বাংলা ফুলসজ্জা চটি গল্প: সুমনার প্রথম রাত

T
9 min read0 readers
Font:
0:000:00
Share Story:

অনেকে বাংলা ফুলসজ্জা চটি গল্প খুঁজে বেড়ায়, কিন্তু সুমনার সেই রাতের গল্পটা কোনো কল্পনা ছিল না। দরজাটা খুলে যেতেই গাঁদা আর শিউলির গন্ধে ঘরটা ভরে উঠল, আর বড় বৌদি মিতালি সুমনার হাত ধরে তাকে ফুলে সাজানো খাটের কাছে নিয়ে গিয়ে বসিয়ে দিল।

সাদা চাদরের ওপর গাঁদার মালা দিয়ে বড় একটা হৃদয় আঁকা, চারদিকে রজনীগন্ধার ছড়ি। সুমনার বুক ধড়ফড় করছিল, হাতের মেহেদি তখনও তাজা, কপালের সিঁদুর চকচক করছিল হারিকেনের আলোয়। মিতালি চোখ মেরে বলল, "ভাই কিন্তু লাজুক, বুঝলি? তোকেই এগিয়ে আসতে হবে।"

সুমনা হেসে ফেলল, কিন্তু ভেতরে ভেতরে তার পেটের ভেতর প্রজাপতি উড়ছিল। কৃষ্ণনগরের মেয়ে সে, বিয়ের আগে অরিন্দমকে মাত্র তিনবার দেখেছে। স্কুলমাস্টার ছেলে, চশমা পরা, কথাবার্তায় নরম। ফোনে দুবার কথা হয়েছিল, দুবারই সে এত লাজুক ছিল যে সুমনাকেই কথা চালাতে হয়েছিল।

দরজায় ছিটকিনির শব্দ হলো। অরিন্দম ঢুকল, ধুতি পাঞ্জাবি পরা, মাথা নিচু। মিতালি "শুভরাত্রি" বলে দরজা বাইরে থেকে টেনে দিল। ঘরে নেমে এল নীরবতা, শুধু বাইরে দূরে শাঁখের শব্দ আর পাড়ার কুকুরের ডাক।

অরিন্দম খাটের এক কোণে বসল, দুজনের মাঝে এক হাত ফাঁক। সুমনা আড়চোখে দেখল, তার কান লাল হয়ে আছে। "তুমি কি ভয় পাচ্ছ?" সুমনা সরাসরি জিজ্ঞেস করল।

অরিন্দম চমকে তাকাল। "ভয়? না মানে... আসলে..." সে চশমাটা ঠিক করল। "সুমনা, তোমাকে একটা কথা বলি। এ সব আমার জীবনে প্রথম। আমি... আমি জানি না কী করতে হয়।"

সুমনার বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠল। এই সরল স্বীকারোক্তিটা তার ভালো লাগল। সেও তো প্রথম, কিন্তু সে ঠাকুরমার কাছে, বান্ধবীদের কাছে এত গল্প শুনেছে যে মনে মনে হাজারবার এই রাতটা কল্পনা করেছে। "আমারও প্রথম," সে ফিসফিস করে বলল। "কিন্তু ভয় পেও না। আমরা একসঙ্গে শিখব।"

সে ধীরে ধীরে অরিন্দমের দিকে সরে এল। তাদের কাঁধ ছুঁয়ে গেল। অরিন্দমের শরীর শক্ত হয়ে গেল এক মুহূর্ত, তারপর ধীরে ধীরে নরম হলো। সুমনা তার হাতটা নিজের হাতে নিল।

"তোমার হাত কাঁপছে," সুমনা বলল, তার আঙুল দিয়ে অরিন্দমের আঙুল চেপে ধরে।

"তোমার গায়ের গন্ধটা..." অরিন্দম থেমে গেল, লজ্জায়। "খুব সুন্দর।"

সুমনা হেসে তার দিকে ঝুঁকে এল। তাদের ঠোঁটের দূরত্ব তখন এক আঙুল। "তাহলে কাছে এসো," সে বলল। "গন্ধটা আরও ভালো করে নাও।"

অরিন্দম দ্বিধা করল এক সেকেন্ড, তারপর সুমনার ঠোঁটে নিজের ঠোঁট চেপে ধরল। প্রথম চুমুটা ছিল কাঁপা কাঁপা, অনভ্যস্ত। সুমনা তার নিচের ঠোঁটটা হালকা করে কামড়ে দিল, আর অরিন্দমের মুখ থেকে একটা চাপা শব্দ বেরিয়ে এল।

সেই শব্দটা সুমনার শরীরে আগুন ধরিয়ে দিল। সে অরিন্দমের চুলের মুঠি ধরে তাকে আরও গভীরে টেনে নিল। তাদের জিভ এবার একে অপরকে খুঁজে নিল, ভেজা, গরম, অধৈর্য। অরিন্দমের হাত সুমনার পিঠে উঠে এল, শাড়ির আঁচলের ওপর দিয়ে তার কোমর চেপে ধরল।

"আহ..." সুমনা চুমুর ফাঁকে ফিসফিস করল। "তোমার হাতটা... নিচে নামাও।"

অরিন্দমের হাত কাঁপতে কাঁপতে সুমনার পিঠ বেয়ে নামল। সুমনা নিজেই তার হাতটা ধরে নিজের বুকের ওপর রাখল, ব্লাউজের ওপর দিয়ে। "এখানে," সে বলল। "ভয় কিসের? এটা তোমারই।"

অরিন্দমের আঙুলগুলো সুমনার ব্লাউজের ওপর দিয়ে তার দুধ চেপে ধরল। নরম, ভারী, গরম। সুমনার নিঃশ্বাস ঘন হয়ে এল। "আরও জোরে," সে ফিসফিস করল। "আমি ভাঙব না।"

অরিন্দম এবার সাহস পেয়ে দুই হাতে সুমনার দুটো দুধই চেপে ধরল, ব্লাউজের ওপর দিয়ে টিপতে লাগল। সুমনা তার গলায় মুখ গুঁজে দিল, তার ঘাড়ে চুমু খেতে খেতে ফিসফিস করল, "ব্লাউজটা খুলে দাও।"

অরিন্দমের আঙুল কাঁপছিল, হুকগুলো খুলতে তার সময় লাগল। সুমনা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করল, তার ঠোঁট দিয়ে অরিন্দমের কানের লতি চুষতে চুষতে। শেষ হুকটা খুলতেই ব্লাউজটা সরে গেল, আর সুমনার ভরা দুধ দুটো ব্রা-এর ভেতর থেকে উঁকি দিল।

"ওহ..." অরিন্দমের চোখ বড় বড় হয়ে গেল। "এত সুন্দর..."

"দেখছ কী? খাও," সুমনা দুষ্টুমি করে বলল, নিজেই ব্রা-এর হুক খুলে দিল।

অরিন্দম এক মুহূর্ত তাকিয়ে রইল, তারপর মুখ নামিয়ে আনল। তার জিভ সুমনার বোঁটায় ছুঁতেই সুমনার শরীরটা বেঁকে উঠল। "আহ! হ্যাঁ... ঠিক ওইখানে..."

অরিন্দম একটা বোঁটা চুষতে লাগল, অন্যটা হাতে নিয়ে টিপতে লাগল। সুমনার গুদ ভিজতে শুরু করেছিল, শাড়ির ভেতর দিয়ে সে অরিন্দমের ধুতির ওপর তার উত্থানটা অনুভব করল। শক্ত, গরম, তার পেটে চাপ দিচ্ছে।

সুমনা হাত বাড়িয়ে ধুতির ওপর দিয়েই অরিন্দমের ধোনটা চেপে ধরল। অরিন্দম চমকে উঠল, মুখ তুলে তাকাল। "তুমি..."

"আমি কী?" সুমনা তার ধোনটা হালকা করে টিপে দিল। "তোমার এটা আমার জন্যেই তো পাগল হয়ে আছে।"

অরিন্দমের মুখ লাল হয়ে গেল, কিন্তু সে সুমনাকে থামাল না। সুমনা ধুতির গিঁট খুলে দিল, আর অরিন্দমের ধোনটা বেরিয়ে এল, লম্বা, মোটা, টনটনে। সুমনা এক মুহূর্ত তাকিয়ে রইল, তারপর বলল, "বাহ। লাজুক ছেলের জিনিসটা তো লাজুক নয়।"

অরিন্দম হেসে ফেলল, প্রথমবারের মতো সত্যিকারের হাসি। সেই হাসিটা ঘরের বাতাস বদলে দিল। সুমনা তার ধোনটা হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে ওঠানামা করতে লাগল।

"আহ... সুমনা..." অরিন্দমের মাথা পেছনে হেলে গেল। "এটা... এত ভালো লাগছে..."

সুমনা নিচে ঝুঁকে এল। তার ঠোঁট অরিন্দমের ধোনের ডগায় ছুঁল। অরিন্দমের পুরো শরীর কেঁপে উঠল। "তুমি... তুমি এটা করবে?"

"চুপ," সুমনা বলল, আর তার মুখে অরিন্দমের ধোনটা পুরে নিল।

গরম, লবণাক্ত স্বাদ সুমনার জিভে ছড়িয়ে গেল। সে ধীরে ধীরে চুষতে লাগল, জিভ দিয়ে ডগাটা ঘোরাতে ঘোরাতে, হাত দিয়ে গোড়াটা ধরে। অরিন্দমের হাত সুমনার চুলে ডুবে গেল, তার কোমর নিজে থেকেই নড়তে শুরু করল।

"সুমনা... আমি... আমি আর পারছি না..." অরিন্দম হাঁপাতে হাঁপাতে বলল।

সুমনা মুখ তুলল, ঠোঁটের কোণে দুষ্টু হাসি। "এখনই নয়, মাস্টারমশাই। আসল পড়া তো এখনও বাকি।" সে উঠে দাঁড়িয়ে শাড়িটা খুলতে শুরু করল।

লাল বেনারসি শাড়িটা মেঝেতে পড়ল। তারপর সায়া। সুমনা এখন সম্পূর্ণ নগ্ন, হারিকেনের আলোয় তার শরীর চকচক করছে। অরিন্দম তাকিয়ে রইল, চোখে মুগ্ধতা আর ক্ষুধা।

"এসো," সুমনা খাটে শুয়ে হাত বাড়িয়ে দিল। "আমার কাছে এসো।"

অরিন্দম পাঞ্জাবিটা খুলে ফেলল, ধুতিটা আগেই খোলা। সে সুমনার ওপরে উঠে এল, তাদের নগ্ন শরীর একে অপরের সঙ্গে লেপ্টে গেল। সুমনার দুধ অরিন্দমের বুকে চাপা পড়ল, তাদের পেটের নিচে অরিন্দমের ধোনটা সুমনার গুদের মুখে ঘষা খাচ্ছিল।

সুমনা পা দুটো ছড়িয়ে দিল। "ধীরে," সে ফিসফিস করল। "প্রথমে ধীরে।"

অরিন্দম তার ধোনটা সুমনার গুদের মুখে রাখল। ভেজা, গরম, টাইট। সে ধীরে ধীরে চাপ দিল। সুমনার মুখটা কুঁচকে গেল, একটা চাপা আর্তনাদ বেরিয়ে এল। "আহ! ব্যথা... একটু থামো..."

অরিন্দম সঙ্গে সঙ্গে থেমে গেল, তার কপালে ঘাম। "আমি কি বের করে নেব?"

"না," সুমনা তার মুখে চুমু খেল। "থেমো না। শুধু একটু অপেক্ষা করো।" সে গভীর শ্বাস নিল, শরীরটা নরম করল। "এবার... আস্তে আস্তে..."

অরিন্দম আবার চাপ দিল, এবার আরও ধীরে। সুমনার গুদ ধীরে ধীরে খুলতে লাগল, তার ধোনটা একটু একটু করে ভেতরে ঢুকতে লাগল। ব্যথার সঙ্গে সঙ্গে একটা অদ্ভুত ভরাট অনুভূতি সুমনার তলপেটে ছড়িয়ে গেল।

"হ্যাঁ..." সুমনা ফিসফিস করল, চোখ বন্ধ। "আরও... পুরোটা..."

অরিন্দম এক ধাক্কায় পুরো ধোনটা সুমনার গুদের গভীরে ঢুকিয়ে দিল। সুমনা চিৎকার করে উঠল, তার নখ অরিন্দমের পিঠে বসে গেল। "আহ! অরিন্দম!"

দুজনে এক মুহূর্ত স্থির হয়ে রইল, একে অপরের ভেতরে। তারপর অরিন্দম ধীরে ধীরে নড়তে শুরু করল। বাইরে, ভেতরে। বাইরে, ভেতরে। প্রতিটা ধাক্কায় সুমনার শরীরটা দুলে উঠছিল, খাটটা ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ করছিল।

ব্যথাটা ধীরে ধীরে কমে এল, তার জায়গায় এল একটা গভীর, গরম আনন্দ। সুমনার গুদ অরিন্দমের ধোনটাকে চেপে ধরছিল, প্রতিটা ধাক্কায় তার ভেতরটা কেঁপে উঠছিল। "আরও জোরে," সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। "আমাকে জোরে চোদো।"

এই কথাটা শুনে অরিন্দমের ভেতরের লাজুক ছেলেটা কোথায় হারিয়ে গেল। সে সুমনার কোমর চেপে ধরে জোরে জোরে ধাক্কা দিতে লাগল। ঘর ভরে গেল চামড়ার সঙ্গে চামড়ার থাপ্পড়ের শব্দে, দুজনের হাঁপানির শব্দে।

"হ্যাঁ! হ্যাঁ! ঠিক এইভাবে!" সুমনা চিৎকার করছিল, লজ্জা শরম সব ভুলে। "তোমার ধোনটা... আহ... আমার ভেতরটা ভরে দিচ্ছে..."

অরিন্দম সুমনার একটা পা কাঁধে তুলে নিল, আরও গভীরে ঢুকতে লাগল। এই নতুন কোণে সুমনার চোখ উল্টে গেল। "ওহ ভগবান... ওইখানে... ওইখানেই..."

সুমনার গুদ সংকুচিত হতে শুরু করল, তার পুরো শরীর কাঁপছিল। "আমি... আমি আসছি... অরিন্দম... আমি আসছি!"

একটা প্রবল ঢেউ সুমনার শরীরে আছড়ে পড়ল। তার গুদ অরিন্দমের ধোনটাকে চেপে ধরল, বারবার, আর সুমনা চিৎকার করে উঠল, তার শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। রসে ভিজে গেল বিছানার চাদর।

অরিন্দম থামল না। সে সুমনার নরম শরীরের ওপর আরও কিছুক্ষণ ধাক্কা দিল, তারপর হঠাৎ তার গতি বেড়ে গেল, তার মুখটা সুমনার গলায় গুঁজে গেল। "সুমনা... আমিও... আমিও আসছি..."

সে শেষ একটা গভীর ধাক্কা দিয়ে সুমনার ভেতরেই ঝরে পড়ল। গরম বীর্য সুমনার গুদের গভীরে ছড়িয়ে গেল। দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে একে অপরকে জড়িয়ে ধরে রইল।

অরিন্দম উঠে গিয়ে কলসি থেকে জল এনে সুমনাকে খাওয়াল, তারপর ভেজা গামছা দিয়ে তার মুখ মুছিয়ে দিল। এই যত্নটুকুতে সুমনার চোখে জল এসে গেল। "তুমি খুব ভালো মানুষ," সে ফিসফিস করল।

"আর তুমি খুব দুষ্টু মেয়ে," অরিন্দম হাসল, তার আঙুল সুমনার ভেজা চুল সরিয়ে দিল। "আমি ভাবতেই পারিনি আমার বউ এত সাহসী হবে।"

সুমনা তার বুকে মাথা রেখে বলল, "সাহস তো তোমারও কম নয়। প্রথম রাতেই দুবার..." সে চোখ মেরে বলল, "এবার আমার পালা।"

অরিন্দম অবাক হয়ে তাকাতেই সুমনা তাকে ঠেলে চিৎ করে শুইয়ে দিল, নিজে তার ওপরে উঠে বসল।

"তুমি শুধু শুয়ে থাকো," সুমনা বলল, অরিন্দমের ধোনটা আবার শক্ত হতে শুরু করেছে দেখে। সে ধীরে ধীরে তার গুদের মুখে রেখে নিজের ওজনে নিচে নামল। "আহ..."

এবার সুমনা নিজেই ছন্দটা নিয়ন্ত্রণ করছিল। ওপরে নিচে, ধীরে তারপর জোরে। তার দুধ দুটো প্রতিটা লাফে দুলছিল, অরিন্দম দুই হাতে সেগুলো চেপে ধরল। "তুমি... তুমি অসাধারণ," অরিন্দম হাঁপাতে হাঁপাতে বলল।

সুমনা হাসল, ঘামে ভেজা চুল মুখে লেপ্টে। "এখনও অনেক কিছু শেখার বাকি, মাস্টারমশাই।" সে গতি বাড়িয়ে দিল, তার গুদ অরিন্দমের ধোনটাকে চেপে চেপে ধরছিল।

অরিন্দমের হাত সুমনার পাছায় গিয়ে থামল, টিপতে লাগল। "আহ! ওইখানে হাত দিও না... আহ... দাও, দাও..." সুমনার কথা এলোমেলো হয়ে যাচ্ছিল।

দ্বিতীয়বারের ঢেউটা এল আরও প্রবল হয়ে। সুমনা চিৎকার করে অরিন্দমের বুকে লুটিয়ে পড়ল, তার শরীরটা থরথর করে কাঁপছিল। অরিন্দম তাকে জড়িয়ে ধরে নিচ থেকে আরও কয়েকটা জোর ধাক্কা দিল, তারপর আবার তার ভেতরে ঝরে পড়ল।

দুজনে ঘামে ভিজে, হাঁপাতে হাঁপাতে একে অপরের গায়ে লেপ্টে রইল। বাইরে ভোরের আলো ফুটতে শুরু করেছে, পাখি ডাকছে। ফুলের মালাগুলো বিছানায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে, কয়েকটা গাঁদা সুমনার চুলে আটকে।

অরিন্দম সুমনার কপালে চুমু খেল। "তুমি... তুমি আমাকে বদলে দিলে," সে ফিসফিস করল।

সুমনা হাসল, তার আঙুল অরিন্দমের বুকে আঁকিবুঁকি কাটতে কাটতে। "বদলাইনি। শুধু তোমার ভেতরের আসল মানুষটাকে বের করে এনেছি।" সে চোখ মেরে বলল, "আর শোনো, কাল রাতেও আমি এভাবেই শেখাব।"

Rate this story

🔥 NEXT CHAPTER IN LINE

First Time

বাংলা নতুন বউ চোদার গোপন কথা: মৌমিতার প্রথম আসল রাত

স্বামীর ফোনের গোপন কথা শুনে তিন মাসের লাজুক বউ মৌমিতা ঠিক করে আজ রাতে সে নিজে এগিয়ে যাবে। বাংলা নতুন বউ চোদা নিয়ে তাদের প্রথম আসল রাতের গল্প।

Read Next Story

More stories by Tanushree Das

View all →

Readers who enjoyed “বাংলা ফুলসজ্জা চটি গল্প: সুমনার প্রথম রাত” also read

8 curated stories
First Timeবাংলা (Bengali)

বাংলা বাসর রাতের গল্প: মৌমিতার প্রথম রাত

বাংলা বাসর রাতের গল্প: তিন মাসের অপেক্ষার পর মৌমিতা আর দেবাঞ্জনের প্রথম রাত। লাল বেনারসি, ফুলে সাজানো খাট আর দুটো ধড়ফড়ানো হৃদয়ের গরম কাহিনি।

⏱️ 9 min read•👁️ 0 views
First Timeবাংলা (Bengali)

বেঙ্গলি অ্যাডাল্ট স্টোরি: কলকাতায় রিমির গুদে অর্কর ধোন, প্রথম রাতের চোদা

কলকাতার এক আর্ট ছাত্রীর ছবি দেখে এক সিনিয়র তার জীবনে আসে, আর একটি প্রদর্শনীর সন্ধ্যা দুজনের গল্প বদলে দেয়।

⏱️ 9 min read•👁️ 0 views
First Timeবাংলা (Bengali)

পুরুলিয়ার চাঁদিলের পুরনো ছৌ মুখোশ কর্মশালায় শেষ মহড়ার পর চুলা নেভে গেলে কুমারী রংশিদ ঢাকিকে প্রথমবার সেই রাত দিল যা কোনো মঞ্চের কাহিনিতে আসে না

পুরুলিয়ার চাঁদিলের ছৌ মুখোশ কর্মশালা। শেষ মহড়া। চুলা নেভে। কুমারী মল্লিকা আর ঢাকি সূর্যকান্ত। সেই রাত যা মঞ্চে আসে না।

⏱️ 12 min read•👁️ 0 views
First Timeবাংলা (Bengali)

বাংলা নতুন বউ চোটি: ভোরের পুকুরঘাট

বিয়ের দুই রাত কেটেছে লজ্জায়। তৃতীয় দিনের ভোরে সুমন মিতালিকে নিয়ে যায় পুকুরঘাটে, আর সেখানে ঘটে তাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর প্রথম অভিজ্ঞতা।

⏱️ 9 min read•👁️ 0 views
First Timeবাংলা (Bengali)

বিষ্ণুপুরের শঙ্খ কর্মশালায় বর্ষার রাতে চুল্লির আগুন নিভে গেলে কুমারী কারিরিনী প্রথমবার পিতল খোদাইকারের হাতে নিজের শরীরের নকশা ছেড়ে দিল যা কোন শঙ্খে খোদাই হয় না

বিষ্ণুপুরের পুরনো শঙ্খখানায়ে বর্ষার রাতে চুল্লি নিভে। কুমারী মাধবী প্রথমবার পিতল খোদাইকার ইশানের হাতে নিজের শরীর ছেড়ে দিল।

⏱️ 9 min read•👁️ 0 views
First Timeবাংলা (Bengali)

বাংলা সোহাগরাত গল্প: ফুলশয্যার প্রথম রাত

বিয়ের রাতে ফুলে সাজানো বিছানায় অচেনা দুটি মানুষ। মৌয়ের লজ্জা আর দেবাশীষের ধৈর্য ধীরে ধীরে রূপ নিল গভীর ভালোবাসায়। একটি বাংলা সোহাগরাত গল্প, যা মনে থাকবে।

⏱️ 9 min read•👁️ 0 views
Rough & Dirtyবাংলা (Bengali)

রাজমিস্ত্রীর দুপুর

বাড়ির নতুন ঘর তোলার কাজে আসা রাজমিস্ত্রী সুবলকে এক তপ্ত দুপুরে দীপা সরবত দিতে গিয়ে এমন এক খেলায় জড়িয়ে পড়েন, যা বদলে দেয় দুজনের দিন।

⏱️ 9 min read•👁️ 9 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

নতুন চটি গল্প: এসি মেকানিকের সাথে সেই গরম দুপুর

দমদমের ফ্ল্যাটে এক গরম দুপুরে এসি সার্ভিস করতে আসে ছাব্বিশ বছরের রাজা, আর একটা সাধারণ সার্ভিস ভিজিট বদলে যায় মৌসুমির জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ দুপুরে।

⏱️ 11 min read•👁️ 7 views