বাংলা শালি চটি গল্প: দুলাভাই আর শালির গোপন রাত
"দুলাভাই, সত্যি করে বলো তো, দিদি বাড়িতে না থাকলে তোমার রাতগুলো কেমন কাটে?" মৌমিতা ডিনার টেবিলের ওপাশ থেকে চোখ মেরে জিজ্ঞেস করল, ঠোঁটের কোণে দুষ্টু হাসি। অর্জুন ভাতের গ্রাস মুখের কাছে তুলে থেমে গেল। "মানে এই যে বাংলা শালি চটি গল্পগুলোতে লেখা থাকে, দুলাভাই একা পেলেই শালির ঘরে ঢুকে পড়ে, তুমি কি তেমন কিছু ভাবো নাকি?" তার চোখে জ্বলছে পুরো শয়তানি।
"তুই পাগল হয়ে গেছিস নাকি?" অর্জুন হেসে উঠল, কিন্তু গলাটা একটু কেঁপে গেল। "দিদি শুনলে তোর কান টেনে ছিঁড়ে দেবে।" মৌমিতা ভাত নাড়তে নাড়তে বলল, "দিদি তো বাপের বাড়িতে, ফোনে শুধু বলেছে জামাইকে ভালো করে খাইয়ে দিতে। খাওয়ানো তো আমি দিচ্ছি, দুলাভাই।"
স্নানের পর পরা হালকা নীল শাড়িটা মৌমিতার গায়ে ভেজা ভেজা লেগে ছিল, ভেজা চুল পিঠে ছড়িয়ে। স্লিভলেস ব্লাউজের ফাঁক দিয়ে ফর্সা কাঁধ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল। অর্জুন চোখ সরাতে চাইল, পারল না। মৌমিতা সেটা লক্ষ্য করে সোজা হয়ে বসল, বুকটা ইচ্ছে করেই টানটান করে।
"কী দেখছ, দুলাভাই?" মৌমিতা হঠাৎ জিজ্ঞেস করল, চোখে চোখ রেখে। "কিছু না, খা তো।" অর্জুন তাড়াতাড়ি ভাতের দিকে তাকাল। মৌমিতা হেসে বলল, "মিথ্যে বোলো না, আমি দেখেছি। দিদি তো বলে তুমি ভদ্রলোক, কিন্তু তোমার চোখ তো ভদ্রলোকের মতো আচরণ করছে না।"
অর্জুনের কান গরম হয়ে উঠল। "মৌমিতা, এসব কথা বলা ঠিক না।" "কেন ঠিক না?" মৌমিতা চেয়ারটা একটু এগিয়ে আনল, টেবিলের ওপর কনুই ভর দিয়ে ঝুঁকল। "আমি তো বড় হয়েছি, দুলাভাই। চব্বিশ বছর বয়স। আর আজকের এই শনিবার সন্ধ্যেটা যে বোরিং হবে না, সেটার গ্যারান্টি আমি দিচ্ছি।"
"দিদি জানতে পারলে দুজনকেই মেরে ফেলবে।" অর্জুনের গলা শুকিয়ে আসছিল। মৌমিতা ঠোঁট কামড়ে হাসল, "দিদি জানবে কী করে, আমরা না বললে? এই ফ্ল্যাটে এখন শুধু তুমি আর আমি। বাইরে আকাশ পরিষ্কার, রাতটা লম্বা।" সে একটা মাছের টুকরো তুলে অর্জুনের দিকে বাড়িয়ে দিল, "নাও, হাঁ করো।"
অর্জুন অবাক হয়ে হাঁ করল, মৌমিতা নিজের হাতে তাকে খাইয়ে দিল। তার আঙুল অর্জুনের ঠোঁট ছুঁয়ে গেল এক মুহূর্ত, ইচ্ছে করেই একটু বেশি সময় ধরে। অর্জুনের বুকের ভেতরটা ধক করে উঠল। "কেমন লাগল?" "ভালো।" "শুধু ভালো? দিদি তো বলে তোমার মুখে প্রশংসা থাকে না।"
টেবিলের নিচে হঠাৎ অর্জুন অনুভব করল একটা নরম পায়ের আঙুল তার পায়ের ওপর উঠে এসেছে। সে চমকে মৌমিতার দিকে তাকাল। মৌমিতা এমন ভাব করল যেন কিছুই হয়নি, ভাত খেতে খেতেই বলল, "দুলাভাই, তোমার হাতগুলো বেশ শক্ত দেখায়। জিম করো নাকি?" পায়ের আঙুলটা এবার তার গোড়ালি বেয়ে ওপরে উঠছে।
"মৌমিতা, পা সরাও।" অর্জুন ফিসফিস করে বলল। "কেন, ভালো লাগছে না?" মৌমিতার চোখে দুষ্টুমি। "লাগছে বলেই তো সরাতে বলছি।" অর্জুনের কথা শুনে মৌমিতা জোরে হেসে উঠল, "ওহো, দুলাভাই শিকার স্বীকার করলেন!" সে পা সরাল না, বরং আরও একটু চাপ দিল।
খাওয়া শেষে মৌমিতা প্লেট তুলতে উঠল। শাড়ির আঁচলটা ইচ্ছে করেই কাঁধ থেকে খসে পড়ল, আর স্লিভলেস ব্লাউজে ঢাকা তার ভরাট বুকের অনেকটাই দৃশ্যমান হলো। অর্জুনের চোখ আটকে গেল সেখানে। মৌমিতা আঁচলটা তুলতে একটুও তাড়াহুড়ো করল না, ধীরে ধীরে কাঁধে তুলল। "দেখা শেষ?" সে মিষ্টি করে জিজ্ঞেস করল।
"আমি দেখছিলাম না।" অর্জুন মিথ্যে বলল, গলা শুকনো। মৌমিতা তার কাছে এসে দাঁড়াল, প্লেটগুলো সিঙ্কে রাখার ভান করে তার পাশ ঘেঁষে দাঁড়াল। "দুলাভাই, একটা কথা বলি? তুমি মিথ্যে বলতে পারো না। চোখে সব ধরা পড়ে যায়।" তার শরীর থেকে স্নানের পরের সাবানের গন্ধ ভেসে আসছিল।
"তোর ব্লাউজটা একটু..." অর্জুন কথা শেষ করতে পারল না। "একটু কী?" মৌমিতা তার দিকে ঘুরে দাঁড়াল, হাত কোমরে। "বলো না, কী বলতে চাইছিলে?" অর্জুন চুপ করে রইল। মৌমিতা এগিয়ে এসে তার চেয়ারের পেছনে দাঁড়াল, দুই হাত রাখল তার কাঁধে। "ডিনার শেষ, দুলাভাই। এবার ডেজার্টের পালা।"
অর্জুনের কাঁধে মৌমিতার আঙুলগুলো ধীরে ধীরে চাপ দিচ্ছিল, মাসাজের মতো। "মৌমিতা, এটা ঠিক হচ্ছে না।" "কী ঠিক হচ্ছে না?" তার গলা এখন অর্জুনের কানের খুব কাছে, গরম নিঃশ্বাস লাগছে ঘাড়ে। "আমি তো শুধু তোমার কাঁধ টিপে দিচ্ছি। দিদি তো নেই, কে দেখবে?"
অর্জুন চেয়ার ঘুরিয়ে তার দিকে তাকাল। মৌমিতা তার সামনে দাঁড়িয়ে, বুকটা তার মুখের সমান উচ্চতায়। সে অর্জুনের শার্টের কলার ধরে এক ঝটকায় তাকে দাঁড় করাল। "অনেক হয়েছে ভদ্রলোক সাজা। সোফায় চলো, দুলাভাই।" তার চোখে এখন আর দুষ্টুমি নেই, আছে সরাসরি আহ্বান।
সোফায় বসে মৌমিতা টিভির রিমোটটা একপাশে ছুঁড়ে ফেলল। "টিভি দেখার মুড নেই।" সে অর্জুনের গা ঘেঁষে বসল, মাথাটা রাখল তার কাঁধে। "দুলাভাই, তোমার গায়ের গন্ধটা ভালো লাগে।" অর্জুনের হাত কাঁপছিল। "মৌমিতা, আমরা..." "শশশ।" মৌমিতা তার ঠোঁটে আঙুল রাখল। "কথা কম, কাজ বেশি।"
মৌমিতা হঠাৎ তার দিকে ঘুরে দুই হাতে মুখটা ধরল, ঠোঁটে ঠোঁট চেপে ধরল। প্রথমে অর্জুন হতবাক হয়ে বসে রইল, তারপর শরীর সাড়া দিল। মৌমিতার ঠোঁট নরম, গরম, জিভ অর্জুনের মুখে ঢুকে খেলা করতে লাগল। অর্জুনের হাত নিজে থেকেই উঠে এল তার কোমরে।
চুম্বনটা দীর্ঘ হলো, গভীর হলো। মৌমিতার হাত অর্জুনের বুক বেয়ে নিচে নামছিল, শার্টের বোতাম একটা একটা করে খুলে দিচ্ছিল। "তোমার বুকটা দেখতে চাই।" শার্ট খুলে গেল, তার নরম হাত খালি বুকে ঘুরতে লাগল। নিপলে আঙুল ছুঁয়ে যেতেই অর্জুন শিউরে উঠল।
"ভালো লাগছে?" মৌমিতা তার কানে ফিসফিস করল, জিভ দিয়ে কানের লতি চেটে দিল। অর্জুন শুধু মাথা নাড়ল, কথা বলার শক্তি হারিয়ে ফেলেছে। মৌমিতার হাত এবার তার পাজামার দড়ির দিকে এগোল। "দেখি, দুলাভাইয়ের আসল শক্তি কোথায় লুকিয়ে।" সে দুষ্টু হেসে দড়িটা খুলে দিল।
অর্জুনের ধোন তখন পুরো খাড়া হয়ে উঠেছে, পাজামার ভেতর থেকে ঠেলে বেরোতে চাইছে। মৌমিতা কাপড়ের ওপর দিয়েই সেটা মুঠো করে ধরল আর ধীরে ধীরে নাড়তে লাগল। "বাহ, দুলাভাই তো বেশ তৈরি।" অর্জুনের মুখ থেকে একটা গোঙানি বেরিয়ে এল। "মৌমিতা, প্লিজ..." "প্লিজ কী? থামতে বলছ, না চালিয়ে যেতে?"
"চালিয়ে যা।" অর্জুনের গলা ভেঙে এল। মৌমিতা বিজয়ীর হাসি হেসে তার পাজামাটা নামিয়ে দিল। খাড়া ধোনটা বেরিয়ে এল, মৌমিতা সেটা হাতে নিয়ে মুখের কাছে আনল। প্রথমে ডগাটা চেটে দিল, তারপর পুরোটা মুখে পুরে নিল। অর্জুন সোফায় হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করে ফেলল।
মৌমিতার মুখের গরমে অর্জুনের শরীরে আগুন জ্বলে উঠল। সে ধোনটা চুষছিল, জিভ ঘোরাচ্ছিল ডগার চারপাশে, মাঝে মাঝে গভীরে নিয়ে গলা পর্যন্ত। অর্জুনের হাত তার চুলে ঢুকে গেল, অজান্তেই চাপ দিচ্ছিল। "আহ, মৌমিতা..." "চুপ, উপভোগ করো, দুলাভাই।"
ব্লাউজ খুলে গেল, ভেতরে কালো ব্রা। মৌমিতা ব্রাটাও খুলে ফেলল, ভরাট দুধ দুটো মুক্ত হয়ে দুলতে লাগল। অর্জুনের নিঃশ্বাস আটকে গেল। মৌমিতা তার হাত ধরে নিজের বুকে রাখল। "ছুঁয়ে দেখো, দুলাভাই। তোমারই জন্য সাজিয়ে রেখেছি।" নিপলটা শক্ত হয়ে উঠেছে।
ব্লাউজ খুলে গেল, ভেতরে কালো ব্রা। মৌমিতা ব্রাটাও খুলে ফেলল, তার ভরাট দুধ দুটো মুক্ত হয়ে দুলতে লাগল। অর্জুনের নিঃশ্বাস আটকে গেল। মৌমিতা তার হাত ধরে নিজের বুকে রাখল। "ছুঁয়ে দেখো, দুলাভাই। তোমারই জন্য সাজিয়ে রেখেছি।" অর্জুনের হাতের তালুতে নরম, গরম মাংস, নিপলটা শক্ত হয়ে উঠেছে।
অর্জুন দুই হাতে তার দুধ দুটো চটকাতে লাগল, মৌমিতা মাথা পেছনে হেলিয়ে গোঙাতে লাগল। "আহ, হ্যাঁ, এভাবেই।" অর্জুন একটা নিপল মুখে পুরে চুষতে লাগল, অন্য হাতে অন্যটা মলতে লাগল। মৌমিতার শরীর কেঁপে উঠছিল, তার হাত অর্জুনের চুল খামচে ধরল।
"ঘরে চলো, দুলাভাই।" মৌমিতা হঠাৎ তার হাত ধরে টান দিল। "সোফায় জায়গা কম, বিছানায় পুরো রাত পড়ে আছে।" অর্জুন উঠে দাঁড়াল, পাজামা হাঁটুর কাছে ঝুলছে। মৌমিতা শাড়িটা কোমরে পেঁচিয়ে হাঁটতে লাগল, পেছন ফিরে চোখ মারল। "এসো, লজ্জা পেয়ো না।"
বেডরুমে ঢুকেই মৌমিতা দরজাটা বন্ধ করে ছিটকিনি লাগাল। "যাতে কেউ ডিস্টার্ব না করে।" সে বিছানায় বসে শাড়ির কুঁচিটা খুলে ফেলল, শাড়িটা মেঝেতে লুটিয়ে পড়ল। শুধু শায়া পরে সে বিছানায় হেলান দিল, পা দুটো ছড়িয়ে। "এসো, দুলাভাই। আজ রাতটা আমাদের।"
অর্জুন বিছানায় উঠল, মৌমিতা তাকে ঠেলে শুইয়ে দিল আর তার ওপরে উঠে বসল। তার শায়ার ভেতর দিয়ে অর্জুনের খাড়া ধোনটা তার গুদে ঘষা খাচ্ছিল। মৌমিতা কোমর দোলাতে লাগল, ঘষতে লাগল। "উফ, দুলাভাই, তোমারটা এত গরম।" তার গুদ ভিজে চপচপ করছিল, শায়া ভিজে গেছে।
মৌমিতা শায়াটাও খুলে ফেলল, এখন সে সম্পূর্ণ নগ্ন। অর্জুনের চোখ তার শরীরের প্রতিটা ভাঁজে ঘুরছিল। মৌমিতা তার ধোনটা হাতে নিয়ে নিজের গুদের মুখে রাখল। "ঢোকাও, দুলাভাই। আর দেরি সয় না।" অর্জুন কোমর তুলে এক ধাক্কায় পুরোটা ঢুকিয়ে দিল।
"আহহহ!" মৌমিতার চিৎকার বেরিয়ে এল, সে অর্জুনের বুকে নখ বসিয়ে দিল। ধোনটা তার গুদের গভীরে ঢুকে গেছে, টাইট, গরম, ভেজা। মৌমিতা কোমর নাড়াতে শুরু করল, ওঠানামা করতে লাগল। "হ্যাঁ, দুলাভাই, এভাবেই, আরও জোরে।" অর্জুন নিচ থেকে ঠাপ দিতে লাগল, তালে তাল মিলিয়ে।
ঘরে শুধু শোনা যাচ্ছিল তাদের ভারী নিঃশ্বাস, চামড়ার সঙ্গে চামড়ার থাপ্পড়ের শব্দ, আর মৌমিতার গোঙানি। "আহ, দুলাভাই, তুমি তো সেরা।" মৌমিতা হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। অর্জুন হেসে তার কোমর চেপে ধরল, "চুপ করে উপভোগ কর।"
মৌমিতা ঝুঁকে তার ঠোঁটে চুমু খেল, জিভ ঢুকিয়ে দিল মুখে, নিচে কোমর চালিয়ে যাচ্ছে। অর্জুনের হাত তার পাছায়, চাপ দিচ্ছে, টানছে। "আমার ভেতরটা ভরে গেছে, দুলাভাই।" মৌমিতা ফিসফিস করল। "তোমার ধোনটা আমার গুদে এত ভালো লাগছে।"
হঠাৎ মৌমিতা গতি বাড়াল, তার শরীর কাঁপতে শুরু করল। "আসছে, দুলাভাই, আমার আসছে!" তার গুদ অর্জুনের ধোনটাকে চেপে ধরল, ভেতরে একটা তীব্র সংকোচন। মৌমিতা চিৎকার করে অর্জুনের বুকে লুটিয়ে পড়ল, শরীর থরথর করে কাঁপছে। অর্জুনও আর ধরে রাখতে পারল না।
"আমিও আসছি!" অর্জুন গর্জে উঠল, কোমরটা শেষ কয়েকটা জোর ঠাপ দিল আর তার গরম বীর্য মৌমিতার গুদের গভীরে ঢেলে দিল। মৌমিতা তাকে জড়িয়ে ধরল, দুজনে ঘামে ভেজা, হাঁপাতে হাঁপাতে একে অপরের গায়ে লেগে রইল। "উফ, দুলাভাই, এটা তো স্বর্গ ছিল।"
কিছুক্ষণ দুজনে চুপচাপ শুয়ে রইল, মৌমিতার মাথা অর্জুনের বুকে। "দিদি কখনো এভাবে করে না, তাই না?" "তুই দিদির সঙ্গে তুলনা করছিস?" "করছি তো, আর আমি জিতছি।" মৌমিতা তার দিকে তাকাল, চোখে আবার আগুন। "আমার আরও চাই, দুলাভাই। এক রাউন্ডে মন ভরবে না।" তার হাত নিচে বাড়িয়ে দেখল ধোনটা আবার শক্ত হচ্ছে। "দেখো, তোমার শরীরও চায়।"
মৌমিতা উঠে বেডসাইড টেবিল থেকে জলের বোতল নিয়ে দুজনে খেল। "শক্তি সঞ্চয় করো, দুলাভাই। রাত এখনো অনেক বাকি।" সে পাশে শুয়ে ধোনটা হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে নাড়তে লাগল। "এবার আমি নিচে থাকব, তুমি ওপরে। ভাবতেই গা শিউরে উঠছে।"
অর্জুন তার ওপরে উঠল, মৌমিতা পা দুটো ছড়িয়ে দিল, হাঁটু বুকের কাছে টেনে আনল। "ঢোকাও।" অর্জুন ধোনটা তার ভেজা গুদে ঢুকিয়ে দিল, মৌমিতা গোঙিয়ে উঠল। এবার অর্জুন নিয়ন্ত্রণ নিল, ধীরে ধীরে গভীর ঠাপ দিতে লাগল, প্রতিটা ঠাপে পুরোটা বের করে আবার গভীরে।
"হ্যাঁ, দুলাভাই, এভাবেই চোদো আমাকে।" মৌমিতা তার কাঁধ খামচে ধরল। "তোমার শালিকে চোদো, তোমার মৌমিতাকে।" অর্জুনের গতি বাড়ল, বিছানা কাঁপতে লাগল। মৌমিতার দুধ দুটো লাফাচ্ছিল, অর্জুন একটা মুখে পুরে চুষতে লাগল, ঠাপ থামাল না।
"পজিশন বদলাই?" অর্জুন জিজ্ঞেস করল, না থেমেই। মৌমিতা মাথা নাড়ল। অর্জুন বেরিয়ে এসে তাকে উল্টে দিল, কুকুরের মতো হাঁটুতে বসাল। মৌমিতা কোমর উঁচু করে পাছাটা তার দিকে বাড়িয়ে দিল। "পেছন থেকে নাও, দুলাভাই। জোরে।" অর্জুন পেছন থেকে ঢুকল, মৌমিতা চিৎকার করে উঠল।
এই পজিশনে ধোনটা আরও গভীরে যাচ্ছিল। অর্জুন তার পাছা চেপে ধরে জোরে জোরে ঠাপ দিতে লাগল। "আহ, দুলাভাই, ফাটিয়ে দিচ্ছ!" মৌমিতার গলা ভেঙে আসছিল। "তোমার শালির গুদটা তোমারই, চুদে শেষ করে দাও।" অর্জুনের কপালে ঘাম, শরীরে আগুন।
মৌমিতা এক হাত পেছনে বাড়িয়ে তার অন্ডকোষটা চেপে ধরল, "এভাবেই, আর থেমো না।" অর্জুন গর্জে উঠল, গতি আরও বাড়াল। ঘরে তাদের শরীরের শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল। "আমার আবার আসছে, দুলাভাই!" মৌমিতা চিৎকার করল, তার গুদ আবার সংকুচিত হলো, রসে ভিজে গেল অর্জুনের ধোন।
"ভেতরেই ঢালো, দুলাভাই।" মৌমিতা হাঁপাতে হাঁপাতে বলল। "আমার ভেতরেই।" অর্জুন শেষ কয়েকটা প্রচণ্ড ঠাপ দিয়ে তার সব বীর্য আবার তার গুদে ঢেলে দিল। দুজনে বিছানায় লুটিয়ে পড়ল, মৌমিতা তার বুকে মাথা রেখে হাঁপাচ্ছে। "দুলাভাই, তুমি আমাকে মেরেই ফেলবে।"
"তুই তো নিজেই মরতে এসেছিস।" অর্জুন হেসে তার কপালে চুমু খেল। মৌমিতা তার দিকে তাকাল, চোখে গভীর কিছু। "দুলাভাই, একটা সিরিয়াস কথা।" "বল।" "এরকম রাত কি আর পাব? দিদি তো সবসময় বাড়িতে থাকে।"
অর্জুন চুপ করে রইল এক মুহূর্ত। "তুই চাইলে ব্যবস্থা হয়ে যাবে।" "মানে?" "দিদি মাঝে মাঝে বাপের বাড়ি যায়, তখন তুই চলে আসবি। আমাদের গোপন ব্যবস্থা।" মৌমিতার চোখ জ্বলে উঠল। "প্রমিস?" "প্রমিস।" মৌমিতা জড়িয়ে ধরে ঠোঁটে গভীর চুমু খেল। "তুমি সেরা দুলাভাই।"
"কিন্তু একটা শর্ত।" অর্জুন বলল। "কী শর্ত?" "দিদি কখনো জানতে পারবে না। এটা আমাদের গোপন রাত, শুধু আমাদের।" মৌমিতা তার বুকে হাত রেখে বলল, "কসম, দুলাভাই। দিদি জানলে আমাকে মেরেই ফেলবে, আর তোমাকে তো তালাক দিয়ে দেবে।" দুজনে হেসে উঠল।
ভোরের দিকে দুজনে জড়াজড়ি করে ঘুমিয়ে পড়ল। সকাল আটটায় মৌমিতার ফোন বাজল, দিদির ফোন। "দিদি! কী বলব?" "বল ঘুমোচ্ছিলি।" মৌমিতা ফোন তুলে গলা স্বাভাবিক রাখল, "হ্যাঁ দিদি, ঘুমোচ্ছিলাম। দুলাভাই ভালো আছে, চিন্তা করিস না।"
"দুলাভাই, এদিকে এসো।" অর্জুন গিয়ে তার পেছনে দাঁড়াল। মৌমিতা আয়নায় তার চোখে চোখ রেখে বলল, "কাল রাতে যা হলো, সেটা স্বপ্ন ছিল না, তাই তো?" "না, স্বপ্ন ছিল না।" মৌমিতা ঘুরে তাকে জড়িয়ে ধরল, ঠোঁটে দীর্ঘ চুমু খেল। "মনে রেখো, আমি আবার আসব।"
রবিবার দুপুরে মৌমিতা ব্যাগ গুছিয়ে দরজার কাছে দাঁড়াল। "দিদি কাল ফিরছে, তাই তো?" "হ্যাঁ।" "তাহলে আজ রাতটা শুধু আমার স্মৃতি।" মৌমিতা তার গালে হাত রাখল। "আমি ভেবেছিলাম তুমি ভদ্রলোক, কিছু করবে না।" "আর এখন?" "এখন জানি, ভদ্রলোকের ভেতরেও আগুন থাকে।"
দরজা খুলে মৌমিতা এক পা বাইরে রাখল, তারপর থেমে ফিরে তাকাল। "পরের শনিবার দিদি বাপের বাড়ি যাচ্ছে, মনে আছে তো?" "মনে আছে।" মৌমিতা চোখ মেরে ফিসফিস করে বলল, "তৈরি থেকো, দুলাভাই। শাড়িটা আবার পরব।" দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল, কিন্তু অর্জুনের ঠোঁটে হাসিটা রয়ে গেল।
Readers who enjoyed “বাংলা শালি চটি গল্প: দুলাভাই আর শালির গোপন রাত” also read
8 curated storiesকাকিমা চটি গল্প: সেলাই ঘরের গরম দুপুর
চাকরি হারিয়ে বাড়ি ফেরা রাজিবকে পাড়ার শেফালি কাকিমা ডাকলেন ভারী সেলাই মেশিন সরানোর কাজে। সেলাই ঘরের গরম দুপুরে যা ঘটল, তা এই কাকিমা চটি গল্পে পুরোটা লেখা আছে।
বাংলা পরকীয়া চটি গল্প: রেকর্ড রুমের গোপন সন্ধ্যা
রুমার জীবনের এই বাংলা পরকীয়া চটি গল্প শুরু হয়েছিল ব্যাংকের রেকর্ড রুমে এক গোপন সন্ধ্যায়, যেখানে সৌরভের একটা স্পর্শ বদলে দিল সবকিছু।
দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদ (পর্ব ২)
ভোরের ছাদে ধরা পড়ার ভয় সত্যি হলো। চায়ের দোকানের ছেলের ফোনে ওদের ছবি, দাবি বিশ হাজার টাকা। তানিয়া আর সায়ন রাতে নামল নিচে, আর তারপর দাদার ঘরে অপেক্ষা করছিল প্রতিশ্রুত সেই রাত।
বাংলা বউ চোদা: উপরের ফ্ল্যাটে গাছে জল দিতে গিয়ে শম্পা
বাংলা বউ চোদা: স্বামী হালদিয়ায়, শম্পা একা। উপরের ফ্ল্যাটের বিধুর অরিন্দম গাছে জল দিতে বলে, একদিন আগে ফিরে আসে, আর শুরু হয় নিষিদ্ধ খেলা।
যখন হাওড়া স্টেশনের পেছনের ছাপাখানার রাতের শিফট বন্ধ হল না তখন বিবাহিত প্রুফরিডার মেশিনম্যানের কালির হাতে নিজেকে সমর্পণ করল যা বিয়ের কার্ডে ছাপা যায়
হাওড়া স্টেশনের পেছনে পুরনো ছাপাখানা। বিয়ের কার্ডের প্রুফ। রাতের শিফটে মল্লিকা আংটি খুলে রফিকের হাতে নিজেকে সমর্পণ করল।
দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদ (পর্ব ১)
দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদে দেবর সায়নের সঙ্গে বৌদি তানিয়ার নিষিদ্ধ টান। দাদা শিলিগুড়ি যেতেই ছাদের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ হলো। পর্ব ১।
বাংলা দেওর বৌদি চটি: সুমনের ডায়েরি
একটি বাংলা দেওর বৌদি চটি যেখানে বৌদি রুমা দেওরের গোপন ডায়েরি পড়ে ফেলে। তারপর যা হয়, তা কেউ ভাবেনি।
বাংলા বৌদি চোদা 2026: দেওয়ালের ওপারের ফিসফিসানি
বাংলা বৌদি চোদা 2026: হাওড়ার ফ্ল্যাটে বৌদির ফিসফিসানি শুনে অর্কর ঘুম উড়ে গেল। অবহেলায় তৃষ্ণার্ত পিয়ালি বৌদি আর অপেক্ষা করতে চায় না। সেই রাতেই শুরু হলো নিষিদ্ধ খেলা।