বাংলা নতুন বউ চোটি: ভোরের পুকুরঘাট
এই বাংলা নতুন বউ চোটি শুরু হয় বিয়ের তৃতীয় দিনের ভোরে, যখন সুমন মিতালির কানে ফিসফিস করে বলল, «উঠো, সবাই ঘুমোচ্ছে। পুকুরঘাটে চলো।» মিতালির বুক ধড়ফড় করে উঠল। বিয়ের দুই রাত কেটে গেছে লজ্জায় আর অপেক্ষায়, আর এই ভোরে স্বামীর চোখে সে এমন কিছু দেখল যা তার শরীরের ভেতর আগুন ধরিয়ে দিল।
বাড়ি ভর্তি আত্মীয়। বারান্দায়, উঠোনে, ছাদে, যেখানে জায়গা পেয়েছে সেখানে মানুষ ঘুমোচ্ছে। নতুন বউয়ের ঘরের দরজা খুলে দুজনে পা টিপে টিপে বেরিয়ে এল। ভোরের হালকা আলোয় পুকুরের পানি চকচক করছিল, আর বাতাসে ভেজা মাটির গন্ধ।
পুকুরঘাটের সিঁড়িতে বসে সুমন মিতালির হাত ধরল। মিতালির হাত কাঁপছিল। চব্বিশ বছরের এই মেয়ে, বিয়ের আগে কোনো পুরুষের ছোঁয়া পায়নি, আর এখন তার স্বামী তার দিকে এমনভাবে তাকাচ্ছে যেন সে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর জিনিস।
«ভয় পাচ্ছ?» সুমন জিজ্ঞেস করল নরম গলায়। মিতালি মাথা নাড়ল। «একটু।» সুমন হাসল। «ভয়ের কিছু নেই। আমি তাড়াহুড়ো করব না। আজকের ভোরটা শুধু আমাদের।» এই বলে সে মিতালির গালে হাত রাখল, আর মিতালি চোখ বন্ধ করে সেই স্পর্শে ডুবে গেল।
সুমন প্রথমে তার ঠোঁটে চুমু খেল, খুব আলতো করে। মিতালির ঠোঁট কেঁপে উঠল। তারপর আরেকটু গভীর, আরেকটু দীর্ঘ। মিতালির হাত নিজে থেকেই উঠে সুমনের চুলে ডুবল, আর সে বুঝতেও পারল না কখন তার শরীর সুমনের দিকে ঝুঁকে পড়েছে।
ভোরের পুকুরঘাটে, পাখির ডাক আর পানির ছলছল শব্দের মধ্যে, দুজনে একে অপরের মধ্যে হারিয়ে যেতে লাগল। সুমনের হাত মিতালির পিঠ বেয়ে নিচে নামল, শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিল। মিতালির শ্বাস আটকে এল। «কেউ দেখে ফেলবে না তো?» «এই ভোরে কেউ ওঠে না। আর উঠলেও, আমরা স্বামী-স্ত্রী।»
এই কথাটা, আমরা স্বামী-স্ত্রী, মিতালির ভেতরে কী যেন খুলে দিল। সে নিজেই সুমনের গলা জড়িয়ে ধরল আর তাকে কাছে টেনে নিল। সুমন তার ব্লাউজের বোতাম একটা একটা করে খুলতে লাগল, প্রতিটা বোতামে মিতালির শ্বাস আরও ভারী হল।
ব্লাউজ খুলে যেতেই সুমন থমকে গেল। ভোরের আলোয় মিতালির শরীর, সাদা অন্তর্বাসের ভেতর থেকে উঁকি দেওয়া ভরাট বুক, সব যেন স্বপ্নের মতো লাগছিল। সে মিতালির বুকে মুখ গুঁজে দিল, অন্তর্বাসের ওপর দিয়েই চুমু খেতে লাগল। মিতালি সিঁড়িতে হেলান দিয়ে বসে পড়ল, মুখ থেকে বেরিয়ে এল একটা চাপা আর্তনাদ।
সুমন অন্তর্বাসের হুক খুলে দিল। মিতালির স্তন মুক্ত হতেই সুমন একটাকে মুখে নিল, আরেকটাকে হাতে নিয়ে আলতো করে টিপতে লাগল। মিতালির পুরো শরীরে শিহরণ বয়ে গেল। সে সুমনের মাথা চেপে ধরল নিজের বুকে, যেন আর ছাড়তে চায় না।
«সুমন...» মিতালির গলা কেঁপে উঠল। «হ্যাঁ, সোনা।» «আমার... আমার ভেতরে কেমন যেন হচ্ছে।» সুমন হাসল তার বুকের মধ্যে মুখ গুঁজেই। «সেটাই তো হওয়ার কথা।» এই বলে তার হাত নিচে নামল, শাড়ির ভেতর দিয়ে, মিতালির উরুর ওপর দিয়ে।
মিতালির উরু কেঁপে উঠল সুমনের স্পর্শে। সুমনের আঙুল ধীরে ধীরে ওপরে উঠল, আর মিতালি বুঝতে পারল তার শরীর ভিজে উঠছে এমনভাবে যা সে আগে কখনো অনুভব করেনি। লজ্জায় তার মুখ লাল হয়ে গেল। «দেখো না ওভাবে...» «কেন? তুমি আমার বউ। তোমার সবকিছু আমার।»
সুমন শাড়িটা পুরো খুলে ফেলল। ভোরের পুকুরঘাটে মিতালি বসে রইল শুধু অন্তর্বাসে, আর সুমন তাকে দেখল এমনভাবে যেন সে কোনো দেবী। তারপর সুমন নিজের পাঞ্জাবি খুলে ফেলল। মিতালি প্রথমবার কোনো পুরুষের খালি বুক দেখল, আর তার চোখ সরাতে পারল না।
«ছুঁয়ে দেখো,» সুমন বলল। মিতালি কাঁপা হাতে সুমনের বুকে হাত রাখল। শক্ত পেশি, দ্রুত ধড়ফড় করা হৃৎপিণ্ড। তার হাত নিচে নামল, পেট বেয়ে, আর সুমন তার হাত ধরে নিচে নিয়ে গেল। মিতালির হাত যখন সুমনের পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করল, সে চমকে উঠল।
«এত... বড়?» মিতালি ফিসফিস করল। সুমন হেসে ফেলল। «ভয় পেও না। আমি খুব আস্তে করব।» মিতালি কাঁপা হাতে সেটাকে ধরল, ওঠানামা করাল সুমনের নির্দেশে। সুমনের মুখে যে আনন্দের ছাপ ফুটল, তা দেখে মিতালির ভেতরে গর্ব আর উত্তেজনা একসাথে জেগে উঠল।
সুমন মিতালিকে শুইয়ে দিল সিঁড়ির ওপর বিছানো নিজের পাঞ্জাবির ওপর। পাথরের সিঁড়ি ঠান্ডা, কিন্তু দুজনের শরীরে আগুন। সুমন মিতালির অন্তর্বাস খুলে ফেলল, আর মিতালি লজ্জায় হাত দিয়ে ঢাকতে গেল। সুমন তার হাত সরিয়ে দিল আলতো করে। «ঢেকো না। তোমাকে দেখতে দাও।»
সুমন নিচে নেমে মিতালির উরুর ভেতরে চুমু খেতে লাগল, ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে লাগল। মিতালি বুঝতে পারছিল কী হতে চলেছে, আর ভয়ে-উত্তেজনায় তার পা কাঁপছিল। যখন সুমনের মুখ তার যোনিতে পৌঁছল, মিতালির মুখ থেকে বেরিয়ে এল একটা চিৎকার যা সে হাত দিয়ে চাপা দিল।
সুমনের জিভ মিতালির ভেতরে যে অনুভূতি জাগাল, তা মিতালির কল্পনার বাইরে ছিল। সে সিঁড়িতে ছটফট করতে লাগল, সুমনের মাথা চেপে ধরল, ছাড়ল, আবার ধরল। তার পুরো শরীর ধনুকের মতো বেঁকে গেল, আর তারপর এল সেই মুহূর্ত, এমন এক সুখের ঢেউ যা তার চোখে পানি এনে দিল।
«এটা... এটা কী ছিল?» মিতালি হাঁপাতে হাঁপাতে জিজ্ঞেস করল। সুমন ওপরে উঠে তাকে জড়িয়ে ধরল। «এটা তো শুরু। আসলটা এখনো বাকি।» মিতালির চোখ বড় বড় হয়ে গেল। «আরও আছে?» «অনেক কিছু আছে, সোনা। সারা জীবন ধরে শিখবি।»
সুমন নিজের পাজামা খুলে ফেলল। মিতালি তাকে পুরো নগ্ন দেখে লজ্জায় মুখ ঘুরিয়ে নিল, কিন্তু চোখের কোণা দিয়ে দেখতে থাকল। সুমন তার ওপরে উঠল, দুই হাতে ভর দিয়ে, আর তার পুরুষাঙ্গ মিতালির ভেজা যোনির মুখে ঠেকল।
«শ্বাস নাও,» সুমন বলল। «আর আমার দিকে তাকাও।» মিতালি তার চোখে তাকাল। সেই চোখে এত ভালোবাসা আর কামনা ছিল যে মিতালির ভয় গলে গেল। সুমন ধীরে ধীরে ভেতরে ঢুকল, একটু একটু করে।
প্রথমে একটা চিনচিনে ব্যথা হল। মিতালি সুমনের পিঠ খামচে ধরল। সুমন থেমে গেল, তার কপালে চুমু খেল, অপেক্ষা করল। «ব্যথা করছে?» «একটু। কিন্তু থেমো না।» সুমন আবার এগোল, আরও গভীরে, যতক্ষণ না পুরোটা ভেতরে।
দুজনে এক মুহূর্ত স্থির হয়ে রইল, একে অপরের চোখে তাকিয়ে, সম্পূর্ণ এক হয়ে। মিতালি অনুভব করল তার ভেতরে সুমনের ধড়ফড়ানি, আর নিজের হৃৎপিণ্ডের ধ্বনি। এই মুহূর্তটা, এই পূর্ণতা, সে সারা জীবন মনে রাখবে।
তারপর সুমন নড়তে শুরু করল, ধীরে ধীরে, প্রতিটা গতিতে মিতালির নাম ফিসফিস করে। মিতালি তার তালে তাল মেলাতে শিখল, কোমর উঁচু করল, সুমনকে আরও গভীরে নিল। ব্যথা কখন সুখে বদলে গেল, সে বুঝতেও পারল না।
ভোরের আলো বাড়ছিল। পুকুরের পানিতে তাদের ছায়া দুলছিল। সুমনের গতি বাড়ল, মিতালির নখ তার পিঠে গভীর দাগ কাটল। দুজনের শ্বাস এক হয়ে গেল, আর্তনাদ এক হয়ে গেল। মিতালি অনুভব করল ভেতরে আরেকটা ঢেউ উঠছে, এবার আরও বড়, আরও গভীর।
সে চিৎকার করে উঠল সুমনের নাম ধরে, পুরো শরীর কেঁপে উঠল, আর সুমন তার ঠিক পরেই নিজেকে ছেড়ে দিল, মিতালির ভেতরে, গভীরে, তার মুখ মিতালির ঘাড়ে গুঁজে। দুজনে ঘামে ভেজা, হাঁপাতে হাঁপাতে, একে অপরের ওপর পড়ে রইল।
অনেকক্ষণ কেউ কথা বলল না। শুধু পাখির ডাক, পানির শব্দ, আর দুটো দ্রুত হৃৎপিণ্ডের ধ্বনি। তারপর মিতালি হেসে ফেলল, চোখে পানি নিয়ে। «আমি ভাবতাম এটা ভয়ের জিনিস।» সুমন তার চোখের পানি মুছে দিল। «আর এখন?» «এখন মনে হচ্ছে, এতদিন কী মিস করেছি।»
দুজনে পুকুরের পানিতে নেমে গা ধুয়ে নিল। ঠান্ডা পানি গরম শরীরে লাগতেই দুজনে হেসে উঠল। সুমন পানি ছিটিয়ে দিল মিতালির গায়ে, মিতালি পাল্টা ছিটাল। ভোরের পুকুরঘাটে নবদম্পতির হাসি ছড়িয়ে পড়ল চারদিকে।
কাপড় পরে বাড়ি ফেরার পথে মিতালি সুমনের হাত শক্ত করে ধরল। «কালও আসবে?» সুমন হাসল। «কাল, পরশু, যতদিন এই বাড়িতে আছি। তারপর আমাদের নিজের বাড়িতে, নিজের ঘরে, দরজা বন্ধ করে।» মিতালির মুখে লাজুক হাসি ফুটল, কিন্তু চোখে ছিল নতুন জেগে ওঠা এক নারীর ঝিলিক।
বাড়ি ঢুকে দেখল তখনো সবাই ঘুমোচ্ছে। কেউ জানল না যে পুকুরঘাটের সিঁড়িতে, ভোরের আলোয়, একটা মেয়ে নারী হয়ে উঠেছে। মিতালি নিজের ঘরে ঢুকে আয়নায় নিজেকে দেখল। একই মুখ, কিন্তু চোখে কী যেন বদলে গেছে। সে আয়নার দিকে তাকিয়ে হাসল।
সেদিন সারা দিন মিতালি কাজ করল অন্যমনস্কভাবে। রান্নাঘরে শাশুড়ি জিজ্ঞেস করল, «বউমা, মুখ এত লাল কেন?» মিতালি বলল, «গরম লাগছে মা।» কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে জানত, এই লালিমার কারণ ভোরের পুকুরঘাট, আর সেই কারণ সে কাউকে বলবে না। এটা শুধু তার আর সুমনের গোপন কথা।
রাতে বিছানায় শুয়ে সুমন মিতালিকে জড়িয়ে ধরল। «ঘুম পাচ্ছে?» «না।» «তাহলে?» মিতালি নিজেই সুমনের দিকে ঘুরল, তার ঠোঁটে চুমু খেল। এবার আর লজ্জা নেই, ভয় নেই। শুধু আছে জানা সুখের হাতছানি। সুমন অবাক হয়ে হাসল। «দেখছি আমার বউ তাড়াতাড়ি শিখে যাচ্ছে।»
সেই রাতে, বাড়ি ভর্তি ঘুমন্ত মানুষের মাঝে, নিঃশব্দে, চাদরের নিচে, দুজনে আবার এক হল। এবার মিতালি নিজে ওপরে উঠল, সুমনকে অবাক করে দিয়ে। «তুমি শিখিয়েছ, এখন আমি দেখাচ্ছি,» সে ফিসফিস করল। সুমন হেসে তার কোমর ধরল, আর দুজনে ডুবে গেল আরেকটা ভোরের অপেক্ষায়।
পরের ভোরে আবার পুকুরঘাট। এবার মিতালি নিজেই সুমনকে জাগাল, তার কানে ফিসফিস করে। «চলো।» সুমন ঘুমচোখে হাসল। «আমার বউ তো দেখছি নেশায় পড়ে গেছে।» «তোমার দোষ,» মিতালি বলল, লজ্জায় মুখ লুকিয়ে। «তুমিই শিখিয়েছ।»
সেই ভোরে মিতালি আরও সাহসী ছিল। পুকুরঘাটে পৌঁছেই সে নিজে সুমনের পাঞ্জাবির বোতাম খুলতে শুরু করল। সুমন অবাক হয়ে দেখল তার লাজুক বউ কেমন বদলে গেছে দুই ভোরে। «আস্তে, সোনা,» সে বলল, কিন্তু তার গলায় ছিল আনন্দের সুর।
মিতালি সিঁড়িতে বসে সুমনকে নিজের মুখের কাছে টানল। গত ভোরে যা দেখেছিল, আজ তা নিজে করে দেখাতে চাইল। সুমন তার মাথায় হাত রেখে নির্দেশ দিল, আর মিতালি শিখল দ্রুত, প্রতিটা প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করে। সুমনের গোঙানি শুনে তার ভেতরে জেগে উঠল এক অদ্ভুত ক্ষমতার অনুভূতি।
তারপর সুমন তাকে তুলে নিল কোলে, পুকুরের অগভীর পানিতে নামল। পানি কোমর পর্যন্ত। ভেজা শরীরে দুজনে জড়াজড়ি করে দাঁড়িয়ে রইল, আর সুমন মিতালিকে পানির ভেতরেই নিজের করে নিল, ধীরে ধীরে, পানির ছলছল শব্দে তাদের আর্তনাদ ঢেকে গেল। মিতালির পা পানিতে ভেসে উঠল, সে সুমনের গলা আঁকড়ে ধরল।
এই নতুন অভিজ্ঞতা, পানির ভেতরে মিলন, দুজনকেই পাগল করে দিল। মিতালি সুমনের কানে কামড়ে ধরল, সুমন তার ভেজা বুকে মুখ গুঁজল। পুকুরের পানি তাদের চারপাশে ঢেউ তুলল, আর ভোরের আকাশে তখন লালচে আভা।
বাড়ি ফিরে মিতালি দেখল শাশুড়ি উঠে পড়েছেন। «বউমা, এত ভোরে কোথায় গেছিলে?» মিতালির বুক ধড়ফড় করল, কিন্তু সে শান্ত গলায় বলল, «পুকুরে মুখ ধুতে গেছিলাম মা, ঘুম আসছিল না।» শাশুড়ি তাকে আপাদমস্তক দেখলেন, তার ভেজা চুল, লাল মুখ। তার ঠোঁটের কোণে একটা রহস্যময় হাসি ফুটল। «হুম,» তিনি শুধু বললেন, আর রান্নাঘরের দিকে চলে গেলেন।
মিতালি বুঝল, শাশুড়ি হয়তো সব বোঝেন। বড়রা সব বোঝে, শুধু বলে না। এই ভাবনায় তার লজ্জা আরও বাড়ল, কিন্তু ভেতরে একটা মিষ্টি অনুভূতিও হল। এটাই তো জীবন, এটাই তো সংসার।
এই ছিল মিতালির প্রথম রাত্রির গল্প। কিন্তু গল্প এখানে শেষ নয়। সামনে আছে নতুন বাড়ি, নতুন ঘর, বন্ধ দরজা আর অফুরন্ত রাত। মিতালি এখন জানে, নারী হওয়ার আসল মানে কী। আর সুমন জানে, তার বউয়ের চোখের এই নতুন ঝিলিকের পেছনে আছে তারই দেওয়া প্রথম ভোরের উপহার।
Readers who enjoyed “বাংলা নতুন বউ চোটি: ভোরের পুকুরঘাট” also read
8 curated storiesবাংলা বাসর রাতের গল্প: মৌমিতার প্রথম রাত
বাংলা বাসর রাতের গল্প: তিন মাসের অপেক্ষার পর মৌমিতা আর দেবাঞ্জনের প্রথম রাত। লাল বেনারসি, ফুলে সাজানো খাট আর দুটো ধড়ফড়ানো হৃদয়ের গরম কাহিনি।
বেঙ্গলি অ্যাডাল্ট স্টোরি: কলকাতায় রিমির গুদে অর্কর ধোন, প্রথম রাতের চোদা
কলকাতার এক আর্ট ছাত্রীর ছবি দেখে এক সিনিয়র তার জীবনে আসে, আর একটি প্রদর্শনীর সন্ধ্যা দুজনের গল্প বদলে দেয়।
পুরুলিয়ার চাঁদিলের পুরনো ছৌ মুখোশ কর্মশালায় শেষ মহড়ার পর চুলা নেভে গেলে কুমারী রংশিদ ঢাকিকে প্রথমবার সেই রাত দিল যা কোনো মঞ্চের কাহিনিতে আসে না
পুরুলিয়ার চাঁদিলের ছৌ মুখোশ কর্মশালা। শেষ মহড়া। চুলা নেভে। কুমারী মল্লিকা আর ঢাকি সূর্যকান্ত। সেই রাত যা মঞ্চে আসে না।
বাংলা ফুলসজ্জা চটি গল্প: সুমনার প্রথম রাত
একটি বাংলা ফুলসজ্জা চটি গল্প: নদিয়ার গ্রামে নববধূ সুমনার ফুলশয্যার রাত, যেখানে লাজুক বর অরিন্দমকে সাহস জোগায় সে নিজেই।
বিষ্ণুপুরের শঙ্খ কর্মশালায় বর্ষার রাতে চুল্লির আগুন নিভে গেলে কুমারী কারিরিনী প্রথমবার পিতল খোদাইকারের হাতে নিজের শরীরের নকশা ছেড়ে দিল যা কোন শঙ্খে খোদাই হয় না
বিষ্ণুপুরের পুরনো শঙ্খখানায়ে বর্ষার রাতে চুল্লি নিভে। কুমারী মাধবী প্রথমবার পিতল খোদাইকার ইশানের হাতে নিজের শরীর ছেড়ে দিল।
বাংলা সোহাগরাত গল্প: ফুলশয্যার প্রথম রাত
বিয়ের রাতে ফুলে সাজানো বিছানায় অচেনা দুটি মানুষ। মৌয়ের লজ্জা আর দেবাশীষের ধৈর্য ধীরে ধীরে রূপ নিল গভীর ভালোবাসায়। একটি বাংলা সোহাগরাত গল্প, যা মনে থাকবে।
রাজমিস্ত্রীর দুপুর
বাড়ির নতুন ঘর তোলার কাজে আসা রাজমিস্ত্রী সুবলকে এক তপ্ত দুপুরে দীপা সরবত দিতে গিয়ে এমন এক খেলায় জড়িয়ে পড়েন, যা বদলে দেয় দুজনের দিন।
নতুন চটি গল্প: এসি মেকানিকের সাথে সেই গরম দুপুর
দমদমের ফ্ল্যাটে এক গরম দুপুরে এসি সার্ভিস করতে আসে ছাব্বিশ বছরের রাজা, আর একটা সাধারণ সার্ভিস ভিজিট বদলে যায় মৌসুমির জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ দুপুরে।