লম্বা বাংলা চটি গল্প: ট্রাঙ্কের চিঠি

T
11 min read0 readers
Font:
0:000:00
Share Story:

ট্রাঙ্কের পুরনো তালাটা খুলতে গিয়ে শর্মিষ্ঠার হাত কেঁপে উঠল, যেন ভেতরে বছরের ধুলোর নিচে কোনো গোপন কথা ঘুমিয়ে আছে। বেলা তখন দুপুর গড়িয়ে বিকেল, স্বামী অফিসে, আর এই লম্বা বাংলা চটি গল্পের শুরুটা ঠিক এই পুরনো ট্রাঙ্কটার ভেতরেই লেখা ছিল। হলুদ হয়ে যাওয়া কাগজের বান্ডিলটা তুলে ধরতেই তার বুক ধড়ফড় করে উঠল, চিঠিগুলো কোনোদিন পাঠানো হয়নি। প্রতিটা খামের ওপরে একই হাতের লেখা, একই নাম: বিকাশ।

শর্মিষ্ঠা মেঝেতেই বসে পড়ল। বিকাশ, তার স্বামী সৌরভের কলেজের বন্ধু, সেই চুপচাপ ছেলেটা যে ওদের বিয়ের দিন সবচেয়ে জোরে হেসেছিল। চিঠিগুলোর তারিখ দেখে তার গলা শুকিয়ে গেল, বিয়ের আগের বছরগুলোর লেখা, একটার পর একটা, সব অপ্রেরিত। সে কাঁপা হাতে প্রথম খামটা খুলল, আর ভেতরের লাইনগুলো পড়তে পড়তে তার গাল গরম হয়ে উঠল।

"তোমাকে আজ ক্যাম্পাস ফেস্টে লাল শাড়িতে দেখলাম, শর্মিষ্ঠা। সৌরভ তোমার হাত ধরে হাঁটছিল, আর আমি ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম, ওই হাতটা যদি আমার হত।" শর্মিষ্ঠার নিশ্বাস আটকে গেল। পরের চিঠিতে লেখা ছিল, "তোমার হাসির শব্দটা আমার ঘুম কেড়ে নিয়েছে, রাতে চোখ বন্ধ করলেই তোমার ঠোঁট দেখি, তোমার গলার নিচের ওই তিলটা দেখি।" এমন কথা সৌরভ তাকে বিয়ের এত বছরেও কোনোদিন বলেনি। তার উরুর ভেতরটা অদ্ভুতভাবে গরম হয়ে উঠল, সে চিঠিটা বুকের কাছে চেপে ধরল।

তৃতীয় চিঠিটা আরও সাহসী ছিল। "আমি জানি এটা পাপ, তুমি আমার বন্ধুর বউ হতে চলেছ। কিন্তু তোমার শরীরের গন্ধটা আমি লাইব্রেরির সিঁড়িতে একদিন পেয়েছিলাম, আর সেই থেকে আমি পাগল।" শর্মিষ্ঠার আঙুল কেঁপে উঠল। বাইরে তখন মেঘ ডাকছে, জানলার কাচে বর্ষার প্রথম ফোঁটাগুলো পড়তে শুরু করেছে। সে তাড়াতাড়ি চিঠিগুলো বান্ডিল করে শাড়ির আঁচলের নিচে লুকিয়ে ফেলল, ঠিক তখনই ফোনটা বেজে উঠল।

সৌরভের গলা। "শোনো, বিকাশ কলকাতায় এসেছে, অফিসের কাজে। আজ রাতে আমাদের বাসায় খেতে আসবে, তুমি একটু ভালো করে রান্না করো।" শর্মিষ্ঠার হাত থেকে ফোনটা প্রায় পড়ে যাচ্ছিল। "বিকাশ? কোন বিকাশ?" "আরে, আমার কলেজের বন্ধু বিকাশ, মনে নেই? দিল্লিতে থাকে এখন।" শর্মিষ্ঠা শুধু বলল, "আচ্ছা," আর ফোনটা রেখে দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে রইল। তার বুকের ভেতরটা যেন ঢাক বাজছে।

সে বাথরুমে ঢুকে মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিল, কিন্তু শরীরের ভেতরের আগুন নিভল না। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে সে নিজেকে দেখল, চৌত্রিশ বছরের শরীর, কিন্তু আজ চোখে অন্য আলো। সে গাঢ় নীল শাড়িটা বের করল, যেটা সৌরভ কোনোদিন খেয়ালও করেনি। চিঠিগুলোর কথা মনে পড়তেই তার স্তনের বোঁটা শক্ত হয়ে উঠল ব্লাউজের ভেতর। "ছি," সে নিজেকেই বলল, কিন্তু ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটল।

সন্ধে সাতটায় কলিং বেল বাজল। দরজা খুলতেই শর্মিষ্ঠার নিশ্বাস বন্ধ হয়ে গেল। বিকাশ দাঁড়িয়ে, ছত্রিশ বছর বয়স, ভেজা ছাতা হাতে, চোখে সেই পুরনো চেনা দৃষ্টি। "বউদি," সে হাসল, "কতদিন পর।" তার গলার স্বরটা শর্মিষ্ঠার মেরুদণ্ড বেয়ে নিচে নেমে গেল। ভেতরে ঢুকে সে জুতো খুলল, আর শর্মিষ্ঠা খেয়াল করল, তার নিজের হাত কাঁপছে।

রাতের খাবার টেবিলে সৌরভ তখনও ফেরেনি, অফিসে আটকে গেছে। বিকাশ আর শর্মিষ্ঠা মুখোমুখি বসল। "তুমি একদম বদলাওনি," বিকাশ বলল, চোখ সরাচ্ছে না। শর্মিষ্ঠা ভাত বাড়তে বাড়তে বলল, "তুমি তো বদলে গেছ, দিল্লির হাওয়া লেগেছে।" বিকাশ হাসল, "হাওয়া লাগলেও কিছু জিনিস বদলায় না, বউদি।" তার চোখ শর্মিষ্ঠার গলার নিচের তিলটায় আটকে রইল, ঠিক যেটার কথা চিঠিতে লেখা ছিল।

খাওয়া শেষে বারান্দায় বসল ওরা, বাইরে মুষলধারে বৃষ্টি। বিকাশ চা খেতে খেতে বলল, "সৌরভ বলছিল তুমি পুরনো জিনিসপত্র গোছাচ্ছ।" শর্মিষ্ঠার বুক ধড়ফড় করে উঠল। সে সোজা তার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, "ট্রাঙ্কে একটা বান্ডিল পেয়েছি। চিঠির বান্ডিল। তোমার হাতের লেখা।" বিকাশের মুখের রং বদলে গেল। চায়ের কাপটা তার হাতে কেঁপে উঠল।

"তুমি... পড়েছ?" তার গলা ফিসফিসে। "সবগুলো," শর্মিষ্ঠা বলল, "যেগুলো তুমি কোনোদিন পাঠাওনি। কেন পাঠাওনি, বিকাশ?" বিকাশ কাপটা নামিয়ে রাখল। "কারণ তুমি আমার বন্ধুর ছিলে। আর আমি কাপুরুষ ছিলাম।" সে উঠে দাঁড়াল, বারান্দার রেলিং ধরে বাইরের বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে রইল। "কিন্তু সত্যিটা জানো? আমি তোমাকে তখনও চাইতাম। এখনও চাই।"

শর্মিষ্ঠার পা নিজে থেকেই এগিয়ে গেল। "এখন আমি তোমার বন্ধুর বউ, বিকাশ।" "জানি," সে ঘুরে দাঁড়াল, ওদের মধ্যে মাত্র এক হাত দূরত্ব। বৃষ্টির ছাঁট এসে ওদের ভিজিয়ে দিচ্ছে। "তাই তো এত বছর চুপ ছিলাম। কিন্তু আজ তোমার চোখে আমি যা দেখছি, সেটা চুপ করে থাকার মতো নয়।" তার হাত উঠে এল, শর্মিষ্ঠার ভেজা গাল ছুঁল। শর্মিষ্ঠা সরে গেল না।

প্রথম চুম্বনটা এল হঠাৎ, ক্ষুধার্ত, দাবিদার। বিকাশের ঠোঁট শর্মিষ্ঠার ঠোঁটে চেপে বসল, আর শর্মিষ্ঠা এক মুহূর্তের জন্যও বাধা দিল না। তার হাত বিকাশের ভেজা চুলে ডুবে গেল। জিভে জিভ জড়িয়ে গেল, বৃষ্টির শব্দে ঢেকে গেল ওদের ভারী নিশ্বাস। শর্মিষ্ঠার শরীরটা বিকাশের শরীরে লেপ্টে গেল, আর সে টের পেল বিকাশের প্যান্টের ভেতর শক্ত হয়ে ওঠা ধোনটা তার তলপেটে চাপ দিচ্ছে।

"ভেতরে চলো," বিকাশ ফিসফিস করে বলল। শর্মিষ্ঠা তার হাত ধরে টেনে নিয়ে গেল বসার ঘরে। দরজা বন্ধ করার শব্দটা বৃষ্টির মধ্যে হারিয়ে গেল। সোফায় বসিয়ে দিয়ে বিকাশ তার সামনে হাঁটু গেড়ে বসল, আর শর্মিষ্ঠার শাড়ির আঁচলটা টেনে নামিয়ে দিল। নীল শাড়িটা মেঝেতে পুকুরের মতো ছড়িয়ে পড়ল।

বিকাশের হাত শর্মিষ্ঠার কোমরে উঠল, ব্লাউজের ওপর দিয়েই তার দুধ দুটো চেপে ধরল। শর্মিষ্ঠা চাপা আর্তনাদ করে উঠল, "আহ্।" বিকাশ ব্লাউজের হুকগুলো এক এক করে খুলতে লাগল, মুখ নামিয়ে আনল তার বুকে। ব্রা-এর ওপর দিয়েই সে স্তনের বোঁটাটা দাঁত দিয়ে টানল, শর্মিষ্ঠার শরীরটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। "বিকাশ... প্লিজ..." তার গলা ভেঙে আসছিল।

ব্রা-টা খুলে ফেলতেই শর্মিষ্ঠার ভারী দুধ দুটো মুক্ত হয়ে দুলতে লাগল। বিকাশ একটা বোঁটা মুখে পুরে চুষতে লাগল, জিভ দিয়ে ঘোরাতে লাগল, আর অন্য হাতে অন্য দুধটা ময়দার মতো মাখতে লাগল। শর্মিষ্ঠার হাত বিকাশের শার্টের বোতাম খুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। শার্টটা খুলে ফেলতেই সে বিকাশের বুকে মুখ গুঁজে দিল, তার গরম নিশ্বাস বিকাশের চামড়ায় লাগল।

"তোমারটা দেখাও," শর্মিষ্ঠা ফিসফিস করে বলল, সাহস করে। বিকাশ উঠে দাঁড়িয়ে প্যান্টের বেল্ট খুলল। প্যান্ট আর জাঙিয়া নিচে নামতেই তার লম্বা মোটা ধোনটা বেরিয়ে এল, শিরা ফুলে উঠেছে, ডগাটা ভিজে চকচক করছে। শর্মিষ্ঠার চোখ বড় বড় হয়ে গেল। সৌরভেরটা এর অর্ধেকও নয়। সে হাঁটু গেড়ে বসে ধোনটা হাতে নিল, গরম লোহার মতো শক্ত।

শর্মিষ্ঠা ধোনের ডগাটা জিভ দিয়ে চাটল, নোনতা স্বাদটা তার জিভে লাগল। তারপর ধীরে ধীরে পুরোটা মুখে পুরে নিল, মাথা ওঠানামা করতে লাগল। বিকাশের হাত তার চুলে শক্ত করে চেপে ধরল, "ওহ্ শর্মিষ্ঠা... তোমার মুখটা..." শর্মিষ্ঠা আরও জোরে চুষতে লাগল, গলা পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে বের করে আনল, বারবার। বিকাশের উরু কাঁপতে লাগল, সে তাড়াতাড়ি ধোনটা বের করে নিল, "এখনই নয়, এখনই রস বেরোবে না।"

বিকাশ শর্মিষ্ঠাকে সোফায় শুইয়ে দিল, তার শায়া আর প্যান্টি টেনে নামিয়ে দিল। শর্মিষ্ঠার ভেজা গুদটা দেখে বিকাশের চোখ জ্বলে উঠল। সে দুই আঙুল দিয়ে গুদের চেরাটা ফাঁক করে জিভ ঢুকিয়ে দিল। শর্মিষ্ঠা চিৎকার করে উঠল, "আহ্! বিকাশ!" তার হাত সোফার কুশন আঁকড়ে ধরল। বিকাশের জিভ তার গুদের ভেতরে ঘুরতে লাগল, দানাটা চুষতে লাগল, আর শর্মিষ্ঠার কোমর ওঠানামা করতে লাগল।

"ঢোকাও... প্লিজ... আর পারছি না..." শর্মিষ্ঠা কাতর গলায় বলল। বিকাশ উঠে এসে তার ধোনটা শর্মিষ্ঠার গুদের মুখে রাখল। এক ধাক্কায় পুরোটা ঢুকে গেল, ভেজা গুদটা সহজেই গিলে নিল। শর্মিষ্ঠার চোখ বড় হয়ে গেল, "উফ্... এত বড়..." বিকাশ ধীরে ধীরে ঠাপাতে শুরু করল, প্রতিটা ঠাপে শর্মিষ্ঠার দুধ দুটো দুলতে লাগল।

ঠাপের গতি বাড়তে লাগল। ঘরের ভেতর শুধু শোনা যাচ্ছে চামড়ায় চামড়া ঠোকার শব্দ, শর্মিষ্ঠার চাপা গোঙানি, আর বাইরের বৃষ্টি। "আরও জোরে... আরও জোরে চোদো আমাকে..." শর্মিষ্ঠা চিৎকার করে উঠল, লজ্জা সব ভুলে। বিকাশ তার কোমর ধরে প্রচণ্ড জোরে ঠাপাতে লাগল, ধোনটা গুদের গভীরে গিয়ে আঘাত করছে। শর্মিষ্ঠার শরীরটা কেঁপে কেঁপে উঠল, তার গুদ বিকাশের ধোনটাকে চেপে ধরল।

"আমার বেরোবে... শর্মিষ্ঠা... আমি আর ধরে রাখতে পারছি না..." "ভেতরেই ফেলো... আজ সব ভেতরেই..." বিকাশ শেষ কয়েকটা প্রচণ্ড ঠাপ দিয়ে গুদের গভীরে রস ঢেলে দিল। গরম রসের স্রোতটা টের পেয়ে শর্মিষ্ঠাও ঝরে গেল, তার শরীরটা থরথর করে কাঁপতে লাগল। ওরা দুজনে ঘামে ভেজা শরীরে জড়াজড়ি করে সোফায় পড়ে রইল, বৃষ্টির শব্দ ছাড়া আর কিছু শোনা যাচ্ছে না।

ঠিক তখনই শর্মিষ্ঠার ফোনটা বেজে উঠল। সৌরভের মেসেজ: "অফিসে আটকে গেছি, ফিরতে রাত ১২টা বাজবে। তোমরা খেয়ে নিও।" শর্মিষ্ঠা মেসেজটা পড়ে বিকাশের দিকে তাকাল, ঠোঁটে দুষ্টু হাসি। "শুনলে? রাত ১২টা।" বিকাশের চোখ জ্বলে উঠল। সে শর্মিষ্ঠাকে কোলে তুলে নিল, "তাহলে শোবার ঘরে চলো, বউদি। রাতটা এখনও অনেক বাকি।"

শোবার ঘরে ঢুকে বিকাশ শর্মিষ্ঠাকে বিছানায় ছুঁড়ে দিল। সে নিজে পুরো উলঙ্গ হয়ে বিছানায় উঠল, শর্মিষ্ঠার ওপরে চড়ে বসল। এবার কোনো তাড়া নেই, কোনো লুকোচুরি নেই। বিকাশ শর্মিষ্ঠার ঠোঁট থেকে শুরু করে গলা, বুক, পেট চুমু খেতে খেতে নিচে নামল। তার জিভ শর্মিষ্ঠার নাভির ভেতরে ঘুরল, শর্মিষ্ঠা কেঁপে উঠল।

"ঘুরে যাও," বিকাশ আদেশের সুরে বলল। শর্মিষ্ঠা কুকুরের মতো হাঁটু আর হাতে ভর দিয়ে বসল, তার বড় পাছাটা বিকাশের দিকে তুলে ধরল। বিকাশ তার পাছার দুটো দাবনা দুই হাতে চেপে ধরল, মাঝের ফাঁকে জিভ বুলিয়ে দিল। শর্মিষ্ঠা শিউরে উঠল, "বিকাশ... ওখানে..." "চুপ," বিকাশ বলল, "আজ রাতে তোমার সবকিছু আমার।" তার ধোনটা তখন লোহার মতো শক্ত হয়ে আবার দাঁড়িয়ে গেছে।

বিকাশ পেছন থেকে শর্মিষ্ঠার গুদে ধোনটা ঢুকিয়ে দিল। এই ভঙ্গিতে ধোনটা আরও গভীরে যাচ্ছে, প্রতিটা ঠাপে শর্মিষ্ঠার শরীরটা এগিয়ে যাচ্ছে। বিকাশ তার চুলের মুঠি ধরে টানল, পিঠটা ধনুকের মতো বেঁকে গেল। "তোমার গুদটা এত টাইট... ওহ্..." শর্মিষ্ঠা শুধু গোঙাতে পারছে, "আহ্... আহ্... আরও..." তার দুধ দুটো নিচে ঝুলে দুলছে, বিকাশ এক হাত বাড়িয়ে একটা দুধ চেপে ধরল।

হঠাৎ বিকাশ ধোনটা বের করে শর্মিষ্ঠাকে ঘুরিয়ে দিল, তার মুখটা নিজের ধোনের সামনে ধরল। "চোষো।" শর্মিষ্ঠা কোনো দ্বিধা না করে ধোনটা মুখে পুরে নিল, গভীর পর্যন্ত নিয়ে চুষতে লাগল। বিকাশের হাত তার মাথাটা ধরে ওঠানামা করাচ্ছে। কিছুক্ষণ পর বিকাশ তাকে তুলে বিছানায় শুইয়ে দিল, তার দুই পা নিজের কাঁধে তুলে নিল। এই ভঙ্গিতে গুদটা পুরো খুলে গেল, ধোনটা এক ধাক্কায় গভীরে ঢুকে গেল।

ঠাপের তালে তালে বিছানাটা দুলতে লাগল। শর্মিষ্ঠার নখ বিকাশের পিঠে আঁচড় কাটছে, লাল দাগ পড়ে যাচ্ছে। "চোদো... আমাকে চোদো... তোমার বউদিকে চোদো..." শর্মিষ্ঠার মুখ থেকে এমন কথা বেরোতে শুনে বিকাশ পাগল হয়ে গেল। সে প্রচণ্ড গতিতে ঠাপাতে লাগল, ঘর ভরে গেল চামড়ার শব্দে আর দুজনের হাঁপানিতে।

দুজনেই একসঙ্গে ঝরল এবার। বিকাশের গরম রস শর্মিষ্ঠার গুদের ভেতরে ঢেলে পড়ল, আর শর্মিষ্ঠার শরীরটা কয়েকবার কেঁপে স্থির হয়ে গেল। ওরা জড়াজড়ি করে শুয়ে রইল, বিকাশের ধোনটা তখনও শর্মিষ্ঠার ভেতরে, ধীরে ধীরে নরম হচ্ছে। বাইরে বৃষ্টি একটু ধরে এসেছে, কিন্তু ওদের শরীরের আগুন তখনও নেভেনি। "ঘুমিয়ে পড়ো," বিকাশ ফিসফিস করে বলল, "ভোরে আবার জাগাব।"

ভোর চারটে। বৃষ্টি থেমে গেছে, জানলা দিয়ে ভেজা হাওয়া আসছে। শর্মিষ্ঠার ঘুম ভাঙল বিকাশের হাতের স্পর্শে। তার হাত শর্মিষ্ঠার দুধে ঘুরছে, বোঁটাটা আঙুলে পাকাচ্ছে। শর্মিষ্ঠা চোখ না খুলেই হাসল, "তুমি ঘুমোওনি?" "তোমাকে দেখে ঘুম আসে?" বিকাশ তার কানে ফিসফিস করে বলল, "ভোরেরটা বাকি আছে।" শর্মিষ্ঠা পাশ ফিরে তার ঠোঁটে চুমু খেল।

এবার শর্মিষ্ঠা ওপরে উঠল। সে বিকাশের ওপরে চড়ে বসল, ধোনটা হাতে নিয়ে নিজের গুদে ঢুকিয়ে নিল। ভোরের শক্ত ধোনটা ভেতরে ঢুকতেই শর্মিষ্ঠা চোখ বন্ধ করে ফেলল, "উফ্..." সে ধীরে ধীরে ওঠানামা করতে শুরু করল, তার ভারী দুধ দুটো বিকাশের মুখের সামনে দুলছে। বিকাশ দুই হাতে দুধ দুটো ধরে বোঁটাগুলো চুষতে লাগল।

শর্মিষ্ঠার গতি বাড়তে লাগল। সে বিকাশের বুকে হাত রেখে জোরে জোরে ওঠানামা করছে, তার পাছাটা উঠছে নামছে। "দেখো... তোমার বউদি তোমাকে চুদছে..." সে দুষ্টু হেসে বলল। বিকাশ তার কোমর ধরে নিচ থেকে তাল মিলিয়ে ঠাপ দিতে লাগল। দুজনের শরীর এক ছন্দে দুলছে, ঘামে ভিজে চকচক করছে।

"আমার আসছে... বিকাশ... আমি ঝরছি..." শর্মিষ্ঠার শরীরটা কেঁপে উঠল, তার গুদ বিকাশের ধোনটাকে প্রবলভাবে চেপে ধরল। সেই চাপে বিকাশও আর ধরে রাখতে পারল না, নিচ থেকে কয়েকটা জোর ঠাপ দিয়ে ভেতরে রস ঢেলে দিল। শর্মিষ্ঠা তার বুকে ঢলে পড়ল, দুজনে হাঁপাচ্ছে। ভোরের আলো জানলা দিয়ে এসে ওদের ঘামে ভেজা শরীরে পড়ল।

সাড়ে পাঁচটায় বিকাশ উঠল। সৌরভ ফেরার আগেই তাকে বেরোতে হবে। জামা পরতে পরতে সে শর্মিষ্ঠার দিকে তাকাল, বিছানায় উলঙ্গ শুয়ে থাকা শর্মিষ্ঠার চোখে তখনও রাতের আগুন। দরজার কাছে গিয়ে বিকাশ থামল। শর্মিষ্ঠা চাদরটা বুকে জড়িয়ে উঠে বসল, "আবার কবে আসবে?" বিকাশ হাসল, সেই পুরনো চেনা হাসি, "যখন তুমি ডাকবে, বউদি।" দরজাটা নিঃশব্দে বন্ধ হলো।

🔒 Bonus Scene locked

এক মাস পর বিকাশ আবার এল, আর এবার শর্মিষ্ঠা নিজেই দরজার ছিটকিনিটা লাগাল।

WhatsApp par share karo, turant unlock1 dost ko bhejo, bonus scene yahin khul jayega
Rate this story

🔥 NEXT CHAPTER IN LINE

Hardcore Desi

বাংলা চটি গল্প নতুন 2026: কলকাতার বইয়ের দোকানের সন্ধ্যা

কলকাতার বইয়ের দোকানের মালিক সোমা এক পুরনো ট্রেনের স্মৃতি মনে করে, আর এই বাংলা চটি গল্প নতুন 2026 এক অচেনা লোকের ফিরে আসা দিয়ে এক উষ্ণ সন্ধ্যায় বদলে যায়।

Read Next Story

More stories by Tanushree Das

View all →

Readers who enjoyed “লম্বা বাংলা চটি গল্প: ট্রাঙ্কের চিঠি” also read

8 curated stories
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা চোদা চুদির গল্প: ছাদের হাওয়ায় ওড়া শাড়ি

স্বামী মাসের কুড়ি দিন ট্রাকে বাইরে, আর পাশের ঘরের ভাড়াটে যুবক রনির চোখ আটকে আছে বৌদি শেফালির ওপর. ছাদের এক ঝোড়ো হাওয়ায় ওড়া শাড়ি বদলে দিল সবকিছু.

⏱️ 9 min read•👁️ 4 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বৌদি চোদা গল্প: বাথরুমের চিৎকার

স্বামী দুর্গাপুরে, বাড়িতে একা বৌদি রুমা আর দেওর সায়ন। বাথরুমে পা পিছলে যাওয়া থেকে শুরু হওয়া এক বৌদি চোদা গল্প, যেখানে এক সন্ধ্যা চার দিনের গোপন সম্পর্কে বদলে যায়।

⏱️ 9 min read•👁️ 2 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

দিদি চটি গল্প: ছাদের আড্ডায় বদলে যাওয়া রাত

বিয়ের চার বছর পর দু মাসের জন্য বাপের বাড়ি ফেরা দিদির সঙ্গে ছাদে চায়ের আড্ডা। তিন রাতের আড্ডা যেভাবে এক রাতে বদলে গেল, পড়ুন নতুন দিদি চটি গল্প।

⏱️ 10 min read•👁️ 2 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা চাচি চটি গল্প: কাকলির রান্নাঘরে সেই রাত

কাকার নাইট ডিউটি, ভাঙা টিভি, আর ফোনে সিনেমা দেখতে দেখতে চাচি কাকলির বিছানায় সৌম্যর সেই রাত, এই বাংলা চাচি চটি গল্পে।

⏱️ 11 min read•👁️ 2 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা বিধবা চটি গল্প: নতুন ভাড়াটিয়া

বাংলা বিধবা চটি গল্প: তিন বছর আগে স্বামী হারানো মিতালির বাড়িতে নতুন ভাড়াটিয়া অর্জুন। এক বর্ষার সন্ধ্যায় খিচুড়ি আর ইলিশ ভাজার গন্ধে শুরু।

⏱️ 9 min read•👁️ 2 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি: হলুদ ট্যাক্সির বৃষ্টিভেজা রাত

বিয়ের রিসেপশন থেকে ফেরার পথে বৃষ্টির রাতে শ্রাবণীর হলুদ ট্যাক্সি পাংচার হয় ময়দানের অন্ধকারে। মেকানিক আসতে দেরি করে, আর পেছনের সিটে ড্রাইভার রতনের সঙ্গে জমে ওঠে এমন এক গোপন খেলা, যা এই কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি কে অনেকদিন মনে রাখার মতো করে তোলে।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

Bangla Sex Story: লিফটে আটকে যাওয়া শিলার সেই সন্ধ্যা

শিলার bangla sex story: কলকাতার ফ্ল্যাটবাড়ির লিফটে এক সন্ধ্যায় আটকে পড়া, আর মেকানিক তুহিনের সঙ্গে তার গোপন রাতের কাহিনি।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views
Hardcore Desiবাংলা (Bengali)

বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরের ফ্ল্যাটে শর্মিলা

বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরে ফাঁকা ফ্ল্যাট, গান বাজছে, শর্মিলা বৌদি নাচছেন। সৌরভ ফিরে এলো হাফ ডে তে, আর তারপর যা হলো তা তাদের গোপন নেশা হয়ে গেল।

⏱️ 9 min read•👁️ 1 views