নতুন বাংলা চোদা গল্প: পুজোর সন্ধ্যায় টেরেসে
পুজোর ঢাকের শব্দ নিচে গমগম করছিল, আর সেই ভিড়ের মাঝে মৌমিতা হঠাৎ সৌরভের শার্টের কলার চেপে ধরল। এক ঝটকায় তাকে টেরেসের দরজার আড়ালে টেনে নিল সে, দরজাটা পা দিয়ে ঠেলে বন্ধ করে দিল। সৌরভ কিছু বোঝার আগেই মৌমিতার ঠোঁট তার ঠোঁটে চেপে বসল। এই মুহূর্ত থেকেই শুরু হলো তাদের সেই নতুন বাংলা চোদা গল্প, যেটা পুজোর সন্ধ্যায় টেরেসে লেখা হয়েছিল।
সৌরভের চোখ বিস্ফারিত। মৌমিতা তার স্বামীর কলেজের বন্ধু, তিন বছরের পরিচয়, সবসময় ভদ্র হাসি। কিন্তু আজ তার চোখে অন্য আগুন। "চুপ," সে ফিসফিস করে বলল, "নিচে সবাই আছে, একটা শব্দ করলে শেষ।" তার শাড়ির আঁচল মাটিতে লুটোচ্ছিল, ব্লাউজের হুক খোলার জন্য সৌরভের আঙুল কাঁপছিল।
টেরেসে অন্ধকার, শুধু পাশের বাড়ির আলো এসে পড়ছিল। মৌমিতা তাকে দেয়ালে ঠেসে ধরল। তার বুক সৌরভের বুকে চেপে ছিল, আর সে অনুভব করল তার ধোন প্যান্টের ভেতর শক্ত হচ্ছে। "তুমি সারাদিন আমাকে দেখছিলে," মৌমিতা বলল, "ভেবেছ আমি বুঝিনি?" সৌরভের গলা শুকিয়ে গেল।
সে মাথা নাড়ল, অস্বীকার করার চেষ্টা করল, কিন্তু মৌমিতা তার প্যান্টের ওপর হাত রাখল। "মিথ্যে বোলো না," সে বলল, আঙুল দিয়ে চাপ দিল। সৌরভের শ্বাস আটকে গেল। তার ধোন পুরো খাড়া, আর মৌমিতার হাত সেটা মাপছিল প্যান্টের ওপর দিয়েই।
"তোমার বউ..." সৌরভ বলতে গেল, কিন্তু মৌমিতা তার ঠোঁটে আঙুল রাখল। "আমার স্বামী নিচে ঢাক বাজানো দেখছে," সে বলল, "আর আমি এখানে। আজ রাতে আমি শুধু তোমার।" এই শুনে সৌরভের ভেতরের ভয় ভেঙে গেল। সে মৌমিতার কোমর জড়িয়ে ধরল।
সে তার ব্লাউজের হুক খুলতে শুরু করল, একটা একটা করে। ব্লাউজ খুলতেই তার দুধ বেরিয়ে এল, ব্রা ছাড়া। সৌরভ দেখল আর পাগল হয়ে গেল।
সে একটা দুধ মুখে নিল আর চুষতে শুরু করল জোরে জোরে। মৌমিতা তার চুল খামচে ধরল। "আরো জোরে," সে ফিসফিস করে বলল, "কামড়ে দাও।"
সৌরভ চুষতে থাকল, আর মৌমিতার ফিসফিসানি বাড়তে থাকল। নিচে ঢাকের শব্দে তাদের আওয়াজ চাপা পড়ছিল, এটাই তাদের সাহস দিচ্ছিল। মৌমিতা তার প্যান্টের চেইন খুলল আর ধোন বের করে আনল।
এক পলক দেখল, তারপর জিভ দিয়ে চাটল। সৌরভ দেয়াল আঁকড়ে ধরল।
"থামো না," সৌরভ বলল। মৌমিতা পুরোটা মুখে নিল আর ভেতর বাইরে করতে লাগল। তার মুখ গরম ছিল, জিভ প্রতিটা শিরায় ঘুরছিল।
সৌরভের শ্বাস দ্রুত হলো। "মৌমিতা... আমি..." সে বলল, কিন্তু মৌমিতা তাকে থামাল। "এখনো না," ধোন মুখ থেকে বের করে সে বলল, "আগে আমি।"
তারপর মৌমিতা শাড়ি খুলে ফেলল। শাড়ি, সায়া, সব টেরেসের মেঝেতে। অন্ধকারে তার শরীর চকচক করছিল।
সৌরভ তাকে দেখে উন্মাদ হয়ে গেল। সে তাকে দেয়ালে ঠেসে ধরল আর পা ফাঁক করে দিল। তার গুদ ভেজা চকচক করছিল।
সে আঙুল ঢোকাল আর মৌমিতা কঁকিয়ে উঠল। "আরো," সে বলল, "দুটো আঙুল দাও।"
সৌরভ তাকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরল আর তার ঘাড়ে চুমু খেতে লাগল। তার হাত মৌমিতার পিঠ বেয়ে নিচে নামল আর তার নগ্ন কোমর চেপে ধরল। মৌমিতা তার কাঁধে নখ বসিয়ে দিল, শ্বাস ভারী হয়ে এল।
সে নিচে ঝুঁকল আর তার দুধের বোঁটা জিভ দিয়ে চাটল, গোল গোল করে। মৌমিতা মাথা পেছনে হেলিয়ে দিল, চুল দেয়ালে লেগে রইল। আরো, সে ফিসফিস করল, দুটোই চুষো। সৌরভ পালা করে দুটো দুধ চুষতে লাগল, হাত দিয়ে টিপতে টিপতে।
তার হাত নিচে নামল, তার পেট, তার নাভি, তারপর তার উরুর ভেতর দিক। মৌমিতার শরীর কেঁপে উঠল প্রতিটা স্পর্শে। তুমি জানো, সে বলল, তিন বছর ধরে আমি এটা কল্পনা করেছি। সৌরভ থমকে গেল, তারপর আরো জোরে তাকে চেপে ধরল।
মৌমিতা হাঁটু গেড়ে বসল আর আবার তার ধোন মুখে নিল। এবার সে আরো গভীরে নিল, গলা পর্যন্ত। সৌরভের চোখ বন্ধ হয়ে গেল। তার হাত মৌমিতার চুলে, সে নিজেকে থামাতে পারছিল না।
উঠো, সৌরভ বলল, তাকে টেনে তুলল। সে তাকে ঘুরিয়ে দেয়ালে ঠেসে ধরল, পেছন থেকে তার গলায় চুমু খেল। তার ধোন তার পাছার ফাঁকে ঘষা খাচ্ছিল। মৌমিতা পেছনে ঠেলে দিল, আরো চাপ চেয়ে।
সৌরভ তার কানে ফিসফিস করল, তোমার স্বামী নিচে, আর তুমি এখানে আমার সাথে নগ্ন। এই কথা শুনে মৌমিতার শরীরে শিহরণ খেলে গেল। আরো বলো, সে বলল, এই নোংরা কথাগুলো আরো বলো। সৌরভ হাসল, খেলা এখন তার হাতে।
সৌরভ দুটো আঙুল ঢুকিয়ে ভেতর বাইরে করতে লাগল। তার বুড়ো আঙুল তার দানায় ঘষা খাচ্ছিল। মৌমিতার কোমর দুলতে লাগল আর সে দেয়াল আঁকড়ে ধরল।
"তোমার বন্ধুর বউয়ের গুদে আঙুল দিচ্ছ," সে বলল, "কেমন লাগছে?" সৌরভ আঙুলের গতি বাড়িয়ে দিল। "ভেজা, গরম, আর আমার," সে বলল।
কিছুক্ষণের মধ্যেই মৌমিতার শরীর শক্ত হয়ে গেল আর সে জোরে কঁকিয়ে উঠল। তার পানি বেরিয়ে গেল, সৌরভের আঙুলে বয়ে গেল। কিন্তু সৌরভ থামল না।
সে আঙুল বের করল আর ধোন তার গুদের মুখে রাখল। এক ধাক্কায় অর্ধেক ভেতরে চলে গেল। মৌমিতা চিৎকার করল। "পুরোটা দাও," সে বলল, "আজ রাতে দয়া কোরো না।"
সৌরভ আরেকটা ধাক্কা মারল আর পুরো ধোন ভেতরে ঢুকে গেল। সে ধাক্কা মারতে শুরু করল, জোরে আর গভীরে। মৌমিতার গুদ তাকে চেপে ধরছিল।
"হ্যাঁ, এভাবেই চোদো আমাকে," সে চিৎকার করল, "তোমার বন্ধুর বউকে চোদো।" সৌরভের উত্তেজনা দ্বিগুণ হয়ে গেল। সে তার দুধ চেপে ধরল আর প্রতিটা ধাক্কায় সেগুলো দুলছিল।
"আরো জোরে," মৌমিতা বলল, "ছিঁড়ে ফেলো আমাকে।" তার নখ সৌরভের পিঠে বসে গেল। টেরেসে শুধু তাদের শ্বাস আর শরীরের ধাক্কার শব্দ। নিচে ঢাক বাজছিল, কেউ কিছু শুনতে পাচ্ছিল না।
সৌরভ পাগল হয়ে গেছিল। সে কখনো মৌমিতার এই রূপ দেখেনি।
হঠাৎ নিচে কেউ তার নাম ধরে ডাকল। দুজনেই জমে গেল। মৌমিতা সৌরভের মুখ চেপে ধরল।
ডাকটা আরেকবার এল, তারপর থেমে গেল। কেউ ওপরে এল না। দুজনে একে অপরের দিকে তাকাল আর হেসে ফেলল, নিঃশব্দে। বিপদের এই ছোঁয়া তাদের আরো উত্তেজিত করে তুলল।
মৌমিতা তাকে ঘুরিয়ে দিল আর নিজে নিচে বসল। সে আবার ধোন মুখে নিল, এবার আরো বেপরোয়া। সৌরভ তার চুল ধরে রইল।
"তুমি আজ থামবে না," সৌরভ বলল। মৌমিতা ধোন মুখ থেকে বের করে বলল, "আজ পুজো, আজ কোনো থামা নেই।" সে আবার ভেতরে নিল আর দ্রুত দ্রুত চুষতে লাগল।
সৌরভ মৌমিতাকে তুলল আর টেরেসের রেলিংয়ে ঠেসে ধরল। পেছন থেকে সে এক ঝটকায় ধোন গুদে ঢুকিয়ে দিল। মৌমিতা রেলিং আঁকড়ে ধরল।
পেছন থেকে ধাক্কা আরো গভীর লাগছিল। "হ্যাঁ," সে বলল, "এভাবেই, আমার গুদটাকে এভাবেই চোদো।" সৌরভ তার কোমর ধরল আর পাগলের মতো চুদতে লাগল।
নিচে পুজোর ভিড়, ওপরে তারা। মৌমিতার শাড়ি মেঝেতে, তার শরীর ঘামে ভেজা। সৌরভের প্রতিটা ধাক্কায় তার দুধ দুলছিল।
"তোমার বন্ধু জানলে কী হবে?" সৌরভ হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। "জানবে না," মৌমিতা বলল, "এটা আমাদের পুজোর উপহার।" সৌরভ গতি বাড়িয়ে দিল।
কিছুক্ষণের মধ্যেই মৌমিতার শরীর কাঁপতে লাগল। "আমি আসছি," সে চিৎকার করল। সৌরভ ধোন বের করল আর তার পিঠে ঝরে গেল।
গরম পানি তার কোমরে বয়ে গেল। মৌমিতা পেছন ফিরে তাকাল আর হাসল, জয়ের হাসি।
কিন্তু মৌমিতা থামতে চাইল না। সে সৌরভকে মেঝেতে বসাল আর তার কোলে উঠে বসল। ধোন আবার শক্ত হয়েছিল, সে সেটা গুদে ঢুকিয়ে নিল। দ্বিতীয় রাউন্ড, সে বলল, টেরেসেই।
সে ধীরে ধীরে ওঠানামা করতে লাগল, সৌরভের গলায় হাত রেখে। তার দুধ সৌরভের মুখের সামনে, সে চুষতে লাগল। নিচে ঢাকের তাল বাড়ছিল, আরতি শুরু হয়েছিল। কেউ ওপরে আসবে না, এটা নিশ্চিত।
মৌমিতার গতি বাড়ল, সে এখন প্রায় লাফাচ্ছিল তার কোলে। জোরে ধরো আমাকে, সে বলল। সৌরভ তার কোমর চেপে ধরল আর নিচ থেকে ধাক্কা দিতে লাগল। দুজনের শরীর এক তালে নাচছিল।
আমি আসছি, মৌমিতা চিৎকার করল, ঢাকের শব্দে মিশে গেল তার গলা। তার গুদ সৌরভের ধোনকে চেপে ধরল। সৌরভও আর থামতে পারল না, সেও ঝরে গেল তার ভেতরেই।
দুজনে জড়াজড়ি করে বসে রইল, শ্বাস নিতে নিতে। মৌমিতার মাথা সৌরভের কাঁধে। তিন বছর, সে বলল, তিন বছর অপেক্ষা করেছি এই রাতের জন্য। সৌরভ তার কপালে চুমু খেল।
নিচে শঙ্খ বাজল, পুজো শেষের সংকেত। দুজনে চমকে উঠল। এবার সত্যিই যেতে হবে, মৌমিতা বলল, উঠে দাঁড়িয়ে। সে শাড়ি তুলল, কোনোরকমে গায়ে জড়াল।
দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে মেঝেতে বসল। মৌমিতা শাড়ি টেনে গায়ে জড়াল, কোনোরকমে। সৌরভ প্যান্ট ঠিক করল।
"নিচে যেতে হবে," মৌমিতা বলল, "খোঁজ পড়ে যাবে।" কিন্তু তার চোখে এখনো আগুন। সে সৌরভের গালে চুমু খেল আর ফিসফিস করে বলল, "এটা শুধু শুরু।"
তারা একে একে নিচে নামল, পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে। নিচে সবাই প্রসাদ নিচ্ছিল, কেউ কিছু বোঝেনি। মৌমিতার স্বামী তাকে দেখে হাসল।
"কোথায় ছিলে?" সে জিজ্ঞেস করল। "টেরেসে, হাওয়া খাচ্ছিলাম," মৌমিতা বলল, একদম স্বাভাবিক গলায়। সৌরভ দূরে দাঁড়িয়ে প্রসাদ নিল, হাত কাঁপছিল।
পুজো শেষে সবাই বাড়ি ফিরতে শুরু করল। সৌরভও বেরোচ্ছিল, তখন মৌমিতা তার পাশ দিয়ে যেতে যেতে ফিসফিস করে বলল, "কাল দুপুরে, আমার বাড়ি। ও অফিসে থাকবে।" সৌরভ থমকে দাঁড়াল। মৌমিতা হেঁটে চলে গেল, পেছন ফিরে তাকাল না।
সারারাত সৌরভ ঘুমোতে পারল না। টেরেসের অন্ধকার, মৌমিতার শরীর, তার ফিসফিসানি, সব চোখের সামনে ভাসছিল। ভোরে তার ফোনে মেসেজ এল।
"ঠিকানা পাঠাচ্ছি। দুপুর দুটো। দরজা খোলা থাকবে।" সৌরভ মেসেজটা পড়ল আর তার ধোন আবার শক্ত হয়ে গেল।
দুপুর দুটোয় সে সেই ঠিকানায় পৌঁছল। দরজা সত্যিই খোলা ছিল। ভেতরে মৌমিতা অপেক্ষা করছিল, একটা পাতলা নাইটি পরে।
"এসেছ," সে বলল, দরজা বন্ধ করে দিল। সৌরভ ভেতরে ঢুকল আর মৌমিতা তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল।
মৌমিতা তার গলায় ঝুলে পড়ল আর ঠোঁটে ঠোঁট রাখল। সৌরভ তাকে কোলে তুলে ভেতরে নিয়ে গেল। তাড়াহুড়ো কোরো না, সে বলল, আজ সময় আছে।
মৌমিতা ধীরে ধীরে নাইটির ফিতে খুলল, একটা একটা করে। সৌরভের চোখ তার শরীরে আটকে রইল। দেখো, সে বলল, ঘুরে দাঁড়িয়ে, শুধু দেখো।
সে তাকে সোফায় বসাল আর নিজে মেঝেতে হাঁটু গেড়ে বসল। তার প্যান্ট খুলে ধোন বের করল। তোমার পালা, সে বলল, মুখে নেওয়ার আগে।
সৌরভের হাত তার চুলে, সে গভীরে নিল। কিছুক্ষণ পর সৌরভ তাকে তুলল। বেডরুম, সে বলল, হাঁপাতে হাঁপাতে। মৌমিতা হাসল, চলো।
সোফা থেকে উঠতে গিয়ে মৌমিতা টলমল করল, সৌরভ তাকে ধরে ফেলল। দুজনে হাসল, নেশায়। "বেডরুম," মৌমিতা ফিসফিস করল, "দরজা বন্ধ করে।"
বেডরুমে সে তাকে বিছানায় ফেলল আর তার ওপর উঠে বসল। ধোন গুদে ঢুকিয়ে সে ধীরে ধীরে ওঠানামা করতে লাগল। তার দুধ সৌরভের মুখের সামনে দুলছিল আর সে পালা করে চুষতে লাগল। "দেখো," সে বলল, "তোমার বন্ধুর বউ তোমার ওপরে, তোমার ধোন গুদে নিয়ে।"
সৌরভ তার কোমর ধরল আর নিচ থেকে ধাক্কা মারতে লাগল। দুজনের গতি বাড়তে থাকল আর খাট ক্যাঁচক্যাঁচ করতে লাগল। মৌমিতা মাথা পেছনে হেলিয়ে জোরে জোরে কঁকাতে লাগল। "আমি আসছি," সে চিৎকার করল, "থামো না।" সৌরভ তাকে শক্ত করে ধরল।
দুজনে একসাথে ঝরল। মৌমিতার শরীর কাঁপল আর সে সৌরভের বুকে পড়ে গেল। তার পানি তার উরুতে বইছিল আর সৌরভের ধোন এখনো তার গুদে ধড়ফড় করছিল। কিছুক্ষণ কেউ কিছু বলল না, শুধু তাদের হৃৎস্পন্দন শোনা যাচ্ছিল।
বিকেলে সৌরভ যখন বেরোচ্ছিল, মৌমিতা দরজায় দাঁড়িয়ে বলল, "পরের পুজোয় আবার টেরেসে?" সৌরভ হাসল। "পরের পুজো অনেক দূর," সে বলল। মৌমিতা চোখ মারল আর বলল, "তাহলে তার আগেই কোনো বাহানা বানাতে হবে।" দরজা বন্ধ হলো, কিন্তু গল্পটা শেষ হলো না।
পরের রবিবার মৌমিতা সৌরভকে মেসেজ করল। বাড়িতে কেউ নেই, চলে এসো। সৌরভ আধঘণ্টায় পৌঁছে গেল। দরজা খুলতেই মৌমিতা তাকে ভেতরে টেনে নিল, দরজা বন্ধ করে দিল।
ভেতরে ঢুকতেই সে দেখল মৌমিতা একটা পাতলা শাড়ি পরেছে, ভেতরে কিছু নেই। তোমার জন্য সেজেছি, সে বলল, ঘুরে দাঁড়িয়ে। সৌরভ তাকে জড়িয়ে ধরল আর তার ঠোঁটে গভীর চুমু খেল।
সে তাকে সোফায় বসাল আর নিজে তার কোলে উঠে বসল। শাড়ি সরিয়ে সে তার ধোন বের করল আর গুদে ঢুকিয়ে নিল। ধীরে ধীরে ওঠানামা করতে লাগল, সৌরভের গলা জড়িয়ে ধরে।
সৌরভ তার দুধ চুষতে লাগল, পালা করে। মৌমিতার শরীর দুলছিল তার কোলে। আরো জোরে ধরো, সে বলল। সৌরভ তার কোমর চেপে ধরল আর নিচ থেকে ধাক্কা দিতে লাগল।
হঠাৎ কলিং বেল বাজল। দুজনে জমে গেল। কে, মৌমিতা জিজ্ঞেস করল, গলা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে। পাশের ফ্ল্যাটের মাসিমা, বাইরে থেকে আওয়াজ এল। চিনি নিতে এসেছি।
মৌমিতা তাড়াতাড়ি শাড়ি ঠিক করল আর দরজা খুলল। সৌরভ বাথরুমে লুকিয়ে রইল, শ্বাস বন্ধ করে। মাসিমা চিনি নিয়ে চলে গেলেন, কিছু বুঝলেন না। দরজা বন্ধ হতেই মৌমিতা হেসে ফেলল।
বাঁচা গেল, সে বলল, কপালের ঘাম মুছে। সৌরভ বেরিয়ে এল আর তাকে আবার সোফায় ফেলে দিল। যেখানে থেমেছিলাম, সে বলল, তার ওপর উঠে। এবার কোনো বাধা এল না, দুজনে একসাথে ঝরল।
প্রতি রবিবার, মৌমিতা বলল, তার বুকে মাথা রেখে, এটা আমাদের দিন। সৌরভ তার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, প্রতি রবিবার, কোনো ছুটি নেই। দুজনে হাসল, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা পাকা হয়ে গেল।
সন্ধ্যায় সৌরভ বাড়ি ফিরল, মন উড়ু উড়ু। মৌমিতার মেসেজ এল, কাল আবার? সৌরভ হাসল আর লিখল, কাল নয়, পরশু। অপেক্ষা বাড়লে মজা বাড়ে।
মৌমিতা জবাব দিল, তুমি তো খেলা শিখে গেছ। সৌরভ লিখল, তোমার কাছ থেকেই শিখেছি। দুজনে মেসেজে হাসল, পরের রবিবারের অপেক্ষায়।
রাতে সৌরভ বিছানায় শুয়ে ভাবল, তিন বছরের কল্পনা এখন বাস্তব। তার ফোনে মৌমিতার ছবি, শাড়িতে। সে ছবিটা দেখল আর ঘুমিয়ে পড়ল, হাসি মুখে।
পরের দিন সকালে মৌমিতা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে হাসল। তার গলায় সৌরভের দেওয়া চুমুর দাগ। সে ওড়না দিয়ে ঢাকল, মনে মনে ভাবল, এই দাগগুলোই আমার গয়না।
Readers who enjoyed “নতুন বাংলা চোদা গল্প: পুজোর সন্ধ্যায় টেরেসে” also read
8 curated storiesবাংলা চোদা চুদির গল্প: ছাদের হাওয়ায় ওড়া শাড়ি
স্বামী মাসের কুড়ি দিন ট্রাকে বাইরে, আর পাশের ঘরের ভাড়াটে যুবক রনির চোখ আটকে আছে বৌদি শেফালির ওপর. ছাদের এক ঝোড়ো হাওয়ায় ওড়া শাড়ি বদলে দিল সবকিছু.
বৌদি চোদা গল্প: বাথরুমের চিৎকার
স্বামী দুর্গাপুরে, বাড়িতে একা বৌদি রুমা আর দেওর সায়ন। বাথরুমে পা পিছলে যাওয়া থেকে শুরু হওয়া এক বৌদি চোদা গল্প, যেখানে এক সন্ধ্যা চার দিনের গোপন সম্পর্কে বদলে যায়।
দিদি চটি গল্প: ছাদের আড্ডায় বদলে যাওয়া রাত
বিয়ের চার বছর পর দু মাসের জন্য বাপের বাড়ি ফেরা দিদির সঙ্গে ছাদে চায়ের আড্ডা। তিন রাতের আড্ডা যেভাবে এক রাতে বদলে গেল, পড়ুন নতুন দিদি চটি গল্প।
বাংলা চাচি চটি গল্প: কাকলির রান্নাঘরে সেই রাত
কাকার নাইট ডিউটি, ভাঙা টিভি, আর ফোনে সিনেমা দেখতে দেখতে চাচি কাকলির বিছানায় সৌম্যর সেই রাত, এই বাংলা চাচি চটি গল্পে।
বাংলা বিধবা চটি গল্প: নতুন ভাড়াটিয়া
বাংলা বিধবা চটি গল্প: তিন বছর আগে স্বামী হারানো মিতালির বাড়িতে নতুন ভাড়াটিয়া অর্জুন। এক বর্ষার সন্ধ্যায় খিচুড়ি আর ইলিশ ভাজার গন্ধে শুরু।
কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি: হলুদ ট্যাক্সির বৃষ্টিভেজা রাত
বিয়ের রিসেপশন থেকে ফেরার পথে বৃষ্টির রাতে শ্রাবণীর হলুদ ট্যাক্সি পাংচার হয় ময়দানের অন্ধকারে। মেকানিক আসতে দেরি করে, আর পেছনের সিটে ড্রাইভার রতনের সঙ্গে জমে ওঠে এমন এক গোপন খেলা, যা এই কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি কে অনেকদিন মনে রাখার মতো করে তোলে।
Bangla Sex Story: লিফটে আটকে যাওয়া শিলার সেই সন্ধ্যা
শিলার bangla sex story: কলকাতার ফ্ল্যাটবাড়ির লিফটে এক সন্ধ্যায় আটকে পড়া, আর মেকানিক তুহিনের সঙ্গে তার গোপন রাতের কাহিনি।
বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরের ফ্ল্যাটে শর্মিলা
বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরে ফাঁকা ফ্ল্যাট, গান বাজছে, শর্মিলা বৌদি নাচছেন। সৌরভ ফিরে এলো হাফ ডে তে, আর তারপর যা হলো তা তাদের গোপন নেশা হয়ে গেল।