বাংলা ইরোটিক গল্প: নাইট ডিউটির সেই রাত
ডেটলের ঝাঁঝালো গন্ধটা নাকের ভেতর ঢুকতেই তানিয়া বুঝে গেল, ওয়ার্ডের মেঝে এখনো ভেজা। চপ্পলের রাবারের তলা ঠান্ডা টাইলসে চেপে বসল, আর কোথাও দূরে স্যালাইনের ফোঁটা ফোঁটা শব্দ একটানা বেজে চলল, যেন পুরো রাতটাই ধীরে ধীরে শ্বাস নিচ্ছে। এই বাংলা ইরোটিক গল্প শুরু হয় ঠিক সেই নিস্তব্ধ মুহূর্ত থেকে, যখন হাসপাতালের ঘড়িতে রাত দেড়টা বাজতে আর মাত্র কুড়ি মিনিট বাকি ছিল।
ওয়ার্ড ফোর বি। তানিয়া সেন, উনত্রিশ, ছয় বছর ধরে নার্সিং করছে, আর নাইট ডিউটি তার কাছে এখন অভ্যাসের মতো। টিউবলাইটের ভেতর থেকে একটা চাপা গুনগুন শব্দ আসছিল, মাঝে মাঝে আলোটা কেঁপে উঠছিল, যেন সেও ক্লান্ত। তানিয়া চার্টবোর্ডটা বগলে চেপে রাউন্ডে বেরোল, সাদা অ্যাপ্রনের কোণাটা হাওয়ায় উড়ছিল।
বেড সাতে বৃদ্ধ রোগীটা নাক ডাকছিল, অক্সিজেন মাস্কটা একপাশে সরে গেছে। তানিয়া ঝুঁকে মাস্কটা ঠিক করে দিল, পালস অক্সিমিটারে একবার চোখ বুলিয়ে নিল। বেড বারোয় রূপম ঘুমোচ্ছিল, দুদিন আগে অ্যাপেন্ডিক্স অপারেশন হয়েছে, ব্যান্ডেজের ওপর হাতটা আলতো করে রাখা। ভাইটালস সব ঠিকঠাক, তানিয়া চার্টে টিক দিয়ে এগোল।
ওয়ার্ডের বাইরে ভিজিটর করিডরে তখন শুধু একজন মানুষ জেগে ছিল। স্টিলের বেঞ্চে বসে ঋত্বিক, ছত্রিশ, রূপমের বড় ভাই। ফোনটা সেই এগারোটার দিকে বন্ধ হয়ে গেছে, চার্জারটা বাড়িতে ফেলে এসেছে। নিচের চায়ের দোকানটাও বন্ধ, করিডরের শেষে পানির মেশিনটা গোঁ গোঁ শব্দ করছে।
তানিয়া থামল। "ঘুমোচ্ছেন না কেন? ভোর হতে তো এখনো অনেক দেরি।" ঋত্বিক মুখ তুলল, চোখের নিচে কালি। "ঘুম আসছে না, দিদি। ভাইয়ের অপারেশন হয়েছে, মনটা কেমন করছে।" তানিয়া হেসে ফেলল, "দিদি? আমি আপনার চেয়ে ছোট হব।" ঋত্বিকও হাসল, প্রথমবারের মতো, "তাহলে তানিয়া। তুমি করে বলি?"
"বলুন, আপত্তি নেই।" তানিয়া বেড বারোর দিকে ইশারা করল। "আপনার ভাই এখন একদম স্টেবল। অপারেশন সাকসেসফুল, সকালে উঠে হাঁটতেও পারবে।" ঋত্বিক দীর্ঘশ্বাস ফেলল, কাঁধটা একটু নামল। "ডাক্তারও তাই বলল, তবু চোখ বন্ধ করলেই খারাপ খারাপ চিন্তা আসে।"
"চা খাবেন? প্যান্ট্রিতে কেতলি আছে।" তানিয়া প্রস্তাব দিল, আসলে নিজেরও ঘুম তাড়াতে কিছু দরকার ছিল। ঋত্বিক মাথা নাড়ল, "খাব। চিনি বেশি দিয়ে।" প্যান্ট্রির ছোট্ট ঘরে তানিয়া দুটো কাগজের কাপে দুধগুঁড়ো চা বানাল, কেতলির শিসের শব্দটা নিস্তব্ধ করিডরে অদ্ভুত জোরে শোনাল।
দুটো কাপ হাতে ফিরছিল তানিয়া, নার্সেস স্টেশনের সামনে মেঝেটা তখনো ভেজা, কেউ সাইনবোর্ড দেয়নি। চপ্পলটা পিছলে গেল, কাপ থেকে গরম চা ছলকে উঠল, আর ঠিক সেই মুহূর্তে একটা শক্ত হাত তার কনুই চেপে ধরল। ঋত্বিক। টাল সামলাতে গিয়ে তানিয়ার শরীরটা সোজা তার বুকের ওপর এসে পড়ল।
কয়েক সেকেন্ড কেউ নড়ল না। তার হাতটা তখনো তানিয়ার কনুইয়ে, আরেকটা হাত অসাবধানে তার কোমরের কাছে। তানিয়া তার বুকের ধুকপুক শব্দটা নিজের গালে অনুভব করল, গরম নিশ্বাস তার কপালে। "সরি, মেঝেটা ভেজা ছিল," সে ফিসফিস করে বলল, সরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করল, কিন্তু ঋত্বিকের হাতটা এক মুহূর্ত দেরি করে ছাড়ল।
"এই রাতে কেউ দেখে না," ঋত্বিক নিচু গলায় বলল, ঠোঁটের কোণে হাসি। তানিয়ার গাল গরম হয়ে উঠল, সে কাপটা তার হাতে ধরিয়ে দিল, আঙুলে আঙুল ছুঁয়ে গেল। "চা ধরুন, ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।" দুজনে বেঞ্চে বসল, কাঁধে কাঁধ প্রায় ছুঁয়ে।
কথা এগোল সহজে। ঋত্বিক এফএমসিজি কোম্পানিতে সেলসে, সারাদিন রাস্তায় রাস্তায়। "আজ সকালে বর্ধমান ছিলাম, খবর পেয়ে সোজা ছুটে এলাম।" তানিয়া বলল সে নাইট ডিউটি বেছে নিয়েছে অ্যালাউন্সের জন্য, মায়ের ওষুধের খরচ। "দিনের ডিউটিতে বেতনে কুলোয় না।" চায়ের ধোঁয়া দুজনের মুখের মাঝে উঠছিল।
তানিয়া লক্ষ করল, ঋত্বিক তার হাতের দিকে তাকিয়ে আছে, কাপটা ধরা আঙুলগুলোর দিকে। আর তানিয়া দেখছিল তার না কামানো চোয়াল, ঘামের সঙ্গে সস্তা ডিওর মেশানো গন্ধটা, যা এই জীবাণুমুক্ত হাসপাতালে অদ্ভুতভাবে জীবন্ত লাগছিল। নীরবতাটা লম্বা হলো, কিন্তু অস্বস্তির নয়।
চায়ের কাপে শেষ চুমুক দিতে দিতে ঋত্বিক বলল, "বাড়িতে একা থাকি, মা বাবা দেশের বাড়িতে। রাতে ফাঁকা ফ্ল্যাটে ঘুম আসে না, তাই হাসপাতালের এই বেঞ্চটাই আজ ভালো লাগছে।" তানিয়া মৃদু হাসল, "আমারও রাত জাগা অভ্যাস, মায়ের ওষুধের সময় মনে রাখতে হয়।" দুজনের নিঃসঙ্গতাটা কোথাও মিলে গেল, কেউ আর কিছু বলল না কিছুক্ষণ।
"আমাকে রাউন্ড শেষ করতে হবে," তানিয়া উঠল, অ্যাপ্রনটা টেনে ঠিক করল। ঋত্বিকও উঠল, "আমি ওয়ার্ডের দরজা পর্যন্ত যাই।" কাচের কেবিনে সিস্টার ঘুমোচ্ছিল, হালকা নাক ডাকার শব্দ আসছিল। ওয়ার্ডের ভেতর সব শান্ত, শুধু মনিটরের টিপটিপ আলো।
করিডর ধরে হাঁটতে হাঁটতে দুজনের হাত কয়েকবার ছুঁয়ে গেল, কেউ সরাল না। বেঞ্চের ঠান্ডা স্টিল ছেড়ে ওয়ার্ডের দরজার দিকে এগোতে এগোতে ঋত্বিক নিচু গলায় বলল, "তোমার হাসিটা এই রাতটাকে একটু কম ভয়ঙ্কর করে দিল।" তানিয়া কিছু বলল না, শুধু হাঁটার গতি একটু কমিয়ে দিল।
তানিয়া অন কল রুমে ঢুকল রূপমের চার্টটা নিতে, দরজাটা ভেজানো ছিল। ঋত্বিক পেছন পেছন এল, "একটা হাত লাগাই?" ঘরটা ছোট, একটা সরু বেড, স্টিলের লকার, কোণে মিনি ফ্রিজটা গুনগুন করছে। দেওয়ালে তার বদলি ইউনিফর্মটা ঝুলছে। ঋত্বিক দরজাটা আস্তে বন্ধ করে ছিটকিনি লাগাল, "বাইরে থেকে শব্দ আসবে।"
তানিয়া চার্টটা হাতে নিয়ে ঘুরতেই দেখল ঋত্বিক খুব কাছে দাঁড়িয়ে। "তুমি সারারাত জেগে, ক্লান্ত লাগছে না?" তার বুড়ো আঙুলটা তানিয়ার গালে ছুঁল। তানিয়ার বুকের ভেতরটা ধড়াস করে উঠল, সে জানে এটা ঠিক হচ্ছে না, ডিউটির মাঝে, হাসপাতালের ভেতর। কিন্তু ঋত্বিকের চোখে যে তৃষ্ণা, সেটা তানিয়ার শরীরেও আগুন ধরিয়ে দিল। সে পিছিয়ে গেল না। পরের মুহূর্তে তার ঠোঁট তানিয়ার ঠোঁটে, প্রথমে আলতো, তারপর জোরালো। তানিয়ার হাত থেকে চার্টটা পড়ে গেল মেঝেতে, শব্দটা দুজনের কেউই শুনল না।
চুমুটা গভীর হলো, তার জিভ তানিয়ার মুখের ভেতর ঢুকে এল, আর তানিয়া নিজের অজান্তেই সাড়া দিল। তার হাত তানিয়ার অ্যাপ্রনের ফিতেয়, এক টানে খুলে গেল। তানিয়ার নিশ্বাস ভারী হয়ে এল, বুকটা ওঠানামা করছে দ্রুত। "দরজা বন্ধ তো?" সে ফিসফিস করল। "ছিটকিনি দেওয়া," ঋত্বিক বলল, তার ঠোঁট তখন তানিয়ার গলায়।
কুর্তার বোতামগুলো একটা একটা করে খুলল ঋত্বিক, আঙুল কাঁপছিল সামান্য। তানিয়া তার শার্টটা টেনে খুলে ফেলল, বেল্টের বাকলস খুলতে গিয়ে নখ লাগল। দুজনের শরীরের মাঝে তখন শুধু অন্তর্বাসের বাধা। ঋত্বিকের বুকের লোমে তানিয়ার আঙুল ডুবল, আর তানিয়া অনুভব করল তার শক্ত ধোনটা প্যান্টের ভেতর থেকে তার পেটে চাপ দিচ্ছে।
ব্রায়ের হুকটা খুলতেই তানিয়ার দুধ দুটো মুক্ত হলো। ঋত্বিক দুহাতে সেগুলো চেপে ধরল, বুড়ো আঙুলে বোঁটাগুলো ঘষল। তানিয়া শিউরে উঠল, মুখ থেকে একটা চাপা শব্দ বেরিয়ে এল। সে মুখে মুখে বলল, "আস্তে, পাশেই ওয়ার্ড।" ঋত্বিক হাসল, তারপর একটা বোঁটা মুখে নিল, জিভে চুষতে লাগল জোরে জোরে।
তানিয়ার হাত নিচে নামল, প্যান্টের ওপর দিয়েই তার ধোনটা চেপে ধরল। ঋত্বিক কেঁপে উঠল, "উফ।" তানিয়া চেনটা খুলে ধোনটা বের করে আনল, গরম, শক্ত, শিরা ফুলে আছে। সে হাতের মুঠোয় নিয়ে ওঠানামা করাল, বুড়ো আঙুলে ডগাটা ঘষল। ঋত্বিকের নিশ্বাস আটকে গেল, হাতটা তানিয়ার চুলে ডুবল।
তানিয়া হাঁটু গেড়ে বসল সরু বেডের সামনে। ঋত্বিক দাঁড়িয়ে, আর তানিয়া তার ধোনটা মুখে নিল। প্রথমে ডগাটা চুষল, জিভ বুলিয়ে দিল চারপাশে, তারপর ধীরে ধীরে পুরোটা ভেতরে নিল। ঋত্বিকের হাত তার চুল খামচে ধরল, কোমরটা নিজের অজান্তে এগিয়ে এল। তানিয়ার মুখ ওঠানামা করছিল, লালা গড়িয়ে পড়ছিল ধোন বেয়ে।
ঋত্বিকের আঙুল তার চুলে শক্ত হয়ে বসছিল, আর তানিয়া টের পাচ্ছিল তার নিজের গুদটাও ভিজে উঠছে, উরু দুটো নিজের অজান্তে চেপে আসছে। সে এক হাতে তার অণ্ডকোষ দুটো আলতো চাপল, ঋত্বিকের গলা থেকে একটা গভীর গোঙানি বেরোল, যা সে দাঁতে দাঁত চেপে আটকাল।
"ব্যস, আর পারছি না," ঋত্বিক তাকে টেনে তুলল, ঠোঁটে একটা জোর চুমু খেল। তানিয়াকে সরু বেডে শুইয়ে দিল, সালোয়ারটা টেনে নামিয়ে দিল এক ঝটকায়। প্যান্টিটা ভিজে চপচপ করছে, ঋত্বিক সেটা সরিয়ে তানিয়ার গুদের দিকে তাকাল, তারপর মুখ নামিয়ে আনল। তার জিভ তানিয়ার গুদের চেরায় ঢুকল, ওপর নিচ করল।
তানিয়ার শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে উঠল। সে এক হাতে নিজের মুখ চেপে ধরল, যাতে শব্দ বাইরে না যায়। ঋত্বিকের জিভ তার ভগাঙ্কুরে ঘুরছিল, চুষছিল, আর একটা আঙুল ভেতরে ঢুকিয়ে নাড়াচ্ছিল। তানিয়ার গুদ থেকে রস গড়িয়ে পড়ছিল, বেডের চাদরে দাগ পড়ল। "আর, আরেকটু," তানিয়া কাতর গলায় বলল।
ঋত্বিক উঠে এল, ধোনটা তানিয়ার গুদের মুখে ঠেকাল। এক ধাক্কায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিল। তানিয়ার চোখ বড় বড় হয়ে গেল, মুখ থেকে চাপা আর্তনাদ বেরোল, যা সে হাত দিয়ে আটকাল। চোদন শুরু হলো, ধীরে ধীরে, গভীর করে। প্রতিটা ধাক্কায় বেডটা কেঁচকেঁচ শব্দ করল, তানিয়া ঋত্বিকের পিঠ খামচে ধরল।
গতি বাড়ল। ঋত্বিক তানিয়ার পা দুটো কাঁধে তুলে নিল, আরো গভীরে ঢুকতে লাগল। তানিয়ার দুধ দুটো প্রতিটা ধাক্কায় দুলছিল, ঋত্বিক একটা হাতে একটা চেপে ধরল। ঘামে দুজনের শরীর ভিজে একাকার, ফ্রিজের গুনগুন আর বেডের কেঁচকেঁচ শব্দে ঘরটা ভরে গেল। তানিয়ার গুদ ঋত্বিকের ধোনটাকে চেপে ধরছিল ভেতর থেকে।
হঠাৎ ঋত্বিক গতি কমিয়ে দিল, ধোনটা প্রায় পুরো বের করে এনে আবার ধীরে ঢোকাল। তানিয়া ছটফট করে উঠল, "এমন কোরো না, প্লিজ।" ঋত্বিক তার কানে ফিসফিস করল, "কী চাই, বলো।" তানিয়া লজ্জা ভুলে বলল, "জোরে, আরো জোরে চোদো আমাকে।" শুনে ঋত্বিকের চোখ জ্বলে উঠল, সে আবার পুরোদমে শুরু করল, তানিয়ার নখ তার পিঠে দাগ কাটল।
হঠাৎ ঋত্বিক থামল, তানিয়াকে টেনে তুলল। তাকে ঘুরিয়ে ওষুধের আলমারির দিকে ঝুঁকিয়ে দিল, পেছন থেকে তার গুদে ধোনটা ঢুকিয়ে দিল এক ধাক্কায়। তানিয়া আলমারির ঠান্ডা স্টিলে হাত রাখল। এই ভঙ্গিতে প্রতিটা ধাক্কা আরো গভীর লাগছিল, তানিয়ার শরীর কাঁপছিল। ঋত্বিকের হাত সামনে এসে তার দুধ দুটো চেপে ধরল, বোঁটা দুটো আঙুলে পাকাল।
তানিয়া অনুভব করল ভেতরে একটা ঢেউ উঠছে, পেটের নিচ থেকে ছড়িয়ে পড়ছে সারা শরীরে। তার গুদ ঋত্বিকের ধোনটাকে কামড়ে ধরল, আর সে এল, নিঃশব্দে কাঁপতে কাঁপতে, পা দুটো অবশ হয়ে গেল। ঋত্বিক তাকে ঘুরিয়ে মুখোমুখি দাঁড় করাল, একটা পা তুলে নিল কোমরে, আবার ঢুকিয়ে দিল। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে শেষ কয়েকটা ধাক্কা, তারপর গোঙানি চেপে তানিয়ার ভেতরেই ঢেলে দিল, গরম বীর্য ভরে গেল। দুজনে হাঁপাচ্ছিল, ঘামে ভেজা শরীরে লেপ্টে।
কিছুক্ষণ কেউ কথা বলল না। দূরে ওয়ার্ডের ঘণ্টি বাজল একবার, তারপর থামল। তানিয়া লকার থেকে পানির বোতল বের করে দুজনে ভাগ করে খেল। ঋত্বিক তার ভেজা চুলটা কানের পেছনে গুঁজে দিল, "তোমার ডিউটি কখন শেষ?" তানিয়া বলল, "সকাল আটটায়। তোমার ভাইয়ের ছুটি কবে?" "পরশু, আশা করি।" দুজনে হাসল, একটা অজানা প্রতিশ্রুতি চোখে চোখে। তানিয়া লকার থেকে টিস্যু বের করে দুজনে মুছল, সালোয়ারটা পরে নিল।
"তুমি, তুমি অসাধারণ," ঋত্বিক বলল, তার কপালে চুমু খেল। তানিয়া অ্যাপ্রনটা পরে ফিতেটা বাঁধল, চুলটা আঁচড়ে নিল আঙুলে। আয়নায় নিজেকে দেখল, গাল দুটো লাল, ঠোঁট ফুলে আছে। সে ঠোঁটে হালকা করে পাউডার ছোঁয়াল, যেন কিছুই হয়নি।
ঘণ্টিটা আবার বাজল, এবার জোরে, বেড পাঁচের অ্যাটেন্ডেন্ট ডাকছে। তানিয়া চার্টটা মেঝে থেকে তুলল, দরজার ছিটকিনি খুলল। আধখোলা দরজা দিয়ে করিডরের আলোর একটা ফালি এসে পড়ল ঋত্বিকের মুখে। "পরের নাইট ডিউটিতে আমি আবার আসব," সে বলল। তানিয়া দরজায় দাঁড়িয়ে ফিরে তাকাল, "আগে ভাইকে সুস্থ করে বাড়ি নিয়ে যাও, তারপর।" তারপর সে ওয়ার্ডের আলোয় পা রাখল, ডেটলের গন্ধটা আবার নাকে এল, আর ভেজা মেঝেতে তার চপ্পল চিঁচিঁ শব্দ করল।
এক সপ্তাহ পরের কথা। রূপমের ছুটি হয়ে গেছে দুদিন আগে, আর তানিয়ার আজ অফ ডে। দুপুর বারোটায় সে ঋত্বিকের ফ্ল্যাটের দরজায় বেল বাজাল, বুকের ভেতরটা অদ্ভুতভাবে ধড়ফড় করছিল। দরজা খুলল ঋত্বিক, গায়ে গেঞ্জি আর ট্র্যাকপ্যান্ট, চুল ভেজা, সদ্য গোসল সেরেছে।
ফ্ল্যাটটা ছোট কিন্তু গোছানো, জানলা দিয়ে দুপুরের রোদ এসে পড়েছে মেঝেতে। "এসো, ভেতরে এসো," ঋত্বিক তার হাত ধরে টেনে নিল। তানিয়া সালোয়ার কামিজ পরেছিল, হালকা গোলাপি, চুল খোলা। ঋত্বিকের চোখ তার ওপর আটকে রইল, সে দরজাটা বন্ধ করে ছিটকিনি লাগাল।
"চা বানাই?" ঋত্বিক রান্নাঘরের দিকে এগোল, তানিয়া পেছন পেছন গেল। কেতলিতে পানি চাপিয়ে সে ঘুরতেই তানিয়া তার বুকে মাথা রাখল। ঋত্বিকের হাত তার কোমরে উঠে এল, শক্ত করে জড়িয়ে ধরল। "সেই রাতের পর থেকে প্রতিদিন তোমার কথা ভেবেছি," সে ফিসফিস করল।
তানিয়া মুখ তুলল, আর ঋত্বিক তার ঠোঁটে ঠোঁট রাখল। এবার কোনো দ্বিধা নেই, কোনো তাড়া নেই। চুমুটা দীর্ঘ হলো, তার জিভ তানিয়ার মুখে খেলা করল। ঋত্বিক তাকে তুলে রান্নাঘরের স্ল্যাবের ওপর বসিয়ে দিল, তানিয়ার পা দুটো তার কোমরে জড়িয়ে গেল নিজের অজান্তে।
তার হাত তানিয়ার কামিজের নিচে ঢুকল, সালোয়ারের দড়ি খুলে ভেতরে। তানিয়ার গুদটা ভিজে উঠেছিল আগেই, ঋত্বিকের আঙুল চেরায় ডুবল। তানিয়া স্ল্যাবের ঠান্ডা পাথরে হাত রেখে পেছনে হেলে গেল, মুখ থেকে চাপা শব্দ বেরোল। "আঙুলটা আরো ভেতরে," সে কাতর গলায় বলল।
ঋত্বিক তাকে কোলে তুলে বেডরুমে নিয়ে গেল, বিছানায় শুইয়ে দিল নরম করে। দুজনে দ্রুত পোশাক খুলল, এবার দিনের আলোয় একে অপরকে পুরো দেখল প্রথমবার। তানিয়ার দুধ দুটো রোদে চকচক করছিল, ঋত্বিক ঝুঁকে একটা বোঁটা মুখে নিল, চুষতে লাগল।
তানিয়া তাকে ঠেলে চিত করে শুইয়ে দিল, নিজে ওপরে উঠল। তার ধোনটা শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে, তানিয়া গুদের মুখে ঠেকিয়ে ধীরে বসে পড়ল, পুরোটা ভেতরে নিল। সে ওঠানামা শুরু করল, হাত দুটো ঋত্বিকের বুকে। ঋত্বিক নিচ থেকে তার দুধ দুটো চেপে ধরল, তালে তাল মিলিয়ে কোমর ওপরে তুলছিল।
কিছুক্ষণ পর ঋত্বিক তাকে ঘুরিয়ে পেছন থেকে নিল, তানিয়া বালিশে মুখ গুঁজল। প্রতিটা ধাক্কায় বিছানা দুলছিল, তানিয়ার চুল ছড়িয়ে পড়ল চাদরে। ঋত্বিকের হাত সামনে এসে তার ভগাঙ্কুরে ঘষছিল, তানিয়ার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে যাচ্ছিল।
দুজনে একসঙ্গেই এল, তানিয়ার গুদ কেঁপে কেঁপে ঋত্বিকের ধোনটাকে চেপে ধরল, আর ঋত্বিক তার ভেতরে ঢেলে দিল উষ্ণ বীর্য। তারা জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল, হাঁপাতে হাঁপাতে, জানলার রোদটা ততক্ষণে বিছানায় এসে পড়েছে।
বিকেল গড়িয়ে এল, তানিয়া উঠে কামিজটা পরল। দরজায় দাঁড়িয়ে ঋত্বিক বলল, "পরের অফ ডেতে আবার?" তানিয়া হাসল, তার গালে একটা চুমু খেল, "তুমি চা বানাবে, আমি আসব।" সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে তার ঠোঁটে তখনো হাসি লেগে ছিল।
Readers who enjoyed “বাংলা ইরোটিক গল্প: নাইট ডিউটির সেই রাত” also read
8 curated storiesবাংলা চোদা চুদির গল্প: ছাদের হাওয়ায় ওড়া শাড়ি
স্বামী মাসের কুড়ি দিন ট্রাকে বাইরে, আর পাশের ঘরের ভাড়াটে যুবক রনির চোখ আটকে আছে বৌদি শেফালির ওপর. ছাদের এক ঝোড়ো হাওয়ায় ওড়া শাড়ি বদলে দিল সবকিছু.
বৌদি চোদা গল্প: বাথরুমের চিৎকার
স্বামী দুর্গাপুরে, বাড়িতে একা বৌদি রুমা আর দেওর সায়ন। বাথরুমে পা পিছলে যাওয়া থেকে শুরু হওয়া এক বৌদি চোদা গল্প, যেখানে এক সন্ধ্যা চার দিনের গোপন সম্পর্কে বদলে যায়।
দিদি চটি গল্প: ছাদের আড্ডায় বদলে যাওয়া রাত
বিয়ের চার বছর পর দু মাসের জন্য বাপের বাড়ি ফেরা দিদির সঙ্গে ছাদে চায়ের আড্ডা। তিন রাতের আড্ডা যেভাবে এক রাতে বদলে গেল, পড়ুন নতুন দিদি চটি গল্প।
বাংলা চাচি চটি গল্প: কাকলির রান্নাঘরে সেই রাত
কাকার নাইট ডিউটি, ভাঙা টিভি, আর ফোনে সিনেমা দেখতে দেখতে চাচি কাকলির বিছানায় সৌম্যর সেই রাত, এই বাংলা চাচি চটি গল্পে।
বাংলা বিধবা চটি গল্প: নতুন ভাড়াটিয়া
বাংলা বিধবা চটি গল্প: তিন বছর আগে স্বামী হারানো মিতালির বাড়িতে নতুন ভাড়াটিয়া অর্জুন। এক বর্ষার সন্ধ্যায় খিচুড়ি আর ইলিশ ভাজার গন্ধে শুরু।
কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি: হলুদ ট্যাক্সির বৃষ্টিভেজা রাত
বিয়ের রিসেপশন থেকে ফেরার পথে বৃষ্টির রাতে শ্রাবণীর হলুদ ট্যাক্সি পাংচার হয় ময়দানের অন্ধকারে। মেকানিক আসতে দেরি করে, আর পেছনের সিটে ড্রাইভার রতনের সঙ্গে জমে ওঠে এমন এক গোপন খেলা, যা এই কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি কে অনেকদিন মনে রাখার মতো করে তোলে।
Bangla Sex Story: লিফটে আটকে যাওয়া শিলার সেই সন্ধ্যা
শিলার bangla sex story: কলকাতার ফ্ল্যাটবাড়ির লিফটে এক সন্ধ্যায় আটকে পড়া, আর মেকানিক তুহিনের সঙ্গে তার গোপন রাতের কাহিনি।
বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরের ফ্ল্যাটে শর্মিলা
বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরে ফাঁকা ফ্ল্যাট, গান বাজছে, শর্মিলা বৌদি নাচছেন। সৌরভ ফিরে এলো হাফ ডে তে, আর তারপর যা হলো তা তাদের গোপন নেশা হয়ে গেল।