মামি চটি গল্প: সল্টলেকে এক মাস, পার্ট ১
আমি কখনো ভাবিনি আমার নিজের জীবনটাই একদিন মামি চটি গল্প হয়ে যাবে। জুন মাসের সেই দুপুরে সেক্টর ফাইভের কোচিং থেকে আমি যখন তাড়াতাড়ি ফিরলাম, ফ্ল্যাটের দরজা খুলতেই বাথরুমের দরজাটা খুলে গেল। আর সেখান থেকে বেরিয়ে এলেন মামি, গায়ে শুধু একটা তোয়ালে জড়ানো, ভেজা চুল থেকে টপটপ করে পানি পড়ছে।
আমরা দুজনেই জমে গেলাম। মামির চোখ বড় বড় হয়ে গেল, তারপর হঠাৎ হেসে ফেললেন, "অর্ণব! তুই এত তাড়াতাড়ি চলে এলি?" তোয়ালেটা বুকের ওপর শক্ত করে চেপে ধরে তিনি তাড়াতাড়ি নিজের ঘরের দিকে ছুটলেন। আমি দরজার কাছেই দাঁড়িয়ে রইলাম, বুকের ভেতর ধকধক করছে।
আমার নাম অর্ণব, বয়স তেইশ। ব্যাংক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য সল্টলেকে মামার ফ্ল্যাটে এক মাস থাকতে এসেছি। মামা প্রদীপ শিলিগুড়িতে পোস্টেড, সপ্তাহান্তে বাড়ি আসেন। মামি সুতপার বয়স ছত্রিশ, স্কুলে পড়ান, এখন গরমের ছুটি চলছে।
সেই দুপুরের পর থেকে ফ্ল্যাটের হাওয়াটাই যেন বদলে গেল। আগে মামি আমার সামনে শাড়ির আঁচল ঠিকঠাক করে রাখতেন, এখন হঠাৎ করেই তিনি অনেক বেশি খোলামেলা হয়ে গেলেন। সন্ধেবেলা তিনি পাতলা নাইটি পরে বসার ঘরে টিভি দেখতে লাগলেন।
"কোচিং কেমন চলছে রে?" তিনি জিজ্ঞেস করলেন, পা দুটো সোফার ওপর তুলে। নাইটিটা হাঁটুর ওপরে উঠে গিয়েছিল। আমি চোখ সরাতে পারছিলাম না, আবার তাকিয়েও থাকতে পারছিলাম না।
"ভালোই," আমি বললাম, গলা শুকিয়ে আসছে। মামি হাসলেন। সেই হাসিতে কিছু একটা ছিল, যেন তিনি ঠিকই বুঝতে পারছেন আমি কোথায় তাকাচ্ছি।
পরের কয়েকদিন ছোট ছোট ঘটনা ঘটতে লাগল। একদিন সকালে তিনি বললেন, "অর্ণব, আমার ব্লাউজের হুকটা লাগিয়ে দে তো, হাত পৌঁছচ্ছে না।" আমি কাঁপা হাতে হুক লাগালাম। আমার আঙুল তার পিঠের নরম চামড়া ছুঁয়ে গেল। তিনি একটু কেঁপে উঠলেন।
"তোর হাত এত গরম কেন রে?" তিনি ফিসফিস করে বললেন, আয়নায় আমার চোখে চোখ রেখে। আমি কিছু বলতে পারলাম না। তিনি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ালেন। আমাদের মুখ দুটো খুব কাছে চলে এসেছিল।
সেদিন কিছু হলো না। তিনি শুধু আমার গালটা টিপে দিয়ে বললেন, "যা, দেরি হয়ে যাবে।" কিন্তু তার চোখে আমি স্পষ্ট আমন্ত্রণ দেখেছিলাম। কোচিংয়ে সারাদিন আমার মাথায় শুধু সেই দৃশ্যটাই ঘুরল।
রাতে খাওয়ার টেবিলে মামি হঠাৎ বললেন, "তোর মামা ফোন করেছিল। এই সপ্তাহে আসতে পারবে না, অফিসের কাজে আটকে গেছে।" তার গলায় কোনো দুঃখ ছিল না, বরং একটা চাপা উত্তেজনা। "মানে এই পুরো সপ্তাহটা শুধু আমরা দুজন।"
আমার বুকের ভেতরটা লাফিয়ে উঠল। মামি আমার প্লেটে আরেকটা মাছের টুকরো তুলে দিলেন। তার আঙুল আমার হাত ছুঁয়ে গেল, আর সরে গেল না। কয়েক সেকেন্ড আমরা সেভাবেই বসে রইলাম।
সেই রাতে আমি ঘুমোতে পারলাম না। পাশের ঘর থেকে মামির ফোনে কথা বলার আওয়াজ আসছিল। তারপর সব চুপ। আমি চোখ বন্ধ করলাম, কিন্তু চোখের সামনে ভাসছিল তোয়ালে জড়ানো সেই দুপুর, ব্লাউজের হুক, আয়নায় সেই দৃষ্টি।
পরের দিন সন্ধেবেলা মামি বললেন, "ঘাড়ে খুব ব্যথা করছে রে। একটু টিপে দিবি?" আমি রাজি হয়ে গেলাম। তিনি সোফায় বসে চুলগুলো সামনে নিয়ে এলেন। আমি তার পেছনে বসে ঘাড়ে হাত রাখলাম।
তার চামড়া ছিল গরম আর নরম। আমি আঙুল দিয়ে ঘাড় থেকে কাঁধ পর্যন্ত টিপতে লাগলাম। মামি চোখ বন্ধ করে "আহ্" করে একটা শব্দ করলেন। সেই শব্দে আমার শরীরে বিদ্যুৎ খেলে গেল।
"আরেকটু নিচে," তিনি ফিসফিস করলেন। আমার হাত তার পিঠের ওপর নেমে গেল। ব্লাউজের পাতলা কাপড়ের ভেতর দিয়ে আমি তার শরীরের গরম অনুভব করছিলাম। আমার সাহস বাড়ছিল।
আমি হাত দুটো সামনের দিকে নিয়ে গেলাম। মামি বাধা দিলেন না। আমার হাত তার বুকের ওপর পৌঁছতেই তিনি জোরে নিঃশ্বাস নিলেন। ব্লাউজের ওপর দিয়েই আমি তার শক্ত হয়ে ওঠা দুধের বোঁটা অনুভব করলাম।
"অর্ণব," তিনি কাঁপা গলায় বললেন, "তুই জানিস তুই কী করছিস?" আমি থামলাম না। আমি তার ব্লাউজের ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দিলাম। ব্রা ছাড়া নরম দুধ আমার হাতের মুঠোয় ভরে গেল।
মামি পেছন ফিরে আমার দিকে তাকালেন। তার চোখে এখন কোনো দ্বিধা ছিল না। তিনি আমার হাতটা ধরে নিজের বুকের ওপর চেপে ধরলেন। "আরো জোরে টিপ," তিনি ফিসফিস করলেন।
আমি তার দুধ দুটো পালা করে টিপতে লাগলাম, বোঁটাদুটো আঙুলে মুচড়ে দিলাম। মামি কাতরাতে লাগলেন, "উফ্, অর্ণব, এতদিন পর কেউ..." তার একটা হাত পেছনে বাড়িয়ে আমার প্যান্টের ওপর চেপে ধরল।
আমার ধোন তখন লোহার মতো শক্ত হয়ে প্যান্ট ফাটিয়ে বেরিয়ে আসতে চাইছিল। মামি প্যান্টের ওপর দিয়েই সেটা মুঠো করে ধরলেন, ধীরে ধীরে ওঠানামা করতে লাগলেন। আমি তার ঘাড়ে মুখ গুঁজে দিলাম।
ঠিক তখনই তার ফোনটা বেজে উঠল। স্ক্রিনে মামার নাম। আমরা দুজনেই ছিটকে সরে গেলাম। মামি তাড়াতাড়ি ব্লাউজ ঠিক করে ফোনটা ধরলেন, গলা একদম স্বাভাবিক।
"হ্যাঁ বলো... হ্যাঁ, অর্ণব কোচিং থেকে ফিরেছে... না না, সব ঠিক আছে।" ফোনে কথা বলতে বলতে তিনি আমার দিকে তাকালেন। তার চোখে দুষ্টুমির ঝিলিক। ফোনটা রেখে তিনি বললেন, "বাঁচা গেল।"
কিন্তু আমরা কেউই সোফা থেকে উঠলাম না। মামি আবার আমার কাছে সরে এলেন। "যেখানে থেমেছিলাম, সেখান থেকে শুরু করি?" তিনি বললেন। এবার তিনি নিজেই আমার প্যান্টের চেন খুলে দিলেন।
আমার ধোন বেরিয়ে আসতেই তিনি এক মুহূর্ত তাকিয়ে রইলেন। "বাবা, এত বড়!" তিনি হেসে বললেন। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে ধীরে ধীরে সেটা মুখে নিলেন।
আমার শরীরে যেন আগুন ধরে গেল। মামির গরম মুখ, তার জিভের খেলা, আমি সোফায় মাথা এলিয়ে দিলাম। তিনি কখনো জোরে চুষছিলেন, কখনো আলতো করে জিভ বোলাচ্ছিলেন।
"মামি, আমি... আমি আসছি," আমি হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম। তিনি মুখ থেকে বের করে হাত দিয়ে জোরে জোরে নাড়াতে লাগলেন। আমার মাল ছিটকে তার হাতে, সোফায় পড়ল।
আমরা দুজনেই হাঁপাচ্ছিলাম। মামি টিস্যু দিয়ে হাত মুছলেন, তারপর আমার কপালে একটা চুমু খেলেন। "এটা শুধু শুরু," তিনি বললেন। সেই রাতে আমি ঘুমোলাম এক অদ্ভুত উত্তেজনা নিয়ে।
পরের দিন সকালে রান্নাঘরে মামি চা বানাচ্ছিলেন। আমি পেছন থেকে এসে দাঁড়াতেই তিনি চমকে উঠলেন, তারপর হাসলেন। "চা খাবি?" তিনি জিজ্ঞেস করলেন। আমি মাথা নাড়লাম। চা খেতে খেতে আমাদের চোখ বারবার মিলছিল।
হঠাৎ তার হাত থেকে চামচটা পড়ে গেল। তিনি নিচু হয়ে তুলতে গেলেন। তার নাইটির গলা অনেকটা নিচে নেমে এল। আমি স্পষ্ট দেখলাম তার দুধের খাঁজ। তিনি উঠে আমার চোখে চোখ রেখে বললেন, "দেখলি?" আমি লজ্জায় মাথা নিচু করলাম।
"লজ্জা পাচ্ছিস কেন? কাল রাতে তো লজ্জা ছিল না," তিনি ফিসফিস করে বললেন। তারপর আমার কানে কানে বললেন, "আজ রাতে বারান্দায় আসিস, দশটার পর।" আমার হাত কাঁপছিল, চায়ের কাপ প্রায় পড়ে যাচ্ছিল।
সারাদিন কোচিংয়ে আমার মন বসেনি। স্যার কী পড়ালেন, কিছুই মাথায় ঢোকেনি। বারবার ঘড়ি দেখছিলাম। বন্ধুরা জিজ্ঞেস করল, "কী রে, এত অস্থির কেন?" আমি হেসে উড়িয়ে দিলাম।
রাতে খাওয়ার পর মামি টিভি দেখতে বসলেন। দশটা বাজতেই তিনি উঠে বারান্দায় গেলেন। আমি পাঁচ মিনিট পর গেলাম। বারান্দায় অন্ধকার, শুধু রাস্তার আলোর আভা। মামি রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
আমি পেছন থেকে তাকে জড়িয়ে ধরলাম। তিনি আমার হাতটা নিজের পেটের ওপর চেপে ধরলেন। "পাশের ফ্ল্যাটের লোকজন দেখতে পাবে," তিনি বললেন, কিন্তু সরলেন না। আমার হাত ধীরে ধীরে ওপরে উঠতে লাগল।
আমি নাইটির ওপর দিয়েই তার দুধ টিপতে লাগলাম। মামি রেলিং শক্ত করে ধরে "উম্ম্" করে শব্দ করলেন। তারপর হঠাৎ তিনি ঘুরে আমার ঠোঁটে ঠোঁট রাখলেন। অন্ধকার বারান্দায় আমরা পাগলের মতো চুমু খেতে লাগলাম।
তার একটা হাত আমার প্যান্টের ভেতরে ঢুকে গেল। আমার ধোন তখন পুরো শক্ত। তিনি সেটা ধরে ধীরে ধীরে নাড়াতে লাগলেন। "কাল রাতের কথা ভেবে ভেবে আমি পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম," তিনি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন।
আমি তার নাইটিটা কোমর পর্যন্ত তুলে দিলাম। আমার আঙুল তার গুদের ভেতরে ঢুকতেই তিনি আমার কাঁধ খামচে ধরলেন। ভেজা, গরম, টাইট। আমি দুটো আঙুল ঢুকিয়ে ভেতরে বাইরে করতে লাগলাম।
"অর্ণব, থাম, কেউ দেখে ফেলবে," মামি ফিসফিস করলেন, কিন্তু তার শরীর বলছিল অন্য কথা। তার কোমর আমার আঙুলের তালে তালে দুলছিল। হঠাৎ পাশের বারান্দায় আলো জ্বলে উঠল। আমরা ছিটকে সরে গেলাম।
মামি তাড়াতাড়ি নাইটি ঠিক করে নিলেন। পাশের ফ্ল্যাটের বউদি কাপড় তুলতে এসেছিলেন। তিনি চলে যেতেই আমরা দুজনে হেসে ফেললাম, কিন্তু বুক তখনো ধড়ফড় করছে। "ভেতরে চল," মামি বললেন।
পরের দুদিন আমরা সাবধানে চললাম। দিনের বেলা স্বাভাবিক, কিন্তু চোখে চোখ পড়লেই দুজনের মুখে হাসি ফুটত। মামি রান্নাঘরে আমার গা ঘেঁষে দাঁড়াতেন, বাসন মাজার সময় ইচ্ছে করে আমার হাতে হাত ঠেকাতেন।
তৃতীয় রাতে খাওয়ার পর মামি বললেন, "আজ খুব গরম। তুই আমার ঘরে শুবি? এসিটা ওখানেই ভালো চলে।" আমার বুক ধড়ফড় করতে লাগল। আমি মাথা নাড়লাম।
মামির ঘরে ঢুকে দেখলাম তিনি ইতিমধ্যে একটা পাতলা সাদা নাইটি পরে বিছানায় বসে আছেন। ভেতরে কিছু পরেননি, সেটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। আলোটা তিনি কমিয়ে দিলেন।
"এসো," তিনি বিছানায় হাত চাপড়ে বললেন। আমি তার পাশে বসলাম। তিনি আমার মুখটা দুহাতে ধরে ঠোঁটে ঠোঁট রাখলেন। এটা ছিল আমাদের প্রথম সত্যিকারের চুমু, গভীর, ভেজা, জিভে জিভে।
আমার হাত তার নাইটির ভেতরে ঢুকে গেল। তার পিঠ, তার কোমর, তার নিতম্ব, সব আমার হাতের মুঠোয়। মামি আমার গেঞ্জিটা খুলে ফেললেন, আমার বুকে মুখ ঘষতে লাগলেন।
আমি তার নাইটিটা মাথার ওপর দিয়ে খুলে দিলাম। তারপর ব্লাউজের হুকগুলো এক এক করে খুললাম। তার ভারী দুধ দুটো মুক্ত হয়ে ঝুলতে লাগল। আমি একটা মুখে নিলাম, আরেকটা হাতে টিপতে লাগলাম।
"উম্ম্, অর্ণব," মামি কাতরাতে লাগলেন। তার হাত আমার পিঠ খামচে ধরল। আমি তার বোঁটায় আলতো কামড় দিলাম। তিনি শিউরে উঠলেন।
আমি নিচে নামতে লাগলাম। তার পেট, তার নাভি, চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দিলাম। তার শায়ার দড়িটা খুলে দিতেই সেটা নিচে পড়ে গেল। তার গুদ আমার সামনে উন্মুক্ত।
আমি মুখ নামিয়ে আনলাম। আমার জিভ তার গুদের ভেতরে ঢুকতেই মামি জোরে চিৎকার করে উঠলেন, তারপর নিজের মুখ চেপে ধরলেন। "আস্তে, পাশের ফ্ল্যাট শুনতে পাবে," তিনি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন।
কিন্তু আমি থামলাম না। আমি তার গুদ চুষতে লাগলাম, জিভ দিয়ে ভেতরে বাইরে খেলতে লাগলাম। মামির শরীর ধনুকের মতো বেঁকে যাচ্ছিল। তার হাত আমার চুল খামচে ধরেছিল।
"আমি আসছি, অর্ণব, আমি আসছি," তিনি ফিসফিস করে চিৎকার করলেন। তার গুদ থেকে গরম রস বেরিয়ে আমার মুখ ভিজিয়ে দিল। তিনি কাঁপতে কাঁপতে বিছানায় এলিয়ে পড়লেন।
আমি উঠে এলাম। আমার ধোন তখন ফেটে যাওয়ার মতো শক্ত। মামি চোখ খুলে সেটা দেখে হাত বাড়ালেন। "এসো," তিনি বললেন, পা দুটো ছড়িয়ে দিয়ে। "আজ তুমি আমার।"
আমি তার ওপরে উঠলাম। আমার ধোনের ডগা তার ভেজা গুদের মুখে ঠেকতেই আমরা দুজনেই কেঁপে উঠলাম। মামি আমার কোমর জড়িয়ে ধরে ফিসফিস করলেন, "ঢোকাও, পুরোটা ঢোকাও।"
আমি ধীরে ধীরে চাপ দিলাম। তার গরম, টাইট গুদ আমার ধোনটাকে গিলে নিতে লাগল। মামি চোখ বন্ধ করে "আহ্" করে উঠলেন। আমি আরেকটু চাপ দিলাম, পুরোটা ভেতরে ঢুকে গেল।
আমি ঠাপাতে শুরু করলাম, প্রথমে ধীরে, তারপর জোরে। বিছানাটা ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ করতে লাগল। মামি আমার প্রতিটা ঠাপে "উফ্, আরো, আরো জোরে" বলে কাতরাচ্ছিলেন।
হঠাৎ মামি আমাকে থামিয়ে নিজে ওপরে উঠে এলেন। তিনি আমার ধোনের ওপর বসে লাফাতে লাগলেন। তার দুধ দুটো লাফাচ্ছিল, আমি সেগুলো মুখে নিলাম। ঘর ভরে গেল আমাদের হাঁপানির শব্দে।
"অর্ণব, তুই আমাকে পাগল করে দিচ্ছিস," মামি হাঁপাতে হাঁপাতে বললেন। তার গতি বাড়ছিল। আমারও শেষ সময় ঘনিয়ে আসছিল। "আমি আসছি, মামি," আমি বললাম।
ঠিক সেই মুহূর্তে, ফ্ল্যাটের মূল দরজায় চাবি ঘোরার শব্দ হলো। খটাং। আমরা দুজনেই পাথর হয়ে গেলাম। বাইরে থেকে একটা চেনা গলা ভেসে এল, "সুতপা! দরজা খোলো, আমি চাবি ভুলে..."
মামার গলা। প্রদীপ মামা একদিন আগেই ফিরে এসেছেন। আর আমরা দুজন বিছানায় সম্পূর্ণ নগ্ন, আমার ধোন তখনো মামির ভেতরে। দরজার ওপাশে চাবি আবার ঘুরল।
মামি চটি গল্প: পার্ট ২, শেষ রাতের সল্টলেক
Readers who enjoyed “মামি চটি গল্প: সল্টলেকে এক মাস, পার্ট ১” also read
8 curated storiesকাকিমা চটি গল্প: সেলাই ঘরের গরম দুপুর
চাকরি হারিয়ে বাড়ি ফেরা রাজিবকে পাড়ার শেফালি কাকিমা ডাকলেন ভারী সেলাই মেশিন সরানোর কাজে। সেলাই ঘরের গরম দুপুরে যা ঘটল, তা এই কাকিমা চটি গল্পে পুরোটা লেখা আছে।
বাংলা পরকীয়া চটি গল্প: রেকর্ড রুমের গোপন সন্ধ্যা
রুমার জীবনের এই বাংলা পরকীয়া চটি গল্প শুরু হয়েছিল ব্যাংকের রেকর্ড রুমে এক গোপন সন্ধ্যায়, যেখানে সৌরভের একটা স্পর্শ বদলে দিল সবকিছু।
দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদ (পর্ব ২)
ভোরের ছাদে ধরা পড়ার ভয় সত্যি হলো। চায়ের দোকানের ছেলের ফোনে ওদের ছবি, দাবি বিশ হাজার টাকা। তানিয়া আর সায়ন রাতে নামল নিচে, আর তারপর দাদার ঘরে অপেক্ষা করছিল প্রতিশ্রুত সেই রাত।
বাংলা বউ চোদা: উপরের ফ্ল্যাটে গাছে জল দিতে গিয়ে শম্পা
বাংলা বউ চোদা: স্বামী হালদিয়ায়, শম্পা একা। উপরের ফ্ল্যাটের বিধুর অরিন্দম গাছে জল দিতে বলে, একদিন আগে ফিরে আসে, আর শুরু হয় নিষিদ্ধ খেলা।
যখন হাওড়া স্টেশনের পেছনের ছাপাখানার রাতের শিফট বন্ধ হল না তখন বিবাহিত প্রুফরিডার মেশিনম্যানের কালির হাতে নিজেকে সমর্পণ করল যা বিয়ের কার্ডে ছাপা যায়
হাওড়া স্টেশনের পেছনে পুরনো ছাপাখানা। বিয়ের কার্ডের প্রুফ। রাতের শিফটে মল্লিকা আংটি খুলে রফিকের হাতে নিজেকে সমর্পণ করল।
দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদ (পর্ব ১)
দাদা বৌদি চটি গল্প: ভোরের ছাদে দেবর সায়নের সঙ্গে বৌদি তানিয়ার নিষিদ্ধ টান। দাদা শিলিগুড়ি যেতেই ছাদের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ হলো। পর্ব ১।
বাংলা দেওর বৌদি চটি: সুমনের ডায়েরি
একটি বাংলা দেওর বৌদি চটি যেখানে বৌদি রুমা দেওরের গোপন ডায়েরি পড়ে ফেলে। তারপর যা হয়, তা কেউ ভাবেনি।
বাংলા বৌদি চোদা 2026: দেওয়ালের ওপারের ফিসফিসানি
বাংলা বৌদি চোদা 2026: হাওড়ার ফ্ল্যাটে বৌদির ফিসফিসানি শুনে অর্কর ঘুম উড়ে গেল। অবহেলায় তৃষ্ণার্ত পিয়ালি বৌদি আর অপেক্ষা করতে চায় না। সেই রাতেই শুরু হলো নিষিদ্ধ খেলা।