বাংলা সিনেমা হল চটি: অন্ধকার হলে মুনমুনের এক রাত

T
9 min read1 readers
Font:
0:000:00
Share Story:

মিত্রা সিনেমা হলের ভারী কাঠের দরজাটা ঠেলে ঢুকতেই মুখে এসে লাগল ঠান্ডা অন্ধকার বাতাস। বাইরে শ্যামবাজারের বিকেলের ভিড়, ভেতরে প্রায় খালি হল। টিকিট কাউন্টারের ছেলেটা বলেছিল, তিনটের শোয়ে বড়জোর তিরিশজন। মুনমুন টিকিটটা হাতে চেপে ধরে সারি গুনতে গুনতে এগোল। বন্ধুরা শেষ মুহূর্তে প্ল্যান বাতিল করেছিল, মায়ের ফোনে মিনিট পনেরো ঝগড়া হয়েছিল, আর এখন এই অন্ধকার হলটাই যেন তার একমাত্র আশ্রয়। এটা যেন কোনো বাংলা সিনেমা হল চটির শুরু, মনে মনে ভেবে নিজেই হেসে ফেলল সে।

জি সারির মাঝামাঝি বসতে গিয়ে থমকে দাঁড়াল মুনমুন। তার সিটের পাশের সিটে ইতিমধ্যেই বসে আছে একজন। তিরিশের কাছাকাছি বয়স, খোঁচা খোঁচা দাড়ি, হাতে পপকর্নের প্যাকেট। লোকটা মুখ তুলে তাকাল, একটু হাসল। "বসুন, বসুন। আজ তো হল প্রায় আমাদেরই।" কণ্ঠটা গভীর, চোখে দুষ্টুমির ঝিলিক। মুনমুন বসে পড়ল, ব্যাগটা কোলে রাখল। স্ক্রিনে তখনো বিজ্ঞাপন চলছে।

"আমি অর্জুন," লোকটা পপকর্নের প্যাকেটটা এগিয়ে দিল। "মার্কেটিংয়ের চাকরি, অফিস থেকে পালিয়ে এসেছি। আপনি?" মুনমুন একমুঠো পপকর্ন নিল। "মুনমুন। সল্টলেকে রিসেপশনিস্ট। আমার বন্ধুরা ধোঁকা দিয়েছে, তাই একাই।" অর্জুন হাসল। "তাহলে তো আমরা দুজনেই পালিয়ে আসা মানুষ।" আলো নিভে গেল, সিনেমা শুরু হলো।

প্রথম ঘণ্টাটা কেটে গেল নির্বিঘ্নে। কিন্তু হলের এসি বড্ড ঠান্ডা ছিল, আর দুজনের মাঝের হাতলটা ছিল একটাই। বারকয়েক অর্জুনের কনুই মুনমুনের বাহু ছুঁয়ে গেল। তৃতীয়বারের বেলায় অর্জুন সরি বলল না, বরং হাতটা সেখানেই রেখে দিল। মুনমুনের গায়ে কাঁটা দিল। সে হাত সরাল না। স্ক্রিনে তখন নায়ক নায়িকাকে জড়িয়ে ধরেছে, হলের অন্ধকারে সেই দৃশ্য যেন বেশি বাস্তব লাগছিল।

ইন্টারভালে আলো জ্বলল। "চা খাবেন?" অর্জুন জিজ্ঞেস করল। লবিতে ভিড় কম, দুজনে কাগজের কাপে চা নিয়ে দাঁড়াল। "একা সিনেমা দেখতে আসা মেয়েদের আমি সম্মান করি," অর্জুন বলল, চোখে চোখ রেখে। "সাহস লাগে।" মুনমুনের গাল গরম হয়ে উঠল। "আর অফিস থেকে পালিয়ে আসা ছেলেদের?" "তাদের শুধু বাহানা লাগে," অর্জুন চোখ টিপল। দুজনেই হেসে উঠল। চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে মুনমুন টের পেল, তার ভেতরে কিছু একটা জেগে উঠছে, অনেকদিন পর।

দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হলো। এবার বসতেই অর্জুনের হাতটা সরাসরি মুনমুনের হাতের ওপর পড়ল। মুনমুন তাকাল, অর্জুন স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে, মুখে নির্লিপ্ত ভাব, কিন্তু আঙুলগুলো মুনমুনের আঙুলে জড়িয়ে যাচ্ছে। মুনমুনের বুক ধড়ফড় করছিল। সে আঙুল সরাল না, বরং চাপ দিল।

কিছুক্ষণ পর অর্জুনের হাতটা সরে গেল মুনমুনের ঊরুতে। কুর্তির ওপর দিয়েই, কিন্তু চাপটা স্পষ্ট। মুনমুনের শ্বাস আটকে এল। সে অর্জুনের দিকে তাকাল না, স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে রইল, কিন্তু তার নিজের হাতটা এগিয়ে গেল অর্জুনের জিন্সের ওপর। শক্ত উত্থান টের পেল হাতের তালুতে। অর্জুনের শ্বাস ভারী হয়ে গেল। "তুমি খুব দুষ্টু," সে ফিসফিস করল। মুনমুন হাসল, হাত সরাল না।

অর্জুন এবার আরো সাহসী হলো। তার হাত কুর্তির ফাঁক দিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল, খালি ঊরুতে। মুনমুনের সারা শরীরে শিহরণ বয়ে গেল। তার প্যান্টি ততক্ষণে ভিজে গেছে। অর্জুনের আঙুল ঊরুর ভেতর দিকে এগোচ্ছে, প্রায় ছুঁয়ে ফেলছে। মুনমুন তার ঠোঁট কামড়ে ধরল, যাতে কোনো শব্দ বেরিয়ে না আসে। পাশের সারিতে কয়েকজন বসে, কিন্তু অন্ধকার আর তাদের নির্লিপ্ত মুখ কাউকে সন্দেহ করতে দিল না।

অর্জুনের আঙুল এবার প্যান্টির ওপর দিয়ে ঘষতে লাগল। মুনমুনের কোমর নিজে থেকেই এগিয়ে গেল। "বাস, আর না," সে ফিসফিস করল, "নইলে আমি এখানেই চিৎকার করে ফেলব।" অর্জুন হাত সরিয়ে নিল, কিন্তু তার চোখে আগুন। সে মুনমুনের কানে ফিসফিস করল, "শো শেষে তুমি আমার সঙ্গে যাচ্ছ। এটা আর আলোচনার বিষয় নয়।" মুনমুনের ভেতরে ভয় আর উত্তেজনা একসঙ্গে। সে মাথা নাড়ল।

অর্জুন এবার তার দিকে তাকাল, ধীরে ধীরে ঝুঁকে এল।

প্রথম চুম্বনটা হলো খুব সাবধানে, ঠোঁটে ঠোঁটের ছোঁয়া মাত্র। হলের পেছনের সারিতে তারা প্রায় একা। মুনমুনের ঠোঁট কেঁপে উঠল। অর্জুনের হাত তার গালে, তারপর ঘাড়ে। দ্বিতীয় চুম্বনে জিভ ঢুকে গেল, মুনমুনের মুখে পপকর্নের নোনতা স্বাদ আর অর্জুনের গরম নিঃশ্বাস মিশে গেল। তার হাত অজান্তেই অর্জুনের ঊরুতে চলে গেল, শক্ত পেশি টের পেল জিন্সের ওপর দিয়ে।

"এখানে নয়," মুনমুন ফিসফিস করল, যদিও তার শরীর অন্য কথা বলছিল। অর্জুনের হাত তখন তার কুর্তির ওপর দিয়ে পেটে উঠে এসেছে। "তাহলে কোথায়?" অর্জুনের কণ্ঠ ভারী। মুনমুনের ভেতরে যুক্তি আর ইচ্ছের লড়াই চলছিল মাত্র দুই সেকেন্ড। "শো শেষ হোক," সে বলল। অর্জুন হাসল, তার হাত মুনমুনের ঊরুতে রেখে চাপ দিল। বাকি সিনেমাটা মুনমুন কিছুই দেখল না, শুধু টের পেল অর্জুনের আঙুল তার ঊরুর ভেতর দিকে এগোচ্ছে, কুর্তির ফাঁক দিয়ে।

সিনেমা শেষে দুজনে বেরিয়ে এল সন্ধ্যের আলোয়। "কফি?" অর্জুন জিজ্ঞেস করল। মুনমুন মাথা নাড়ল। পাশের গলিতেই একটা ছোট লজ, বোর্ডে লেখা "ঘণ্টা হিসেবে রুম"। মুনমুনের গলা শুকিয়ে আসছিল। "তুমি নিশ্চিত?" অর্জুন জিজ্ঞেস করল, এবার "তুমি"তে নেমে এসে। মুনমুন তার হাত চেপে ধরল। "চলো।"

লজের রিসেপশনে এক বয়স্ক লোক বসে, চোখে ঘুম। অর্জুন টাকা দিল, চাবি নিল, কোনো প্রশ্ন হলো না। সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে মুনমুনের হাত কাঁপছিল। অর্জুন সেটা টের পেয়ে তার আঙুলে আঙুল জড়াল। "ভয় পাচ্ছ?" "একটু।" "আমিও।" দুজনে হেসে ফেলল, আর ভয়টা হালকা হয়ে গেল।

রুমটা ছোট, কিন্তু পরিষ্কার। বিছানায় সাদা চাদর, জানলায় পর্দা। দরজা বন্ধ হতেই অর্জুন মুনমুনকে দেয়ালের সঙ্গে চেপে ধরল। এবার আর কোনো সাবধানতা নেই, চুম্বনটা হলো উন্মত্ত, জিভে জিভে লড়াই। মুনমুনের হাত অর্জুনের শার্টের বোতাম খুলতে লাগল, একটা একটা করে। শার্ট খুলে ফেলতেই বেরিয়ে এল চওড়া বুক, ঘামে চকচক করছে। মুনমুন সেই বুকে মুখ ঘষল, জিভ বোলাল।

অর্জুন মুনমুনের কুর্তিটা মাথার ওপর দিয়ে টেনে খুলে ফেলল। ভেতরে কালো ব্রা, তার ভেতর থেকে উপচে পড়ছে দুধ। "বাহ," অর্জুনের চোখ জ্বলজ্বল করছে। সে ব্রার হুক খুলে দিল এক টানে, দুধ দুটো লাফিয়ে বেরিয়ে এল। অর্জুন মুখ ডুবিয়ে দিল সেখানে, একটা বোঁটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগল, আরেকটা আঙুলে মুচড়াতে লাগল। মুনমুনের মুখ থেকে বেরিয়ে এল চাপা আর্তনাদ। "আহ, অর্জুন।"

মুনমুনের সালোয়ারটা খুলে ফেলল অর্জুন, তারপর প্যান্টি। মুনমুন সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে দাঁড়াল তার সামনে। অর্জুন এক মুহূর্ত তাকিয়ে রইল, তারপর তাকে কোলে তুলে বিছানায় শোয়াল। নিজের জিন্স আর জাঙ্গিয়া খুলে ফেলল। তার ধোনটা দাঁড়িয়ে আছে, লম্বা আর মোটা, ডগায় ফোঁটা। মুনমুনের গুদ তখন ভিজে জবজব করছে, রসে প্যান্টি ভিজে গিয়েছিল আগেই।

অর্জুন মুনমুনের পা দুটো ছড়িয়ে দিল। "তোমার গুদটা দেখতে দাও," ফিসফিস করল সে। মুনমুন লজ্জায় মুখ ঢাকল, কিন্তু পা সরাল না। অর্জুন মুখ নামিয়ে আনল সেখানে। প্রথম জিভের ছোঁয়াতেই মুনমুনের শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। "ওহ ভগবান," সে চিৎকার করে উঠল। অর্জুনের জিভ তার গুদের চেরায় ঘুরছে, কখনো ভগাঙ্কুরে চাপ দিচ্ছে, কখনো ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। মুনমুনের হাত অর্জুনের চুল খামচে ধরল।

পাঁচ মিনিটের মাথায় মুনমুনের শরীর কেঁপে উঠল। "আসছে, আসছে," সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। অর্জুন জিভের গতি বাড়িয়ে দিল। মুনমুনের গুদ থেকে পানির স্রোত বেরিয়ে এল, বিছানার চাদর ভিজে গেল। সে হাঁপাচ্ছে, বুক ওঠানামা করছে। অর্জুন উঠে এল, মুখে তার রস লেগে আছে। "এবার আসলটা," সে বলল। মুনমুন তাকে টেনে নিল। "এক মিনিট, এবার আমার পালা," সে বলল, অর্জুনকে শুইয়ে দিল। তার ধোনটা তখনো দাঁড়িয়ে, ডগায় ফোঁটা চকচক করছে। মুনমুন নিচে ঝুঁকল, প্রথমে জিভ বোলাল ডগায়। অর্জুনের শরীরটা কেঁপে উঠল। "ওহ," তার মুখ থেকে বেরিয়ে এল।

মুনমুন ধীরে ধীরে মুখে নিল, প্রথমে অর্ধেক, তারপর আরো। তার জিভ ঘুরছে চারদিকে, হাত নিচে নাড়ছে। অর্জুনের হাত তার চুলে, চাপ দিচ্ছে। মুনমুনের গতি বাড়ল, গভীর থেকে গভীরে। অর্জুনের পায়ের আঙুল কুঁকড়ে গেল। "থামো, নইলে এখনই," সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। মুনমুন মুখ তুলল, ঠোঁটে দুষ্টু হাসি। "তাহলে এবার সত্যিকারের আসলটা।"

অর্জুন মুনমুনের ওপরে উঠল। ধোনটা গুদের মুখে রাখল, একটু ঘষল। মুনমুনের শরীর আবার জেগে উঠল। "ঢোকাও," সে ফিসফিস করল। "জোরে ঢোকাও।" অর্জুন এক ধাক্কায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিল। মুনমুনের মুখ থেকে বেরিয়ে এল দীর্ঘ আর্তনাদ। "আহ, এত বড়।" অর্জুন ধীরে ধীরে ঠাপাতে শুরু করল, প্রতিটা ঠাপে মুনমুনের দুধ লাফাচ্ছিল।

গতি বাড়তে লাগল। ঘরে শুধু শোনা যাচ্ছে চামড়ায় চামড়ার ঠাসঠাস শব্দ আর দুজনের হাঁপানি। মুনমুনের পা অর্জুনের কোমরে জড়িয়ে গেল। "আরো জোরে, আরো জোরে," সে চিৎকার করছে। অর্জুন তার দুধ দুটো চেপে ধরে ঠাপাচ্ছে, ঘামে দুজনের শরীর পিছল। মুনমুনের দ্বিতীয়বার পানি খসার সময় সে অর্জুনের পিঠে নখ বসিয়ে দিল।

"এবার তুমি ওপরে," অর্জুন বলল, শুয়ে পড়ল। মুনমুন তার ওপরে উঠল, ধোনটা নিজের গুদে ঢুকিয়ে নিল। এবার সে নিজেই কোমর নাড়াতে লাগল, ওঠানামা করছে, কখনো ঘুরছে। তার দুধ অর্জুনের মুখের সামনে দুলছে, অর্জুন একটা বোঁটা মুখে নিল। মুনমুনের গতি বাড়ছে, সে চুলগুলো পেছনে ছুঁড়ে দিল। "দেখো, আমি কী করছি," সে হাসল।

মুনমুনের কোমরের নাচন দেখে অর্জুনের ধৈর্য ভেঙে গেল। সে মুনমুনকে উল্টে দিল, পেছন থেকে ঢুকল। কুকুরের মতো পোজে মুনমুন, অর্জুন পেছন থেকে ঠাপাচ্ছে, এক হাতে তার চুল টানছে। "তোমার গুদটা এত টাইট," অর্জুন হাঁপাচ্ছে। মুনমুনের মুখ বিছানায় চেপে আছে, কিন্তু আর্তনাদ থামছে না। এই পজিশনে ধোনটা আরো গভীরে যাচ্ছে, প্রতিটা ঠাপে মুনমুনের শরীর কেঁপে উঠছে।

অনেকক্ষণ পর অর্জুন থামল। দুজনে ঘামে ভেজা, হাঁপাচ্ছে। "শেষ হয়নি," অর্জুন বলল, মুনমুনকে দেয়ালের দিকে নিয়ে গেল। দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড় করাল, একটা পা তুলে ধরল। দাঁড়িয়েই ঢুকিয়ে দিল। মুনমুনের পিঠ দেয়ালে, অর্জুন সামনে থেকে ঠাপাচ্ছে। এই পজিশনে মুনমুনের দুধ অর্জুনের বুকে চেপে আছে। "আমি আসছি," অর্জুন চিৎকার করল। "ভেতরেই দাও," মুনমুন বলল। গরম বীর্য গুদের ভেতরে ছড়িয়ে পড়ল, মুনমুন টের পেল প্রতিটা ফোঁটা।

দুজনে বিছানায় এলিয়ে পড়ল। বাইরে তখন রাত। "সিনেমাটা কেমন লাগল?" অর্জুন জিজ্ঞেস করল, হাসতে হাসতে। মুনমুন তার বুকে মাথা রাখল। "সিনেমা? কোন সিনেমা?" দুজনেই হেসে উঠল। অর্জুনের আঙুল মুনমুনের পিঠে ঘুরছে। "কাল আবার আসবে? একই শো?" মুনমুন মুখ তুলল। "কাল নয়। পরশু। একই সিট।" অর্জুন তার কপালে চুমু খেল। কাপড় পরতে পরতে দুজনে কথা বলল, ফোন নম্বর আদানপ্রদান হলো। "নামটা সেভ করো 'সিনেমা হল' বলে," অর্জুন চোখ টিপল। মুনমুন হাসতে হাসতে টাইপ করল। দরজা খুলে বেরোনোর আগে অর্জুন আরেকবার তাকে জড়িয়ে ধরল, লম্বা চুম্বন। "পরশু, তিনটের শো। দেরি কোরো না।" "দেরি করলে তুমি শুরু করে দিও," মুনমুন ফিসফিস করল, তারপর সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেল।

বেরোনোর সময় মুনমুন পার্স খুলে দেখল, সিনেমার ছেঁড়া টিকিটের অর্ধেকটা এখনো আছে। সে সেটা যত্ন করে পার্সের ভেতরের খাপে রাখল। লজের সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে পেছন ফিরে তাকাল, অর্জুন দাঁড়িয়ে হাসছে। মুনমুনের ঠোঁটে তখনো তার স্বাদ, শরীরে তখনো তার ছোঁয়ার রেশ। এই বাংলা সিনেমা হল চটির গল্পটা সে কাউকে বলবে না, কিন্তু ভুলবেও না কোনোদিন।

Rate this story

🔥 NEXT CHAPTER IN LINE

One Night Stand

বাংলা ট্রেন জার্নি চটি গল্প: কুপ বি এর সেই রাত

হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি যাওয়ার রাতের ট্রেনে মৌয়ের সঙ্গে দেখা হয় ফটোগ্রাফার রোহনের। একটি মেসেজ থেকে শুরু হওয়া এই যাত্রা বদলে যায় এক অবিস্মরণীয় রাতে।

Read Next Story

More stories by Tanushree Das

View all →

Readers who enjoyed “বাংলা সিনেমা হল চটি: অন্ধকার হলে মুনমুনের এক রাত” also read

8 curated stories
One Night Standবাংলা (Bengali)

বাস যাত্রার চটি গল্প: কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি পৌলমী আর অরিন্দমের রাতের বাস

কলকাতা থেকে শিলিগুড়ি রাতের বাসে পৌলমীর পাশের সিটে বসা অরিন্দমের সঙ্গে এক অচেনা যাত্রা এক অন্য গল্প হয়ে ওঠে।

⏱️ 9 min read•👁️ 0 views
Rough & Dirtyবাংলা (Bengali)

রাজমিস্ত্রীর দুপুর

বাড়ির নতুন ঘর তোলার কাজে আসা রাজমিস্ত্রী সুবলকে এক তপ্ত দুপুরে দীপা সরবত দিতে গিয়ে এমন এক খেলায় জড়িয়ে পড়েন, যা বদলে দেয় দুজনের দিন।

⏱️ 9 min read•👁️ 9 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

নতুন চটি গল্প: এসি মেকানিকের সাথে সেই গরম দুপুর

দমদমের ফ্ল্যাটে এক গরম দুপুরে এসি সার্ভিস করতে আসে ছাব্বিশ বছরের রাজা, আর একটা সাধারণ সার্ভিস ভিজিট বদলে যায় মৌসুমির জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ দুপুরে।

⏱️ 11 min read•👁️ 7 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা চোদা চুদির গল্প: পুকুরঘাটে ভোরের সেই স্নান

ভোরের কুয়াশায় পুকুরঘাটে একা স্নান করতে আসা রুমা, আর জল নিতে আসা পাড়ার ছেলে পার্থ. একটা ভোর বদলে দেয় দুটো জীবন.

⏱️ 9 min read•👁️ 7 views
Neighbour Affairবাংলা (Bengali)

Boudi Choti Golpo: টিউশন স্যারের সাথে সুতপা বৌদির সেই দুপুর

বাবান ক্রিকেট প্র্যাকটিসে, বাড়িতে একা সুতপা বৌদি। টিউশন শেষে চায়ের নিমন্ত্রণে থেকে গেলেন রাজিব, আর সেই দুপুর বদলে দিল সবকিছু।

⏱️ 9 min read•👁️ 6 views
Neighbour Affairবাংলা (Bengali)

বাংলা প্রতিবেশী চটি গল্প: রিঙ্কি ভাবীর সন্ধ্যাবেলা

একটি বাংলা প্রতিবেশী চটি গল্প: তিন মাসের চোখাচোখির পর এক সন্ধ্যায় প্রতিবেশী রিঙ্কি ভাবী শুভাশিসের দরজায় এসে দাঁড়ান, আর ফোঁটা ফোঁটা পানি পড়া কলটা ঠিক করার বাহানায় শুরু হয় এমন এক রাত যার অপেক্ষা ছিল অনেকদিনের।

⏱️ 9 min read•👁️ 5 views
College Campusবাংলা (Bengali)

বাংলা স্কুল টিচার চটি: লেক গার্ডেন্সের প্রাইভেট টিউশন

প্যারেন্ট টিচার মিটিংয়ে দেখা শুভদীপের চোখে ছিল দু বছরের একাকীত্ব। প্রাইভেট টিউশনের সন্ধ্যেগুলো কখন যে ভালোবাসায় বদলে গেল, তনুশ্রী নিজেও টের পেল না।

⏱️ 9 min read•👁️ 5 views
Rough & Dirtyবাংলা (Bengali)

বাংলা ডাক্তার চটি গল্প: রাতের ডিউটি রুমে

নাইট ডিউটির তৃতীয় রাতে ক্যান্টিনে দেখা অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার বিপ্লবের সাথে। ডাঃ অনিন্দিতার একা জীবনে হঠাৎ জ্বলে উঠল আগুন।

⏱️ 9 min read•👁️ 5 views