বাংলা বউ চোদা: উপরের ফ্ল্যাটে গাছে জল দিতে গিয়ে শম্পা
"দরজাটা খোলা ছিল বলে ভেতরে ঢুকে পড়েছিলাম," শম্পা হাঁপাতে হাঁপাতে বলল, আর এই বাংলা বউ চোদা কাহিনির শুরুটা ঠিক সেখানেই, উপরের ফ্ল্যাটের ড্রয়িংরুমে, যেখানে অরিন্দমদা দাঁড়িয়ে ছিলেন শুধু একটা ভেজা গামছা পরে। শম্পার হাতের জলের মগটা কেঁপে উঠল, আর মেঝেতে ছড়িয়ে পড়ল জল।
তিনদিন আগে অরিন্দম দিল্লি গিয়েছিলেন অফিসের কাজে। যাওয়ার আগে নিচে নেমে এসে বলেছিলেন, "শম্পা, আমার ফ্ল্যাটের গাছগুলোয় একটু জল দিয়ে দিও, নইলে মরে যাবে।" বিপ্লব তখন হালদিয়ায়, সপ্তাহান্তে ফিরবে। শম্পা রাজি হয়ে গিয়েছিল হাসিমুখে। কে জানত, এই সামান্য কাজটাই তার জীবনটা পাল্টে দেবে।
"তুমি... তুমি তো কাল ফেরার কথা ছিল," শম্পা তোতলাতে তোতলাতে বলল, চোখ নামিয়ে নিল। কিন্তু চোখ নামানোর আগেই সে দেখে ফেলেছিল, গামছার নিচে যেটা ফুলে উঠেছে, সেটা কোনো সাধারণ জিনিস নয়।
অরিন্দম হাসলেন। ছত্রিশ বছরের বিধুর মানুষ, বউ মারা গেছে দু বছর আগে ক্যান্সারে। চোখে একটা ক্লান্তি, কিন্তু শরীরটা এখনো টানটান। "ফ্লাইট এগিয়ে এল। আর তুমি তো আমার ঘরে ঢুকে বসে আছো, চোরের মতো।" কথাটা বললেন মজা করে, কিন্তু গলার স্বরটা ভারী।
শম্পার গলা শুকিয়ে গেল। পরনে ছিল পাতলা একটা নাইটি, ভেতরে কিছু নেই। সকালে গাছে জল দিতে এসে আর কাপড় বদলায়নি। এখন সে বুঝতে পারছিল, নাইটির ভেতর দিয়ে তার শরীরের প্রতিটা বাঁক স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
"আমি... আমি যাই," শম্পা পেছন ফিরল। কিন্তু অরিন্দম এক পা এগিয়ে দরজার সামনে দাঁড়ালেন। "এত তাড়া কিসের? চা খেয়ে যাও। তোমার জন্যই তো গাছগুলো বেঁচে আছে।"
শম্পা বসে পড়ল সোফায়। অরিন্দম রান্নাঘরে গিয়ে চা বানালেন, এখন পরনে একটা ট্র্যাকপ্যান্ট আর টিশার্ট। কিন্তু শম্পার চোখের সামনে থেকে যাচ্ছিল না সেই দৃশ্যটা, গামছার নিচের ফোলা জায়গাটা। তার বুকের ভেতরটা ধকধক করছিল।
"বিপ্লব কবে ফিরছে?" অরিন্দম জিজ্ঞেস করলেন, চায়ের কাপ এগিয়ে দিয়ে। তাদের আঙুল ছুঁয়ে গেল কাপের গায়ে। এক সেকেন্ডের ছোঁয়া, কিন্তু শম্পার সারা গায়ে শিহরণ বয়ে গেল।
"শনিবার," শম্পা বলল। "তুমি তো জানোই, হালদিয়ার চাকরি। সপ্তাহে পাঁচদিন আমি একা।"
অরিন্দম তার দিকে তাকিয়ে রইলেন। "একা থাকাটা কঠিন, না?" প্রশ্নটা সরল, কিন্তু চোখে ছিল অন্য কিছু। শম্পা উত্তর দিল না, শুধু চায়ে চুমুক দিল।
সেদিন বাড়ি ফিরে শম্পা সারাদিন অস্থির রইল। রাতে বিছানায় শুয়ে বারবার মনে পড়ছিল অরিন্দমের শরীরটা। বিপ্লব ফোন করেছিল রাতে, কিন্তু কথা বলতে বলতে শম্পার মন ছিল অন্য জায়গায়। ফোন রাখার পর সে নিজের হাতটা নিজের শরীরে বুলিয়ে দিল, চোখ বন্ধ করে ভাবল অরিন্দমের কথা।
পরদিন সকালে দরজায় বেল বাজল। অরিন্দম দাঁড়িয়ে, হাতে একটা প্যাকেট। "তোমার জন্য মিষ্টি এনেছি দিল্লি থেকে। আর..." তিনি একটু থামলেন। "আমার বাথরুমের শাওয়ারটা নষ্ট হয়ে গেছে। প্লাম্বার আসবে বিকেলে। ততক্ষণ তোমাদের বাথরুমটা ব্যবহার করতে পারি?"
শম্পার বুকটা ধক করে উঠল। "হ্যাঁ, অবশ্যই। এসো।" সে দরজা ছেড়ে দিল। অরিন্দম ভেতরে ঢুকে বাথরুমের দিকে গেলেন। শম্পা রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে শুনতে পেল জলের শব্দ।
তারপর হঠাৎ শব্দটা থেমে গেল। "শম্পা!" অরিন্দমের গলা। "তোয়ালেটা ভুলে গেছি। একটু দেবে?"
শম্পা তোয়ালে নিয়ে বাথরুমের দরজায় গেল। দরজাটা আধখোলা। ভেতরে অরিন্দম দাঁড়িয়ে, সম্পূর্ণ নগ্ন, গা থেকে জল ঝরছে। শম্পার চোখ আটকে গেল তার ধোনের দিকে, যেটা এখন পুরো খাড়া হয়ে আছে, মোটা আর লম্বা, শিরা ফুলে উঠেছে।
"দেখছো কি?" অরিন্দমের গলাটা কর্কশ। তিনি এগিয়ে এলেন, তোয়ালেটা শম্পার হাত থেকে নিয়ে মেঝেতে ফেলে দিলেন। তারপর শম্পার কব্জি ধরে তাকে ভেতরে টেনে নিলেন।
শম্পা প্রতিবাদ করার ভানটুকুও করল না। অরিন্দম তাকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরলেন, তার ঠোঁট শম্পার ঠোঁটে। জিভ ঢুকে গেল মুখের ভেতর, আর শম্পার সারা শরীর কেঁপে উঠল। তিন বছর ধরে বিপ্লব তাকে এভাবে চুমু খায়নি।
অরিন্দমের হাত শম্পার নাইটির ভেতর ঢুকে গেল। নাইটি তো আগেই ভিজে গেছে জলের ছিটেয়। তিনি নাইটিটা টেনে উপরে তুলে দিলেন, আর শম্পা দাঁড়িয়ে রইল সম্পূর্ণ নগ্ন, বাথরুমের ভেজা মেঝেতে।
"কি সুন্দর তুমি," অরিন্দম ফিসফিস করে বললেন, তার দুধের দিকে তাকিয়ে। তারপর মুখ নামিয়ে একটা দুধ মুখে নিলেন। জিভ দিয়ে বোঁটা চাটতে লাগলেন, আর অন্য হাতে অন্য দুধটা টিপতে লাগলেন। শম্পা মাথা পেছনে হেলিয়ে দিয়ে কঁকিয়ে উঠল।
শম্পার হাত নিজে থেকেই নিচে নেমে গেল। সে অরিন্দমের ধোনটা মুঠো করে ধরল। গরম, শক্ত, স্পন্দিত। সে আস্তে আস্তে উপর নিচ করতে লাগল, আর অরিন্দমের মুখ থেকে বেরিয়ে এল গভীর শ্বাস।
"ঘরে চলো," অরিন্দম বললেন। তিনি শম্পাকে কোলে তুলে নিলেন, ভেজা গায়েই। শোবার ঘরে নিয়ে গিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিলেন। শম্পা পা ফাঁক করে দিল, আর অরিন্দম তার গুদের দিকে তাকিয়ে রইলেন।
"এত ভিজে," তিনি বললেন, আঙুল দিয়ে গুদের চেরাটা ছুঁয়ে। শম্পা কেঁপে উঠল। অরিন্দম আঙুলটা ভেতরে ঢুকিয়ে দিলেন, আর শম্পা চিৎকার করে উঠল। আঙুলটা ভেতরে ঘুরতে লাগল, গুদের দেয়ালে ঘষা লাগল।
তারপর অরিন্দম মুখ নামিয়ে দিলেন। তার জিভ শম্পার গুদের দানায় লাগতেই শম্পার শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। "আহ... অরিন্দমদা... ওখানে না..." কিন্তু তার হাত অরিন্দমের মাথাটা আরো চেপে ধরল।
জিভটা ভেতরে ঢুকছে, বেরোচ্ছে, দানাটা চুষছে। শম্পার পা কাঁপছে, গলা দিয়ে অদ্ভুত শব্দ বেরোচ্ছে। পাঁচ মিনিটের মধ্যে তার শরীরটা শক্ত হয়ে গেল, আর গুদ থেকে ঝরে পড়ল গরম রস। প্রথমবার সে এত জোরে জল খসাল।
"এবার আমার পালা," অরিন্দম বললেন। তিনি শম্পার পা দুটো কাঁধে তুলে নিলেন, ধোনটা গুদের মুখে সেট করলেন। এক ধাক্কায় পুরোটা ভেতরে। শম্পা চিৎকার করে উঠল, এত মোটা ধোন সে বহুদিন নেয়নি।
অরিন্দম ঠাপাতে শুরু করলেন। প্রথমে আস্তে, তারপর জোরে। প্রতিটা ঠাপে শম্পার দুধ দুটো লাফাচ্ছিল। তিনি ঝুঁকে শম্পার ঠোঁটে চুমু খেলেন, জিভ ঢুকিয়ে দিলেন, আর নিচে ঠাপ চলতেই থাকল।
শম্পা তার নখ দিয়ে অরিন্দমের পিঠ আঁচড়ে দিল। "আরো জোরে... আরো জোরে দাও..." অরিন্দম গতি বাড়িয়ে দিলেন। বিছানাটা ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ করছে, দুজনের ঘামে ভেজা শরীর একে অপরের সাথে লেপ্টে আছে।
দশ মিনিট ঠাপানোর পর অরিন্দম শম্পাকে উল্টে দিলেন। কুকুরের মতো পজিশনে। পেছন থেকে ধোনটা ঢুকিয়ে দিলেন গুদে। এই পজিশনে ধোনটা আরো গভীরে যাচ্ছিল। শম্পা বালিশে মুখ গুঁজে চিৎকার করছিল।
অরিন্দম এক হাতে শম্পার চুলের মুঠি ধরলেন, অন্য হাতে তার দুধ টিপতে লাগলেন। "তোমার গুদটা কি টাইট, শম্পা। বিপ্লব তো ভাগ্যবান।" শম্পা উত্তর দিতে পারল না, শুধু গোঙাতে থাকল।
তারপর আবার শরীরটা শক্ত হয়ে গেল শম্পার। দ্বিতীয়বার জল খসাল সে, এবার আরো জোরে। গুদের পেশি ধোনটাকে চেপে ধরল, আর অরিন্দমও আর ধরে রাখতে পারলেন না।
"আমি... আমি আসছি..." তিনি ধোনটা বের করে শম্পার পিঠের উপর মাল ঢেলে দিলেন। গরম, ঘন মাল শম্পার পিঠ বেয়ে নামতে লাগল। দুজনে হাঁপাতে হাঁপাতে বিছানায় লুটিয়ে পড়ল।
সেদিনের পর থেকে সব বদলে গেল। বিপ্লব শনিবার ফিরে রবিবার চলে গেল, কিছুই টের পেল না। আর সোমবার সকালে অরিন্দম আবার এলেন, এবার সরাসরি শম্পার ফ্ল্যাটে।
"গাছে জল দেওয়ার জন্য ধন্যবাদটা এখনো বাকি," তিনি হেসে বললেন, দরজা বন্ধ করে। শম্পা তখন রান্নাঘরে। অরিন্দম পেছন থেকে তাকে জড়িয়ে ধরলেন, শাড়ির ভেতর হাত ঢুকিয়ে দুধ টিপতে লাগলেন।
শম্পা গ্যাস বন্ধ করে দিল। "পাগল হয়েছো? দিনের বেলা..." "দিনের বেলাই তো মজা," অরিন্দম তার ঘাড়ে চুমু খেতে খেতে বললেন। তিনি শম্পার শাড়িটা খুলে ফেললেন, শায়া ব্লাউজ সব। রান্নাঘরের মেঝেতেই শম্পাকে শুইয়ে দিলেন।
এবার শম্পা উপরে উঠল। অরিন্দম শুয়ে রইলেন, আর শম্পা তার ধোনের উপর বসে গুদে ঢুকিয়ে নিল। সে উপর নিচ লাফাতে লাগল, দুধ দুটো অরিন্দমের মুখের সামনে দুলছে। অরিন্দম একটা দুধ মুখে নিয়ে চুষতে লাগলেন।
শম্পা নিজের গতিতে ঠাপ খাচ্ছিল, কোমর ঘোরাচ্ছিল। "তোমার ধোনটা আমার গুদের ভেতর কি সুন্দর লাগছে," সে ফিসফিস করে বলল। এই কথাটা সে বিপ্লবকে কখনো বলেনি।
অরিন্দম হঠাৎ শম্পাকে তুলে দেয়ালের সাথে চেপে ধরলেন। শম্পার পা দুটো তার কোমরে। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঠাপাতে লাগলেন। শম্পার পিঠ দেয়ালে ঘষা খাচ্ছিল, কিন্তু সুখের কাছে ব্যথাটা কিছুই না।
দুজনে একসাথে শেষ করল এবার। অরিন্দমের মাল শম্পার গুদের ভেতরেই ঝরল, গরম স্রোত। শম্পা তার বুকে মাথা রেখে হাঁপাতে থাকল। "এটা ভুল, অরিন্দমদা।" "ভুল হলেও থামাতে পারবে?" শম্পা উত্তর দিল না। পারবে না, সে জানত।
শেষবারটা হলো শুক্রবার রাতে, বিপ্লব ফেরার আগের রাতে। অরিন্দম শম্পাকে তার ফ্ল্যাটে ডাকলেন। ছাদে নিয়ে গেলেন। কলকাতার রাতের আলো নিচে ঝলমল করছে, উপরে খোলা আকাশ।
ছাদের মেঝেতে একটা চাদর পাতা ছিল। অরিন্দম শম্পাকে সেখানে শুইয়ে দিলেন। খোলা আকাশের নিচে, ঠান্ডা বাতাসে, শম্পার নগ্ন শরীরটা শিহরিত হলো। অরিন্দম তার সারা গায়ে চুমু খেতে লাগলেন, পায়ের আঙুল থেকে শুরু করে উপরে।
গুদে মুখ দিলেন আবার। এবার অনেকক্ষণ চুষলেন, যতক্ষণ না শম্পা দুবার জল খসাল। তারপর ধোনটা ঢুকিয়ে ধীরে ধীরে ঠাপাতে লাগলেন, চোখে চোখ রেখে। "কাল থেকে আবার একা," তিনি বললেন। "কিন্তু আমি তো আছি, উপরের ফ্ল্যাটে।"
শম্পা তার গলা জড়িয়ে ধরল। "প্রতিদিন গাছে জল দিতে আসব।" দুজনে হেসে উঠল। তারপর অরিন্দম গতি বাড়ালেন, আর শম্পা আকাশের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করল, যাতে পাশের বাড়ি শুনতে না পায়, মুখে হাত চাপা দিয়ে।
সেদিন রাতে শম্পা নিজের বিছানায় শুয়ে ভাবছিল, এই বাংলা বউ চোদা গল্পটা এখানেই শেষ নয়। উপরের ফ্ল্যাটের গাছগুলোয় এখনো প্রতিদিন জল দিতে হয়। আর অরিন্দমদা তো এখন দিল্লি যান না, তিনি এখানেই থাকেন, ঠিক তার মাথার উপরে।
পরের সপ্তাহে বিপ্লব ফিরে এল শনিবার। শম্পা স্বাভাবিক থাকার চেষ্টা করল, রান্না করল, হাসল। কিন্তু রাতে বিছানায় যখন বিপ্লব তাকে ছুঁল, শম্পার শরীর সাড়া দিল না। বিপ্লবের ধোনটা হাতে নিয়ে সে ভাবল, এত ছোট, এত তাড়াতাড়ি নেতিয়ে পড়ে। অরিন্দমের কথা মনে পড়তেই তার গুদ ভিজে গেল, কিন্তু সেটা বিপ্লবের জন্য নয়।
বিপ্লব মিনিট পাঁচেক ঠাপিয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। শম্পা অন্ধকারে শুয়ে রইল, চোখে জল। সে বুঝতে পারছিল, সে আর আগের শম্পা নেই। উপরের ফ্ল্যাটের মানুষটা তার ভেতরে এমন আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে, যা নেভানোর ক্ষমতা বিপ্লবের নেই।
রবিবার সকালে বিপ্লব হালদিয়া রওনা হলো। দরজা বন্ধ হতেই শম্পা ফোনটা তুলল। "অরিন্দমদা, গাছগুলোয় জল দেওয়ার সময় হয়ে গেছে।" ফোনের ওপার থেকে হাসির শব্দ এল। "এসো, দরজা খোলা আছে।" শম্পা সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে উঠতে ভাবল, এই খেলাটা কতদিন চলবে সে জানে না। কিন্তু আজ, এই মুহূর্তে, সে শুধু উপরে যেতে চায়।
সিঁড়ির শেষ ধাপে পা রাখতেই দরজাটা খুলে গেল। অরিন্দম দাঁড়িয়ে, চোখে সেই চেনা ক্ষুধা। শম্পা ভেতরে ঢুকতেই তিনি দরজা বন্ধ করে তাকে দেয়ালের সাথে চেপে ধরলেন। কোনো কথা নয়, কোনো ভূমিকা নয়। শম্পার শাড়ির আঁচলটা মেঝেতে পড়ে গেল, আর তাদের ঠোঁট এক হয়ে গেল। বাইরে তখন দুপুরের রোদ, কিন্তু উপরের ফ্ল্যাটের ভেতরে তখন শুধুই আগুন।
Readers who enjoyed “বাংলা বউ চোদা: উপরের ফ্ল্যাটে গাছে জল দিতে গিয়ে শম্পা” also read
8 curated storiesকাকিমা চটি গল্প: সেলাই ঘরের গরম দুপুর
চাকরি হারিয়ে বাড়ি ফেরা রাজিবকে পাড়ার শেফালি কাকিমা ডাকলেন ভারী সেলাই মেশিন সরানোর কাজে। সেলাই ঘরের গরম দুপুরে যা ঘটল, তা এই কাকিমা চটি গল্পে পুরোটা লেখা আছে।
বাংলা পরকীয়া চটি গল্প: রেকর্ড রুমের গোপন সন্ধ্যা
রুমার জীবনের এই বাংলা পরকীয়া চটি গল্প শুরু হয়েছিল ব্যাংকের রেকর্ড রুমে এক গোপন সন্ধ্যায়, যেখানে সৌরভের একটা স্পর্শ বদলে দিল সবকিছু।
দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদ (পর্ব ২)
ভোরের ছাদে ধরা পড়ার ভয় সত্যি হলো। চায়ের দোকানের ছেলের ফোনে ওদের ছবি, দাবি বিশ হাজার টাকা। তানিয়া আর সায়ন রাতে নামল নিচে, আর তারপর দাদার ঘরে অপেক্ষা করছিল প্রতিশ্রুত সেই রাত।
বাংলা দেবর ভাবি চটি: দুর্গাপুরের মধুমিতা আর সৌরভের ঝগড়া
বাংলা দেবর ভাবি চটি গল্পে দুর্গাপুরের মধুমিতা আর দেওর সৌরভের মধ্যে বাড়ির খরচ নিয়ে ঝগড়া এমন এক আগুন জ্বালায় যা আর নেভে না।
যখন হাওড়া স্টেশনের পেছনের ছাপাখানার রাতের শিফট বন্ধ হল না তখন বিবাহিত প্রুফরিডার মেশিনম্যানের কালির হাতে নিজেকে সমর্পণ করল যা বিয়ের কার্ডে ছাপা যায়
হাওড়া স্টেশনের পেছনে পুরনো ছাপাখানা। বিয়ের কার্ডের প্রুফ। রাতের শিফটে মল্লিকা আংটি খুলে রফিকের হাতে নিজেকে সমর্পণ করল।
বাংলা দিদি চটি গল্প: হাওড়ার রূপা
এই বাংলা দিদি চটি গল্প হাওড়ার রূপার, যার কানে এক সন্ধ্যায় এক ফোনের কথা এল আর সেই কথা তার জীবন বদলে দিল।
দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদ (পর্ব ১)
দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদে দেবর সায়নের সঙ্গে বৌদি তানিয়ার নিষিদ্ধ টান। দাদা শিলিগুড়ি যেতেই ছাদের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ হলো। পর্ব ১।
বাংলা দেওর বৌদি চটি: সুমনের ডায়েরি
একটি বাংলা দেওর বৌদি চটি যেখানে বৌদি রুমা দেওরের গোপন ডায়েরি পড়ে ফেলে। তারপর যা হয়, তা কেউ ভাবেনি।