Bangla Erotic Golpo: শান্তিনিকেতনের সেই সন্ধ্যা
টোটো থেকে নামতেই শান্তিনিকেতনের লাল মাটির গন্ধ আমার নাকে এসে লাগল। গেটের সামনে দাঁড়িয়ে আমি ব্যাগটা কাঁধে তুলে নিলাম, আর মনে মনে ভাবলাম, এই নির্জন কটেজে বসে এবার একটা সত্যিকারের bangla erotic golpo লিখব, যেটা পড়ে পাঠকের গায়ে কাঁটা দেবে। কলকাতার ভিড় আর ডেডলাইনের চাপ থেকে সাত দিনের ছুটি নিয়ে আমি এখানে এসেছি, শুধু লেখার জন্য।
গেটে তালা ঝুলছিল। আমি ফোন বের করে কেয়ারটেকারকে কল করতে যাচ্ছিলাম, ঠিক তখনই বাইকের আওয়াজ পেলাম। একটা ছেলে বাইক থামিয়ে নামল, হাতে চাবির গোছা। "আপনি তিথি দি তো?" সে হেসে বলল, "আমি শুভ, কাকার ভাইপো। কাকা বাজারে গেছেন, তাই চাবি নিয়ে আমি এলাম।"
শুভর বয়স ঊনত্রিশ ত্রিশ হবে। গায়ে একটা সাদা পাঞ্জাবি, চোখে সরল হাসি, কিন্তু সেই হাসির পেছনে কিছু একটা ছিল যা আমার লেখকের মন সঙ্গে সঙ্গে ধরে ফেলল। সে গেট খুলে ভেতরে ঢুকল, আর আমি তার পেছন পেছন গেলাম। কটেজটা ছোট কিন্তু সুন্দর, সামনে একটা বড় বকুল গাছ, পেছনে ধানখেত।
"এই ঘরটা আপনার," সে একটা ঘরের দরজা খুলে বলল। ভেতরে একটা চৌকি, একটা টেবিল চেয়ার, আর জানালা দিয়ে বাইরের সবুজ দেখা যাচ্ছে। "বাথরুম ওই পাশে, আর রান্নাঘরে সব ব্যবস্থা আছে।" আমি ব্যাগটা চৌকির উপর রেখে বললাম, "বাহ, জায়গাটা তো স্বপ্নের মতো।"
সে আমার দিকে তাকিয়ে একটু থেমে বলল, "আপনি লেখিকা, তাই না? কাকা বলছিলেন।" আমি মাথা নাড়লাম। "কী লেখেন?" তার প্রশ্নে আমি এক মুহূর্ত থমকালাম, তারপর হেসে বললাম, "গল্প। মানুষের গল্প।" সে চোখ টিপে বলল, "শুধুই মানুষের? নাকি মানুষের ভেতরের গল্প?" তার এই কথায় আমার গাল গরম হয়ে উঠল।
"আমি ফটোগ্রাফার," সে বলল, গলায় ঝোলানো ক্যামেরাটা দেখিয়ে। "প্রকৃতির ছবি তুলি। চাইলে বিকেলে কোপাই নদীর ধারে নিয়ে যেতে পারি, ওখানকার আলোয় ছবি দারুণ আসে।" আমি সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে গেলাম। লেখার আগে একটু ঘুরে আসা মন্দ হবে না, আর সত্যি বলতে এই ছেলেটার সঙ্গ আমার খারাপ লাগছিল না।
সে চলে যাওয়ার আগে বলল, "বিকেল পাঁচটায় আসব। হালকা কিছু পরে নেবেন, নদীর ধারে হাওয়া থাকে।" দরজা বন্ধ করে আমি চৌকিতে বসে পড়লাম। জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখলাম শুভ বাইকে উঠছে। তার পাঞ্জাবির নিচে শক্ত কাঁধের রেখা দেখে আমার ভেতরে একটা অদ্ভুত শিহরণ খেলে গেল, যেটাকে আমি জোর করে লেখার উত্তেজনা বলে চালিয়ে দিলাম।
ঠিক পাঁচটায় বাইকের হর্ন শুনলাম। আমি একটা হালকা সবুজ শাড়ি পরেছিলাম, চুল খোলা। শুভ আমাকে দেখে এক মুহূর্ত চুপ করে রইল, তারপর বলল, "বাহ, নদীর ধারের আলোয় আপনাকে দারুণ লাগবে।" তার গলায় এমন কিছু ছিল যা শুধু প্রশংসা নয়, আরও কিছু।
আমরা হেঁটে রওনা দিলাম। কোপাই নদীর ধারে পৌঁছে আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। সরু নদী, দুই ধারে কাশবন, আর ডুবন্ত সূর্যের আলোয় পানি সোনার মতো চকচক করছে। "এই জায়গাটা রবীন্দ্রনাথের খুব প্রিয় ছিল," শুভ বলল, আমার পাশে বসে। "তিনি এখানে বসে অনেক গান লিখেছেন।" আমি বললাম, "আর আমি এখানে বসে গল্প লিখব।"
সে আমার দিকে ঘুরে বলল, "সত্যি করে বলুন তো, তিথি দি, আপনি কী ধরনের গল্প লেখেন?" তার চোখে এবার সরাসরি চ্যালেঞ্জ। আমি তার চোখে চোখ রেখে বললাম, "যে গল্প পড়ে মানুষের শরীর গরম হয়ে যায়।" এক মুহূর্ত নীরবতা, তারপর সে ধীরে ধীরে হাসল। "তাহলে তো আপনি বিপজ্জনক মানুষ।"
"বিপজ্জনক?" আমি তার আরও কাছে সরে এলাম। "কেন, ভয় লাগছে?" সে আমার হাতটা ধরে ফেলল। তার হাতের তালু গরম, শক্ত। "ভয় নয়," সে ফিসফিস করে বলল, "উত্তেজনা লাগছে।" তার আঙুল আমার কবজিতে ঘুরছিল, আর আমার শ্বাস আটকে আসছিল।
আশেপাশে কেউ ছিল না। শুধু নদীর কলকল শব্দ, আর দূরে কোনো পাখির ডাক। শুভ আমার মুখটা দুই হাতে ধরে আমার ঠোঁটে ঠোঁট রাখল। প্রথমে আলতো, তারপর গভীর। তার ঠোঁটের স্বাদে মাটির গন্ধ, আর তার জিভ আমার মুখের ভেতর যে খেলা শুরু করল তাতে আমার সারা শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল।
আমি তার পাঞ্জাবির কলার চেপে ধরে তাকে আরও কাছে টেনে নিলাম। তার এক হাত আমার কোমরে, অন্য হাত আমার পিঠে, ধীরে ধীরে নিচে নামছে। শাড়ির আঁচল সরে গিয়ে আমার ব্লাউজের উপর তার হাতের চাপ অনুভব করলাম। আমার বুকের ভেতর ধড়ফড় শুরু হয়ে গেল।
"এখানে? খোলা আকাশের নিচে?" আমি হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম। সে কাশবনের দিকে ইশারা করল, যেখানে লম্বা ঘাসের আড়াল ছিল। "ওখানে কেউ দেখবে না। আর সন্ধ্যে হয়ে আসছে, এই সময় নদীর ধারে কেউ আসে না।" সে আমার হাত ধরে আমাকে সেখানে নিয়ে গেল।
ঘাসের উপর বসতেই সে আমাকে তার কোলে টেনে নিল। আমি তার উপর বসে ছিলাম, আমার শাড়ি এলোমেলো, আর তার শক্ত ধোন আমার পায়জামার উপর দিয়ে আমার গুদে চাপ দিচ্ছিল। আমি তার গলায় চুমুর বর্ষণ শুরু করলাম, আর সে কঁকিয়ে উঠল। "তিথি দি, আপনি তো আগুন," সে আমার কানে ফিসফিস করে বলল।
আমি তার পাঞ্জাবির বোতাম খুলতে শুরু করলাম, একটা একটা করে। তার চওড়া বুক আমার সামনে উন্মুক্ত হল। আমার আঙুল তার বুকে ঘুরছিল, তার বোঁটায় খোঁচা দিচ্ছিল, আর সে আমার চুলে হাত বুলাচ্ছিল। "জানেন," আমি তার চোখে তাকিয়ে বললাম, "দুপুর থেকে আমি ভাবছিলাম আপনার হাত কেমন হবে।"
সে আমার ব্লাউজের হুক খুলে দিল। আমার ব্রার উপর দিয়েই সে আমার দুধ দুই হাতে ভরে নিল, আলতো করে টিপতে লাগল। আমার মুখ থেকে একটা চাপা গোঙানি বেরিয়ে এল যা সন্ধ্যের নীরবতায় ভেসে গেল। সে ব্রার হুক খুলল, আর আমার নগ্ন দুধ দেখে তার চোখ জ্বলে উঠল।
"কী সুন্দর," সে বলল, আর তার মুখ আমার একটা বোঁটায় রাখল। সে চুষতে শুরু করল, প্রথমে আলতো, তারপর জোরে, আর তার জিভের প্রতিটা ঘূর্ণন আমার পেটে ঢেউ তুলছিল। আমি মাথা পেছনে হেলিয়ে দিলাম, আঙুল তার চুলে ডুবিয়ে দিলাম। আমার গুদ ভিজে উঠছিল ক্রমশ।
তার এক হাত আমার শাড়ির ভেতর দিয়ে ঢুকে আমার প্যান্টির ভেতর সরে গেল। তার আঙুল আমার ভেজা গুদ ছুঁতেই আমি লাফিয়ে উঠলাম। "এত ভেজা," সে হেসে বলল, "মনে হচ্ছে আপনি দুপুর থেকেই তৈরি ছিলেন।" আমি লজ্জায় তার কাঁধে কামড় বসালাম।
তার আঙুল আমার গুদের দানায় ঘুরতে লাগল, ধীরে ধীরে, ঠিক জায়গায় চাপ দিয়ে। আমি তার কোলে নড়তে শুরু করলাম, ঠোঁট কামড়ে ধরে যাতে জোরে চিৎকার না করি। "শুভ, প্লিজ," আমি হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম, "আর কষ্ট দিও না।" সে তার দুটো আঙুল আমার গুদের ভেতর ঢুকিয়ে দিল, ভেতরে বাইরে করতে লাগল।
আমার শ্বাস দ্রুত হয়ে এল, আর আমার দুধ তার মুখে ঘষা খাচ্ছিল। সে আঙুলের গতি বাড়িয়ে দিল, আর আমার গুদ থেকে রস বেরিয়ে তার হাতের তালু ভিজিয়ে দিল। "ঝরবে?" সে জিজ্ঞেস করল, আর আমি মাথা নাড়লাম। সে বুড়ো আঙুল দিয়ে আমার দানা ঘষল, আর আমি তার কোলে কেঁপে উঠলাম, সেই সন্ধ্যায় প্রথমবার ঝরে গিয়ে।
একটু দম নেওয়ার পর আমি তার দিকে তাকালাম। তার ধোন তখনও পায়জামার ভেতর শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল, আর আমি জানতাম এবার আমার পালা। আমি তার কোল থেকে নেমে তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসলাম। সে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, "এখানে? নদীর ধারে?" আমি তার পায়জামার দড়ি খুলতে খুলতে বললাম, "তুমিই তো বললে, সন্ধ্যেবেলা এখানে কেউ আসে না।"
তার ধোন বেরিয়ে আসতেই আমি দুই হাতে ধরলাম। লম্বা, মোটা, উপরের চামড়া সরে গেছে, আর ডগায় এক ফোঁটা চকচক করছিল। আমি জিভ দিয়ে সেই ফোঁটা চেটে নিলাম, আর শুভর মুখ থেকে গভীর শ্বাস বেরিয়ে এল। "তিথি দি," সে আমার চুল চেপে ধরে বলল, "আপনি আমাকে পাগল করে দেবেন।"
আমি তার ধোন মুখে নিলাম, প্রথমে শুধু ডগা, তারপর ধীরে ধীরে আরও ভেতরে। আমার জিভ তার চারপাশে ঘুরছিল, আর আমি এক হাতে তার অণ্ডকোষ আদর করছিলাম। সে আমার মাথায় হাত বুলাচ্ছিল, কখনো আলতো চাপ দিচ্ছিল, কখনো ছেড়ে দিচ্ছিল। তার মুখ থেকে বেরনো শীৎকার আমাকে আরও উৎসাহ দিচ্ছিল।
আমি গতি বাড়িয়ে দিলাম, গলা ঢিলে করে তাকে আরও গভীরে নিলাম। তার ধোন আমার গলা পর্যন্ত পৌঁছাচ্ছিল, আমার চোখে পানি এসে গেল, কিন্তু আমি থামতে চাইলাম না। "ব্যাস, ব্যাস," সে হঠাৎ আমার মাথা ধরে থামিয়ে দিল, "এভাবে করলে আমি এখনই ঝরে যাব, আর আমি আপনার ভেতরে ঝরতে চাই।"
সে আমাকে তুলে ঘাসের উপর শুইয়ে দিল। আমার শাড়ি আগেই এলোমেলো হয়ে গেছিল। সে নিজের পায়জামা খুলল, আর আমার উপর উঠে এল। তার ধোন আমার গুদের মুখে ঘষা খাচ্ছিল, আর আমি অস্থির হয়ে কোমর নাড়াচ্ছিলাম। "ঢোকাও না," আমি তার কানে বললাম, "আর কষ্ট দিও না।"
এক ঝটকায় সে তার ধোন আমার গুদের ভেতর ঢুকিয়ে দিল। আমার গুদ আগেই ভেজা ছিল, তাই সহজে ভেতরে সরে গেল, কিন্তু তার মোটা ধোন আমাকে ভরে দিল। আমার মুখ থেকে জোরে গোঙানি বেরিয়ে এল, যা আমি হাত চাপা দেওয়ার চেষ্টা করলাম। "আস্তে," আমি ফিসফিস করলাম, "ব্যথা লাগছে, কিন্তু ভালো লাগছে।"
সে ধীরে ধীরে ভেতরে বাইরে করতে শুরু করল, প্রতিটা ধাক্কায় আরও গভীরে যাচ্ছিল। আমার পা তার কোমরে জড়িয়ে ছিল, আর আমার নখ তার পিঠে দাগ কাটছিল। উপরে সন্ধ্যের আকাশে তারা ফুটছিল, পাশে নদীর পানি বইছিল, আর আমার উপরে শুভ ছিল যে আমাকে পাগল করে দিচ্ছিল।
সে গতি বাড়িয়ে দিল। তার প্রতিটা ধাক্কা আমার গুদের গভীরে নামছিল, আর তার পেটের ঘষা আমার দানায় আমাকে দ্বিতীয়বার কিনারায় নিয়ে যাচ্ছিল। "আমি আবার ঝরব," আমি চিৎকার করে বললাম, আর সে তার ঠোঁট আমার ঠোঁটে রাখল যাতে আমার আওয়াজ বাইরে না যায়।
আমার গুদ তার ধোনকে চেপে ধরল, ভেতর থেকে কেঁপে উঠে, আর আমি জোরে ঝরে গেলাম। আমার ঝরার সঙ্গে সঙ্গে সে ধাক্কা আরও জোরে করল, আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ধোন বের করে আমার পেটের উপর ঝরে গেল। তার গরম বীর্য আমার ত্বকে পড়ল, আর আমরা দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে একে অপরকে জড়িয়ে ধরলাম।
কিছুক্ষণ আমরা সেভাবেই শুয়ে রইলাম, ঘাসের উপর, তার মাথা আমার বুকে, আমার আঙুল তার চুলে। "এটা তো শুধু শুরু ছিল," সে আমার বোঁটায় আলতো কামড় দিয়ে বলল। আমি তার দিকে তাকিয়ে হাসলাম, "তাহলে দেরি কিসের, কটেজে চলো।"
অন্ধকার নামার আগেই আমরা কটেজে ফিরে এলাম। দরজা বন্ধ করতেই শুভ আমাকে দেওয়ালে চেপে ধরে আবার চুমু খেতে শুরু করল। এবার তার চুমুতে তাড়া ছিল না, শুধু গভীর অনুভূতি, যেন সে আমার প্রতিটা কোণা মনে রাখতে চায়।
আমি ঘরের আলো জ্বালালাম। হলদে আলোয় ঘরটা উষ্ণ লাগছিল। সে আমাকে চৌকিতে বসাল আর সামনে দাঁড়িয়ে রইল। "এবার তোমাকে পুরোপুরি দেখতে চাই," সে বলল। লক্ষ্য করলাম, সে এবার "আপনি" থেকে "তুমি"তে নেমে এসেছে, আর এই ঘনিষ্ঠতায় আমার বুকের ভেতর কিছু একটা গলে গেল। আমি এক এক করে বাকি কাপড় খুলে ফেললাম।
সে চৌকিতে উঠে আমার পাশে শুল। আমার দুধ দুই হাতে নিয়ে আদর করতে লাগল, বোঁটা আঙুলে মোচড়াতে লাগল। তারপর তার মুখ আমার গলা থেকে নিচে নামল, আমার পেটে, আমার নাভিতে, আর তারপর আমার উরুর মাঝে। সে আমার পা ফাঁক করে তার মুখ আমার গুদে রাখল।
তার জিভ আমার গুদের ঠোঁট চাটল, তারপর আমার দানায় স্থির হল। সে চুষতে আর চাটতে শুরু করল, একদম ঠিক ছন্দে, আর আমি চাদর মুঠো করে ধরলাম। "শুভ," আমি গোঙিয়ে উঠলাম, "তুমি এটা কোথা থেকে শিখে এলে?" সে উত্তর দিল না, শুধু জিভ আরও ভেতরে ঢুকিয়ে দিল।
তার জিভ আমার গুদের ভেতর ঘুরছিল, আর তার আঙুল আমার দানা আদর করছিল। দুই দিকের আক্রমণে আমি পাগল হয়ে গেলাম। আমার কোমর চৌকি থেকে উঠতে লাগল, আর আমি চিৎকার করে বললাম, "আমি ঝরছি, থেমো না।" আমার গুদ থেকে রস বেরিয়ে তার মুখ ভিজিয়ে দিল, আর সে প্রতিটা ফোঁটা চেটে নিল।
সে মুখ তুলল, তার ঠোঁট চকচক করছিল, আর আমাকে চুমু খেল যাতে আমি নিজের স্বাদ পাই। তারপর সে আমাকে উল্টে দিল, ডগি পজিশনে। "তোমার কোমরের এই বাঁক," সে আমার কোমর আদর করতে করতে বলল, "দুপুর থেকে আমার নজর এখানেই ছিল।" সে তার ধোন আমার গুদে ঘষল, আর এক ধাক্কায় ভেতরে ঢুকিয়ে দিল।
এই পজিশনে সে আরও গভীরে যাচ্ছিল। তার প্রতিটা ধাক্কা আমার ভেতরে নতুন ঢেউ তুলছিল। সে আমার চুল ধরে ফেলল, আলতো টানতে টানতে, আর গতি বাড়িয়ে দিল। আমার দুধ সামনে পেছনে দুলছিল, আর আমি বালিশে মুখ গুঁজে গোঙাচ্ছিলাম।
হঠাৎ সে থেমে আমাকে তার উপরে বসিয়ে নিল। এবার আমি তার উপরে ছিলাম, তার ধোন আমার ভেতরে, আর আমি কোমর নাড়াতে শুরু করলাম। তার হাত আমার দুধে ছিল, টিপতে টিপতে, আর তার চোখ আমার চোখে। "তুমি উপর থেকে দারুণ লাগছ," সে বলল, আর আমি গতি বাড়িয়ে দিলাম।
আমি তার উপর লাফাচ্ছিলাম, প্রতিবার তার ধোন পুরোপুরি ভেতরে নিয়ে। আমার গুদ তার চারপাশে শক্ত হচ্ছিল, আর আমরা দুজনেই কিনারার খুব কাছে ছিলাম। "একসঙ্গে," সে বলল, "একসঙ্গে ঝরি।" আমি মাথা নাড়লাম, আর নিজের দানা নিজে ঘষতে লাগলাম যখন সে নিচ থেকে ধাক্কা মারছিল।
আমরা দুজনে একসঙ্গে ঝরলাম। আমার চিৎকার তার কাঁধে চাপা পড়ল, আর তার গরম বীর্য আমার গুদের ভেতর ভরে গেল। আমি তার বুকের উপর ঢলে পড়লাম, ঘামে ভেজা, হাঁপাতে হাঁপাতে। সে আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরল, আমার কপালে একটা চুমু খেল।
কিছুক্ষণ পর শ্বাস স্বাভাবিক হলে সে জিজ্ঞেস করল, "তাহলে কাল সকালে কাকাকে কী বলবে, লেখিকা ম্যাডাম?" আমি তার বুকের উপর আঙুল দিয়ে গোল গোল ঘোরাতে ঘোরাতে বললাম, "এটাই যে তার ভাইপো নদীর ধারের আলো দেখাতে নিয়ে গেছিল, আর আলোই তাকে দেখে নিয়েছে।" সে জোরে হাসল, আর সেই হাসিতে আমি আবার হারিয়ে গেলাম।
বাইরে থেকে ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক ভেসে এল। শুভ আমাকে চাদর জড়িয়ে তার বুকের সঙ্গে লাগিয়ে নিল। "সাত দিন," সে ফিসফিস করল, "তোমার হাতে সাত দিন আছে।" আমি তার হৃৎস্পন্দন শুনতে শুনতে বললাম, "তাহলে এই সাত দিনের প্রতিটা সন্ধ্যে আমার, বুঝলে তুমি?" সে আমার হাতে চুমু খেয়ে বলল, "বুঝলাম, আমার গল্পের নায়িকা।"
পরের দিন সকালে ঘুম ভাঙল পাখির ডাকে। শুভ তখনও ঘুমাচ্ছিল, তার এক হাত আমার কোমরে। আমি আস্তে করে উঠে শাড়ি জড়িয়ে বারান্দায় এলাম। ভোরের শান্তিনিকেতন যেন স্বপ্নের মতো, কুয়াশা ভেদ করে সূর্যের আলো আসছে।
পেছন থেকে শুভ এসে আমাকে জড়িয়ে ধরল। "ঘুম হলো?" সে আমার কাঁধে চুমু খেয়ে জিজ্ঞেস করল। আমি মাথা নাড়লাম। "তোমার কটেজটা জাদুর মতো," আমি বললাম। সে হেসে বলল, "কটেজ নয়, সঙ্গী জাদুর মতো।"
সে আমাকে ঘুরিয়ে তার দিকে ফেরাল, আর বারান্দার রেলিংয়ে হেলান দিয়ে আমাকে চুমু খেতে শুরু করল। সকালের আলোয় তার মুখ দেখে আমার ভেতরে আবার আগুন জ্বলে উঠল। আমার হাত তার পাঞ্জাবির ভেতর ঢুকে তার বুকে ঘুরছিল।
"কাকা এলে দেখে ফেলবে," আমি ফিসফিস করলাম, কিন্তু আমার শরীর তার আরও কাছে সরে যাচ্ছিল। সে আমার শাড়ির আঁচল সরিয়ে আমার ব্লাউজের উপর দিয়ে আমার দুধ টিপতে লাগল। "কাকা বাজারে গেছে, দুপুরের আগে ফিরবে না," সে বলল।
সে আমাকে কোলে তুলে ঘরের ভেতর নিয়ে গেল, চৌকিতে শুইয়ে দিল। সকালের নরম আলো জানালা দিয়ে আসছিল। সে আমার শাড়ি খুলে ফেলল, একটানে, আর আমি তার সামনে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে গেলাম। তার চোখে যে ক্ষুধা দেখলাম তাতে আমার গুদ ভিজে উঠল।
সে নিজের পাঞ্জাবি খুলে আমার উপর উঠে এল। কোনো ভণিতা নয়, কোনো তাড়াহুড়োও নয়। সে ধীরে ধীরে তার ধোন আমার গুদের ভেতর ঢুকিয়ে দিল, আর আমি তার পিঠে নখ বসালাম। সকালের এই মিলন ছিল আগের রাতের চেয়ে গভীর, আরও অনুভূতিপূর্ণ।
সে আমার কানে ফিসফিস করছিল, "তুমি আমার তোলা সেরা ছবি।" আমি হেসে বললাম, "তাহলে এই ছবিটা ফ্রেমে বাঁধিয়ে রেখো।" তার ধাক্কা ধীরে ধীরে জোরালো হচ্ছিল, আর আমার গোঙানি ঘরময় ভেসে বেড়াচ্ছিল।
আমি তার উপরে উঠে বসলাম, তাকে নিচে রেখে। সকালের আলোয় আমার শরীর তার চোখের সামনে দুলছিল। সে আমার দুধ দুই হাতে ধরে টিপছিল, আর আমি তার ধোনের উপর উঠানামা করছিলাম। আমাদের দুজনের শ্বাস এক হয়ে গেছিল।
আমরা একসঙ্গে ঝরলাম, সকালের নীরবতায় আমাদের শীৎকার মিশে গেল। আমি তার বুকের উপর শুয়ে পড়লাম, আর সে আমার চুলে হাত বুলাতে লাগল। "আজ বিকেলে আবার নদীর ধারে যাবে?" সে জিজ্ঞেস করল। আমি তার বুকে চুমু খেয়ে বললাম, "প্রতিদিন।"
Readers who enjoyed “Bangla Erotic Golpo: শান্তিনিকেতনের সেই সন্ধ্যা” also read
8 curated storiesবাংলা চোদা চুদির গল্প: ছাদের হাওয়ায় ওড়া শাড়ি
স্বামী মাসের কুড়ি দিন ট্রাকে বাইরে, আর পাশের ঘরের ভাড়াটে যুবক রনির চোখ আটকে আছে বৌদি শেফালির ওপর. ছাদের এক ঝোড়ো হাওয়ায় ওড়া শাড়ি বদলে দিল সবকিছু.
বৌদি চোদা গল্প: বাথরুমের চিৎকার
স্বামী দুর্গাপুরে, বাড়িতে একা বৌদি রুমা আর দেওর সায়ন। বাথরুমে পা পিছলে যাওয়া থেকে শুরু হওয়া এক বৌদি চোদা গল্প, যেখানে এক সন্ধ্যা চার দিনের গোপন সম্পর্কে বদলে যায়।
দিদি চটি গল্প: ছাদের আড্ডায় বদলে যাওয়া রাত
বিয়ের চার বছর পর দু মাসের জন্য বাপের বাড়ি ফেরা দিদির সঙ্গে ছাদে চায়ের আড্ডা। তিন রাতের আড্ডা যেভাবে এক রাতে বদলে গেল, পড়ুন নতুন দিদি চটি গল্প।
বাংলা চাচি চটি গল্প: কাকলির রান্নাঘরে সেই রাত
কাকার নাইট ডিউটি, ভাঙা টিভি, আর ফোনে সিনেমা দেখতে দেখতে চাচি কাকলির বিছানায় সৌম্যর সেই রাত, এই বাংলা চাচি চটি গল্পে।
বাংলা বিধবা চটি গল্প: নতুন ভাড়াটিয়া
বাংলা বিধবা চটি গল্প: তিন বছর আগে স্বামী হারানো মিতালির বাড়িতে নতুন ভাড়াটিয়া অর্জুন। এক বর্ষার সন্ধ্যায় খিচুড়ি আর ইলিশ ভাজার গন্ধে শুরু।
কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি: হলুদ ট্যাক্সির বৃষ্টিভেজা রাত
বিয়ের রিসেপশন থেকে ফেরার পথে বৃষ্টির রাতে শ্রাবণীর হলুদ ট্যাক্সি পাংচার হয় ময়দানের অন্ধকারে। মেকানিক আসতে দেরি করে, আর পেছনের সিটে ড্রাইভার রতনের সঙ্গে জমে ওঠে এমন এক গোপন খেলা, যা এই কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি কে অনেকদিন মনে রাখার মতো করে তোলে।
Bangla Sex Story: লিফটে আটকে যাওয়া শিলার সেই সন্ধ্যা
শিলার bangla sex story: কলকাতার ফ্ল্যাটবাড়ির লিফটে এক সন্ধ্যায় আটকে পড়া, আর মেকানিক তুহিনের সঙ্গে তার গোপন রাতের কাহিনি।
বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরের ফ্ল্যাটে শর্মিলা
বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরে ফাঁকা ফ্ল্যাট, গান বাজছে, শর্মিলা বৌদি নাচছেন। সৌরভ ফিরে এলো হাফ ডে তে, আর তারপর যা হলো তা তাদের গোপন নেশা হয়ে গেল।