বাংলা সোহাগরাত গল্প: ফুলশয্যার প্রথম রাত
খট। দরজাটা বন্ধ হলো, আর পেছন থেকে মামীর গলা শুনতে পেলাম, "আর ঘুম ভাঙিও না ওদের, কাল সকালে দেখা হবে।" ঘরের ভেতরটা হঠাৎ এমন শান্ত হয়ে গেল যেন সব শব্দ জানালার বাইরে রেখে এসেছে কেউ। এই বাংলা সোহাগরাত গল্প শুরু হলো ঠিক সেই নীরবতা থেকে, যেখানে আমার আর দেবাশীষের মাঝে বাকি রইল মাত্র একটা ফুলে ঢাকা বিছানা আর অর্ধেক জ্বলন্ত একটা হ্যারিকেন বাতি।
আমি বিছানার মাঝখানে বসেছিলাম, গায়ে এখনও লাল বেনারসি, মাথায় ঘোমটাটা অর্ধেক টানা। গোলাপ আর রজনীগন্ধার গন্ধ এত ঘন যে মনে হচ্ছিল বাতাসটাই ভারী হয়ে গেছে। বাইরে থেকে তখনও বিয়ে বাড়ির গানের ক্ষীণ আওয়াজ আসছিল, কিন্তু এ ঘরে শুধু আমাদের দুজনের নিঃশ্বাস শোনা যাচ্ছিল।
দেবাশীষ দরজার তালাটা লাগাল। তারপর একটা দীর্ঘ শ্বাস ছেড়ে বলল, "অবশেষে।" আমি ঘোমটার ফাঁক দিয়ে দেখলাম সে তার পাঞ্জাবির গলা খুলছে, কপালে ঘামের বিন্দু জমেছে। সারা দিনের ধকলের পরেও তার চোখে একটা চকচকে উত্তেজনা, যেন সে এই মুহূর্তটার জন্য সারাদিন অপেক্ষা করেছে।
"তুমি ক্লান্ত না?" আমি জিজ্ঞেস করলাম, গলাটা নিজের কানেই অচেনা শোনাল। সে হেসে বলল, "তোমাকে দেখে ক্লান্তি উড়ে গেছে।" এই কথাটা শুনে আমার গাল গরম হয়ে গেল, আমি চোখ নামিয়ে বিছানার চাদরের ফুলের পাপড়ি নাড়াচাড়া করতে লাগলাম।
সে ধীরে ধীরে বিছানার কাছে এলো, খাটের কিনারায় বসল। তার হাত আমার হাতের ওপর রাখল, আর আমি চমকে উঠলাম। তার হাতটা গরম, সামান্য খসখসে। "মৌ," সে ফিসফিস করে বলল, "ভয় পাচ্ছ?" আমি মাথা নাড়লাম, প্রথমে হ্যাঁ বলতে যাচ্ছিলাম, তারপর থেমে বললাম, "একটু।"
"ভয় পেয়ো না। আমি তাড়াহুড়ো করব না।" তার আঙুল আমার আঙুলের ফাঁকে ঢুকে গেল। সে আমার ঘোমটাটা আস্তে করে সরিয়ে দিল, আর প্রথমবার সত্যিকারের চোখে চোখ পড়ল। দেবাশীষের চোখে কোনো দাবি ছিল না, ছিল একটা নরম অপেক্ষা, যেন বলছে, তোমার সময় নাও, আমি আছি।
তারপর সে ঝুঁকে আমার কপালে একটা চুমু খেল। এত নরম, এত সাবধানে, যেন আমি ভেঙে যাব। আমার বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠল। "তুমি আজ খুব সুন্দর লাগছ," সে বলল, "মানে, রোজই লাগবে, কিন্তু আজ..." আমি হেসে ফেললাম, আর সেই হাসির সঙ্গে আমার ভেতরের বাঁধনটা একটু ঢিলে হলো।
হঠাৎ সে আমার থুতনি ধরে মুখটা তুলল। "মৌ, একটা কথা বলব?" "বলো।" "আমি সারাদিন শুধু এই মুহূর্তটার কথা ভেবেছি।" বলেই সে আমার ঠোঁটে ঠোঁট রাখল। প্রথম চুমুটা ছিল হালকা, প্রশ্নের মতো। আমি উত্তর দিলাম, আর দ্বিতীয় চুমুটা হয়ে গেল দাবির মতো। তার জিভ আমার মুখে ঢুকে এলো, আর আমার সারা শরীরে একটা কারেন্ট বয়ে গেল।
আমার হাত নিজে থেকেই তার ঘাড়ে উঠে গেল। সে আমাকে টেনে কাছে আনল, আমার বেনারসির আঁচলটা কাঁধ থেকে সরে গেল। তার হাত আমার পিঠে নেমে এলো, ব্লাউজের হুকগুলো খুঁজতে লাগল। আমি তার কানে ফিসফিস করলাম, "আস্তে।" সে হেসে বলল, "আস্তেই তো করছি, পাগলি।"
ব্লাউজটা খুলে গেলে আমি লজ্জায় হাত দিয়ে বুক ঢাকতে গেলাম। সে আমার হাত দুটো ধরে সরিয়ে দিল। "ঢেকো না। আমি দেখতে চাই।" ব্রা-এর হুকটাও খুলে গেল, আর আমার দুধ দুটো মুক্ত হয়ে বেরিয়ে এলো। তার চোখ বড় বড় হয়ে গেল। "এত সুন্দর," সে বলল, আর তার গলা ভারী শোনাল।
সে ঝুঁকে আমার বাম দুধের বোঁটাটা মুখে নিল। আমি "আহ" করে উঠলাম, শব্দটা নিজে থেকেই বেরিয়ে এলো। তার জিভ বোঁটার চারদিকে ঘুরছিল, দাঁত দিয়ে হালকা কামড় দিচ্ছিল। আমার হাত তার চুলে ঢুকে গেল, আমি তাকে আরও চেপে ধরলাম। ডান হাতে সে আমার আরেকটা দুধ চটকাচ্ছিল, আর আমি বিছানায় এলিয়ে পড়ছিলাম।
আমার সাহস বাড়ছিল। আমি তার পাঞ্জাবির বোতামগুলো খুলতে শুরু করলাম, আঙুল কাঁপছিল। "তুমিও খুলো," সে বলল, হাসি চেপে। পাঞ্জাবি খুলে গেলে তার বুক দেখা গেল, ঘন লোম, ঘামে চকচক করছে। আমি তার বুকে হাত বোলালাম, আর সে শিউরে উঠল। "তোমার হাতটা খুব নরম," সে বলল।
তার পায়জামার দড়িটা আমি টান দিলাম। সে উঠে দাঁড়িয়ে পায়জামাটা নামিয়ে দিল, আর আমি দেখলাম তার ধোনটা পুরো খাড়া হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। এত বড়, এত মোটা, শিরাগুলো ফুলে আছে। আমার মুখ শুকিয়ে গেল। "ভয় পেয়ো না," সে হেসে বলল, "ও তোমারই।"
আমি হাত বাড়িয়ে তার ধোনটা ধরলাম। গরম, কঠিন, মাথাটা ভেজা। আমি আস্তে আস্তে ওঠানামা করতে লাগলাম, আর সে আমার মাথায় হাত রেখে বলল, "হ্যাঁ, এভাবে।" তার নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসছিল। আমি তাকিয়ে দেখলাম তার চোখ বন্ধ, ঠোঁট কামড়ে ধরা।
তারপর আমি কিছু না ভেবেই ঝুঁকে তার ধোনের মাথাটা মুখে নিলাম। লবণাক্ত স্বাদ, গরম। সে "উফ" করে উঠল, তার হাত আমার চুলে শক্ত করে ধরল। আমি জিভ দিয়ে মাথাটা চাটতে লাগলাম, তারপর আরও ভেতরে নিলাম। সে বলল, "মৌ, থামো, নইলে..." আমি থামলাম না, আমি তাকে পাগল করতে চাইছিলাম।
শেষ মুহূর্তে সে আমাকে সরিয়ে দিল। "এখন না," সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, "এখন তোমার পালা।" সে আমাকে বিছানায় শুইয়ে দিল, আমার শাড়িটা কোমর থেকে তুলে দিল। আমার প্যান্টিটা সে দাঁত দিয়ে টেনে নামাল, আর আমি লজ্জায় চোখ বন্ধ করলাম। "চোখ খোলো," সে বলল, "আমাকে দেখো।"
তার মুখ আমার দুই উরুর মাঝে নেমে এলো। প্রথমে তার জিভ আমার গুদে স্পর্শ করল, আর আমি বিছানা থেকে উঠে বসলাম। "দেবাশীষ!" "চুপ," সে বলল, "শুধু অনুভব করো।" তার জিভ আমার গুদের ফাটলে ঢুকে ঘুরছিল, কখনও ওপরে, কখনও ভেতরে। আমার পা দুটো তার কাঁধে উঠে গেল।
আমি চিৎকার চেপে রাখতে পারছিলাম না। বিছানার চাদরটা আমি মুঠো করে ধরেছিলাম। সে আমার গুদের দানাটা চুষছিল, আর দুই আঙুল ভেতরে ঢুকিয়ে নাড়াচ্ছিল। "আসছে, আসছে," আমি বললাম, আর তারপর আমার সারা শরীর কেঁপে উঠল। প্রথমবারের মতো আমি অনুভব করলাম সেই জোয়ার, পানি বেরিয়ে এলো, আমি কাঁপতে কাঁপতে তার মাথাটা চেপে ধরলাম।
সে উঠে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরল। আমি তার মুখে নিজের স্বাদ পেলাম, কিন্তু আমার কিছু মনে হলো না। "কেমন লাগল?" সে জিজ্ঞেস করল। আমি তার বুকে মুখ লুকিয়ে বললাম, "আরও চাই।" সে হেসে বলল, "এই তো আমার বউয়ের আসল রূপ বেরোচ্ছে।"
সে আমার ওপরে উঠে এলো। তার ধোনটা আমার গুদের মুখে রাখল। "ব্যথা লাগলে বলবে," সে বলল। আমি মাথা নাড়লাম, তার কোমরটা টেনে ধরলাম। সে আস্তে করে চাপ দিল, আর মাথাটা ভেতরে ঢুকল। একটা চিনচিনে ব্যথা, কিন্তু তার সঙ্গে একটা অদ্ভুত ভরাট অনুভূতি। "আহ," আমি বললাম।
সে থেমে গেল, আমার কপালে চুমু খেল। "ঠিক আছ?" "হ্যাঁ, আরও ভেতরে নাও।" সে পুরো ধোনটা আমার গুদে ঢুকিয়ে দিল। আমি তার পিঠে নখ বসিয়ে দিলাম। সে ধীরে ধীরে ঠাপ মারতে শুরু করল, প্রতিটা ঠাপে আমার ভেতরটা ভরে যাচ্ছিল। আমার মুখ থেকে "আহ, আহ" বেরোচ্ছিল।
গতি বাড়ছিল। তার ঘাম আমার গায়ে পড়ছিল। আমি তার কানে বললাম, "জোরে, আরও জোরে।" সে আমার কথা শুনে পাগলের মতো ঠাপাতে লাগল। বিছানাটা দুলছিল, ফুলের পাপড়িগুলো উড়ছিল। আমি তার গলায় কামড় দিলাম, সে "উফ" করে আমার দুধ দুটো চেপে ধরল।
"থামো," আমি বললাম, হাঁপাতে হাঁপাতে। আমি উল্টে হাঁটু গেড়ে বসলাম, পেছনটা তার দিকে তুলে ধরলাম। সে এক মুহূর্ত থমকে গেল, তারপর আমার কোমর ধরে পেছন থেকে তার ধোনটা আমার গুদে ঢুকিয়ে দিল। এই অবস্থানে প্রতিটা ঠাপ আরও গভীরে যাচ্ছিল, আমি বিছানার চাদর কামড়ে ধরেছিলাম। "আহ, এভাবে... এভাবেই," আমি বললাম। সে আমার চুল ধরে টানল, আর আমার পিঠে চুমু খেতে খেতে ঠাপ মারতে লাগল।
হঠাৎ আমি তাকে থামালাম। "এবার আমি ওপরে।" সে অবাক হয়ে হাসল। "বউ তো দেখি পুরো তৈরি।" আমি তাকে শুইয়ে দিয়ে তার ওপরে বসলাম। তার ধোনটা আমার গুদে ঢুকিয়ে নিলাম, আর এবার নিয়ন্ত্রণ আমার হাতে। আমি ওঠানামা করতে লাগলাম, ধীরে, তারপর জোরে।
এই অবস্থানে তার ধোনটা আরও গভীরে যাচ্ছিল। আমি তার বুকে হাত রেখে দুলছিলাম, আমার চুল তার মুখে পড়ছিল। সে আমার কোমর ধরে নিচ থেকে ঠাপ মারছিল। "মৌ, তুমি... তুমি অসাধারণ," সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। আমি হেসে তার ঠোঁটে চুমু খেলাম, জিভ ঢুকিয়ে দিলাম।
আমি গতি বাড়ালাম। আমার দুধ দুটো লাফাচ্ছিল, সে দুই হাতে ধরে চটকাচ্ছিল। আমার ভেতরে আবার সেই জোয়ার উঠছিল। "আসছে," আমি বললাম, "আমার আসছে।" সে বলল, "আমারও। একসঙ্গে।" আমরা দুজনে একসঙ্গে চরমে পৌঁছলাম, তার গরম বীর্য আমার গুদের ভেতরে ঢুকে গেল, আমি কাঁপতে কাঁপতে তার বুকে লুটিয়ে পড়লাম।
কিছুক্ষণ শুধু আমাদের নিঃশ্বাসের শব্দ শোনা গেল। আমি তার বুকে আঙুল দিয়ে আঁকিবুঁকি কাটছিলাম। সে আমার চুলে হাত বুলিয়ে বলল, "জানো, বিয়ের আগে আমি ভাবতাম, বউয়ের সঙ্গে প্রথম রাতে কী বলব।" আমি হেসে বললাম, "আর এখন?" "এখন মনে হচ্ছে, কথা না বললেও চলত।"
সে আমার ঘাড়ে চুমু খেল, ধীরে, নিচের দিকে নামতে নামতে। আমার শরীর আবার সাড়া দিচ্ছিল, যদিও পা দুটো কাঁপছিল। "আবার?" আমি জিজ্ঞেস করলাম, অবাক হয়ে। "আস্তে আস্তে," সে বলল, "এবার কোনো তাড়া নেই।" তার হাত আমার পেটের ওপর দিয়ে নিচে নামতে লাগল।
তার আঙুল আমার গুদে ঢুকল, ভেতরটা এখনও ভেজা, নরম। আমি তার ঠোঁটে ঠোঁট রাখলাম, জিভ দিয়ে খেলতে লাগলাম। সে আমার দুধের বোঁটা দুটো আঙুলে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে টানছিল। "তুমি তো দেখি থামতেই চাও না," আমি হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম। "তোমাকে দেখে থামা যায় না," সে উত্তর দিল।
আমরা আরেকবার মিলিত হলাম, এবার ধীরে, মুখোমুখি, চোখে চোখ রেখে। প্রতিটা ঠাপে সে আমার নাম ধরে ডাকছিল, "মৌ... মৌ।" আমি তার কানে বললাম, "আমি তোমার, শুধু তোমার।" এই ধীর, গভীর মিলনে আমার ভেতরে আবার জোয়ার উঠল, আর এবার আমরা দুজনে নিঃশব্দে, শুধু একে অপরকে আঁকড়ে ধরে চরমে পৌঁছলাম।
অনেকক্ষণ আমরা এভাবেই পড়ে রইলাম, একে অপরের ঘামে ভেজা। বাইরে তখন ভোরের আজান শুরু হয়েছে। আমি তার বুকে মাথা রেখে তার হৃদস্পন্দন শুনছিলাম। "দেবাশীষ," আমি ফিসফিস করলাম, "আমি ভেবেছিলাম প্রথম রাতটা ভয়ের হবে।" "আর এখন?" "এখন মনে হচ্ছে, ভয়টা শুধু শুরুর দশ মিনিটের ছিল।"
সে হেসে আমার কপালে চুমু খেল। তারপর গম্ভীর হয়ে বলল, "মৌ, একটা কথা। আজ থেকে তুমি আমার শুধু বউ না, আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু।" আমি তার চোখে তাকিয়ে বললাম, "আর তুমি আমার।" সে আমাকে আরও শক্ত করে জড়িয়ে ধরল।
আমি উঠে বাথরুমে গেলাম, ফিরে এসে দেখি সে বিছানার ফুলগুলো সরিয়ে জায়গা করছে। "এসো," সে বলল, হাত বাড়িয়ে। আমি তার পাশে শুয়ে পড়লাম, সে কম্বলটা আমাদের দুজনের গায়ে টেনে দিল। আমার মাথা তার বুকে, তার হাত আমার কোমরে।
"কাল সকালে মা জিজ্ঞেস করবে, ঘুম কেমন হলো," আমি হেসে বললাম। "বলবে, ঘুমই হয়নি," সে চোখ টিপে বলল। আমি তার বুকে একটা ঘুষি মারলাম, "অসভ্য!" সে আমার হাতটা ধরে চুমু খেল। "তোমার অসভ্য। শুধু তোমার।"
আমি তার বুকের ওপর হাত রাখলাম, তার হৃদস্পন্দন এখনও দ্রুত। বিছানায় ছড়িয়ে থাকা গোলাপের পাপড়িগুলো আমাদের ঘামে ভিজে গেছে। সে আমার কপালের ঘাম মুছে দিয়ে বলল, "তুমি কাঁপছ।" আমি বললাম, "ভয়ে না।"
আমি চোখ বন্ধ করলাম, কিন্তু ঘুম আসছিল না। শরীরে তখনও সেই উত্তেজনার রেশ। আমি তার কানে ফিসফিস করলাম, "দেবাশীষ, ভোর হতে এখনও অনেক দেরি।" সে চোখ খুলে আমার দিকে তাকাল, তার চোখে আবার সেই চকচকে ভাব। "তুমি কি বলতে চাইছ, বউ?" আমি শুধু হাসলাম, আর তার হাতটা টেনে আমার বুকের ওপর রাখলাম।
Readers who enjoyed “বাংলা সোহাগরাত গল্প: ফুলশয্যার প্রথম রাত” also read
8 curated storiesবাংলা বাসর রাতের গল্প: মৌমিতার প্রথম রাত
বাংলা বাসর রাতের গল্প: তিন মাসের অপেক্ষার পর মৌমিতা আর দেবাঞ্জনের প্রথম রাত। লাল বেনারসি, ফুলে সাজানো খাট আর দুটো ধড়ফড়ানো হৃদয়ের গরম কাহিনি।
বেঙ্গলি অ্যাডাল্ট স্টোরি: কলকাতায় রিমির গুদে অর্কর ধোন, প্রথম রাতের চোদা
কলকাতার এক আর্ট ছাত্রীর ছবি দেখে এক সিনিয়র তার জীবনে আসে, আর একটি প্রদর্শনীর সন্ধ্যা দুজনের গল্প বদলে দেয়।
পুরুলিয়ার চাঁদিলের পুরনো ছৌ মুখোশ কর্মশালায় শেষ মহড়ার পর চুলা নেভে গেলে কুমারী রংশিদ ঢাকিকে প্রথমবার সেই রাত দিল যা কোনো মঞ্চের কাহিনিতে আসে না
পুরুলিয়ার চাঁদিলের ছৌ মুখোশ কর্মশালা। শেষ মহড়া। চুলা নেভে। কুমারী মল্লিকা আর ঢাকি সূর্যকান্ত। সেই রাত যা মঞ্চে আসে না।
বাংলা নতুন বউ চোটি: ভোরের পুকুরঘাট
বিয়ের দুই রাত কেটেছে লজ্জায়। তৃতীয় দিনের ভোরে সুমন মিতালিকে নিয়ে যায় পুকুরঘাটে, আর সেখানে ঘটে তাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর প্রথম অভিজ্ঞতা।
বাংলা ফুলসজ্জা চটি গল্প: সুমনার প্রথম রাত
একটি বাংলা ফুলসজ্জা চটি গল্প: নদিয়ার গ্রামে নববধূ সুমনার ফুলশয্যার রাত, যেখানে লাজুক বর অরিন্দমকে সাহস জোগায় সে নিজেই।
বিষ্ণুপুরের শঙ্খ কর্মশালায় বর্ষার রাতে চুল্লির আগুন নিভে গেলে কুমারী কারিরিনী প্রথমবার পিতল খোদাইকারের হাতে নিজের শরীরের নকশা ছেড়ে দিল যা কোন শঙ্খে খোদাই হয় না
বিষ্ণুপুরের পুরনো শঙ্খখানায়ে বর্ষার রাতে চুল্লি নিভে। কুমারী মাধবী প্রথমবার পিতল খোদাইকার ইশানের হাতে নিজের শরীর ছেড়ে দিল।
রাজমিস্ত্রীর দুপুর
বাড়ির নতুন ঘর তোলার কাজে আসা রাজমিস্ত্রী সুবলকে এক তপ্ত দুপুরে দীপা সরবত দিতে গিয়ে এমন এক খেলায় জড়িয়ে পড়েন, যা বদলে দেয় দুজনের দিন।
নতুন চটি গল্প: এসি মেকানিকের সাথে সেই গরম দুপুর
দমদমের ফ্ল্যাটে এক গরম দুপুরে এসি সার্ভিস করতে আসে ছাব্বিশ বছরের রাজা, আর একটা সাধারণ সার্ভিস ভিজিট বদলে যায় মৌসুমির জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ দুপুরে।