বাস যাত্রার চটি গল্প: কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি পৌলমী আর অরিন্দমের রাতের বাস

S
9 min read0 readers
Font:
0:000:00
Share Story:

পৌলমীর মনে পড়ে গেল সেই পুরোনো বর্ষার রাতের কথা, যখন সে প্রথমবার একা ট্রেনে উঠেছিল আর জানালার পাশে বসা অচেনা ছেলেটা তার দিকে তাকিয়ে হেসেছিল।

সেই হাসিটা সে কোনোদিন ভুলতে পারেনি। কিন্তু সেই ছেলেটা নেমে গিয়েছিল মাঝপথে, আর পৌলমী সারা রাস্তা জানালার বাইরে তাকিয়ে কেঁদেছিল।

আজ, সাত বছর পর, পৌলমী আবার একা যাত্রা করছে। এবার বাসে, কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি। রাতের বাস, লম্বা পথ, আর তার পাশের সিটে একজন অচেনা পুরুষ।

“এক্সকিউজ মি, এই সিটটা কি ফাঁকা?” গলাটা শুনে পৌলমী মুখ তুলল।

লোকটা লম্বা, চওড়া কাঁধ, চোখে হালকা ক্লান্তি। হাতে একটা ছোট ব্যাগ। “হ্যাঁ, বসুন,” পৌলমী বলল, জানালার দিকে একটু সরে গিয়ে।

“আমি অরিন্দম,” সে বলল, বসতে বসতে। “শিলিগুড়ি যাচ্ছি, একটা কাজে।”

“আমি পৌলমী। স্কুলের শিক্ষিকা। ছুটিতে বাড়ি যাচ্ছি।”

বাস ছাড়ল। শহরের আলো পেছনে পড়ে রইল। পৌলমী জানালার বাইরে তাকিয়ে ছিল, কিন্তু বারবার তার চোখ অরিন্দমের দিকে চলে যাচ্ছিল। অরিন্দমও লুকিয়ে তাকে দেখছিল, সেটা পৌলমী বুঝতে পারছিল।

“আপনি কি প্রায়ই এই রুটে যান?” পৌলমী জিজ্ঞেস করল।

“মাঝে মাঝে। রাতের বাসটা আমার ভালো লাগে। সবাই ঘুমিয়ে পড়লে বাসটা যেন একটা আলাদা দুনিয়া হয়ে যায়।”

পৌলমী হাসল। “আমারও তাই মনে হয়। দিনের বাসে সবাই ব্যস্ত থাকে। রাতে সবাই একটু একা, একটু সত্যি।”

কথা বলতে বলতে বাস হাইওয়েতে উঠল। ভেতরের আলো নিভে গেল। যাত্রীরা একজন একজন করে ঘুমিয়ে পড়ল। পৌলমীর কাঁধে ঘুমের ভাব এল, কিন্তু অরিন্দমের পাশে বসে তার ঘুম আসছিল না।

হঠাৎ বাস একটা ঝাঁকুনি খেল। পৌলমী সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ল, আর অরিন্দম তাকে ধরে ফেলল। তার হাত পৌলমীর কোমরে। এক মুহূর্তের জন্য দুজনেই স্থির হয়ে গেল।

“ঠিক আছেন তো?” অরিন্দম ফিসফিস করে বলল।

“হ্যাঁ,” পৌলমী বলল, কিন্তু সে সরে গেল না। অরিন্দমের হাত তখনও তার কোমরে।

“আপনার হাতটা...” পৌলমী বলতে গিয়ে থেমে গেল।

“সরিয়ে নেব?” অরিন্দম জিজ্ঞেস করল।

পৌলমী কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর আস্তে বলল, “না।”

অরিন্দমের হাত ধীরে ধীরে তার পেটের ওপর ঘুরতে লাগল। পৌলমীর শাড়ির আঁচল সরে গিয়েছিল। তার পেটের নরম চামড়ায় অরিন্দমের আঙুলের ছোঁয়া লাগতেই পৌলমীর গায়ে কাঁটা দিল।

সে অরিন্দমের দিকে ঘুরল। অন্ধকারে দুজনের মুখ খুব কাছে। অরিন্দম তার ঠোঁটে ঠোঁট রাখল। প্রথমে আলতো, তারপর গভীর। পৌলমী তার শার্টের কলার চেপে ধরল।

“কেউ দেখে ফেলবে,” পৌলমী ফিসফিস করল।

“সবাই ঘুমোচ্ছে,” অরিন্দম বলল, “আর কম্বলটা আমাদের ঢেকে দেবে।”

সে কম্বলটা দুজনের ওপর টেনে দিল। কম্বলের নিচে অরিন্দম পৌলমীর ব্লাউজের বোতাম খুলতে লাগল। একটা, দুটো, তিনটে। তারপর তার দুধে হাত রাখল। পৌলমী চাপা গোঙানি দিল।

অরিন্দম একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। পৌলমী তার চুল খামচে ধরল। তার শরীর গরম হয়ে উঠছিল।

“আরো,” পৌলমী বলল।

অরিন্দম তার শাড়ির নিচে হাত ঢোকাল। পৌলমীর গুদ ভিজে গিয়েছিল। সে আঙুল দিয়ে সেখানে ঘষতে লাগল। পৌলমী কেঁপে উঠল, মুখে কম্বল চেপে ধরল যাতে আওয়াজ না বেরোয়।

“তুমি খুব ভিজে গেছ,” অরিন্দম ফিসফিস করল।

“তোমার জন্য,” পৌলমী বলল।

পৌলমীও হাত বাড়িয়ে অরিন্দমের প্যান্টের ওপর দিয়ে তার ধোনটা অনুভব করল। সেটা শক্ত হয়ে উঠেছিল। সে চেন খুলে ধোনটা বের করে আস্তে আস্তে নাড়াতে লাগল।

অরিন্দমের নিশ্বাস ভারী হয়ে গেল। “পৌলমী, থামো না।”

বাস তখন অন্ধকার হাইওয়ে দিয়ে ছুটছিল। কম্বলের নিচে দুটো শরীর একে অপরের সঙ্গে মিশে যাচ্ছিল। পৌলমী অরিন্দমের কোলে উঠে বসল। সে তার শাড়ি একপাশে সরিয়ে দিল, আর অরিন্দম তার ধোনটা পৌলমীর গুদের মুখে রাখল।

ধীরে ধীরে সে ভেতরে ঢুকল। পৌলমী চোখ বন্ধ করে মাথা পেছনে হেলিয়ে দিল। “আহ, অরিন্দম।”

অরিন্দম নিচ থেকে ধাক্কা দিতে লাগল। পৌলমী ওপরে নিচে হতে লাগল। বাসের দুলুনির সঙ্গে তাদের ছন্দ মিলে গেল। পৌলমীর দুধ দুলছিল। অরিন্দম সেগুলো মুখে নিয়ে চুষছিল।

“আমি ঝরছি,” পৌলমী কাঁপা গলায় বলল।

“একসঙ্গে,” অরিন্দম বলল।

দুজনেই একসঙ্গে চরমে পৌঁছল। পৌলমী অরিন্দমের কাঁধে মুখ গুঁজে দিল, যাতে তার চিৎকার কেউ না শোনে।

কিছুক্ষণ পর বাস একটা ধাবায় থামল। “পনেরো মিনিটের বিরতি,” কন্ডাক্টর ঘোষণা করল।

পৌলমী আর অরিন্দম নেমে চা খেল। ধাবার আলোয় দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে হাসল, যেন কিছুই হয়নি, অথচ সবকিছু হয়ে গেছে।

“শিলিগুড়ি পৌঁছে কী করবে?” অরিন্দম জিজ্ঞেস করল।

“বাড়ি যাব। তুমি?”

“হোটেলে উঠব। কাজটা কাল।”

পৌলমী চায়ের কাপে চুমুক দিল। “হোটেলটা কেমন?”

“জানি না। দেখতে হবে।”

“আমি কি দেখতে পারি?” পৌলমী হেসে বলল।

অরিন্দম তার হাত ধরল। “অবশ্যই পারো।”

বাস আবার ছাড়ল। বাকি রাস্তায় পৌলমী অরিন্দমের কাঁধে মাথা রেখে ঘুমের ভান করল, আর অরিন্দম তার হাত ধরে রইল।

ভোরবেলা বাস শিলিগুড়ি পৌঁছল। অরিন্দম হোটেলে চেক ইন করল। পৌলমী তার সঙ্গে গেল, ব্যাগটা রিসেপশনে রেখে।

ঘরে ঢুকেই অরিন্দম দরজা বন্ধ করল। পৌলমী ঘুরে দাঁড়াতেই সে তাকে দেয়ালের সঙ্গে চেপে ধরল। এবার আর লুকোচুরি নয়। সে পৌলমীর শাড়ি খুলে ফেলল, ব্লাউজ ছিঁড়ে ফেলার মতো করে খুলল।

পৌলমী বিছানায় শুয়ে পড়ল। অরিন্দম তার পা ফাঁক করে তার গুদ চাটতে লাগল। তার জিভের প্রতিটা নড়াচড়ায় পৌলমী কেঁপে উঠছিল।

“অরিন্দম, আর পারছি না,” পৌলমী বলল। “ভেতরে এসো।”

অরিন্দম উঠে তার ধোনটা পৌলমীর গুদে ঢোকাল। এবার জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। বিছানা কেঁপে উঠল। পৌলমী চিৎকার করছিল, আর অরিন্দম তার মুখে মুখ রেখে চুমু খাচ্ছিল।

“তোমার গুদটা খুব গরম,” অরিন্দম বলল।

“তোমার ধোনটা খুব মোটা,” পৌলমী বলল, হেসে।

তারপর অরিন্দম পৌলমীকে উল্টে দিল। পেছন থেকে, ডগি স্টাইলে, সে ধাক্কা দিতে লাগল। পৌলমী মাথা নিচু করে কোমর উঁচু করে রাখল। প্রতিটা ধাক্কায় তার শরীর দুলছিল।

“আরো জোরে,” পৌলমী বলল।

অরিন্দম আরো জোরে ধাক্কা দিল। পৌলমী চিৎকার করে ঝরে পড়ল। অরিন্দমও তার ভেতরেই শেষ করল।

দুপুরে দুজনে একসঙ্গে স্নান করল। শাওয়ারের নিচে অরিন্দম পৌলমীর পেছনে দাঁড়িয়ে তার দুধ টিপতে লাগল, আর পৌলমী তার ধোনটা হাতে নিয়ে নাড়াতে লাগল।

“আবার?” পৌলমী হাসল।

“আবার,” অরিন্দম বলল।

শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই অরিন্দম পৌলমীর একটা পা তুলে তার গুদে ঢুকল। জলের ধারায় দুজনের শরীর ভিজে যাচ্ছিল। পৌলমী দেয়াল ধরে দাঁড়িয়ে রইল, আর অরিন্দম পেছন থেকে ধাক্কা দিতে লাগল।

পৌলমী ঝরল, তারপর অরিন্দম। দুজনে হাঁফাতে হাঁফাতে একে অপরকে জড়িয়ে ধরল।

দুপুরের পর দুজনে হোটেলের কাছের বাজারে ঘুরতে গেল। পৌলমী একটা লাল শাড়ি কিনল। দোকানদার যখন শাড়িটা দেখাচ্ছিল, অরিন্দম আড়াল থেকে পৌলমীর কোমরে হাত রাখল। পৌলমী চমকে উঠল, কিন্তু মুখে হাসি ধরে রাখল।

“দুষ্টু,” সে ফিসফিস করল।

“তুমিই তো শিখিয়েছ,” অরিন্দম বলল।

হোটেলে ফিরে পৌলমী নতুন লাল শাড়িটা পরল। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সে চুল ঠিক করছিল, তখন অরিন্দম পেছন থেকে এসে তার ঘাড়ে চুমু খেল। তার হাত শাড়ির ওপর দিয়ে পৌলমীর দুধে চলে গেল।

“এই শাড়িতে তোমাকে দারুণ লাগছে,” অরিন্দম বলল।

“তাহলে খুলে ফেলো,” পৌলমী বলল, “নষ্ট হওয়ার আগেই।”

অরিন্দম শাড়িটা ধীরে ধীরে খুলল। শাড়ি মাটিতে পড়ে গেল। পৌলমী শুধু ব্লাউজ আর পেটিকোট পরে দাঁড়িয়ে ছিল। অরিন্দম তাকে বিছানায় শুইয়ে দিল।

এবার অরিন্দম অনেক সময় নিল। সে পৌলমীর পায়ের পাতা থেকে চুমু খেতে শুরু করল, তারপর হাঁটু, তারপর ঊরু। পৌলমী অস্থির হয়ে উঠল। “অরিন্দম, উপরে এসো।”

“তাড়া কিসের?” অরিন্দম বলল, তার গুদে মুখ দিয়ে। সে জিভ দিয়ে চাটতে লাগল, কখনো ধীরে, কখনো জোরে। পৌলমী বিছানার চাদর খামচে ধরল।

“আমি ঝরছি,” পৌলমী বলল, কেঁপে কেঁপে।

সে ঝরে পড়ল, কিন্তু অরিন্দম থামল না। সে তার ধোনটা পৌলমীর গুদে ঢোকাল আর ধীরে ধীরে ধাক্কা দিতে লাগল। প্রতিটা ধাক্কায় পৌলমী গোঙাচ্ছিল।

“তুমি আমার জীবনের সেরা যাত্রী,” অরিন্দম বলল।

“আর তুমি আমার সেরা সহযাত্রী,” পৌলমী বলল, তার গলা জড়িয়ে ধরে।

অরিন্দম পৌলমীকে কোলে বসাল। পৌলমী ওপরে নিচে হতে লাগল। তার দুধ অরিন্দমের মুখের সামনে দুলছিল। অরিন্দম সেগুলো পর্যায়ক্রমে চুষতে লাগল।

“আবার ঝরছি,” পৌলমী চিৎকার করল।

দুজনেই একসঙ্গে শেষ করল। পৌলমী অরিন্দমের বুকে মাথা রেখে শুয়ে পড়ল। বাইরে সন্ধ্যা নামছিল। হোটেলের জানালা দিয়ে শিলিগুড়ির আলো দেখা যাচ্ছিল।

“জানো,” পৌলমী বলল, “আমি ভেবেছিলাম এই যাত্রাটা একা কাটবে।”

“যাত্রা কখনো একা হয় না,” অরিন্দম বলল, “সঠিক মানুষটা পাশের সিটে বসলেই গল্প বদলে যায়।”

পৌলমী হাসল। “তাহলে পরের গল্পটা কবে?”

“যখনই তুমি বাসে উঠবে,” অরিন্দম বলল।

রাতে খাওয়ার পর দুজনে আবার বিছানায় ফিরল। এবার আর কোনো তাড়া ছিল না। ধীরে ধীরে, আলতো করে, তারা একে অপরকে আদর করল। অরিন্দম পৌলমীর সারা শরীরে চুমু খেল। পৌলমী তার ধোনটা মুখে নিয়ে চুষল, যতক্ষণ না অরিন্দম তার চুল ধরে থামতে বলল।

তারপর অরিন্দম পাশ থেকে, একপাশে শুয়ে, পৌলমীর গুদে ঢুকল। এই ভঙ্গিতে দুজনে মুখোমুখি ছিল, চোখে চোখ রেখে। প্রতিটা ধাক্কায় পৌলমী অরিন্দমের ঠোঁটে চুমু খাচ্ছিল।

“আমি তোমাকে ভুলব না,” পৌলমী বলল।

“ভুলতে দেব না,” অরিন্দম বলল।

দুজনে একসঙ্গে ঝরল। তারপর জড়াজড়ি করে ঘুমিয়ে পড়ল, সকালের আলো না আসা পর্যন্ত।

সকালে পৌলমীর ঘুম ভাঙল অরিন্দমের হাতের ছোঁয়ায়। সে তার পিঠে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিল। পৌলমী ঘুরে তাকে জড়িয়ে ধরল।

“আর একবার?” সে জিজ্ঞেস করল, চোখ না খুলেই।

“আর একবার,” অরিন্দম বলল, তার ওপর উঠে।

সকালের আলোয় তাদের শেষ মিলনটা ছিল ধীর আর গভীর। অরিন্দম পৌলমীর গুদে ধীরে ধীরে ঢুকল আর প্রতিটা ধাক্কায় তার কানে ফিসফিস করে বলল, “তুমি আমার।” পৌলমী তার পিঠে নখ বসিয়ে বলল, “আর তুমি আমার।”

দুজনে একসঙ্গে ঝরল। তারপর পৌলমী উঠে স্নান করল, চুল আঁচড়াল, আর ব্যাগ গোছাল। যাওয়ার আগে সে অরিন্দমের কপালে একটা চুমু খেল। “এই যাত্রাটা আমি সারাজীবন মনে রাখব।”

“আমিও,” অরিন্দম বলল। “পরের বাসে আবার দেখা হবে।”

বিকেলে পৌলমীর বাড়ি যাওয়ার সময় হল। হোটেলের দরজায় দাঁড়িয়ে অরিন্দম বলল, “আবার কবে দেখা হবে?”

পৌলমী তার গালে চুমু খেল। “পরের বাস যাত্রায়। রাতের বাসে। পাশের সিটটা আমার জন্য রেখো।”

অরিন্দম হাসল। “সিটটা সবসময় তোমারই থাকবে।”

যাওয়ার আগে পৌলমী অরিন্দমকে শেষবারের মতো জড়িয়ে ধরল। “এই দুটো দিন আমার জীবনের সেরা দিন।”

“আমারও,” অরিন্দম বলল। “তুমি ফিরলে আবার বাসে উঠব, একই সিটে। পরের বার আমি তোমার জন্য জানালার পাশের সিটটা ধরে রাখব, আর তুমি আমার কাঁধে মাথা রেখে ঘুমোবে, যেমন এই যাত্রায় ঘুমিয়েছিলে।”

পৌলমী হাসল। “আর পরের বার আমি তোমার জন্য একটা নতুন গল্প নিয়ে আসব, যেটা শুধু বাসে শোনা যাবে।”

পৌলমী রিকশায় উঠল। যেতে যেতে সে পেছনে তাকাল। অরিন্দম তখনও দরজায় দাঁড়িয়ে ছিল, হাত নাড়ছিল। পৌলমী মনে মনে ভাবল, সাত বছর আগে যে গল্পটা অসমাপ্ত রয়ে গিয়েছিল, আজ একটা বাস যাত্রায় সেটা সম্পূর্ণ হল।

পৌলমী শেষবারের মতো হাত নাড়ল। বাসের সিট, রাতের হাইওয়ে, আর অরিন্দমের হাসি, সবকিছু তার মনে গেঁথে গেল।

🔒 Bonus Scene locked

পরের মাসের বাস যাত্রায় পৌলমীর জন্য অরিন্দমের কাছে একটা চমক অপেক্ষা করছিল।

WhatsApp par share karo, turant unlock1 dost ko bhejo, bonus scene yahin khul jayega
Rate this story

🔥 NEXT CHAPTER IN LINE

One Night Stand

বাংলা ট্রেন জার্নি চটি গল্প: কুপ বি এর সেই রাত

হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি যাওয়ার রাতের ট্রেনে মৌয়ের সঙ্গে দেখা হয় ফটোগ্রাফার রোহনের। একটি মেসেজ থেকে শুরু হওয়া এই যাত্রা বদলে যায় এক অবিস্মরণীয় রাতে।

Read Next Story

More stories by Sharmistha Bose

View all →

Readers who enjoyed “বাস যাত্রার চটি গল্প: কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি পৌলমী আর অরিন্দমের রাতের বাস” also read

8 curated stories
Rough & Dirtyবাংলা (Bengali)

রাজমিস্ত্রীর দুপুর

বাড়ির নতুন ঘর তোলার কাজে আসা রাজমিস্ত্রী সুবলকে এক তপ্ত দুপুরে দীপা সরবত দিতে গিয়ে এমন এক খেলায় জড়িয়ে পড়েন, যা বদলে দেয় দুজনের দিন।

⏱️ 9 min read•👁️ 9 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

নতুন চটি গল্প: এসি মেকানিকের সাথে সেই গরম দুপুর

দমদমের ফ্ল্যাটে এক গরম দুপুরে এসি সার্ভিস করতে আসে ছাব্বিশ বছরের রাজা, আর একটা সাধারণ সার্ভিস ভিজিট বদলে যায় মৌসুমির জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ দুপুরে।

⏱️ 11 min read•👁️ 7 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা চোদা চুদির গল্প: পুকুরঘাটে ভোরের সেই স্নান

ভোরের কুয়াশায় পুকুরঘাটে একা স্নান করতে আসা রুমা, আর জল নিতে আসা পাড়ার ছেলে পার্থ. একটা ভোর বদলে দেয় দুটো জীবন.

⏱️ 9 min read•👁️ 7 views
Neighbour Affairবাংলা (Bengali)

Boudi Choti Golpo: টিউশন স্যারের সাথে সুতপা বৌদির সেই দুপুর

বাবান ক্রিকেট প্র্যাকটিসে, বাড়িতে একা সুতপা বৌদি। টিউশন শেষে চায়ের নিমন্ত্রণে থেকে গেলেন রাজিব, আর সেই দুপুর বদলে দিল সবকিছু।

⏱️ 9 min read•👁️ 6 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

বাংলা মামা চটি গল্প: মামার ফিরে আসা

দুবাই-প্রবাসী স্বামীর অপেক্ষায় থাকা রিনার জীবনে ফিরে এলেন তাঁর মামা তপন। দু'দিনের নির্জন বাড়িতে জমে উঠল নিষিদ্ধ আকর্ষণ। বাংলা মামা চটি গল্প।

⏱️ 9 min read•👁️ 5 views
Neighbour Affairবাংলা (Bengali)

বাংলা প্রতিবেশী চটি গল্প: রিঙ্কি ভাবীর সন্ধ্যাবেলা

একটি বাংলা প্রতিবেশী চটি গল্প: তিন মাসের চোখাচোখির পর এক সন্ধ্যায় প্রতিবেশী রিঙ্কি ভাবী শুভাশিসের দরজায় এসে দাঁড়ান, আর ফোঁটা ফোঁটা পানি পড়া কলটা ঠিক করার বাহানায় শুরু হয় এমন এক রাত যার অপেক্ষা ছিল অনেকদিনের।

⏱️ 9 min read•👁️ 5 views
College Campusবাংলা (Bengali)

বাংলা স্কুল টিচার চটি: লেক গার্ডেন্সের প্রাইভেট টিউশন

প্যারেন্ট টিচার মিটিংয়ে দেখা শুভদীপের চোখে ছিল দু বছরের একাকীত্ব। প্রাইভেট টিউশনের সন্ধ্যেগুলো কখন যে ভালোবাসায় বদলে গেল, তনুশ্রী নিজেও টের পেল না।

⏱️ 9 min read•👁️ 5 views
Rough & Dirtyবাংলা (Bengali)

বাংলা ডাক্তার চটি গল্প: রাতের ডিউটি রুমে

নাইট ডিউটির তৃতীয় রাতে ক্যান্টিনে দেখা অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার বিপ্লবের সাথে। ডাঃ অনিন্দিতার একা জীবনে হঠাৎ জ্বলে উঠল আগুন।

⏱️ 9 min read•👁️ 5 views