বাংলা পরকীয়া চোদা: দুপুরে দরজায় খটখট
অনির্বাণ পৌলমীর ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ভাবছিল, এই বাংলা পরকীয়া চোদা তাদের জীবনের একমাত্র সত্যি দুপুর। দুজন বিবাহিত মানুষ, দুজনেরই স্বামী স্ত্রী শহরের বাইরে, আর এই ফ্ল্যাটের চার দেয়ালের মধ্যে তারা কয়েক ঘণ্টার জন্য শুধু প্রেমিক প্রেমিকা। পৌলমীর আঙুল তার চুলের মধ্যে, তার শাড়ির আঁচল মেঝেতে লুটোচ্ছে।
"এই," পৌলমী ফিসফিস করে বলল, "দরজা লক করেছ তো?" অনির্বাণ হেসে তার গলায় চুমু খেল। "তিনবার চেক করেছি, ম্যাডাম। আজ দুপুরটা শুধু আমাদের।"
ফ্যানের হাওয়া ঘুরছে, বাইরে কলকাতার দুপুরের রোদ পর্দা ভেদ করে আসছে। পৌলমীর ব্লাউজের বোতাম খুলতে খুলতে অনির্বাণের হাত কাঁপছিল না, এটা তাদের পঞ্চম দুপুর। তার দুধের ওপর হাত রাখতেই পৌলমী একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল।
"উফ, তোমার হাত..." পৌলমী চোখ বন্ধ করল। অনির্বাণ ব্লাউজটা খুলে ফেলল, ব্রার হুক খুলতেই তার দুধ দুটো মুক্ত হলো। সে একটার বোঁটায় জিভ বুলাল, পৌলমী তার কাঁধ খামচে ধরল।
ঠিক তখনই দরজায় খটখট। দুজনেই জমে গেল। পৌলমীর চোখ বিস্ফারিত, অনির্বাণের জিভ থেমে গেল মাঝপথে। আরেকটা খটখট, এবার জোরে।
"কে?" পৌলমী প্রায় নিঃশব্দে জিজ্ঞেস করল। অনির্বাণ কান পাতল, বাইরে কোনো আওয়াজ নেই, শুধু সিঁড়িতে কারো পায়ের শব্দ। তার বুক ধড়ফড় করছে, কপালে ঘাম জমেছে।
"তোমার বর তো দুর্গাপুরে," অনির্বাণ ফিসফিস করল। "আমার বউ দিল্লিতে, ফ্লাইট কাল সকালে।" পৌলমী তাড়াতাড়ি শাড়ি জড়াচ্ছে, হাত কাঁপছে। "তাহলে কে, প্রতিবেশী নাকি?"
তৃতীয়বার খটখট, এবার দরজার বেলও বাজল, বাইরে থেকে একটা গম্ভীর গলা ভেসে এল। "গ্যাস সিলিন্ডার! ডেলিভারি আছে, দরজা খুলুন।" দুজনেই একসাথে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল, তারপর চাপা হাসি।
পৌলমী শাড়ি ঠিক করে বেডরুমে ঢুকে দরজা ভেজিয়ে দিল। অনির্বাণ গেঞ্জি গলিয়ে, প্যান্টের জিপ টেনে দরজা খুলল। সত্যিই গ্যাসের লোক, লাল সিলিন্ডার কাঁধে। "ভেতরে রেখে যান," অনির্বাণ বলল, পকেট থেকে টাকা বের করে।
লোকটা সিলিন্ডার রান্নাঘরে রেখে, খালি সিলিন্ডারটা নিয়ে চলে গেল। দরজা বন্ধ করে লক ঘোরানোর শব্দটা ঘরে প্রতিধ্বনিত হলো। কয়েক সেকেন্ড নীরবতা, তারপর বেডরুমের দরজা খুলে পৌলমী বেরিয়ে এল, শাড়ি এলোমেলো।
"ভয় পেয়েছিলে?" অনির্বাণ জিজ্ঞেস করল, পৌলমী তার দিকে এগিয়ে এল, চোখে একটা নতুন আগুন। "ভয় পেয়েছিলাম, আর এখন..." সে তার গেঞ্জি টেনে খুলে ফেলল। "এখন আমি আরো বেশি চাই।"
ভয়টা যেন তাদের রক্তে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল। পৌলমী এবার নিজেই উদ্যোগ নিল, অনির্বাণকে সোফায় বসিয়ে তার কোলে উঠে বসল। "আজ আমি তোমাকে আদর করব," সে ফিসফিস করল, তার ঠোঁট অনির্বাণের কানে।
অনির্বাণের ধোন ততক্ষণে প্যান্টের ভেতর শক্ত হয়ে উঠেছে। পৌলমী জিপ খুলে সেটা বের করে আনল, হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে নাড়াতে লাগল। "এত বড়," সে হাসল। "প্রথম দিন থেকেই এটার প্রেমে পড়েছি।"
সে নিচু হয়ে মুখে নিল। অনির্বাণ সোফায় হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করল, পৌলমীর জিভের প্রতিটা ঘূর্ণন সে অনুভব করছে। তার হাত পৌলমীর চুলে, আলতো চাপ দিচ্ছে। "আহ, পৌলমী..."
পৌলমী মুখ তুলে তার দিকে তাকাল, ঠোঁট ভেজা। "তোমার বউ জানে না সে কী মিস করছে।" তারপর আবার মুখ নামাল, এবার আরো গভীরে। অনির্বাণের শরীরে কাঁপুনি, সে নিজেকে ধরে রাখল।
"বাস," অনির্বাণ তাকে তুলল। "এবার আমি।" সে পৌলমীকে কোলে তুলে বেডরুমে নিয়ে গেল, বিছানায় শুইয়ে দিল। শাড়িটা একটানে খুলে ফেলল, পেটিকোটের দড়ি খুলতেই সে সম্পূর্ণ নগ্ন।
পৌলমীর গুদ ভেজা, অনির্বাণ আঙুল বুলিয়ে দেখল। "আমার জন্যে এত ভেজা?" পৌলমী লাজুক হাসল। "দরজার খটখটের পর থেকে, ভয় আর কাম একসাথে..." অনির্বাণ হাঁটু গেড়ে বসে তার গুদে মুখ দিল।
তার জিভ ভেতরে ঢুকতেই পৌলমী চিৎকার করে উঠল, তারপর নিজের মুখ চেপে ধরল। "আস্তে, পাশের ফ্ল্যাট শুনবে।" "শুনুক," অনির্বাণ বলল, কিন্তু গলা নামিয়ে। তার জিভ দ্রুত ঘুরছে, পৌলমীর কোমর বিছানা থেকে উঠে আসছে।
পৌলমীর শরীরে প্রথম ঝড় বয়ে গেল, সে অনির্বাণের চুল খামচে ধরল। "ঢোকাও, প্লিজ, আর পারছি না।" অনির্বাণ উঠে তার ওপরে এল, ধোনটা গুদের মুখে রেখে ধীরে চাপ দিল।
এক ধাক্কায় পুরোটা ভেতরে। পৌলমী দাঁত চেপে ধরল, চোখে জল। "উফ, অনির্বাণ..." সে তার পিঠ খামচাল। অনির্বাণ ধীরে ধীরে ঠেলতে লাগল, প্রতিটা ঠেলায় বিছানা কেঁপে উঠছে।
"আরো জোরে," পৌলমী ফিসফিস করল। "আজ ভয় নেই, আজ শুধু আমরা।" অনির্বাণ গতি বাড়াল, তার ধোন গভীরে ঢুকছে বেরোচ্ছে। পৌলমীর দুধ দুটো লাফাচ্ছে, সে একটা চুষতে লাগল।
হঠাৎ পৌলমী তাকে ঠেলে সরিয়ে দিল, নিজে ওপরে উঠে বসল। "আমার পালা।" সে ধোনটা নিজের ভেতরে নিয়ে ধীরে ধীরে ওঠানামা করতে লাগল, হাত দুটো অনির্বাণের বুকে।
এই ভঙ্গিতে সে আরো গভীরে যাচ্ছে। পৌলমীর মুখে একটা বন্য আনন্দ, ঘামে ভেজা চুল কপালে লেপ্টে। "তোমার বউয়ের চেয়ে আমি ভালো, বলো?" "হাজার গুণ," অনির্বাণ হাঁপাতে হাঁপাতে বলল।
পৌলমী গতি বাড়াল, তার গুদের পেশি ধোনটাকে চেপে ধরছে। অনির্বাণ অনুভব করল সে আর ধরে রাখতে পারবে না। "আমি আসছি... ভেতরেই," পৌলমী ফিসফিস করল, "আজ সব ভেতরে।"
দুজনে একসাথে চরমে পৌঁছাল। পৌলমী তার বুকে লুটিয়ে পড়ল, দুজনের শরীর ঘামে ভেজা, হৃৎস্পন্দন একসাথে। কয়েক মিনিট শুধু নীরবতা, ফ্যানের শব্দ।
কিছুক্ষণ দুজনে চুপচাপ শুয়ে রইল, শুধু নিঃশ্বাসের শব্দ। পৌলমী অনির্বাণের বুকে আঙুল দিয়ে আঁকিবুঁকি কাটছে। "জানো," সে বলল, "দরজায় খটখট শুনে আমার মনে হয়েছিল সব শেষ।"
"আমারও," অনির্বাণ স্বীকার করল, "এক সেকেন্ডে পুরো জীবন চোখের সামনে ভেসে উঠেছিল, বউ, অফিস, সব।" পৌলমী হাসল। "আর তারপর গ্যাসের লোক! ভাগ্যিস সিলিন্ডার শেষ হয়েছিল।"
"ভাগ্যিস," অনির্বাণ তার কপালে চুমু খেল। "নইলে আজকের দুপুরটা এত মজার হতো না।" পৌলমী তার বুক থেকে মুখ তুলল, চোখে দুষ্টুমি, তার হাত নিচে নামতে লাগল। "মজা এখনো শেষ হয়নি।"
অনির্বাণের ধোন আবার শক্ত হচ্ছে তার হাতের ছোঁয়ায়। "তুমি তো অমানুষ," সে হাসল। পৌলমী নিচে সরে গিয়ে তাকে মুখে নিল, এবার ধীরে, প্রতিটা মুহূর্ত উপভোগ করে। তার জিভ ঘুরছে, ঠোঁট চাপ দিচ্ছে।
অনির্বাণ বিছানার চাদর খামচে ধরল। "পৌলমী, তুমি এটা কোথা থেকে শিখলে?" "তোমার কাছ থেকে," সে মুখ তুলে হাসল, "তুমিই আমাকে খারাপ বানিয়েছ।" তারপর আবার ডুবে গেল।
কিছুক্ষণ পর অনির্বাণ তাকে টেনে তুলল। "এবার আমার পালা, পুরোপুরি।" সে পৌলমীকে উল্টে দিল, পেটের নিচে বালিশ দিল, পৌলমীর পাছা উঁচু, সে কোমর বাঁকাল। "এভাবে?" "এভাবেই।"
অনির্বাণ তার গুদে দুটো আঙুল ঢুকিয়ে নাড়াতে লাগল, অন্য হাতে তার পাছায় আলতো চাপড় মারল। পৌলমী চমকে উঠল, তারপর হাসল। "উফ, তুমি আজ বেপরোয়া, দরজার ভয় আমাকে বেপরোয়া বানিয়েছে।"
তার আঙুলের গতিতে পৌলমীর শরীর কেঁপে উঠছে। "ঢোকাও না, প্লিজ।" অনির্বাণ তার পেছনে হাঁটু গেড়ে বসল, ধোনটা গুদের মুখে রেখে এক ধাক্কায় ভেতরে ঢুকিয়ে দিল।
পৌলমী জোরে শ্বাস নিল। "আহ, এত গভীর..." অনির্বাণ তার কোমর ধরে ঠেলতে লাগল, প্রতিটা ঠেলায় তার শরীর দুলছে। সে ঝুঁকে তার পিঠে চুমু খেল, ঘামে ভেজা চামড়া।
"আরো জোরে চোদো আমাকে," পৌলমী হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। "আজ কেউ আসবে না, আজ শুধু তুমি আর আমি।" অনির্বাণ গতি বাড়াল, বিছানা দেয়ালে ঠোকা খাচ্ছে।
সে এক হাত বাড়িয়ে পৌলমীর দুধ চেপে ধরল, অন্য হাতে তার চুল টানল। পৌলমীর গলা থেকে একটা বন্য আওয়াজ বেরোল। "হ্যাঁ, এভাবেই, থেমো না..."
তাদের শরীরের ধাক্কায় ঘরের বাতাস গরম। অনির্বাণ অনুভব করল পৌলমীর গুদ তার ধোনকে চেপে ধরছে, ছাড়ছে, আবার চেপে ধরছে। সে আরো গভীরে ঢুকল।
"আমি আসছি, অনির্বাণ, আমি..." পৌলমীর শরীরে ঝড় বয়ে গেল, সে বিছানায় মুখ গুঁজে চিৎকার চাপল। অনির্বাণও নিজেকে ছেড়ে দিল, গভীরে।
দুজনে বিছানায় লুটিয়ে পড়ল, পাশাপাশি। পৌলমী হাসছে, কাঁদছে, দুটো একসাথে। "তুমি আমাকে মেরে ফেলবে একদিন।" "তাহলে মরো আমার বুকে," অনির্বাণ তাকে জড়িয়ে ধরল।
"চা খাবে?" অনির্বাণ জিজ্ঞেস করল। পৌলমী মাথা নাড়ল। "আগে গোসল, একসাথে।" বাথরুমে ঢুকে শাওয়ার চালাতেই ঠান্ডা জল দুজনের গায়ে পড়ল, পৌলমী হেসে তার গায়ে লেপ্টে গেল।
জলের নিচে তাদের শরীর আবার জেগে উঠল। অনির্বাণ পৌলমীকে দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড় করাল, পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল। তার হাত তার দুধে, তার ধোন তার পাছার খাঁজে ঘষছে।
"আবার?" পৌলমী হাসল, ঘাড় ঘুরিয়ে। "তুমি তো আজ থামছই না।" "দরজার খটখট আমাকে পাগল করে দিয়েছে," অনির্বাণ বলল, তার গুদে আঙুল ঢুকিয়ে, পৌলমী দেয়ালে হাত রেখে কোমর বাঁকাল।
অনির্বাণ পেছন থেকে ঢুকল, জলের শব্দে তাদের হাঁপানি মিশে গেল। এই ভঙ্গিতে সে তার গুদের প্রতিটা ইঞ্চি অনুভব করছে। পৌলমীর এক হাত দেয়ালে, আরেক হাত নিজের দুধে।
"জোরে, জোরে..." পৌলমীর গলা ভেঙে আসছে। অনির্বাণ তার কোমর ধরে গভীর ঠেলা দিচ্ছে, জল তাদের গায়ে ছিটকে পড়ছে। বাথরুমের আয়না ঝাপসা হয়ে গেছে।
দ্বিতীয়বার চরমের ঢেউ এল, এবার আরো তীব্র। পৌলমীর পা কাঁপছে, অনির্বাণ তাকে ধরে রাখল। শাওয়ারের জল তখনো পড়ছে, দুজনে হাসছে, হাঁপাচ্ছে।
জলের নিচে দাঁড়িয়ে পৌলমী অনির্বাণের দিকে তাকাল, চোখে এখনো আগুন নেভেনি। "একবার, শাওয়ারের নিচে, দাঁড়িয়ে," সে ফিসফিস করল। অনির্বাণ হাসল। "তুমি আজ থামবে না, তাই না?"
সে পৌলমীর একটা পা তুলে নিজের কোমরে রাখল, দেয়ালে ঠেস দিয়ে। এই ভঙ্গিতে ঢুকতেই পৌলমী তার গলা জড়িয়ে ধরল। জল তাদের মুখে পড়ছে, ঠোঁটে ঠোঁট।
অনির্বাণ ধীরে ঠেলছে, প্রতিটা ঠেলায় পৌলমীর পিঠ দেয়ালে ঘষছে। "আহ, অনির্বাণ..." তার নখ তার পিঠে বসছে। "তোমার বউ কখনো এভাবে পায়নি, তাই না?" "কখনো না," সে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল।
গতি বাড়তেই পৌলমীর শরীরে আবার ঢেউ উঠল। সে অনির্বাণের কাঁধে মুখ গুঁজে চিৎকার চাপল, শরীর থরথর করে কাঁপছে। অনির্বাণ তাকে শক্ত করে ধরে রইল, জলের শব্দে সব ঢাকা পড়ল।
শাওয়ার বন্ধ করে দুজনে দাঁড়িয়ে রইল, ভেজা শরীর, দ্রুত নিঃশ্বাস। পৌলমী তার বুকে মাথা রাখল। "আজকের দুপুরটা আমার জীবনের সেরা দুপুর," সে ফিসফিস করল, অনির্বাণ তার ভেজা চুলে চুমু খেল। "আমারও।"
তোয়ালে জড়িয়ে বেরিয়ে এল তারা। পৌলমী চুল মুছছে, অনির্বাণ চা বানাল। রান্নাঘরে নতুন সিলিন্ডারটা দেখে দুজনেই হেসে ফেলল। "এই সিলিন্ডারওয়ালা আমাদের বাঁচিয়ে দিল, নাকি আরো পাগল করে দিল?" পৌলমী বলল।
চা খেতে খেতে পৌলমী জানালার পর্দা সরিয়ে বাইরে তাকাল। "আমার বর শনিবার ফিরছে দুর্গাপুর থেকে।" অনির্বাণ তার হাত ধরল, "আমার বউয়ের ফ্লাইট কাল সকালেই, তারপর?" পৌলমীর চোখে দুষ্টুমি, "তারপর আবার এই দুপুর, অন্য কোনো অজুহাতে।"
"অফিসের মিটিং? তিন ঘণ্টার মিটিং?" অনির্বাণ হাসল। "ক্লায়েন্ট ভিজিট," পৌলমী চোখ টিপল। "তুমি তো আমার বস, তুমিই সই করবে।" দুজনে হেসে উঠল, চায়ের কাপে চুমুক দিল।
পৌলমী উঠে শাড়ি পরতে লাগল। অনির্বাণ পেছন থেকে জড়িয়ে ধরে তার ঘাড়ে চুমু খেল। "আজকের দুপুরটা..." "ভুলব না," পৌলমী ফিসফিস করল। "দরজার খটখট, তোমার ভয় পাওয়া মুখ, তারপর..."
"তারপর আমরা আরো বেশি আমাদের হয়ে গেলাম," অনির্বাণ শেষ করল। পৌলমী ঘুরে তার ঠোঁটে একটা গভীর চুমু খেল। "কাল অফিসে দেখা হবে। কেউ কিছু বুঝবে না।"
চা শেষ করে পৌলমী ব্যাগ কাঁধে নিল, আয়নায় নিজেকে একবার দেখে নিল। "আজ অফিসে তোমার দিকে তাকাতে পারব না, হাসি পাবে।" "তাকিও না," অনির্বাণ বলল, "নইলে সবাই বুঝে যাবে বস আর তার কলিগের মধ্যে কিছু চলছে।" পৌলমী দরজার দিকে এগোল, তারপর থেমে ফিরে তাকাল, চোখে সেই চেনা দুষ্টুমি যা আজ দুপুরে তাকে আরো বেপরোয়া বানিয়েছিল।
দরজায় দাঁড়িয়ে পৌলমী একবার পেছনে তাকাল। "শনিবারের পর, পরের বুধবার। দুপুর দুটো। একই জায়গা।" "লক তিনবার চেক করব," অনির্বাণ হাসল। "আর গ্যাসের বিল আগেই দিয়ে রাখব।"
পৌলমী সিঁড়ি দিয়ে নেমে গেল, তার শাড়ির খসখস শব্দ মিলিয়ে গেল। অনির্বাণ দরজা বন্ধ করে বিছানার দিকে তাকাল, এলোমেলো চাদর, দুটো চায়ের কাপ। সে ফিসফিস করে বলল, "বুধবার।"
Readers who enjoyed “বাংলা পরকীয়া চোদা: দুপুরে দরজায় খটখট” also read
8 curated storiesকাকিমা চটি গল্প: সেলাই ঘরের গরম দুপুর
চাকরি হারিয়ে বাড়ি ফেরা রাজিবকে পাড়ার শেফালি কাকিমা ডাকলেন ভারী সেলাই মেশিন সরানোর কাজে। সেলাই ঘরের গরম দুপুরে যা ঘটল, তা এই কাকিমা চটি গল্পে পুরোটা লেখা আছে।
বাংলা পরকীয়া চটি গল্প: রেকর্ড রুমের গোপন সন্ধ্যা
রুমার জীবনের এই বাংলা পরকীয়া চটি গল্প শুরু হয়েছিল ব্যাংকের রেকর্ড রুমে এক গোপন সন্ধ্যায়, যেখানে সৌরভের একটা স্পর্শ বদলে দিল সবকিছু।
দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদ (পর্ব ২)
ভোরের ছাদে ধরা পড়ার ভয় সত্যি হলো। চায়ের দোকানের ছেলের ফোনে ওদের ছবি, দাবি বিশ হাজার টাকা। তানিয়া আর সায়ন রাতে নামল নিচে, আর তারপর দাদার ঘরে অপেক্ষা করছিল প্রতিশ্রুত সেই রাত।
বাংলা বউ চোদা: উপরের ফ্ল্যাটে গাছে জল দিতে গিয়ে শম্পা
বাংলা বউ চোদা: স্বামী হালদিয়ায়, শম্পা একা। উপরের ফ্ল্যাটের বিধুর অরিন্দম গাছে জল দিতে বলে, একদিন আগে ফিরে আসে, আর শুরু হয় নিষিদ্ধ খেলা।
যখন হাওড়া স্টেশনের পেছনের ছাপাখানার রাতের শিফট বন্ধ হল না তখন বিবাহিত প্রুফরিডার মেশিনম্যানের কালির হাতে নিজেকে সমর্পণ করল যা বিয়ের কার্ডে ছাপা যায়
হাওড়া স্টেশনের পেছনে পুরনো ছাপাখানা। বিয়ের কার্ডের প্রুফ। রাতের শিফটে মল্লিকা আংটি খুলে রফিকের হাতে নিজেকে সমর্পণ করল।
দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদ (পর্ব ১)
দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদে দেবর সায়নের সঙ্গে বৌদি তানিয়ার নিষিদ্ধ টান। দাদা শিলিগুড়ি যেতেই ছাদের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ হলো। পর্ব ১।
বাংলা দেওর বৌদি চটি: সুমনের ডায়েরি
একটি বাংলা দেওর বৌদি চটি যেখানে বৌদি রুমা দেওরের গোপন ডায়েরি পড়ে ফেলে। তারপর যা হয়, তা কেউ ভাবেনি।
বাংলા বৌদি চোদা 2026: দেওয়ালের ওপারের ফিসফিসানি
বাংলা বৌদি চোদা 2026: হাওড়ার ফ্ল্যাটে বৌদির ফিসফিসানি শুনে অর্কর ঘুম উড়ে গেল। অবহেলায় তৃষ্ণার্ত পিয়ালি বৌদি আর অপেক্ষা করতে চায় না। সেই রাতেই শুরু হলো নিষিদ্ধ খেলা।