ছাত্র

কলেজের ম্যাডামের বাড়িতে প্রাইভেট টিউশনে গিয়ে ছাত্র যা আবিষ্কার করল, তা তাঁদের দুজনের জীবন চিরদিনের জন্য বদলে দিল।

⏱️ 9 min read•👁️ 0 views
College Campusবাংলা (Bengali)

বাংলা কলেজ ছোটি গল্প: যাদবপুরের উৎসবের রাত

বাংলা কলেজ ছোটি গল্পে যাদবপুরের উৎসবে ফটোগ্রাফি মেন্টর দেবের আগমনে রিমির জীবন বদলে যায়, ডার্করুম থেকে ছাদ পর্যন্ত তাদের গোপন গল্প এগিয়ে চলে।

⏱️ 9 min read•👁️ 0 views
Rough & Dirtyবাংলা (Bengali)

রাজমিস্ত্রীর দুপুর

বাড়ির নতুন ঘর তোলার কাজে আসা রাজমিস্ত্রী সুবলকে এক তপ্ত দুপুরে দীপা সরবত দিতে গিয়ে এমন এক খেলায় জড়িয়ে পড়েন, যা বদলে দেয় দুজনের দিন।

⏱️ 9 min read•👁️ 9 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

নতুন চটি গল্প: এসি মেকানিকের সাথে সেই গরম দুপুর

দমদমের ফ্ল্যাটে এক গরম দুপুরে এসি সার্ভিস করতে আসে ছাব্বিশ বছরের রাজা, আর একটা সাধারণ সার্ভিস ভিজিট বদলে যায় মৌসুমির জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ দুপুরে।

⏱️ 11 min read•👁️ 7 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা চোদা চুদির গল্প: পুকুরঘাটে ভোরের সেই স্নান

ভোরের কুয়াশায় পুকুরঘাটে একা স্নান করতে আসা রুমা, আর জল নিতে আসা পাড়ার ছেলে পার্থ. একটা ভোর বদলে দেয় দুটো জীবন.

⏱️ 9 min read•👁️ 7 views
Neighbour Affairবাংলা (Bengali)

Boudi Choti Golpo: টিউশন স্যারের সাথে সুতপা বৌদির সেই দুপুর

বাবান ক্রিকেট প্র্যাকটিসে, বাড়িতে একা সুতপা বৌদি। টিউশন শেষে চায়ের নিমন্ত্রণে থেকে গেলেন রাজিব, আর সেই দুপুর বদলে দিল সবকিছু।

⏱️ 9 min read•👁️ 6 views
Neighbour Affairবাংলা (Bengali)

বাংলা প্রতিবেশী চটি গল্প: রিঙ্কি ভাবীর সন্ধ্যাবেলা

একটি বাংলা প্রতিবেশী চটি গল্প: তিন মাসের চোখাচোখির পর এক সন্ধ্যায় প্রতিবেশী রিঙ্কি ভাবী শুভাশিসের দরজায় এসে দাঁড়ান, আর ফোঁটা ফোঁটা পানি পড়া কলটা ঠিক করার বাহানায় শুরু হয় এমন এক রাত যার অপেক্ষা ছিল অনেকদিনের।

⏱️ 9 min read•👁️ 5 views
Rough & Dirtyবাংলা (Bengali)

বাংলা ডাক্তার চটি গল্প: রাতের ডিউটি রুমে

নাইট ডিউটির তৃতীয় রাতে ক্যান্টিনে দেখা অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার বিপ্লবের সাথে। ডাঃ অনিন্দিতার একা জীবনে হঠাৎ জ্বলে উঠল আগুন।

⏱️ 9 min read•👁️ 5 views