সত্যি বাংলা চটি গল্প: স্বপ্নের মতো রাত
ঘামে ভেজা গলায় হাত বুলিয়ে আমি চোখ খুললাম, বুকটা এমন ধড়ফড় করছে যেন এইমাত্র দৌড়ে এসেছি। চাদরটা পায়ে জড়িয়ে গেছে, নাইটির দুটো বোতাম খোলা, আর ঠোঁটে এখনও সেই স্বাদের আভাস লেগে আছে। এক সপ্তাহ ধরে প্রতি রাতে এই একই স্বপ্ন দেখছি, উপলের স্বপ্ন, আর লোকে ঠিকই বলে সত্যি বাংলা চটি গল্প নাকি কল্পনার চেয়েও বেশি তীব্র হয়।
পাশে শুয়ে আমার স্বামী গভীর ঘুমে, ফ্যানের হাওয়া গরম বাতাস ছাড়া কিছু দিচ্ছে না। আমি উঠে বসলাম, জলের গ্লাসে এক ঢোক খেলাম, কিন্তু গলার তেষ্টা মিটল না, মিটল বুকের ভেতরেরটা। এই গল্পটা আমার নিজের, কোনো বানানো কথা নয়।
আমার নাম মৌসুমী, বয়স ত্রিশ, বিয়ে হয়েছে আট বছর। উত্তর কলকাতার এক পুরনো পাড়ায় আমাদের ফ্ল্যাট, তিন তলার সিঁড়ি ঘেঁষা বারান্দা। দু মাস আগে চার তলায় ভাড়া এল উপল, বত্রিশ বছর বয়স, একা থাকে, কী একটা আইটি কোম্পানিতে কাজ করে।
প্রথম যেদিন তাকে সিঁড়িতে দেখলাম, সেদিন রাতেই স্বপ্নটা শুরু হলো। স্বপ্নে সে আমাকে ছাদের জলের ট্যাংকের পাশে টেনে নেয়, তার হাত আমার কোমরে। আমি না বলতে চাই, কিন্তু শরীর বলে অন্য কথা।
স্বপ্নটা এত জীবন্ত যে ঘুম ভাঙার পরও আমার গুদ ভিজে থাকে। আমি বাথরুমে গিয়ে নিজেকে ছুঁই, কিন্তু তাতে স্বস্তি মেলে না। পরের রাতেও সেই একই স্বপ্ন, শুধু একটু বেশি গভীর।
এক সপ্তাহ ধরে প্রতি রাতে আমি তাকে স্বপ্নে দেখছি। দিনে সিঁড়িতে দেখা হলে চোখ নামিয়ে নিই, কিন্তু ভেতরে আগুন জ্বলে। স্বামী অফিস থেকে ফিরে টিভি দেখে, আমি রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে ভাবি উপলের কথা।
স্বপ্নগুলো দিন দিন আরও স্পষ্ট হচ্ছে। প্রথম রাতে শুধু তার হাত আমার কোমরে, তৃতীয় রাতে তার ঠোঁট আমার গলায়। গতকাল রাতে স্বপ্নে সে আমার শাড়ি খুলে দিল, আর আমি তাকে বাধা দিলাম না, বরং নিজেই ব্লাউজের বোতাম খুলে দিলাম।
ঘুম ভাঙার পর আমি নিজেকে ধিক্কার দিই, আমি বিবাহিত, আমার স্বামী আছে। কিন্তু পরের রাতে আবার সেই একই স্বপ্নের অপেক্ষায় ঘুমোতে যাই। শরীরটা যেন আমার কথা শোনে না, শোনে শুধু সেই স্বপ্নের ডাক।
সেদিন ছিল ভাদ্রের এক অসহ্য গরম রাত, লোডশেডিং চলছিল। ঘরে বাতাস নেই, ঘামে শরীর চিটচিটে। স্বামী ঘুমিয়ে পড়েছে, আমি নাইটির ওপর ওড়না চাপিয়ে ছাদে উঠে এলাম হাওয়া খেতে।
ছাদের দরজা ঠেলে দেখি উপল রেলিংয়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে, সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়ছে। আমাকে দেখে সে চমকে উঠল, তারপর হাসল। “ঘুম আসছে না?” সে জিজ্ঞেস করল।
আমি মাথা নাড়লাম, “গরমে মরছি।” সে বলল, “আমিও। এই পাড়ায় রাতে হাওয়া দেয় না।” আমরা দুজনে রেলিংয়ে দাঁড়ালাম, কাঁধে কাঁধ প্রায় ছুঁয়ে যাচ্ছে।
তার গায়ের ঘামের গন্ধ আর সিগারেটের গন্ধ মিলে আমার মাথা ঘুরিয়ে দিল। আমি ইচ্ছে করে একটু কাছে সরে গেলাম, আমার বাহু তার বাহু ছুঁল। সে সরে গেল না, বরং আরও একটু কাছে এল।
আমি আর পারলাম না, তার হাতটা ধরে বললাম, “উপল, আমি এক সপ্তাহ ধরে তোমাকে স্বপ্নে দেখছি।” সে থমকে গেল, চোখে একটা অদ্ভুত আলো নিয়ে ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল, “কী দেখছ?”
“এই, ঠিক এই জায়গায়,” আমি বললাম, “তুমি আমাকে টেনে নিচ্ছ, আর আমি বাধা দিচ্ছি না।” তার শ্বাস ভারী হলো, হাতটা আমার কোমরে রাখল। আমার সারা শরীর কেঁপে উঠল।
সে আমাকে টেনে রেলিংয়ের আড়ালে নিল, ট্যাংকের পেছনের অন্ধকার কোণে। তার ঠোঁট আমার ঠোঁটে নামল, প্রথমে নরম, তারপর পাগলের মতো। আমার জিভ তার জিভে জড়িয়ে গেল, আমি তার চুল খামচে ধরলাম।
তার ঠোঁট আমার গলায় নামল, কানের লতিতে কামড় দিল হালকা করে। আমি গোঙিয়ে উঠলাম, আমার নখ তার পিঠে বসে গেল। “তুমি জানো না আমি কত রাত তোমার জন্য জেগেছি,” সে ফিসফিস করল।
তার হাত আমার নাইটির ভেতর ঢুকল, দুধ দুটো খামচে ধরল শক্ত করে। আমি আহ করে উঠলাম, সে আমার মুখ চেপে ধরল হাত দিয়ে, “আস্তে, কেউ শুনে ফেলবে।” আমার নিপল দুটো তার আঙুলের ফাঁকে শক্ত হয়ে গেল।
আমি তার প্যান্টের চেনে হাত দিলাম, ভেতরে শক্ত ধোনটা আমার হাতের মুঠোয়। আমি চমকে উঠলাম, এত বড়। সে হাসল, “স্বপ্নে এর চেয়েও বড় দেখেছিলে?” আমি লজ্জায় তার বুকে মুখ লুকালাম।
আমি হাঁটু গেড়ে বসলাম ট্যাংকের আড়ালে, তার ধোনটা মুখে নিলাম। লবণাক্ত স্বাদ, আমার গলা পর্যন্ত ঢুকে গেল। সে আমার চুল ধরে মাথাটা নাড়াতে লাগল, আমি চুষতে থাকলাম পাগলের মতো।
আমার মুখ থেকে ধোনটা বের করে সে আমাকে দাঁড় করাল, আমার নাইটি কোমর পর্যন্ত তুলে দিল। তার মুখ আমার গুদে, জিভটা ভেতরে ঢুকিয়ে সে চাটতে লাগল পাগলের মতো। আমি ট্যাংকের গায়ে হাত রেখে কাঁপছি, চাঁদের আলোয় আমাদের ছায়া দুলছে।
সে আমাকে তুলে রেলিংয়ে বসাল, আমার পা দুটো ফাঁক করে নাইটিটা তুলে দিল। তার আঙুল আমার গুদে ঢুকল, ভেজা গুদে দুটো আঙুল সহজে ঢুকে গেল। আমি কামড়ে ধরলাম নিজের হাত, যেন চিৎকার বেরিয়ে না আসে।
সে প্যান্টটা নামিয়ে ধোনটা আমার গুদের মুখে রাখল, এক ধাক্কায় পুরোটা ভেতরে। আমি ছাদের রেলিং ধরে কাঁপতে থাকলাম, প্রতিটা ধাক্কায় আমার দুধ দুলছে। “মৌসুমী,” সে ফিসফিস করল, “তুমি স্বপ্নের চেয়েও ভালো।”
আমরা দুজনে ঘামে ভিজে একাকার, তার ধাক্কার গতি বাড়ছে। আমার ভেতরে একটা স্রোত বইতে শুরু করল, আমি তার কাঁধে কামড়ে ধরলাম। জল খসিয়ে আমি তার গায়ে লুটিয়ে পড়লাম, সেও প্রায় সঙ্গে সঙ্গে আমার ভেতরে ঢেলে দিল।
কিছুক্ষণ আমরা দুজনে দাঁড়িয়ে রইলাম, শ্বাস নিচ্ছি। সে আমার কপালে চুমু খেল, “কাল আবার আসবে?” আমি হাসলাম, “তুমি ডাকলেই।” সিঁড়ি বেয়ে নামতে নামতে আমার পা কাঁপছিল।
পরদিন সারাদিন আমি যেন হাওয়ায় ভাসছিলাম। স্বামী জিজ্ঞেস করল, “আজ এত খুশি কেন?” আমি হেসে বললাম, “এমনি।” বিকেলে উপলের ফ্ল্যাট থেকে আওয়াজ এল, সে দরজা খুলে কাকে যেন বিদায় দিচ্ছে।
সন্ধ্যায় আমি একটা বাটি হাতে উপরে উঠলাম, বলব রান্না বেশি হয়েছে। দরজা খুলতেই সে আমাকে ভেতরে টেনে নিল, দরজা বন্ধ করে দিল। “বাটিটা টেবিলে রাখো,” সে বলল, চোখে সেই চেনা আগুন।
তার ফ্ল্যাটটা ছোট, একটা ঘর, বইয়ের তাক, ল্যাপটপ টেবিলে। সে আমাকে সোফায় বসিয়ে চা দিল, কিন্তু চা খাওয়া হলো না। তার হাত আমার ঘাড়ে, আমি তার দিকে ঝুঁকে পড়লাম।
সে আমার শাড়ির আঁচল টেনে নামাল, ব্লাউজের বোতাম একটা একটা করে খুলল। আমার দুধ দুটো বেরিয়ে এল, সে দু হাতে ধরে মুখ ডুবিয়ে দিল। আমি তার মাথা চেপে ধরলাম বুকের ওপর, “আরও, আরও জোরে।”
সে একটা নিপল মুখে নিয়ে চুষতে লাগল, আরেকটা আঙুলে মোচড়াতে লাগল। আমার শরীরে বিদ্যুৎ বইছে, আমি তার শার্টের বোতাম ছিঁড়ে ফেলার মতো করে খুললাম। তার বুকের লোমে আমার গাল ঘষলাম।
সে আমাকে তুলে বাথরুমে নিয়ে গেল, শাওয়ার চালিয়ে দিল। গরম জলের নিচে আমরা দুজনে ভিজে একাকার, তার হাত আমার সারা গায়ে সাবান মাখাচ্ছে। আমি তার ধোনটা হাতে নিয়ে নাড়াতে লাগলাম, সে আমার গুদে আঙুল ঢুকিয়ে দিল।
শাওয়ারের নিচেই সে আমাকে দেয়ালে চেপে ধরল, এক পা তুলে ধোনটা ঢুকিয়ে দিল। জলের শব্দে আমাদের গোঙানি ঢাকা পড়ছে, আমি নির্ভয়ে চিৎকার করছি। “আরও জোরে, উপল, আরও জোরে,” আমি বলছি, সে হাসছে।
আমরা দুজনে বিছানায়, আমি তার ধোন মুখে নিলাম আর সে আমার গুদ চাটতে লাগল। তার জিভ আমার গুদের ভেতরে ঢুকছে, আমি কেঁপে কেঁপে উঠছি। “উপল, আমি আর পারছি না,” আমি গোঙালাম।
সে আমার ওপর উঠল, ধোনটা ধীরে ধীরে আমার গুদে ঢোকাল। পুরোটা ঢুকিয়ে সে থামল, আমার চোখে চোখ রাখল। তারপর ধাক্কা দিতে শুরু করল, গভীর, ধীর, প্রতিটা ধাক্কায় আমি চিৎকার চেপে রাখছি।
সে আমাকে উল্টে দিল, আমি হাঁটু গেড়ে বিছানায়। পেছন থেকে ধোনটা ঢুকিয়ে সে আমার চুল টেনে ধরল। “তোমার এই পাছাটা স্বপ্নে দেখেছি,” সে বলল, আর জোরে ধাক্কা দিল। আমার দুধ দুলছে, আমি বালিশে মুখ গুঁজে গোঙাচ্ছি।
আমি তাকে ঠেলে শুইয়ে দিলাম, তার ওপর চড়ে বসলাম। ধোনটা নিজে গুদে ঢুকিয়ে আমি নাচতে শুরু করলাম ওপরে। তার হাত আমার দুধে, আমার কোমরে, আমি পাগলের মতো দুলছি।
আমার ভেতরে আবার সেই স্রোত, আমি চিৎকার করে উঠলাম, “আসছে, আসছে।” সে আমাকে শক্ত করে ধরে নিচ থেকে ধাক্কা দিল। আমরা দুজনে একসঙ্গে খসালাম, ঘামে ভেজা শরীরে জড়িয়ে রইলাম।
বিছানায় শুয়ে সে বলল, “তোমার স্বামী জানলে?” আমি বললাম, “জানবে না, যদি তুমি চুপ থাকো।” সে হাসল, “আমি চুপ, কিন্তু তুমি তো চিৎকার করছিলে।” আমি তার বুকে ঘুষি মারলাম, দুজনে হেসে উঠলাম।
আমি জামা ঠিক করে বেরোতে যাচ্ছি, সে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরল। “আবার কবে?” তার গলা আমার কানে। আমি বললাম, “তুমি যখন চাও, আমি তখন।” সে আমার ঘাড়ে চুমু খেল, আমি কেঁপে উঠলাম।
রাত দশটায় আমি নিচে নামলাম, বাটিটা হাতে। স্বামী বলল, “এতক্ষণ?” আমি বললাম, “উপলদা চা খাওয়াল।” সে টিভিতে মগ্ন, কিছু বুঝল না।
এরপর তিন দিন আমরা দেখা করিনি, সে অফিসের কাজে ব্যস্ত ছিল। আমি ছটফট করছি, রাতে স্বপ্নে আবার তাকে দেখছি। আমার হাত নিজে থেকেই ফোনের দিকে যায়, তার নম্বরটা ডায়াল করতে গিয়ে থেমে যাই। চতুর্থ দিন সকালে সিঁড়িতে তার সঙ্গে দেখা।
সকাল সাতটা, পাড়া তখনও ঘুমে। আমি বাজারের থলে হাতে নিচে নামছি, সে ওপরে উঠছে। দোতলা আর তিনতলার মাঝের ল্যান্ডিংয়ে আমরা মুখোমুখি। “মৌসুমী,” সে ফিসফিস করল, চোখে আগুন।
আমি থলেটা নামিয়ে রাখলাম, সে আমাকে দেয়ালে চেপে ধরল। তার ঠোঁট আমার ঠোঁটে, জিভ আমার মুখে, আমার হাত তার প্যান্টে যেখানে ধোনটা ততক্ষণে শক্ত। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “এখানে?” সে বলল, “এখানেই।”
সে আমার নাইটি তুলে দিল, প্যান্টিটা একপাশে সরিয়ে দিল। আমি দেয়ালে হাত রেখে একটা পা তুললাম, সে ধোনটা আমার গুদে ঢুকিয়ে দিল দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই। সিঁড়ির ঠান্ডা দেয়াল আমার পিঠে, তার গরম শরীর সামনে।
আমরা দুজনে দ্রুত করছি, কেউ এসে পড়ার ভয়ে। তার ধাক্কা গভীর, আমার দুধ তার বুকে চেপে আছে। আমি তার কানে ফিসফিস করলাম, “জোরে, আরেকটু জোরে।”
হঠাৎ ওপর থেকে দরজা খোলার শব্দ, আমরা দুজনে জমে গেলাম। কিন্তু কেউ বেরোল না, শুধু বাতাসে দরজা নড়েছে। সে আমার ঠোঁটে আঙুল রেখে হাসল, তারপর আরও গভীরে ঢুকল।
নিচ থেকে কারো পায়ের শব্দ এল, আমরা দুজনে থমকে গেলাম। শব্দটা থেমে গেল, সে আবার ধাক্কা দিতে শুরু করল, আরও জোরে। আমি তার মুখে হাত চেপে চিৎকার চাপলাম, ভেতরে জল খসিয়ে তার গায়ে লুটিয়ে পড়লাম।
সে দ্রুত প্যান্ট ঠিক করল, আমি নাইটি নামালাম। থলেটা তুলে আমি নিচে নামলাম, সে ওপরে উঠল, যেন কিছুই হয়নি। কিন্তু আমার ঠোঁটে তখনও তার স্বাদ, গুদে তখনও তার ধোনের অনুভূতি।
সে রাতে আমি আবার স্বপ্ন দেখলাম, কিন্তু এবার স্বপ্নটা অন্যরকম। স্বপ্নে উপল আমাকে বলছে, “কাল ছাদে এসো, পূর্ণিমা।” আমি ঘুম থেকে উঠে হাসলাম, স্বপ্নেও সে আমাকে ডাকছে।
পরদিন রাতে আমি ছাদে উঠলাম, আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ। উপল আগেই দাঁড়িয়ে, আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে। আমি তার হাত ধরলাম, কিছু বললাম না।
চাঁদের আলোয় তার মুখটা স্বপ্নের মতো লাগছে। সে আমাকে টেনে রেলিংয়ের কাছে নিল, আমার শাড়ির আঁচল সরিয়ে দিল। আমার বুকের ভেতর ঢেউ উঠছে, স্বপ্ন আর বাস্তবের ফারাকটা আজ মুছে গেছে। “এখানে, এই চাঁদের নিচে,” সে বলল, “স্বপ্নটা আবার সত্যি করি।”
সে আমার কানে ফিসফিস করল, “আজ স্বপ্নে কী দেখেছিলে?” আমি তার ঠোঁটে ঠোঁট রেখে বললাম, “দেখবে নাকি নিজে?”
স্বামী দু দিনের অফিস ট্যুরে কলকাতার বাইরে গেল, আর সেই রাতেই দরজায় টোকা পড়ল। দরজা খুলতেই উপল, হাতে মিষ্টির প্যাকেট। “বউদি, একা একা ভয় পাচ্ছেন না তো?” তার চোখে দুষ্টুমি।
আমি তাকে ভেতরে টেনে নিলাম, দরজা বন্ধ করতেই তার গায়ে ঝাঁপিয়ে পড়লাম। সে আমাকে কোলে তুলে বিছানায় নিয়ে গেল, আমার নাইটি প্রায় ছিঁড়ে ফেলার মতো করে খুলল। “দু দিন ধরে তোমাকে ছুঁইনি,” সে গোঙাল।
সে আমার সারা গায়ে চুমু খেতে খেতে নিচে নামল, আমার গুদে মুখ ডুবিয়ে দিল। আমি বিছানার চাদর খামচে ধরলাম, পা দুটো তার কাঁধে তুলে দিলাম। তার জিভ আমার ভেতরে, আমি কেঁপে কেঁপে জল খসালাম।
তারপর সে আমার ওপর উঠল, ধোনটা এক ধাক্কায় ভেতরে ঢুকিয়ে দিল। আমরা দুজনে ঘামছি, ফ্যানের হাওয়া গায়ে লাগছে। “আস্তে করো,” আমি বললাম, “পাশের ফ্ল্যাটে শুনে ফেলবে।” সে আমার মুখ চেপে ধরে আরও জোরে ধাক্কা দিল।
আমি তাকে ঠেলে শুইয়ে দিলাম, তার ধোনের ওপর বসে নাচতে শুরু করলাম। তার হাত আমার দুধ খামচে ধরেছে, আমার চুল এলোমেলো। “তুমি পাগল,” সে হাসল, “পুরো পাগল।” আমি তার ঠোঁটে কামড় দিলাম।
ভোরের দিকে আমরা আবার বিছানায়, এবার ধীরে ধীরে। সে পেছন থেকে আমাকে জড়িয়ে, ধোনটা আমার গুদে, দুজনে এক ছন্দে দুলছি। কোনো তাড়া নেই, শুধু আমরা দুজন আর নিস্তব্ধ রাত।
মাঝরাতে আমরা বারান্দায় গেলাম, গায়ে শুধু চাদর। পাড়া ঘুমিয়ে, আকাশে তারা। সে পেছন থেকে আমাকে জড়িয়ে ধরল, চাদরের ভেতর তার হাত আমার দুধে।
বারান্দার রেলিং ধরে আমি ঝুঁকলাম, সে পেছন থেকে ঢুকল। খোলা আকাশের নিচে ধরা পড়ার ভয়ে আমরা কাঁপছি, কিন্তু থামছি না। আমার দুধ দুলছে, তার হাত আমার কোমরে শক্ত।
আমি চিৎকার চেপে তার হাত কামড়ে ধরলাম, ভেতরে জল খসালাম। সেও আমার পিঠে মাথা রেখে ঢেলে দিল। কিছুক্ষণ আমরা ওভাবেই দাঁড়িয়ে রইলাম, চাঁদ আমাদের দেখছে।
আমরা দুজনে একসঙ্গে খসালাম, তার বাহুতে মাথা রেখে আমি ঘুমিয়ে পড়লাম। ঘুমের মধ্যেও আমি হাসছি, কারণ এবার স্বপ্ন নয়, সত্যিকারের উপল আমার পাশে।
ভোর হওয়ার আগেই সে ওপরে উঠে গেল। দরজায় দাঁড়িয়ে বলল, “এই দু দিন আমার।” আমি হাসলাম, “তোমারই তো।” দরজা বন্ধ করে আমি বিছানায় লুটিয়ে পড়লাম, সারা গায়ে তার গন্ধ।
Readers who enjoyed “সত্যি বাংলা চটি গল্প: স্বপ্নের মতো রাত” also read
8 curated storiesবাংলা চোদা চুদির গল্প: ছাদের হাওয়ায় ওড়া শাড়ি
স্বামী মাসের কুড়ি দিন ট্রাকে বাইরে, আর পাশের ঘরের ভাড়াটে যুবক রনির চোখ আটকে আছে বৌদি শেফালির ওপর. ছাদের এক ঝোড়ো হাওয়ায় ওড়া শাড়ি বদলে দিল সবকিছু.
বৌদি চোদা গল্প: বাথরুমের চিৎকার
স্বামী দুর্গাপুরে, বাড়িতে একা বৌদি রুমা আর দেওর সায়ন। বাথরুমে পা পিছলে যাওয়া থেকে শুরু হওয়া এক বৌদি চোদা গল্প, যেখানে এক সন্ধ্যা চার দিনের গোপন সম্পর্কে বদলে যায়।
দিদি চটি গল্প: ছাদের আড্ডায় বদলে যাওয়া রাত
বিয়ের চার বছর পর দু মাসের জন্য বাপের বাড়ি ফেরা দিদির সঙ্গে ছাদে চায়ের আড্ডা। তিন রাতের আড্ডা যেভাবে এক রাতে বদলে গেল, পড়ুন নতুন দিদি চটি গল্প।
বাংলা চাচি চটি গল্প: কাকলির রান্নাঘরে সেই রাত
কাকার নাইট ডিউটি, ভাঙা টিভি, আর ফোনে সিনেমা দেখতে দেখতে চাচি কাকলির বিছানায় সৌম্যর সেই রাত, এই বাংলা চাচি চটি গল্পে।
বাংলা বিধবা চটি গল্প: নতুন ভাড়াটিয়া
বাংলা বিধবা চটি গল্প: তিন বছর আগে স্বামী হারানো মিতালির বাড়িতে নতুন ভাড়াটিয়া অর্জুন। এক বর্ষার সন্ধ্যায় খিচুড়ি আর ইলিশ ভাজার গন্ধে শুরু।
কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি: হলুদ ট্যাক্সির বৃষ্টিভেজা রাত
বিয়ের রিসেপশন থেকে ফেরার পথে বৃষ্টির রাতে শ্রাবণীর হলুদ ট্যাক্সি পাংচার হয় ময়দানের অন্ধকারে। মেকানিক আসতে দেরি করে, আর পেছনের সিটে ড্রাইভার রতনের সঙ্গে জমে ওঠে এমন এক গোপন খেলা, যা এই কলকাতা বাংলা সেক্স স্টোরি কে অনেকদিন মনে রাখার মতো করে তোলে।
Bangla Sex Story: লিফটে আটকে যাওয়া শিলার সেই সন্ধ্যা
শিলার bangla sex story: কলকাতার ফ্ল্যাটবাড়ির লিফটে এক সন্ধ্যায় আটকে পড়া, আর মেকানিক তুহিনের সঙ্গে তার গোপন রাতের কাহিনি।
বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরের ফ্ল্যাটে শর্মিলা
বাংলা বৌদি চোদা: দুপুরে ফাঁকা ফ্ল্যাট, গান বাজছে, শর্মিলা বৌদি নাচছেন। সৌরভ ফিরে এলো হাফ ডে তে, আর তারপর যা হলো তা তাদের গোপন নেশা হয়ে গেল।