বাংলা জামাই চটি গল্প: শাশুড়ির বাড়িতে সেই রাত

S
9 min read2 readers
Font:
0:000:00
Share Story:

ট্যাক্সি থেকে নামতেই রাহুল দেখল দরজা খুলে দাঁড়িয়ে আছেন মৌসুমী, গায়ে হালকা গোলাপি শাড়ি, চুল খোলা, কপালে ঘামের ফোঁটা, আর এই বাংলা জামাই চটি গল্পটা ঠিক সেই মুহূর্ত থেকেই শুরু হয়ে গেল যেদিন জামাই শ্বশুরবাড়িতে একা এসে উঠল।

"এসো এসো, ভেতরে এসো," মৌসুমী বললেন, হাসিমুখে স্যুটকেসটা ধরতে এগিয়ে এলেন। রান্নাঘরের গরমে তাঁর শাড়ির আঁচল ঘামে ভিজে বুকের সঙ্গে লেপ্টে ছিল, ব্লাউজের ভেতর থেকে তাঁর ভরাট বুকের আকৃতি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। রাহুল চোখ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করল, কিন্তু পারল না। পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সেও মৌসুমীর শরীর ছিল টানটান, চোখে একটা অদ্ভুত আমন্ত্রণ।

রাহুলের বউ প্রিয়া অফিসের ট্যুরে দিল্লি গিয়েছিল চার দিনের জন্য। শ্বশুর মারা গিয়েছিলেন তিন বছর আগে। বালিগঞ্জের এই পুরনো বাড়িতে মৌসুমী একাই থাকতেন। প্রিয়া ফোনে বলেছিল, "তুমি মায়ের ওখানে গিয়ে থাকো, মা একা ভয় পায়।" রাহুল এসেছিল শনিবার সন্ধ্যায়, ভেবেছিল দুটো দিন শাশুড়ির সঙ্গে গল্প করে কাটিয়ে দেবে। কিন্তু দরজা খুলতেই যে দৃশ্য দেখল, তাতে তার বুকের ভেতর কিছু একটা নড়ে উঠল।

"বসো, আমি চা নিয়ে আসছি," মৌসুমী বললেন। রাহুল সোফায় বসল। মৌসুমী যখন চায়ের ট্রে নিয়ে ঝুঁকলেন, তখন তাঁর আঁচল সরে গেল আর রাহুলের চোখ পড়ল তাঁর গভীর ক্লিভেজের ওপর। মৌসুমী সেটা লক্ষ্য করলেন, কিন্তু আঁচল ঠিক করলেন না। বরং একটু হেসে বললেন, "কী দেখছ, জামাই?" রাহুলের গলা শুকিয়ে গেল। "কই, কিছু না তো," সে তোতলাল।

মৌসুমী তার পাশে বসলেন, এত কাছে যে তাঁর গায়ের গন্ধ রাহুলের নাকে এল। "তুমি তো বড় লাজুক," তিনি বললেন, চায়ের কাপটা তার হাতে দিয়ে। "প্রিয়া বলে তুমি নাকি খুব ভদ্র।" তাঁর আঙুল রাহুলের আঙুলে ছুঁয়ে গেল কাপ দেওয়ার সময়, আর সেই ছোঁয়ায় রাহুলের শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল। মৌসুমীর চোখে একটা দুষ্টুমির ঝিলিক ছিল, যেটা রাহুল আগে কখনো দেখেনি।

রাতের খাবারের সময় মৌসুমী রান্নাঘর থেকে বারবার আসা যাওয়া করছিলেন। প্রতিবার ঝুঁকলে তাঁর বুকের অনেকটা দেখা যাচ্ছিল। রাহুল বুঝতে পারছিল এটা ইচ্ছাকৃত। তার ধোন প্যান্টের ভেতর শক্ত হয়ে উঠছিল। "মা, আপনি বসুন, আমি নিয়ে আসছি," সে বলল। "আরে না না, তুমি অতিথি," মৌসুমী বললেন, কিন্তু তাঁর গলায় একটা খেলার সুর ছিল।

খাওয়া শেষে রাহুল বাসন ধুতে রান্নাঘরে গেল। মৌসুমীও এলেন। সরু রান্নাঘরে দুজনে পাশাপাশি দাঁড়াল। মৌসুমী যখন বাসন রাখতে উঁচু তাকে হাত বাড়ালেন, তাঁর শাড়ি কোমর থেকে সরে গেল, মসৃণ পেট আর নাভি দেখা গেল। রাহুলের হাত কেঁপে একটা বাটি পড়ে যেতে নিল, মৌসুমী সেটা ধরে ফেললেন, আর সেই ফাঁকে তাঁর বুক রাহুলের হাতে ঘষা খেল। "সরি মা," রাহুল বলল। মৌসুমী তাঁর দিকে তাকিয়ে রইলেন কয়েক সেকেন্ড, কিছু বললেন না, শুধু হাসলেন। সেই হাসিতে লজ্জা ছিল না, ছিল অন্য কিছু।

বাসন ধোয়া শেষে মৌসুমী হাত মুছতে মুছতে বললেন, "তুমি অনেক বদলে গেছ, রাহুল। বিয়ের সময় তো কথাই বলতে না।" "এখনো বলি না," রাহুল হাসল। "কিন্তু চোখ তো বলে," মৌসুমী বললেন, আর রাহুলের বুক ধড়াস করে উঠল। তিনি এক পা এগিয়ে এলেন। রান্নাঘরের টিউবলাইটের আলোয় তাঁর মুখ উজ্জ্বল। "আমি জানি তুমি সন্ধ্যা থেকে কী দেখছ।" রাহুল কিছু বলতে গেল, মৌসুমী তাঁর ঠোঁটে আঙুল রাখলেন। "শশশ। কিছু বলতে হবে না। শুধু ওপরে এসো, ঘরটা দেখিয়ে দিই।"

সিঁড়ি দিয়ে ওঠার সময় মৌসুমী আগে আগে হাঁটছিলেন। প্রতিটি ধাপে তাঁর পাছা দুলছিল, শাড়ির ভেতর দিয়ে তার আকৃতি স্পষ্ট। রাহুল পেছন থেকে দেখছিল, তার ধোন আবার শক্ত হয়ে উঠছিল। দোতলার করিডরে আলো কম ছিল। মৌসুমী ঘরের দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলেন, রাহুল পেছন পেছন। দরজাটা হালকা ভেজিয়ে দিলেন তিনি।

ঘরের ভেতর ঢুকে মৌসুমী আলো জ্বালালেন। বিছানায় নতুন চাদর পাতা ছিল। "এই ঘরেই থাকো," তিনি বললেন। তারপর হঠাৎ থেমে রাহুলের দিকে তাকালেন। "তিন বছর হয়ে গেল, এই বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ রাতে থাকেনি।" তাঁর গলা কেঁপে উঠল। রাহুলের বুক ধড়ফড় করল। "মা..." "চুপ," মৌসুমী বললেন, এগিয়ে এসে। "আজ রাতে আমাকে মা বোলো না।"

রাহুল হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। মৌসুমী তার একদম কাছে এসে দাঁড়ালেন। তাঁর শ্বাস রাহুলের মুখে লাগছিল। "তুমি যখন দরজায় দাঁড়িয়ে আমাকে দেখছিলে, আমি বুঝেছিলাম," তিনি ফিসফিস করে বললেন। "পুরুষের চোখ আমি চিনি। তিন বছর ধরে কেউ আমাকে ওভাবে দেখেনি।" তাঁর হাত রাহুলের বুকে রাখলেন। রাহুলের হৃৎস্পন্দন বেড়ে গেল।

"এটা ঠিক নয়," রাহুল বলল, কিন্তু তার পা নড়ল না। "প্রিয়া..." "প্রিয়া দিল্লিতে," মৌসুমী বললেন, আর তাঁর হাত নিচে নামতে লাগল। "যা হবে, এই বাড়ির চার দেওয়ালের ভেতরেই থাকবে। কেউ জানবে না।" তাঁর হাত রাহুলের প্যান্টের ওপর দিয়ে তার শক্ত ধোনটা চেপে ধরল। রাহুল দম বন্ধ করে ফেলল। মৌসুমী হাসলেন। "দেখো, তোমার শরীর তো না বলছে না।"

রাহুল আর নিজেকে ধরে রাখতে পারল না। সে মৌসুমীকে জড়িয়ে ধরল আর তাঁর ঠোঁটে চুমু খেল। মৌসুমী প্রথমে চমকে গেলেন, তারপর সাড়া দিলেন প্রবলভাবে। তাঁর জিভ রাহুলের মুখের ভেতর ঢুকে গেল। রাহুলের হাত তাঁর পিঠ বেয়ে নিচে নামল, শাড়ির ওপর দিয়েই তাঁর পাছা চেপে ধরল। মৌসুমী গোঙালেন। "আহ, রাহুল..."

রাহুল তাঁর শাড়ির আঁচল টেনে খুলে ফেলল। মৌসুমীর ব্লাউজ ঘামে ভেজা ছিল। রাহুল ব্লাউজের বোতাম খুলতে লাগল একটা একটা করে। ভেতরে কালো ব্রা, তার ভেতর থেকে উপচে পড়ছে তাঁর বড় বড় দুধ। রাহুল ব্রার হুক খুলে দিল আর মৌসুমীর দুধ দুটো মুক্ত হয়ে ঝুলতে লাগল। রাহুল একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে লাগল। মৌসুমী চিৎকার করে উঠলেন। "আহ, চোষো, জোরে চোষো।"

তাঁর শাড়ি খুলে মেঝেতে পড়ল। পেটিকোটের দড়ি খুলে দিল রাহুল। মৌসুমী এখন শুধু প্যান্টিতে দাঁড়িয়ে। রাহুল প্যান্টিটা নামিয়ে দিল। তাঁর গুদ রাহুলের সামনে উন্মুক্ত, ভেজা আর ফোলা। রাহুল তাঁকে বিছানায় শুইয়ে দিল, পা দুটো ফাঁক করে দিল। তারপর মুখ নামিয়ে তাঁর গুদে জিভ বোলাতে লাগল। মৌসুমীর শরীর কেঁপে উঠল। "ওহ ভগবান, ওহ..."

মৌসুমীর গুদ থেকে রস গড়িয়ে পড়ছিল, রাহুল সেটা চেটে নিচ্ছিল। তাঁর জিভ গুদের ভেতর ঢুকছিল বেরোচ্ছিল। মৌসুমীর হাত রাহুলের চুল খামচে ধরেছিল। "আর পারছি না, এবার ঢোকাও," তিনি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন। রাহুল উঠে নিজের জামা খুলে ফেলল, প্যান্ট খুলল। তাঁর ধোন লোহার মতো শক্ত, মৌসুমীর চোখে লোভ।

মৌসুমী উঠে বসে রাহুলের ধোনটা হাতে নিলেন। "এত বড়," তিনি বললেন, তারপর মুখে নিলেন। তাঁর মুখের গরমে রাহুল পাগল হয়ে গেল। মৌসুমী দক্ষভাবে চুষছিলেন, জিভ দিয়ে ধোনের চারপাশে ঘোরাচ্ছিলেন। তিন বছরের ক্ষুধা তাঁর প্রতিটি চোষায় ফুটে উঠছিল। রাহুল তাঁর মাথা ধরে মুখের ভেতর ধোনটা আগে পিছে করতে লাগল।

মৌসুমী তখন রাহুলকে বিছানায় ঠেলে শুইয়ে দিলেন, নিজে তার ওপর উঠলেন। "এবার আমি," তিনি বললেন, ধোনটা হাতে নিয়ে নিজের গুদের মুখে রাখলেন, তারপর ধীরে ধীরে বসে পড়লেন। রাহুলের ধোন পুরোটা তাঁর ভেতরে ঢুকে গেল। মৌসুমী ওঠানামা করতে লাগলেন, প্রথমে ধীরে, তারপর জোরে। তাঁর দুধ দুটো লাফাচ্ছিল, রাহুল সেগুলো হাতে নিয়ে চেপে ধরল। "আহ, কী ভালো লাগছে," মৌসুমী গোঙাচ্ছিলেন। তাঁর গতি বাড়ছিল, রাহুলের হাত তাঁর পাছায়। কয়েক মিনিটের মধ্যেই তিনি আবার এলেন, শরীর কেঁপে, গুদ থেকে রস ঝরে রাহুলের পেট ভিজিয়ে দিল।

তারপর রাহুল তাঁকে বিছানায় ফেলে তাঁর ওপর উঠল। ধোনটা গুদের মুখে রেখে এক ধাক্কায় ভেতরে ঢুকিয়ে দিল। মৌসুমী জোরে চিৎকার করলেন। "আহ, ফাটিয়ে দিলে।" তাঁর গুদ টাইট ছিল, তিন বছর কোনো পুরুষ ঢোকেনি। রাহুল ধীরে ধীরে চুদতে লাগল, গতি বাড়িয়ে। বিছানা ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ করছিল। মৌসুমীর দুধ দুটো প্রতিটি ধাক্কায় লাফাচ্ছিল।

"জোরে, আরও জোরে চোদো আমাকে," মৌসুমী চিৎকার করছিলেন। তাঁর পা রাহুলের কোমরে জড়ানো। রাহুলের প্রতিটি ধাক্কায় তিনি কেঁপে উঠছিলেন। "তোমার শাশুড়িকে চুদছ, কেমন লাগছে, জামাই?" এই কথা শুনে রাহুলের উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল। সে আরও জোরে চুদতে লাগল। মৌসুমীর গুদ তাঁর ধোনটাকে কামড়ে ধরছিল।

প্রথমবার মৌসুমীর শরীর কেঁপে উঠল, তিনি এলেন। তাঁর গুদ থেকে রসের বন্যা বইল। "আমি এলাম, আমি এলাম," তিনি চিৎকার করলেন। রাহুল থামল না। সে তাঁকে উল্টে দিয়ে পেছন থেকে ঢুকল। মৌসুমীর পাছা তাঁর চোখের সামনে, সে তাঁর চুল ধরে জোরে জোরে চুদতে লাগল। মৌসুমী বালিশে মুখ গুঁজে গোঙাচ্ছিলেন।

তারপর রাহুল তাঁকে তুলে দাঁড় করাল, দেওয়ালে ঠেকিয়ে এক পা তুলে ধরে আবার ঢুকল। এই পজিশনে ধোনটা আরও গভীরে যাচ্ছিল। মৌসুমীর চোখ উল্টে যাচ্ছিল। "মরে যাব, আমি মরে যাব," তিনি বিড়বিড় করছিলেন। রাহুল তাঁর দুধ দুটো চেপে ধরে চুদছিল। ঘর ভরে গিয়েছিল শরীরের ঠোকাঠুকির শব্দে আর দুজনের হাঁপানিতে।

অবশেষে রাহুলের আসার সময় হল। সে ধোনটা বের করে মৌসুমীর পেটের ওপর আর দুধের ওপর বীৰ্য ফেলল। মৌসুমী আঙুল দিয়ে সেটা তুলে চেটে নিলেন, হাসলেন। "তিন বছর পর," তিনি বললেন, হাঁপাতে হাঁপাতে। "তিন বছর পর আমি আবার নারী হলাম।" রাহুল তাঁর পাশে ধপ করে পড়ল। দুজনেই ঘামে ভেজা, হাঁপাচ্ছে।

কিছুক্ষণ পর মৌসুমী উঠে বাথরুমে গেলেন। ফিরে এসে রাহুলের পাশে শুলেন, তাঁর মাথা রাহুলের বুকে। "প্রিয়াকে কিছু বোলো না," তিনি বললেন। রাহুল তাঁর চুলে হাত বোলাল। "কেউ জানবে না।" মৌসুমী হাসলেন। "তুমি কালও আছো, পরশুও আছো।" তাঁর হাত আবার নিচে নামতে লাগল, রাহুলের ধোনটা আলতো করে চেপে ধরল। "দেখো, ও আবার তৈরি," তিনি ফিসফিস করে বললেন। রাহুল বুঝল, এই রাত এখনো শেষ হয়নি। তাঁর হাত মৌসুমীর পিঠ বেয়ে নিচে নামল, তাঁর নরম পাছা চেপে ধরল। মৌসুমী তাঁর বুকে মুখ গুঁজে গোঙালেন। বাইরে রাত গভীর, বাড়ি নিস্তব্ধ, আর বিছানায় দুটো শরীর আবার একে অপরের দিকে এগিয়ে গেল।

দ্বিতীয়বারের পর মৌসুমী রাহুলকে বাথরুমে টেনে নিয়ে গেলেন। শাওয়ারের নিচে দাঁড়িয়ে তিনি তাঁর ভেজা শরীর রাহুলের শরীরে ঘষলেন। পানির ধারায় দুজনের গা ভিজে একাকার। মৌসুমী হাঁটু গেড়ে বসে আবার তাঁর ধোনটা মুখে নিলেন, পানির মধ্যে চুষতে লাগলেন। রাহুল দেয়ালে হাত ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তারপর তিনি উঠে দাঁড়িয়ে রাহুলের দিকে পেছন ফিরলেন, হাত দেয়ালে রেখে কোমর বাঁকালেন। রাহুল পেছন থেকে তাঁর ভেজা গুদে ঢুকল। শাওয়ারের শব্দে তাঁদের গোঙানি ঢাকা পড়ে গেল। মৌসুমী বারবার বলছিলেন, "থেমো না, থেমো না।"

সেই রাতে তারা তিনবার মিলিত হল। প্রতিবার মৌসুমী নতুন করে উন্মাদ হয়ে উঠছিলেন, যেন তিন বছরের জমানো ক্ষুধা এক রাতেই মেটাতে চান। ভোর চারটেয় যখন তারা ঘুমাল, মৌসুমী রাহুলের কানে ফিসফিস করে বললেন, "জামাই, তুমি আমার বাড়িতে যতদিন থাকবে, প্রতিটা রাত আমার।" রাহুল তাঁকে জড়িয়ে ধরে চোখ বন্ধ করল, তাঁর শরীরের গন্ধে ডুবে গেল।

সকালে কলিং বেল বাজল। প্রিয়ার ফোন, সে বলল ট্যুর আরও দুদিন বাড়তে পারে। ফোন রেখে মৌসুমী রাহুলের দিকে তাকিয়ে চোখ মারলেন। রাহুল হাসল। বাইরে রোদ উঠেছে, আর এই বাড়ির ভেতর তাদের গোপন খেলা আরও দুটো রাত চলবে, এটা ভেবেই রাহুলের শরীরে আবার শিহরণ খেলে গেল।

Rate this story

🔥 NEXT CHAPTER IN LINE

Married Cheating

বাংলা কাকিমা চটি গল্প: সোমা কাকিমার গুদামঘর

দুপুরের আগেই সোমা কাকিমা বিপ্লবকে ডাকলেন গুদামঘর থেকে চালের বস্তা আনতে। পেছন পেছন ঢুকে তিনি দরজায় ছিটকিনি লাগিয়ে দিলেন। এরপর যা ঘটল, তা এই বাংলা কাকিমা চটি গল্পে পুরোটা লেখা আছে, কিছু বাদ না রেখে।

Read Next Story

More stories by Sharmistha Bose

View all →

Readers who enjoyed “বাংলা জামাই চটি গল্প: শাশুড়ির বাড়িতে সেই রাত” also read

8 curated stories
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

কাকিমা চটি গল্প: সেলাই ঘরের গরম দুপুর

চাকরি হারিয়ে বাড়ি ফেরা রাজিবকে পাড়ার শেফালি কাকিমা ডাকলেন ভারী সেলাই মেশিন সরানোর কাজে। সেলাই ঘরের গরম দুপুরে যা ঘটল, তা এই কাকিমা চটি গল্পে পুরোটা লেখা আছে।

⏱️ 9 min read•👁️ 3 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

বাংলা পরকীয়া চটি গল্প: রেকর্ড রুমের গোপন সন্ধ্যা

রুমার জীবনের এই বাংলা পরকীয়া চটি গল্প শুরু হয়েছিল ব্যাংকের রেকর্ড রুমে এক গোপন সন্ধ্যায়, যেখানে সৌরভের একটা স্পর্শ বদলে দিল সবকিছু।

⏱️ 9 min read•👁️ 2 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদ (পর্ব ২)

ভোরের ছাদে ধরা পড়ার ভয় সত্যি হলো। চায়ের দোকানের ছেলের ফোনে ওদের ছবি, দাবি বিশ হাজার টাকা। তানিয়া আর সায়ন রাতে নামল নিচে, আর তারপর দাদার ঘরে অপেক্ষা করছিল প্রতিশ্রুত সেই রাত।

⏱️ 9 min read•👁️ 2 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

বাংলা বউ চোদা: উপরের ফ্ল্যাটে গাছে জল দিতে গিয়ে শম্পা

বাংলা বউ চোদা: স্বামী হালদিয়ায়, শম্পা একা। উপরের ফ্ল্যাটের বিধুর অরিন্দম গাছে জল দিতে বলে, একদিন আগে ফিরে আসে, আর শুরু হয় নিষিদ্ধ খেলা।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

যখন হাওড়া স্টেশনের পেছনের ছাপাখানার রাতের শিফট বন্ধ হল না তখন বিবাহিত প্রুফরিডার মেশিনম্যানের কালির হাতে নিজেকে সমর্পণ করল যা বিয়ের কার্ডে ছাপা যায়

হাওড়া স্টেশনের পেছনে পুরনো ছাপাখানা। বিয়ের কার্ডের প্রুফ। রাতের শিফটে মল্লিকা আংটি খুলে রফিকের হাতে নিজেকে সমর্পণ করল।

⏱️ 14 min read•👁️ 1 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদ (পর্ব ১)

দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদে দেবর সায়নের সঙ্গে বৌদি তানিয়ার নিষিদ্ধ টান। দাদা শিলিগুড়ি যেতেই ছাদের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ হলো। পর্ব ১।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

বাংলা দেওর বৌদি চটি: সুমনের ডায়েরি

একটি বাংলা দেওর বৌদি চটি যেখানে বৌদি রুমা দেওরের গোপন ডায়েরি পড়ে ফেলে। তারপর যা হয়, তা কেউ ভাবেনি।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views
Married Cheatingবাংলা (Bengali)

বাংলા বৌদি চোদা 2026: দেওয়ালের ওপারের ফিসফিসানি

বাংলা বৌদি চোদা 2026: হাওড়ার ফ্ল্যাটে বৌদির ফিসফিসানি শুনে অর্কর ঘুম উড়ে গেল। অবহেলায় তৃষ্ণার্ত পিয়ালি বৌদি আর অপেক্ষা করতে চায় না। সেই রাতেই শুরু হলো নিষিদ্ধ খেলা।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views